Saturday, June 27, 2026

প্রশাসনের নিরব ভূমিকা: সাতক্ষীরা শহরে মাদকের ছড়াছড়ি



সাতক্ষীরা প্রতিবদেক: সাতক্ষীরা ভোমরা  ভারত সীমান্ত   বিভিন্ন রুট দিয়ে  মানবদেহের ক্ষতিকারক  মরণ নেশা মাদক  প্রবেশ করছে  সাতক্ষীরা শহরে  ছড়িয়ে পড়েছে অলিতে-গলিতে   সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে হাত বাড়ালেই পাওয়া  যাচ্ছে ইয়াবা, গাঁজা, কোরেক্স, বিভিন্ন বিদেশি মদ সহ সব ধরণের মাদক।

বিশেষ করে ভয়ংকর ভাবে ছড়িয়ে পড়েছে  ইয়াবা  পুরা শহর সেই সাথে বেড়েছে চুরি ছিনতাই ধর্ষণ ইভটিজিং সহ নানা  অপরাধ প্রবণতা।   সাতক্ষীরা শহরের  বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মাদক প্রতিবাদ করলেই দেওয়া হচ্ছে হত্যার হুমকি।

তথ্য অনুসন্ধানে উঠে এসেছে , শহরের চিহ্নিত কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ীর নাম সরদার পাড়া এলাকার কালুর ছেলে সাইফুল ইসলাম,  সাইদুল ইসলাম,  মধুমালার ডাঙ্গী এলাকার  শাওন,  পিতা সম্রাট আলমগীর হোসেন, পিতা আবদুল বারী রসুলপুর  এলাকার রুবেল,  রাশেদ,  ইকবাল,  হানিফ,  মাসুম বিল্লাহ,  এছাড়া ইটাগাছা এলাকার কুখ্যাত মাদকসম্রাট  একাধিক মাদক মামলার আসামি হালিম মাস্টার  ও শালক  শামীম, সহ একাধিক মাদক ব্যবসায়ী সক্রিয় ভাবে মাদক ব্যবসা করে যাচ্ছে

এ সকল মাদক ব্যবসায়ী বিরুদ্ধে  একাধিক ও মামলা অভিযোগ থাকলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে না  শুধু নাম মাত্র  অভিযান পরিচালনা করে থাকেন।

সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মাদকের বিরুদ্ধে  আমাদের পুলিশর অভিযান অব্যাহত রয়েছে কোন মাদক ব্যবসায়ীকে আমরা ছাড় দেবো না এবং মাদক ব্যবসায়ীরা  যত শক্তিশালী হোক না কেন আমরা তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবো

মাদক বিরোধী কমিটির কয়েকজন সদস্য জনান সাতক্ষীরা শহরে যেভাবে মাদক ছড়িয়ে পড়েছে তা ভয়াবহ রুপ নেবে এবং আগামী তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।  সরকারের উচিত কঠোর হস্তে মাদক ব্যবসায়ীদের নির্মূল করে শাস্তির আওতাই নিয়ে আসা

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক  একজন রাজনীতিবিদ জানান আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা গুলোর নিরব ভূমিকার জন্য মাদকের এই ভয়াবহ আগ্রাসন সাতক্ষীরায় ছড়িয়ে পড়েছে  জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র নিউমার্কেট মোড়, কামালনগর, বাঁকাল, ইটাগাছা-বাঙ্গালের মোড়, পলাশপোল, হাটেরমোড়, সুলতানপুর, পুরাতন সাতক্ষীরা, রাজারবাগান, রসুলপুর, গড়েরকান্দা, চালতেতলা, আমতলা, মিলবাজার, মাগুরা, বিনেরপোতা, লাবসা, যুগরাজপুর, দেবনাগর, মথুরাপুর, লাবসা বাইপাস সড়কের একাধিক স্থানে অনেকটাই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবাসহ বিভিন্নধরনের মাদক।

