Friday, June 26, 2026

হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠিত ; সভাপতি প্রবাল শর্মা



মোহাম্মদ হোসাইন, টেকনাফ,কক্সবাজার: গত ‎২৫জুন দুপুর সাড়ে ১২টারদিকে টেকনাফের হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সভা হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কামাল আহমদের সভাপতিত্বে এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক কুতুব উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। 

‎এতে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রফিকুল ইসলাম মেম্বার,হ্নীলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মারুফা সোলতানা,অভিভাবক মনিরুল ইসলাম, হুমায়ুন রশিদ,প্রাইমারী স্কুল শিক্ষিকা মর্জিয়া খানম,শিক্ষানিরাগী উম্মে সালমা,অভিভাবিক দিলারা বেগম,ফাতেমা বেগমসহ স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকাগণ উপস্থিত ছিলেন। স্কুল ও ছাত্র- ছাত্রীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর সরকারী বিধি মোতাবেক হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে প্রস্তাব করা হলে উপস্থিত সকলের সম্মতিক্রমে প্রবাল শর্মা সভাপতি, মনিরুল ইসলাম সহসভাপতি, কুতুব উদ্দিন সদস্য সচিব, কামাল আহমদ,মারুফা সোলতানা,মোঃ রফিকুল ইসলাম, মর্জিয়া খানম, উম্মে সালমা, হুমায়িন রশিদ, দিলারা বেগম ও ফাতেমা বেগমকে সদস্য করে হ্নীলা আর্দশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠিত হয়। কমিটি গঠনের পর নবনির্বাচিত সভাপতি স্বাগত বক্তব্য দিয়ে অত্র বিদ্যালয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদর পড়াশুনার মানোন্নয়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। শেষে নবনির্বাচিত সভাপতিকে স্কুলের পক্ষ হতে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়।

Labels: , ,



প্রেস বিজ্ঞপ্তি :  সাতক্ষীরা/কলারোয়া সীমান্তে মাদক/চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০৩ জন আসামীসহ প্রায় এক কোটি টাকার মাদক/চোরাচালান মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি।


২৫ ও ২৬ জুন ২০২৬ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভোমরা, হিজলদী, মাদরা, চান্দুরিয়া, বৈকারী ও কাকডাঙ্গা বিওপির টহলদল দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় উইনসিরাক্স সিরাপ, ইয়াবা, বিয়ার, বিভিন্ন ব্যান্ডের মোবাইল ফোন, চিংড়ি মাছের রেণু পোনা, ঔষধ, মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও বাংলাদেশী কাভার্ড ভ্যান আটক করে।



গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখ ভোমরা বিওপির দায়িত্বাধীন ভোমরা আইসিপিতে দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যগণ মেইন পিলার ৩ হতে আনুমানিক ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিজিবি চেকপোষ্টে বিশেষ তল্লাশী অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন আসামীসহ ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, বিয়ার এবং ০১টি বাংলাদেশী কাভার্ড ভ্যান আটক করে। এ সময়ে আভিযানিকদল অবৈধভাবে ভারতীয় চিংড়ি মাছের রেনুপোনা ও বিয়ার চোরাচালানের দায়ে ট্রাকের চালক রাসেল আহমেদ (২৫), পিতা-মোঃ মামুনুর রশিদ, গ্রাম-আমরাখালি, ডাকঘর-বেনাপোল, উপজেলা-শার্শা, জেলা-যশোর এবং সহকারী চালক আঃ গফুর (৪০), পিতা-মৃত ছৈলুদ্দিন, গ্রাম-পদ্মশাখরা, ডাকঘর-শাখরা কোমড়পুর, উপজেলা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরাকে ট্রাকসহ আটক করে। আটককৃত চিংড়ি মাছের রেনুপোনা, বিয়ার ও কাভার্ড ভ্যানের আনুমানিক মূল্য ৭৭,৬৫,২৫০/- (সাতাত্তর লক্ষ পঁয়ষট্টি হাজার দুইশত পঞ্চাশ) টাকা। উক্ত বিওপির পৃথক আভিযানিক দল মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোঃ লাভলু হোসেন (২৮), পিতা-মোঃ শফিকুল ইসলাম, গ্রাম-পদ্মশাখরা, ডাকঘর-শাখরা কোমরপুর, থানা-সাতক্ষীরা সদর, জেলা-সাতক্ষীরাকে তল্লাশীকালে তার নিকট ১৩ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়ায় তাকে আটক করা হয়। যার আনুমানিক মূল্য ৩,৯০০/- টাকা। এছাড়াও, অপর একটি আভিযানিক দল মেইন পিলার-৩ হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ফলমোড় নামক স্থানে চোরাচালানী বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৫,৩৫,০০০/- টাকার মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন ব্রান্ডের ২০টি (ভিভো-০৭টি, ওয়ানপ্লাস-০১টি, রিয়েলমি-০২টি, স্যামসাং-০১টি, অপ্পো-০৪টি, শাওমি রেডমি-০১টি, পেকো-০২টি, মটোরোলা-০১টি এবং নাথিং-০১টি) মোবাইল ফোন আটক করে। 



