Monday, June 29, 2026

কালীগঞ্জের এক প্রাথমিক প্রধান শিক্ষকের বিভিন্ন অপকর্মের বিরুদ্ধে অভিভাবকবৃন্দ অতিষ্ঠ প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ

 


কালিগঞ্জ ব্যুরোঃ  সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার মথুরেসপুর ইউনিয়নের ১৬ নম্বর ছনকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অভিভাবকদের ভুল বোঝানো, সদউত্তর না দিয়ে খামখেয়ালীপানা উত্তর, ক্লাস চলাকালীন স্কুল মাঠে মোবাইল নিয়ে কথাবার্তায় ব্যস্ত, স্কুল চলাকালীন শনিবারে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নাম ভাঙিয়ে উপজেলার বিভিন্ন চায়ের দোকানে স্মোকিংয়ে সময় কাটানো,বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজনীতির ব্যক্তির নাম ভাঙিয়ে দাপুটে চলাফেরা,অপকর্ম ঢাকতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ডিগ্রী পাস না হওয়ার সত্বেও একাধিকবার ফুফাত ভাইকে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বানানো,এলাকার শিক্ষানারাগী ব্যক্তি ও অভিভাবক অভিভাবিকা এবং দাতা সদস্য কোনো বিষয় নিয়ে তার কাছে গেলে   সঠিক ধারায় কথা না বলে উল্টোপাল্টা ভূগোল পড়িয়ে মিসগাইড করা,আওয়ামী লীগ আমলে আওয়ামী লীগের নেতার দ্বারা দাতাদের অতিরিক্ত জমি স্কুলে বাউন্ডারি ভিতরে ঢুকে নিয়ে সে জমি রেজিষ্টি করে নিতে অনিচ্ছা ও অপারগতা প্রকাশ এসব কিছু জেন তার চিরচরিত নিয়মে পরিণত করে চলেছে এই প্রধান শিক্ষক।নামটি তার আমির খসরু মাহমুদ। এসব চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ শ্রেণিকক্ষে ক্লাস বাদ দিয়ে স্কুলের বাইরে উন্মুক্ত মাঠে  মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত খোশ গল্পে।  ২৯ জুন সোমবার তিনটা ত্রিশ মিনিট।তিনি স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশোনা বাদ দিয়ে স্কুলের রাজনীতি এবং গার্জিয়ানদের ভূগোল পড়ানোই ব্যস্ত। প্রত্যেকদিন স্কুলের নামমাত্র সই করে উপজেলা অফিসের কাজের নাম করে চলে যায় নাজিমগঞ্জ উপজেলার চায়ের দোকানে স্মোকিংয়ে। নাজিমগঞ্জ বাজারের খেয়াঘাটের মোড়ে চায়ের দোকানে গিলেই প্রতিদিনই স্কুল চলাকালীন সময়ে  রুটিন মাপিক দেখা মিলবে তাকে।আর প্রতি স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠন করার মৌসুমেই তার রাজনীতির মাত্রাটা একটু বেড়ে যায়।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে  স্বাস্থ্যমন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হক সাহেবের নাম ভাঙিয়ে শিক্ষকতার মহান পেশায় থেকে  চলেছে দাপটে ১৫টি বছর। ছনকা স্কুলের ম্যানেজিং কমিটিতে বিএ পাস না তবুও তাকে কয়েকবার দফাই দফায় ফুফাতো ভাইকে সভাপতি জোকসকে বানিয়েছে  এই সমালোচিত প্রধান শিক্ষক।সে কাজে বাধা দেওয়ায় অভিভাবক সদস্য এবং দাতা সদস্যকে তদানীন্তন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তদানীন্তন আওয়ামী লীগের লিডারদের সহযোগিতায় এই প্রধান শিক্ষক তাদেরকে লাঞ্ছিত করে।৫ ই আগস্ট এর পরে এই প্রধান শিক্ষক বনে যাই ডাক্তার শহিদুল ইসলামের আস্থাভাজন ব্যক্তি। এবার শহিদুল ইসলামের নাম ভাঙিয়ে তার অপরাধের মাত্রাটা একটু বেড়ে যায়।২০২৬ ম্যানেজিং কমিটির কমিটি গঠনের কোন অভিভাবক সদস্যকে না জানিয়ে তিনি দায়সারা  ভাবে বাচ্চাদের বলে তড়িঘড়ি করে ১৬ তারিখের মধ্যে তার নিজের ফুফাতো ভাই দ্বারা ১১ জন সদস্যকে ফরম পূরণ করিয়ে নেয়।১৮ তারিখে শুধুমাত্র দাতা সদস্যদের কাছে তিনি চিঠি প্রেরণ করে।ফুফাতো ভাইয়ের অনুকূলের ব্যক্তিদেরকে কোরাম পূরণ করিয়ে নেয়।১২ সদস্যের বিপরীতে কেউ কেউ সদস্য ফর্ম  সংগ্রহ করতে গেলে তাদেরকে বলে ডেট শেষ হয়ে গেছে ভাই।২৯ শে জুন সোমবার প্রতিকার  চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন অভিভাবক সদস্য শেখ শফিকুল ইসলাম, নাজমুন নাহার,শেখ শফিকুল ইসলাম আবুল হায়াত,আশরাফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, বৈশাখী, আসমা খাতুন,শেখ জাফর ইকবাল, শেখ আতাউর রহমান, শেখ আমজাদ হোসেন, আব্দুস সামাদ, শহিদুল ইসলাম সহ অত্র অঞ্চলের শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকবৃন্দ।শিক্ষানুরাগী ও অভিভাবকবৃন্দের অনেকেই এ প্রতিনিধিকে জানায় ওই প্রধান শিক্ষক শিক্ষকতার মহান পেশায় না এসে যদি রাজনীতির চর্চা করতো তাহলে দেশের রাজনীতি অঙ্গনে অনেক কিছু উপহার দিতে পারতো। এদিকে এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক  শিক্ষা অফিসার দীপক কুমারকে জানানো হলে তিনি এ প্রতিনিধিকে জানান কোন অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।সাংবাদিক ভাই অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেনতো,বিষয়টি অবশ্য গুরুত্ব সহকারে দেখার জন্য তিনি আশ্বস্ত করেন।এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন শাহ কে জানানো হলে তিনি বলেন অফিসের অভিযোগ জমা দেন আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিচ্ছি। অত্র প্রধান শিক্ষক আমির খসরুর ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭১৭৮৩৪৫২১ নাম্বারে এ প্রতিনিধি যোগাযোগ করলে প্রথম তিনবার রিং না হলেলেও পরে রিং হলেও  মোবাইল রিসিভ না হওয়ায় কোন বক্তব্য নেবার সম্ভব হয় নাই।


No comments:

Post a Comment