এছাড়াও ফোনে বা অনলাইনেও অর্ডার করলে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছে দিচ্ছে চাহিদা অনুযায়ী মাদক। আর শহরের আসপাশে ঝাউডাঙ্গা গোবিন্দকাটি, তুযুলপুর, আলিপুর, বাদামতলা, পুরো ভোমরা ইউনিয়ন জুড়ে রয়েছে ইয়াবাসহ সবধরনের মাদকের আড়ত। আর এই মাদক বিকিনিতে গড়ে উঠেছে বহু ছোট-বড়ো মাদক চোরাকারবারি চক্র।

এসব এলাকায় মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের এক এক করে নামও বলা সম্ভব। মাদক সাথে জড়িতদের দীর্ঘ তালিকাও রয়েছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাছে। বিজিবি, পুলিশ, জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় চোরাকারবারিরা বেপরোয়া ভাবে ভারত থেকে চোরাপথে মাদক আমদানি করে তা সরবরাহ করছে সাতক্ষীরা জেলাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

অপরদিকে দিনদিন জেলা ব্যাপী মাদকাসক্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে দেখার কেউ নেই।

Labels: , , ,

নগরঘাটায় বিপ্লবী পাঠাগারের পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত



নিজস্ব প্রতিনিধি : “পড়িলে বই আলোকিত হই, না পড়িলে বই অন্ধকারে রই”— এই শ্লোগানকে সামনে রেখে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার নগরঘাটায় ‘বিপ্লবী পাঠাগারে’র উদ্যোগে পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে পাঠাগার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিপ্লবী পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর মো. এছাহক আলী। মো. রায়হান হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন মো. জাহিদ হাসান এবং শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা পাঠ করেন দীপ ব্যানার্জী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরস্কার বিতরণ করেন নগরঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. মহব্বত আলী সরদার। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “কেবল পাঠ্যবই নয়, বরং পাঠাগারে রক্ষিত জ্ঞানগর্ভ বইগুলো পড়ার অভ্যাস গড়তে হবে। সুশৃঙ্খল জীবনযাপন ও নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমেই একজন শিক্ষার্থী ভবিষ্যতে দেশের সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।”

সভাপতির বক্তব্যে মেজর মো. এছাহক আলী বলেন, “মেধা মননের বিকাশে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। পাঠাগারে নিয়মিত জ্ঞানচর্চা এবং পাশাপাশি সৃজনশীল কাজে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও বিপথগামী সংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে হবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সমাজসেবক ও সাবেক ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ডা. তরুণ কুমার বিশ্বাস, ডা. ফিরোজ হোসেনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং অভিভাবকরা।

পাঠ প্রতিযোগিতায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য মো. আবু রায়হান, ইশরাত আরা মিম এবং ইফফাত আরা মমকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এলাকার তরুণ পাঠকদের বইপড়া ও জ্ঞানচর্চায় উৎসাহিত করতে এই পাঠাগার নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

Labels: , ,

কৃষির উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তির বিকল্প নেই” — অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ এমপি



কলারোয়া প্রতিনিধি: কৃষির উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ।


তিনি বলেন, কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। পাশাপাশি টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।


শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টায় কলারোয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্পর্কে উদ্বুদ্ধ ও দক্ষ করে তুলতে আয়োজিত পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস-২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, কলারোয়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ কংগ্রেস কৃষি ও গ্রামীণ রূপান্তর, পুষ্টি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিবিষয়ক প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্পটি বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।


কলারোয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. রফিকুল ইসলাম, সাতক্ষীরা খামারবাড়ির উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা শাখার আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, কলারোয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা কামরুজ্জামান এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কলারোয়া উপজেলা শাখার মুখপাত্র মো. রইছ উদ্দীন।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম।


কংগ্রেসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত কৃষক-কৃষাণীরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তারা বলেন, মাঠপর্যায়ে কৃষি সম্প্রসারণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং একটি আধুনিক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

Labels: , ,

মাদকের বিরুদ্ধে যখন উত্তাল সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ, তখনই ভাইরাল স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার কথিত ইয়াবা সেবনের ভিডিও! জনমনে তীব্র ক্ষোভ

 