হিজলদী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১৪ আরবি হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন বড়ালী নামক স্থান হতে ৬০,৬০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩-এস এর ১১ আরবি হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন শ্মশান ঘাট নামক স্থান হতে ১,০৫,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে। চান্দুরিয়া বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৭/৭-এস এর ৬ ও ১৮ আরবি হতে আনুমানিক ১০০ ও ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন কাঁদপুর ও চাঁন্দুরিয়া নামক স্থান হতে ৪,৯২,০০০/-টাকা মূল্যের ৩০ বোতল ভারতীয় উইং কোরেক্স সিরাপ  ও মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ আটক করে। বৈকারী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ৭/২৮-এস হতে আনুমানিক ১৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন চৌধুরী পাড়া নামক স্থান হতে ২,৫৫,৮০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশ ও ঔষধ আটক করে।


এছাড়াও, কাকডাঙ্গা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার ১৩/৩ এস এর ৩ আরবি হতে আনুমানিক ২৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন কেরাগাছি নামক স্থান হতে ২,১০,০০০/-টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধ আটক করে।


আভিযানিক দল সর্বমোট= ৯৪,২৭,৫৫০/- (চুরানব্বই লক্ষ সাতাশ হাজার পাঁচশত পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের মাদক/চোরাচালানী মালামাল আটক করে। 


চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে। দেশের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করে স্থানীয় শিল্প বিকাশে বিজিবি’র এরূপ দেশপ্রেমিক ও জনস্বার্থে পরিচালিত অভিযানে উপস্থিত স্থানীয় জনগন সাধুবাদ জ্ঞাপন করে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করেন।



Labels: ,

সাতক্ষীরাবাসীকে "ধর্মান্ধ" মন্তব্যের প্রতিবাদে ডিসির বিরুদ্ধে শ্যামনগরে ওলামাদের বিক্ষোভ সমাবেশ



বিশেষ প্রতিনিধিঃ  সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের সাতক্ষীরাবাসীকে "ধর্মান্ধ" মন্তব্যের প্রতিবাদে শ্যামনগরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন উপজেলা ওলামা মাশায়েখ পরিষদ। সমাবেশ থেকে বক্তারা জেলা প্রশাসকের বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে এমন মন্তব্য থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।


শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেল চারটায় শ্যামনগর বাসস্ট্যান্ড চত্বরে উপজেলা ওলামা পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শতাধিক আলেম, মাদ্রাসা শিক্ষক, ইমাম, খতিব এতে অংশ নেন।


সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আমিনুর রহমান। বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা মাওলানা আব্দুল মজিদ, আলহাজ ডা. মাওলানা আবির হাসান কাওছার,মাওলানা কামারুজ্জামান, মাওলানা গোলাম রসুল, মাওলানা ইসহাক আলীসহ উপজেলার বিভিন্ন আলেম-ওলামা।


বক্তারা বলেন, ইসলাম শান্তি, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের ধর্ম। তাই ধর্মীয় মূল্যবোধকে ‘ধর্মান্ধতা’ হিসেবে উপস্থাপন করা কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যাশিত নয়। তাঁদের দাবি, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সংযত ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা। এছাড়াও সমাবেশ থেকে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবী করা হয়।


সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর উগ্র আচরণ থাকলে সেটিকে নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা যেতে পারে; কিন্তু সামগ্রিক ধর্মীয় চর্চা বা ধর্মীয় মূল্যবোধকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করলে  সামাজিক সম্প্রীতিতে বিরূপ প্রভাব ফেলে।


বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।


Labels: ,

কয়রায় চাঁদা না দেওয়ায় সড়কের পিচ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ



কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি : খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের মাদারবাড়িয়া-রোনবাগ সড়কের নির্মাণকাজে চাঁদা না দেওয়ায় সদ্য পিচঢালাই করা অংশ খুঁড়ে নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের দাবি, স্থানীয় এক নেতার পক্ষ থেকে চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। সেই দাবি না মানায় ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রাতে সড়কের পিচ ক্ষতিগ্রস্ত করেন।


স্থানীয় সূত্র ও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের অভিযোগ অনুযায়ী, দুই দিন আগে সড়কটির প্রায় এক কিলোমিটার অংশে পিচঢালাই করা হয়। বাকি অংশের কাজ এখনো চলমান। এর মধ্যেই রাতের অন্ধকারে কয়েকজন ব্যক্তি কোদাল ও সাবল দিয়ে পিচঢালাই করা অংশ খুঁড়ে নষ্ট করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


এ ঘটনার কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওগুলোতে কয়েকজনকে রাস্তার পিচ খুঁড়তে দেখা যায়। তবে পিচ সহজে উঠছিল না। পরে কোদাল ব্যবহার করে তা খোঁড়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়।


ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কাজ তদারকি করা হাসান শেখ বলেন, স্থানীয় এক নেতার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে লোক পাঠিয়ে দেখা করতে বলা হয় এবং চাঁদা দাবি করা হয়। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর সড়কের কাজ শেষ হওয়ার মাত্র দুই দিনের মাথায় পিচ নষ্ট করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।


তিনি আরো বলেন, “সড়কে পিচঢালাইয়ের পর তা পুরোপুরি শক্ত হতে সাধারণত প্রায় সাত দিন সময় লাগে। কিন্তু মাত্র দুই দিনের মধ্যে কোদাল-সাবল দিয়ে পিচ খুঁড়ে নষ্ট করায় সড়কের ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, এলজিইডির নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। নির্মাণকাজে বড় ধরনের কোনো ত্রুটি নেই। এটি কাজের একটি ধাপ। প্রথমে লেভেলিং করা হয়, পরে সিল কোট দেওয়া হয়। এখনো আরও এক দফা পিচ দেওয়া হবে।”


কয়রা উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপসহকারী প্রকৌশলী আফজাল হোসেন বলেন, বিটুমিন ঢালাইয়ের পর রাস্তা পুরোপুরি মজবুত হতে অন্তত সাত দিন সময় লাগে। তবে কাজে প্রাইম কোট না দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Labels: ,

জেলা প্রশাসক কর্তৃক সাতক্ষীরাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যায়িত করার প্রতিবাদে আশাশুনিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ



আশাশুনি প্রতিনিধি : জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ কর্তৃক সাতক্ষীরা জেলাবাসীকে ধর্মান্ধ আখ্যায়িত করার প্রতিবাদে আশাশুনিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


শুক্রবার (২৬ জুন) জুম্মাবাদ সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদ,আশাশুনি উপজেলার আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।


কর্মসূচির শুরুতে একটি প্রতিবাদ মিছিল থানা মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জনতা ব্যাংক মোড়ে এসে শেষ হয়ে সমাবেশে মিলিত হয়। 


উপজেলা-ওলামা মাশায়েখ পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উপাধ্যক্ষ মাওলানা ওহিদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ও মাওলানা আবু সাঈদ এর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপজেলা-ওলামা মাশায়েখ পরিষদের হাফেজ রুহুল আমিন,হাফেজ আব্দুল্লাহসহ বহু আলেম ও ধর্ম প্রাণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন।


সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ওদিজ্জামান বলেন, আমরা ধর্মান্ধ নয়,আমরা ধর্মের অনুসারী ধর্মের বিধি- বিধান পালন করি। বাংলাদেশের ৯২ ভাগ মুসলমান বাকি হিন্দু,বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান অর্থাৎ ১০০% মানুষ ধর্ম অনুসরণ করে। কেউ অন্ধভাবে ধর্ম অনুসরণ করে না,জেনে বুঝে দুনিয়ার শান্তি ও আখেরাতের মুক্তির জন্য ধর্ম অনুসরণ করে। 