হাফিজুর রহমান কালীগঞ্জ প্রতিনিধি :  মাদকের বিরুদ্ধে যখন সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলাজুড়ে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন একযোগে সোচ্চার, ঠিক সেই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আলোড়ন।


ভিডিওটিতে কথিতভাবে কাজী আবু সাঈদ সোহেল-কে মাদক, বিশেষ করে ইয়াবা সেবন করতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর মুহূর্তেই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং উপজেলা জুড়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের মনে একের পর এক প্রশ্ন উঠছে—যদি ভিডিওটি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে মাদকের বিরুদ্ধে চলমান সামাজিক আন্দোলনের বার্তা কোথায় দাঁড়াবে? জনসম্মুখে থাকা ব্যক্তিদের নৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।


এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নয়, বরং নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়াই জরুরি। ভিডিওটি আসল নাকি সম্পাদিত—তা আধুনিক ফরেনসিক প্রযুক্তির মাধ্যমে যাচাই করে প্রকৃত সত্য জনগণের সামনে তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সচেতন মহলের বক্তব্য, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান কেবল বক্তব্যে নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও প্রতিফলিত হতে হবে। আর অভিযোগ যদি মিথ্যা হয়, তবে সেটিও দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া উচিত।

Labels: ,

শ্যামনগরে মা’য়ের দাঁত ভাঙলো ছেলে

 


শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আনোয়ারা বেগম(৭২) নামে এক বৃদ্ধা নারীর মুখে লাথি মেরে লাঠি দ্বারা আঘাত করে দাঁত ভেঙে দিয়েছে তারই এক গুনধর ছেলে। পারিবারিক কলহের জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার কলবাড়ি গ্রামে। পরবর্তীতে স্বজনরা উদ্ধার করে ঐ বৃদ্ধাকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। রাতে ভুক্তোভোগী ঐ নারী মারধরের অভিযোগে নিজ সন্তান মনিরুল ইসলামের  বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করে। 

ভুক্তোভোগী বৃদ্ধার ছোট ছেলে আফতাবুজ্জামান জানান তার বড় ভাই মনিরুল ইসলাম উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। একই বাড়িতে অবস্থানের কারনে দীর্ঘদিন ধরে তার বড় ভাই ও ভাবি মায়ের উপর নানাভাবে অত্যাচার করছিল। শুক্রবার তুচ্ছ কোন পারিবারিক বিষয়ে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে মনিরুল তার মায়ের মুখে লাথি দিলে সামনের একটি দাঁত ভেঙে যায়। এঘটনায় ভাবি ফেরদৌসি ইসলাম ঝর্ণাসহ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে তার মা মামলা করেছে। 

অভিযুক্ত মনিরুল ইসলামের মুটোফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে কথা বলা যায়নি। 

শ্যামনগর থানার ওসি তদন্ত পিয়ার উদ্দীন জানান, এ ব্যাপারে যথাযথ আইনী পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

Labels: , ,

ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদে দান ও ভক্তির মহোৎসব: ১৩ সিন্দুকে মিলল রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা

 


এ.এস.এম হামিদ হাসান : ভক্তি আর বিশ্বাসের অনন্য এক প্রতীক কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদ। এবার দীর্ঘ ৬ মাস পর মসজিদের সিন্দুকগুলো খোলার পর দেখা গেল দানের টাকার এক বিশাল পাহাড়!


শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৭টায় মসজিদের ১৩টি দান সিন্দুক খোলা হলে একে একে বেরিয়ে আসে রেকর্ড ৪৩ বস্তা টাকা। টাকার পাশাপাশি সিন্দুকে মিলেছে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও।

​সিন্দুকগুলো খোলার পর মসজিদের মেঝেতে টাকা ঢেলে শুরু হয় উৎসবমুখর পরিবেশে বিশাল এক গণনাযজ্ঞ।


​টাকার পাহাড়ে ৫০০ মানুষের ‘গণনযজ্ঞ’

​সকাল থেকে শুরু হওয়া এই টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন প্রায় ৫০০ মানুষ। 


টাকা গণনায় নিয়োজিত ছিলেন,​জামিয়া ইমদাদিয়া মাদ্রাসার৩০০ জন শিক্ষার্থী,

​পাগলা মসজিদ মাদ্রাসার ১০৬ জন শিক্ষার্থী, ​রূপালী ব্যাংক কিশোরগঞ্জ শাখার  ১৩০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী,

​পাগলা মসজিদের ৩৫ জন স্টাফ,

​জেলা প্রশাসনের১৯ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী।


এছাড়াও ​অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের সভাপতিত্বে ৭ সদস্যের একটি উপকমিটি পুরো গণনা কার্যক্রমটি তদারকি করছে।


​দান সিন্দুক খোলার ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুস সাকিব খান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও দান সিন্দুক খোলা কমিটির আহ্বায়ক মো. এরশাদুল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


​​টাকা গণনার এই বিশাল কর্মযজ্ঞকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন ও নিটোল নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো কার্যক্রমটি সার্বক্ষণিক পাহারা দিচ্ছেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নিয়োজিত আছেন,​নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৩ জন,​পুলিশ সদস্য ৪০ জন,​র‌্যাব সদস্য ৮ জন,​আনসার সদস্য ২০ জন।

​জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানান, মসজিদের ১০টি স্থায়ী সিন্দুক এবং ৩টি অস্থায়ী ট্রাংক দানবাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর আগে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর (৩ মাস ২৭ দিন পর) সিন্দুক খুলে পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। সেই টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে মসজিদের অ্যাকাউন্টে জমা রয়েছে।


​বর্তমানে পাগলা মসজিদের মূল তহবিলে মোট ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা জমা রয়েছে। ​ডিজিটাল যুগে মানুষের সুবিধার্থে চালু করা হয়েছে www.paglamosque.org ওয়েবসাইট, যার একটি বাংলা সংস্করণও রয়েছে। এখন পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে ২৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮৮২ টাকা অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে।


​​ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষ এই মসজিদে নগদ টাকা ছাড়াও হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল ও সোনা-দানা দান করে থাকেন। এই বিপুল পরিমাণ দানের টাকা মানবতার সেবায় ও 

​ মসজিদ কমপ্লেক্স মাদ্রাসার ১৩০ জন এতিম ও অসহায় শিক্ষার্থীর সম্পূর্ণ লেখাপড়া ও ভরণপোষণের খরচ জোগানো হয়।


​এছাড়াও তহবিলের লভ্যাংশ থেকে কিশোরগঞ্জ জেলার দরিদ্র ও অসহায় রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি মসজিদের ৩৫ জন কর্মচারী ও ১০ জন আনসার সদস্যের বেতন এবং বিদ্যুৎ বিলসহ যাবতীয় উন্নয়নমূলক ব্যয় এখান থেকে মেটানো হয়।


​জেলা প্রশাসক আরও জানান, পাগলা মসজিদকে আন্তর্জাতিক মানের করতে একটি আধুনিক ও নান্দনিক ইসলামিক কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। এ লক্ষ্যে মসজিদ কমপ্লেক্স ও কবরস্থানের মধ্যবর্তী ৫৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ জমি ইতোমধ্যে মসজিদের নামে কেনা হয়েছে। বর্তমানে কমপ্লেক্সের নান্দনিক নকশা (ডিজাইন) প্রণয়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদের বাইরে পাবলিক টয়লেট নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।

Labels:

নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরসের উদ্যোগে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন বিষয়ক আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত



মো. হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা:সৌদি আরব ও বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত হজ ও ওমরাহ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরস (লাইসেন্স নং-৫১৮)-এর উদ্যোগে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা শহরের মুনজিতপুর এলাকায় একাডেমি মসজিদ রোডস্থ আল-আকসা মসজিদ সংলগ্ন নাঈম ইন্টারন্যাশনালের নিজস্ব হজ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন, সরকারি নীতিমালা, নিবন্ধন প্রক্রিয়া, হজের পূর্বপ্রস্তুতি, হজের গুরুত্ব এবং ওমরাহ সেবাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, হজ পালনে আগ্রহীদের সময়মতো প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে নিরাপদ ও সুষ্ঠুভাবে হজ পালন নিশ্চিত করতে সরকার অনুমোদিত হজ এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরসের স্বত্বাধিকারী আলহাজ মাওলানা আব্দুল হাদী, ড. মুফতি আক্তারুজ্জামান, আলহাজ নজরুল ইসলাম, আলহাজ আব্দুল রাজ্জাক, আলহাজ গোলাম মোর্তজা, আলহাজ মাওলানা মহাসীনুর রহমান, আলহাজ কাজী শামসুর রহমানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


আয়োজকরা জানান, ২০২৭ সালের হজযাত্রীদের প্রাক-নিবন্ধন ও বুকিং কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা চলমান রয়েছে। আগ্রহী হজযাত্রীদের দ্রুত প্রাক-নিবন্ধন সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নাঈম ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস এন্ড টুরসের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

Labels: ,

সাতক্ষীরা মারিয়া সুলতানা টুম্পার বিরুদ্ধে মানুষকে মামলা দিয়ে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি অভিযোগ-৪০ পর্বের-প্রথম পর্ব



নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা মারিয়া সুলতানা টুম্পার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে। অভিযোগকারীদের ভাষ্যমতে, তার কর্মকাণ্ড নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকাজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা চলে আসছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, টুম্পার সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়লে অনেককেই বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এমনকি তার নিজ পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়রাও এসব বিতর্ক থেকে রেহাই পাননি বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, চাচাতো ভাইদের সঙ্গেও তার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে এলাকায় একাধিকবার উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়াও, বিভিন্ন ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে অপপ্রচার, হয়রানিমূলক আচরণ এবং বিভিন্ন ধরনের চাপ প্রয়োগের অভিযোগ তুলেছেন তার কথামতো না চললেই বিবর্ণ কেন্দ্র নেতাদের ব্যবহার করছে মারিয়া সুলতানা টুম্পা । তাছাড়া অভিযোগ রয়েছে তিনি নিজের মাকে হত্যা করে আলোচনা এসেছেন আর এই অপকার মোড় সাথে যুক্ত আছেন কিছু বিএনপি'র ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতারাও পরবর্তী পর্বেই এসব নেতাদের  নাম প্রকাশ করা হবে।



স্থানীয় সচেতন মহল বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, অভিযোগগুলো সত্য হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত, আর অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে সংশ্লিষ্টদেরও আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মারিয়া সুলতানা টুম্পার বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।

Labels: ,

মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয়ে সাতক্ষীরায় জেলা জামায়াতের যুববিভাগের মাদকবিরোধী র‍্যালি



মো. হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা: আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


 শনিবার (২৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টায় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর যুববিভাগের উদ্যোগে এ র‍্যালির আয়োজন করা হয়।


র‍্যালিটি শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে শুরু হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট মোড় ও তুফান মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে শেষ হয়।


 র‍্যালিতে জেলা ও পৌর পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক তরুণ অংশগ্রহণ করেন।


র‍্যালিতে নেতৃত্ব দেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের যুববিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা রুহুল আমিন।


এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়াতের আমির জাহিদুল ইসলাম, সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আবু তালেব, সদর যুববিভাগের সভাপতি আনিছুর রহমানসহ জেলা ও পৌর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।


র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা মাদকের ভয়াবহ কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন স্লোগান দেন। বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তির নয়, একটি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্যও মারাত্মক হুমকি। তাই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে তরুণদের সচেতন করার পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।


বক্তারা আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসের মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের যুববিভাগ এ সচেতনতামূলক র‍্যালির আয়োজন করেছে।