সাতক্ষীরার অধিকাংশ মানুষ মুসলমান,তিনি ধর্মান্ধ বলে আমার ধারণা ইসলামকে মিন করেছেন। 

তিনি চাকরি করছেন বাংলাদেশ সরকারের,অথচ আমার মনে হয় তিনি বিদেশি কোন দেশের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য হিন্দু মুসলমানদের সম্প্রীতি নষ্ট করার জন্য গভীর ষড়যন্ত্র করছেন। 

তিনি আরো বলেন,জেলা প্রশাসক কাওসার আজিজ এর বক্তব্য কোন মুসলমানের বক্তব্য হতে পারে না। আমার প্রশ্ন তিনি কোন ধর্ম অনুসরণ করেন। 

আমরা আশাশুনি ওলামা মাশায়েখ পরিষদ তার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। 

অনতিবিলম্বে তিনি তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিবেন এবং জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন। যদি ক্ষমা না চান তাহলে হিন্দু মুসলমান মিলে তার বিরুদ্ধে গণবিস্ফোরণ তৈরি হবে। 

সরকারের প্রতি আহ্বান অতি দ্রুত তাকে অপসারণ করতে হবে।

হাফেজ রুহুল আমিন বলেন,আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ কে অপসারণ করতে হবে। তানাহলে জেলার প্রতিটি রন্দ্রে রন্দ্রে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। সাতক্ষীরার মানুষ ভালোবাসে। তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন,নবী রাসুলের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।

Labels: ,

আশাশুনিতে জামায়াতের যুব বিভাগের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত



আশাশুনি প্রতিনিধি : আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস উপলক্ষে আশাশুনিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী যুব বিভাগের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।


শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ের সামনে থেকে র‍্যালিটি বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আশাশুনি থানার প্রধান ফটকের সামনে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

উপজেলা যুব বিভাগের সভাপতি ডা.রোকনুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আজহারুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুস সোবহান মুকুল।


প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন,আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবসে আমরা আশাশুনি উপজেলাকে একটি মাদক মুক্ত উপজেলা হিসেবে দেখতে চাই। মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি,যা ব্যক্তি,পরিবার ও সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যুবসমাজকে সচেতন হয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা আনওয়ারুল হক বলেন,একটি সুন্দর সুজলা সুফলা,শস্য-শ্যামলা প্রিয় মাতৃভূমিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে মাদকদ্রব্য। দিনদিন হু হু কুরে বেড়েই চলেছে মাদকদ্রব্য বিপনন,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যেন কেউ নেই,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্ত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা না থাকার কারণে যুব সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। তিনি মাদক ব্যবসায়ী,সেবনকারী ও সহযোগিতাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। 


তিনি আরও বলেন-তরুণদের সুস্থ ও আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবার,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।


সভাপতির বক্তব্যে ডাক্তার রোকনুজ্জামান বলেন, উপজেলা ব্যাপি মাদকদ্রব্যের ছড়াছড়ি,কিন্তু প্রশাসন নীরব। একজন মাদক ব্যবসায়ী বা সেবনকারী গ্রেপ্তার হয় সাত দিনে,আর জামিন পায় তিন দিনের মধ্যে। তিনি আরও বলেন,মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সংস্কার করতে হবে,মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা নিতে হবে।


সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন খাজরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা আব্দুর রশিদ,বুধহাটা ইউনিয়ন আমির মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ,শোভনালী ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি এনামুল কবির, বড়দল ইউনিয়ন যুব বিভাগের সভাপতি ওমর ফারুক,সেক্রেটারী হাবিবুর রহমান লিপুসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন যুব বিভাগের বিভিন্ন দায়িত্বশীলবৃন্দ।



Labels: ,

বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত



মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন :
  সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শ্যামনগর উপজেলা শাখার ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিল-২০২৬ উৎসবমুখর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১১টায় শ্যামনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের তৃতীয় তলার সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধি এবং সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