Labels: ,

শ্যামনগর মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত



মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক ও জনসেবামূলক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শ্যামনগর মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত দেশ-প্রবাসী সদস্যসহ সবার কল্যাণ কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (২৬ জুন ) দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল দুটি মাদ্রাসায় কুরআনের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে কুরআন তেলাওয়াত, বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপ নির্ণয়, রক্তদান কর্মসূচি, দুটি অক্সিজেন মিটার সংযোজন, ফলজ বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ, তাহফীযুল কুরআন বিতরণ, কুরআন তেলাওয়াত ও বক্তৃতা প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

এছাড়া দুটি মাদ্রাসায় উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়। ইফতারের পূর্বে কুরআনের পাখি মাদ্রাসার হুজুর, স্বেচ্ছাসেবী ও আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশ-প্রবাসী সদস্যসহ সবার জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।


Labels: ,

সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী'র সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধ; বাহিনী প্রধানসহ আটক ২, নিহত ১ এবং অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার



সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।


বর্তমান সরকারের নির্দেশনায় সুন্দরবনে সক্রিয় সকল বনদস্যু বাহিনী নির্মূল এবং বনজীবী, জেলে ও উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। “অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড”-এর আওতায় অভিযান পরিচালনা করে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত দুলাভাই বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আটক করা হয়।


গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী'র সদস্যরা খুলনা জেলার কয়রা থানার বনপাড়া সংলগ্ন সুন্দরবনের গহীনে অবস্থান করছে। এ প্রেক্ষিতে গত ২৫ জুন ২০২৬ বিকাল ৫টা হতে টানা দুই দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা, স্টেশন কয়রা এবং স্টেশন নলিয়ান কর্তৃক উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।


অভিযান চলাকালীন দস্যুদের বহনকারী দুটি বোট শনাক্ত করে কোস্ট গার্ড সদস্যরা থামার সংকেত প্রদান করে। সংকেত অমান্য করে বোটে অবস্থানরত ডাকাতদল কোস্ট গার্ড সদস্যদের লক্ষ্য করে অতর্কিত গুলি চালানো শুরু করে এবং আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও ডাকাতদের বোট লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে ডাকাতদের একটি বোটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং অপর একটি বোট ডুবে যায়। অভিযানে কোস্ট গার্ড কর্তৃক ১ রাউন্ড ব্ল্যাঙ্ক কার্টিজ এবং ২১৬ রাউন্ড তাজা গোলা ফায়ার করা হয়।


বন্দুকযুদ্ধ শেষে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ‘দুলাভাই বাহিনী'র প্রধান রবিউল ইসলাম এবং ডাকাত শওকত সরদারকে আটক করা হয়। তাদের দ্রুত কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শওকত সরদারকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাহিনী প্রধান রবিউল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।


এদিকে, অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া ডাকাতদের ধরতে কোস্ট গার্ড ও বাংলাদেশ পুলিশের সমন্বয়ে অভিযান অব্যাহত রাখা হয়। এরই অংশ হিসেবে মঠবাড়িয়া পুলিশ ফাঁড়ির সামনের এলাকায় স্থানীয় জনগণের সহায়তায় পরিচালিত যৌথ অভিযানে ডাকাত ইসরাফিল হাওলাদারকে হাতের আঙুলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাকে চিকিৎসার জন্য কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।


এছাড়াও আরশিবসা নদীর বেসুখাল এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ৬ টি একনলা বন্দুক, ৬৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৩ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ ১ টি দেশীয় অস্ত্র, ১টি মোবাইল ও ১ টি হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়। 


আটককৃত ডাকাত রবিউল ইসলাম (৫০) ও নিহত ডাকাত শওকত সরদার (৫৫) খুলনা জেলার কয়রা থানার এবং ইসরাফিল হাওলাদার (২৬) সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বাসিন্দা।


আটককৃত ডাকাত ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র-গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিহত ডাকাতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কয়রা থানায় হস্তান্তর করা হয়।


সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে দস্যুমুক্ত করতে ডাকাত ও তাদের সহায়তাকারীদের বিরুদ্ধে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। দেশের স্বার্থে ও সুন্দরবনের নিরাপত্তায় স্থানীয় জনগণকে দস্যুদের বিষয়ে কোস্ট গার্ডের নিকট যেকোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য অনুরোধ করা হলো। তথ্য প্রদানকারীর বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করা হবে।

Labels: , ,

প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান-১০৩, ব্রি ধান-৮৭ বীজ, সবজি বীজ ও জৈব সার বিতরণ



মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন : উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ততা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে জলবায়ু সহনশীল ব্রি ধান-১০৩ ও ব্রি ধান-৮৭-এর বীজ, বিভিন্ন ধরনের সবজি বীজ এবং জৈব সার বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা লিডার্স।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিনামূল্যে এসব কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম শফিউল আলম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নাজমুল ইসলাম। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহিজুর রহমান, ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বুলকালাম, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শ্যামল কুমার, সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কমলা রানী, সংরক্ষিত ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফরিদা খাতুন এবং লিডার্সের প্রকল্প কর্ম কর্মকর্তা মোছা. শামীম ও সি এম এম আব্দুর রহিমসহ স্থানীয় কৃষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ক্রমবর্ধমান লবণাক্ততার কারণে কৃষি উৎপাদন নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে জলবায়ু সহনশীল ও লবণ সহিষ্ণু ধানের জাত সম্প্রসারণ সময়োপযোগী উদ্যোগ। ব্রি ধান-১০৩ ও ব্রি ধান-৮৭ কৃষকদের অধিক ফলন নিশ্চিত করতে এবং প্রতিকূল পরিবেশেও চাষাবাদ টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সবজি বীজ ও জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব কৃষি চর্চা এবং পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও সম্ভব হবে।

লিডার্সের কর্মকর্তারা জানান, কৃষকদের আধুনিক ও জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে সংস্থাটি ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত বোরো মৌসুমেও লিডার্সের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে ব্রি ধান-৯৯ ও ব্রি ধান-৬৭-এর বীজ বিতরণ করা হয়েছিল। ওই মৌসুমে কৃষকরা সন্তোষজনক ফলন পাওয়ায় এবারও সাফল্যের ধারাবাহিকতায় জলবায়ু সহনশীল ও লবণ সহিষ্ণু ব্রি ধান-১০৩ ও ব্রি ধান-৮৭-এর বীজ, সবজি বীজ এবং জৈব সার বিতরণ করা হয়েছে। কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার দাবি জানান।


Labels: ,

শ্যামনগরে যৌতুকলোভী আজিজুল হক আকাশ গ্রেফতার





মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন :  সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় ডাক্তার নামধারী আজিজুল হক আকাশ কে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। ঈশ্বরীপুর গ্রামের খান ইসমাইল হোসেনের পুত্র আজিজুল হক আকাশ। গত ২৫ জুন রাতে তার স্ত্রীর করা মামলায় আজিজুল হক আকাশ কে আটক করা হয়। তার স্ত্রী মোনালিসা সুলতানা বিজ্ঞ আমলী ০৫ নং (শ্যামঃ) আদালত, সাতক্ষীরা তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত/০৩) এর ১১(গ) ধারায় মামলায় করেন। মামলা সূত্রে প্রকাশ, তাদের সাংসারিক জীবনে একটি কন্যা থাকা স্বত্তেও  যৌতুক দাবী করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায়। যৌতুকের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার স্ত্রীকে বেদহড়ক মারপিট করে গুরুতর জখম করে। এদিকে আজিজুল হক আকাশ প্রথম বিবাহ গোপন রেখে প্রতারনা করে মোনালিসা কে বিবাহ করে। মোনালিসার পিতা অবসরপ্রাপ্ত  সেনাবাহিনীর সৈনিক হওয়ায় তার মেয়ে জামাই কে সাংসারিক সুখের জন্য কয়েক লক্ষ টাকার জিনিসপত্র প্রদান করে ছিলেন। অথচ বিবাহের কয়েক মাস পরে 