শ্যামনগর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক বিষ্ণুপদ মণ্ডলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি বিশ্বজিৎ সাধু। প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ ঘোষ, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট সোমনাথ ব্যানার্জী, শ্যামনগর উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ বিধুশ্রুবা মণ্ডল, জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন, যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ শিবপদ গাইন, কোষাধ্যক্ষ রায় দুলাল চন্দ্র, শ্যামনগর উপজেলা শাখার প্রাক্তন চেয়ারম্যান অমল কৃষ্ণ মণ্ডল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অসীম কুমার দাস।

আলোচনা সভায় বক্তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহনশীলতা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার সংরক্ষণ এবং সামাজিক ঐক্য জোরদারে সংগঠনের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, পারস্পরিক সহযোগিতা ও ঐক্য বজায় রেখে মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

পরে কাউন্সিলের দ্বিতীয় অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে নতুন উপজেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে বিষ্ণুপদ মণ্ডল সভাপতি এবং কিরণ শংকর চট্টোপাধ্যায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সংগঠনের প্রতি সকলের আস্থা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, শ্যামনগরে সম্প্রীতি রক্ষা, সংগঠনকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও শক্তিশালী করা এবং সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় তারা আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।

সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক কিরণ শংকর চট্টোপাধ্যায়।


Labels:

সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত



সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬  উপলক্ষে সাতক্ষীরায় মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


শুক্রবার সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরার আয়োজনে সরকারি মহিলা কলেজের হলরুমে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 


আলোচনা সভায় সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান শরীফের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন বিশ্বাস,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার  আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির সহকারি পরিচালক বেগ আব্দুল্লাহ আল মাসুদ,  সাতক্ষীরা তথ্য অফিসের উচ্চমান কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মনির, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অফিসের সরকারি পরিচালক রাজিবুল ইসলাম প্রমূখ। 


এ সময় বক্তারা বলেন, যে মাদক অফার  করে সে কখনো বন্ধু হতে পারেনা, নেশার ফাঁদে পড়বে যারা সব হারিয়ে মরবে তারা, মাদক জীবন থেকে জীবন কেড়ে নেয় মাধক থেকে দূরে থাকুন, 


এ সময় বক্তার আরো বলেন,  মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নয়, পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সমাজের প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি। তরুণ সমাজকে রক্ষায় সবাইকে সচেতন থেকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তারা।


এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে থেকে বের হয়ে  শহরে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মহিলা কলেজের আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

Labels:

Thursday, June 25, 2026

সাতক্ষীরায় দুস্থ ও অসহায় তিন শতাধিক মানুষের মাঝে বিএনপির সবজি বিতরণ

 


রাকিবুল ইসলাম : সাতক্ষীরায় দুস্থ ও অসহায় তিন শতাধিক মানুষের মাঝে সবজি বিতরণ করা হয়েছে। 

শুক্রবার সকালে শহরেরে ইটাগাছা হাটের মোড়ে সাতক্ষীরা বিএনপির আয়োজনে এই সবজি বিতরণ করা হয়। 

সবজি বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তারিকুল হাসান, পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক শের আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব প্রভাষক আতাউর রহমান,

জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুস সামাদ, পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজু,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এ্যাড. কামরুজ্জামান ভুট্টো, জেলা কৃষক দলের সাবেক  আহবায়ক আছানুল কাদির স্বপন,জেলা তাঁতি দলের সভাপতি হাসান শাহারিয়ার রিপন, সাতক্ষীরা জজ্ কোটের জিপি এ্যাড. অসিম কুমার মন্ডল,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শেখ শরিফুজ্জামান সজীব,জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক শিকদার,জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবু রায়হান, সদস্য সচিব জে.এম দুদায়েভ মাসুদ অর্ঘ্য,পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইয়াসিন আলী,পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আলী হোসেন খান হাবলু, জেলা শ্রমিক দলের সাংগঠনিক শেখ মিয়ারাজ আলী,৬নং ওর্য়াড বিএনপি সাবেক আহবায়ক শেখ আশরাফ হোসেন,পৌর বিএনপির নেতা,আব্দুল জলিল,মাহমুদুল ইসলাম,আব্দুল্লাহ আল মামুন,আব্দুল হামিদ,নাসির উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম, রোকনুজ্জামান সহ আরো অনেকে।

এ সময় ৩ শতাধিক অসহায় দুঃখ মানুষের সবজি বিতরণ করা হয়।

Labels:

কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা বিশেষ প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা উপজেলা প নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা। এ সময় থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুস সোবহান, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় জনাকীর্ণ স্থানে ধুমপান বন্ধ, ধুমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো, সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আকর্ষণ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ছবিঃ সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভায় বক্তব্য রাখছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা।


বিশেষ প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা উপজেলা প নির্বাহী অফিসারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলা প্রশাসন এ সভার আয়োজন করে। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মিলন সাহা।


এ সময় থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্যসচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রউফ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওয়াসিম উদ্দীন, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, নলতা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, মৌতলা ইউপি চেয়ারম্যান ফেরদাউস মোড়ল, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক আব্দুস সোবহান, সরকারি কালিগঞ্জ পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্যসচিব এটিএম শরিফুল আজাদ, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় জনাকীর্ণ স্থানে ধুমপান বন্ধ, ধুমপানের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা চালানো, সিগারেটসহ তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সন্নিকটে তামাকজাত পণ্য বিক্রি ও বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আকর্ষণ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। 




Labels: , ,

Wednesday, June 24, 2026

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ,রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিবাদ

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু,সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজের খন্ডিত একটি বক্তব্য  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে জেলায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেট চত্বরে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছে ও্রলামা মাশায়েখ পরিষদ। অন্যদিকে খন্ডিত বক্তব্য প্রচারের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জেলা বিএনপি ও প্রেসক্লাব। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জেলা প্রশাসকের বক্তব্যের একটি অংশ ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে ‘সাতক্ষীরায় ধর্মান্ধতা চলে এসেছে’এমন মন্তব্য করতে দেখা যায়। এটা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার জেলা ক্রীড়া সংস্থার স্টেডিয়ামস্থ কার্যালয়ে  সংস্থার অন্তর্ভুক্ত ক্লাব ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ। এতে জেলা পরিষদের প্রশাসক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতুল্লাহ পলাশ,সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠক উপস্থিত ছিলেন।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, ‘‘আমি সব জায়গায় বলি, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চাকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রত্যন্ত এলাকাতেও খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে দিতে হবে। অনেকেই বলে সাতক্ষীরায় যে ধর্মান্ধতা চলে এসেছে, তাহলে সেটা আর বলবে না।

জেলা প্রশাসকের এ খন্ডিত বক্তব্যের প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে শহরের নিউমার্কেট মোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ করে ওলামা মাশায়েখ পরিষদ, সাতক্ষীরা জেলা শাখা। সমাবেশে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আলেম, মুসল্লিসহ সাধারণ মানুষ অংশ নেয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, জেলা প্রশাসকের বক্তব্য সাতক্ষীরার ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে এবং জেলার মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছে।



এদিকে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে জেলা বিএনপি ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের  পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জেলা প্রশাসকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কিছু অনলাইন মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর ও নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তিনি বরঞ্চ খেলাধুলা, সংস্কৃতি ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রসারের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন। জেলা বিএনপি এ ধরনের অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং সবাইকে বিষয়টি বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়নের আহ্বান জানায়।

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবও জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। 

সার্বিক বিষয়ে জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বলেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনার কবি। তার স্মরণে এ বছর নজরুল বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও শিল্পকলা একাডেমিকে সঙ্গে নিয়ে নজরুল বর্ষের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সরকার খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এবিষয়ে জোর দিতে আমি বক্তব্য দিয়েছি। 

তিনি আরও বলেন, আমার বক্তব্যের খণ্ডিত অংশ প্রচার করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে একটি মহল। আমার পুরো বক্তব্য দেখলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

Labels: ,

"নরসিংদীতে বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৬ জন আটক, অস্ত্রধারী ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীসহ গ্রেফতার ১৫"

 


    আবু নাঈম রিপন:নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদী জেলায় ২৪ইং জুন বুধবার,

 আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে জেলাজুড়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা পুলিশ।  জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও কৌশলগত স্থানে নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে।


 জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আবদুল্লাহ্-আল-ফারুক-এর নির্দেশনায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।