মোনালিসা ও তার পিতা জানতে পারে প্রতারনা করে আজিজুল হক আকাশ প্রথম বিবাহ গোপন করে ২য় বিবাহ করেছে। তারপর থেকে কয়েক মাস পরে খুলনা বটিয়াঘাটা থানা সদরে আজিজুল হক আকাশ একটি ইতালীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন (এনজিও) Pang'ono Pang'ono Onlus প্রতিষ্ঠানে ফিজিও থেরাপিষ্ট কাম সেন্টারে নামের পূর্বে ডাক্তার উপাধী দিয়ে ইনজার্জ হিসেবে  কর্মরত আছেন। সেখানে মাসের পর মাস অবস্থান করে থাকলেও সংসারে কোন দেকভাল না করে বার বার যৌতুকের দাবী করে তার স্ত্রী কন্যা কে  মানসিক শাস্তিতে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।  সে জেল থেকে জামিন পেলে তার পরিবার দারুন নিরাপত্তায় ভোগের সম্ভবনা রয়েছে। তার এহেন কর্মকান্ডের সুষ্ঠ বিচার প্রার্থনায় যথাযথ কর্তৃপক্ষের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।


Labels: ,

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড়ে দর্শকের ঢল, প্রাণ ফিরে পেল গ্রামবাংলার ঐতিহ্য



সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদকাটি দক্ষিণ বিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা। রোববার অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা দেখতে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার দর্শক ভিড় করেন। উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সাবেক এমপি মোঃ হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি বলেন, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নতুন প্রজন্মের কাছে আমাদের ঐতিহ্য তুলে ধরতে এমন উদ্যোগ অব্যাহত রাখা হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি আব্দুস সাত্তার, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক আবুল হাসান হাদী এবং পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু। গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আব্দুস সালাম মধু, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের এপিপি আব্দুস সালাম, মিজানুর রহমান মিজান, ধূলিহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও সমাজসেবক তাকদীর আহসান রুবেল এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর হোসেন। প্রতিযোগিতায় কয়রা উপজেলার 'ভোরের পাখি' নামের ঘোড়াটি প্রথম স্থান অর্জন করে ১৫ হাজার টাকা পুরস্কার লাভ করে। আর খুলনার 'রানী' নামের ঘোড়াটি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার জিতে নেয়। গ্রামবাংলার শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী এই ঘোড়া দৌড় শুধু একটি প্রতিযোগিতাই নয়, এটি ছিল মিলনমেলা, বিনোদন এবং লোকজ সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসব। দিনভর প্রাণবন্ত এ আয়োজন দর্শকদের মাঝে এনে দেয় নির্মল আনন্দ।

Labels:

Friday, June 26, 2026

হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠিত ; সভাপতি প্রবাল শর্মা



মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ,কক্সবাজার: গত ‎২৫জুন দুপুর সাড়ে ১২টারদিকে টেকনাফের হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সভা হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কামাল আহমদের সভাপতিত্বে এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। 

‎এতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম মেম্বার,হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মারুফা সোলতানা,অভিভাবক মনিরুল ইসলাম, হুমায়ুন রশিদ,প্রাইমারী স্কুল শিক্ষিকা মর্জিয়া খানম,শিক্ষানিরাগী উম্মে সালমা,অভিভাবিক দিলারা বেগম,ফাতেমা বেগমসহ স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকাগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল ও ছাত্র- ছাত্রীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সরকারী বিধি মোতাবেক হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে প্রস্তাব করা হলে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে প্রবাল শর্মা সভাপতি, মনিরুল ইসলাম সহসভাপতি, কুতুব উদ্দিন সদস্য সচিব, কামাল আহমদ,মারুফা সোলতানা,মোঃ রফিকুল ইসলাম, মর্জিয়া খানম, উম্মে সালমা, হুমায়িন রশিদ, দিলারা বেগম ও ফাতেমা বেগমকে সদস্য করে হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। কমিটি গঠনের পর নবনির্বাচিত সভাপতি স্বাগত বক্তব্য দিয়ে অত্র বিদ্যালয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদর পড়াশুনার মানোন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। শেষে নবনির্বাচিত সভাপতিকে স্কুলের পক্ষ হতে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

Labels: , ,