এছাড়া পৃথক অভিযানে অবৈধ অস্ত্রধারী ৩ জন এবং বিভিন্ন ধরনের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে আরও ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নরসিংদী জেলা পুলিশের এ ধরনের বিশেষ অভিযান

 অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে জেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

Labels: , ,

Tuesday, June 23, 2026

কালিগঞ্জে আওয়ামী'লীগ নেতা ‘টেমি হাফিজ’কে ঘিরে নানা অভিযোগ, গ্রেপ্তারের দাবি ভুক্তভোগীদের

 


 কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি:

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ব্যক্তি হাফিজুর রহমান ওরফে ‘টেমি হাফিজ’-এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার, মাদক কারবার, ব্ল্যাকমেইল ও অর্থ আদায়ের পাহাড়সম অভিযোগ উঠেছে। নিজেকে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা পরিচয় দিয়ে থানা ও ডিবি পুলিশকে ব্যবহার করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে তিনি এলাকায় এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। বর্তমানে তার এই অপকর্মের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ।


ভুক্তভোগী জামায়াত ও বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, ২০১৩ সালে কালিগঞ্জের ফুলতলা মোড়ে জামায়াত-বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিলে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে হাফিজ ও তার সহযোগী হাবিবের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের মারামারি হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনাকে পুঁজি করে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের শত শত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নাম উল্লেখ করে একের পর এক মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এই মামলাগুলোকে বাণিজ্য হিসেবে ব্যবহার করতেন টেমি হাফিজ। পুলিশের তৎকালীন কিছু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে তিনি প্রথমে তালিকাভুক্ত নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করাতেন এবং পরে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার মধ্যস্থতা করতেন। মামলা থেকে অব্যাহতি বা গ্রেপ্তার এড়ানোর আশ্বাস দিয়ে তিনি ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ। তৎকালীন উপজেলা বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এ বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন।

 স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফিজুর রহমান চাম্পাফুল ইউনিয়নের মশরকাটি গ্রামের মৃত এলাহী বক্স গাজীর জ্যেষ্ঠ পুত্র। পারিবারিক জীবনে মাদকাসক্তি, বেপরোয়া জীবনযাপন এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে পৈতৃক বাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়ে তিনি কালিগঞ্জ বাজার গ্রাম ও ফুলতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। সেখানে তিনি সেটেলমেন্ট দালালি ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একবার বাজার গ্রাম এলাকায় এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা পড়লে বিক্ষুব্ধ জনতা তাকে গণধোলাই দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তিনি ‘টেমি হাফিজ’ নামে কুখ্যাতি লাভ করেন।

 এলাকাবাসীর অভিযোগ, পরিচয় লুকিয়ে বা কখনো ভুয়া সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থার পরিচয় দিয়ে তিনি সরকারি দপ্তর, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, মৎস্যঘেরের মালিক ও ইটভাটা মালিকদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করতেন। সম্প্রতি কালিগঞ্জের মধুসূদন কর্মকারের বাড়িতে সংঘটিত একটি ডাকাতির ঘটনায় পুলিশি তদন্তে মোবাইল প্রযুক্তির মাধ্যমে টেমি হাফিজের সিন্ডিকেট সদস্য ‘মাছুম’-এর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়। পরে সাতক্ষীরা শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হলে জানা যায়, লুণ্ঠিত স্বর্ণালঙ্কার শ্যামনগরে বিক্রি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষিপ্ত হয়ে টেমি হাফিজ তার সিন্ডিকেটের এক নারী সদস্যকে দিয়ে সাতক্ষীরার তৎকালীন পুলিশ সুপার, কালিগঞ্জ থানার ওসি এবং ডিবি ওসির বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার করান বলে অভিযোগ রয়েছে।

 এছাড়া জেলার কুখ্যাত ডাকাত ইয়ার আলী ও বাহার আলী চক্রের সঙ্গে টেমি হাফিজের গোপন আঁতাত রয়েছে বলে তথ্য মিলেছে। তার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললে বা প্রশাসনকে তথ্য দিলে তাকে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ বা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হতো। তার মাদক সিন্ডিকেটের অন্যতম সহযোগী হিসেবে চাম্পাফুল এলাকার মিরাজ ও সিরাজের নামও উঠে এসেছে।

 বর্তমানে এই চিহ্নিত অপরাধীর হাত থেকে বাঁচতে এবং এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তদন্তপূর্বক দ্রুত ‘টেমি হাফিজ’কে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও সচেতন নাগরিক সমাজ।

Labels: ,

সাতক্ষীরার লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরের গাইড ওয়াল নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

 


এস এম পলাশ  : সাতক্ষীরা শহরে লাবসার জমিদার বাড়ীর পুকুর পাড় ভাঙন রোধে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অধিনে ৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে গাইড ওয়াল নির্মাণ করেছেন। তবে এক মাস না যেতেই সেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাংশ হেলে পড়েছে । এ ঘটনায় মসজিদের মুসল্লী ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।


স্থানীয়দের অভিযোগ,গাইড ওয়াল নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। নি¤œমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার ও রড-সিমেন্ট কম দেওয়ায় ১মাসের মধ্যেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং কিছু অংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের  যোগসাজশে রড সিমেন্ট কম দেয়ার কারণে এমন অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেন। সরোজমিনে দেখা যায়,লাবসা জমিদার বাড়ী পুকুরটি ভাঙন দেখা দিয়েছে যে কোন সময়  ওয়ালটি পুকুরে পড়ে যেতে পারে। একাধিকবার জোড়াতালি দিয়ে সংস্কার করা হলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি।


সাতক্ষীরা জেলা পরিষদ অধিনে সবশেষ ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ওই অংশে গাইড ওয়াল নির্মাণে ৬ লক্ষ  টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের অধিনে গাইড ওয়াল নির্মাণে দরপত্র আহবান করে। ওয়াল করার কাজটি করে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মোঃ শরিফুল ইসলাম নামে কিন্তু কাজ শেষ হওয়া এক মাস না যেতেই সেই গাইড ওয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে এবং একাংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে গাইড ওয়াল।


স্থানীয় বাসিন্দা দাউত সরদার জানান, পুকুরের ওয়াল করার সময় আমরা অনেকবার ঠিকাদারকে বলছি সিমেন্ট ও রড কম দিয়েন না কিন্তুু আমাদের কোন কথায় কর্ণপাত না করে তড়িগড়ি করে কাজটি শেষ করে চলে যায়। ওয়ালটি এক মাস না যেতেই হেল পড়ছে আমরা এটি পুনরায় সংস্কারের করা দাবি জানায়।


স্থানীয় এক ঠিকাদার বলেন, কাজটি শেষ না হতেই বিল তুলে নিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আমরা বছরের পর বছর ধরে কাজ শেষ করেও বিল পাচ্ছি না।


এ বিষয় সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী হাসিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবো না আপনি আমার উর্ধতন কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।


এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মেহেদী মাসুদের কাছে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সিডিউল অনুযায়ী কাজ ঠিক হয়েছে। ওয়াল হেলে পড়ছে সেটি আমার দেখার বিষয় না বলে ফোনটি কেটে দেন।


এ বিষয়ে ঠিকাদার মোঃ শরিফুলের কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাতক্ষীরায় বড় বড় সাংবাদিক আমার বন্ধু। কাজ শেষে বিল উঠে গেছে পরে দেখব।

Labels: ,

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে ৩ দিনব্যাপী মাল্টিমিডিয়া ও এ আই বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত





এস এম পলাশ :


সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের জন্য ৩ দিন ব্যাপী মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ১০টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে প্রেস ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ


কর্মশালার উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ।


 


উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা


জেলা প্রশাসক কাউসার আজিজ বলেন, ডিজিটাল যুগে তথ্যের প্রবাহ যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে ভুল তথ্য ও গুজব ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি। এ পরিস্থিতিতে তথ্য যাচাই করে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা গণমাধ্যমকর্মীদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।


সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম মিনি–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিআইবির প্রশিক্ষক ও প্রেগ্রাম সমন্বয়কারী


মো. সাহানোয়ার সাইদ শাহীন,। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী।


প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে রিসোর্স পারসন হিসেবে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন মো. শাহাবুদ্দিন। এসময় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের সদস্যবৃন্দ প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহন করেন।


 


আয়োজকেরা জানান, তিন দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকেরা মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকতা, তথ্য যাচাইয়ের আধুনিক কৌশল, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবেন। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হবে।

Labels: ,