শিরোনাম :

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে উপজেলায় এক নারীকে ঘিরে মাত্র ৪২ দিনের ব্যবধানে তিনটি বিয়ে ও দুই তালাকের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে

 


নিজস্ব প্রতিবেদক : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে উপজেলায় এক নারীকে ঘিরে মাত্র ৪২ দিনের ব্যবধানে তিনটি বিয়ে ও দুই তালাকের ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দীর্ঘ ২৩ বছরের দাম্পত্য জীবন, কথিত পরকীয়া সম্পর্ক, দ্রুত দ্বিতীয় বিয়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সেই সংসারের ভাঙন—সব মিলিয়ে ঘটনাটি এখন স্থানীয়দের মুখে মুখে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপালপুর উপজেলার  চর শিমলা গ্রামের ময়না বেগম (৪০) প্রায় ২৩ বছর আগে একই এলাকার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে সন্তান-সন্ততিসহ একটি পরিবার গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, প্রায় সাত বছর আগে ময়না বেগমের সঙ্গে পাবনা জেলা এলাকার মোঃ আতিক মিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দীর্ঘদিন সম্পর্ক চলার পর চলতি বছরের মে মাসের শুরুতে তিনি  দিইতে স্বামী মোঃ আতিক মিয়া কে তালাক দেন। পরে ২ মে  মাসে আয় একটি বিয়ে করেন।

তবে বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ ও মতবিরোধ শুরু হয় বলে জানা গেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিয়ের মাত্র ৯ দিনের মাথায় আতিক মিয়া ময়না বেগমকে তালাক দেন।

ঘটনায় নতুন মোড় আসে প্রায় ২৫ দিন পর। আতিক মিয়ার দাবি, ব্যক্তিগত কাজে চর শিমলা গোপালপুর এলাকায় গেলে তাকে জোরপূর্বক একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখা হয় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে পুনরায় বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি অভিযোগ করেন,

আদালতের হলফনামার মাধ্যমে ৫ লাখ ৫ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে পুনরায় কাবিন সম্পন্ন করা হয়।

অন্যদিকে স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, এ ঘটনায় উভয় পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ রয়েছে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা সম্পর্কে প্রশাসনিক তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।

আইন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ঘটনাটির সঙ্গে মুসলিম পারিবারিক আইন, তালাকের বিধান, ইদ্দতকাল পালন এবং বিয়ে নিবন্ধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ আইনি বিষয় জড়িত। বিশেষ করে প্রথম তালাকের পর নির্ধারিত ইদ্দতকাল যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না এবং পরবর্তী বিয়ের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া মানা হয়েছে কি না—এসব প্রশ্ন সামনে এসেছে।


এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনাটির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ ও বক্তব্য নিতে গেলে এক সাংবাদিককে ফোনে হুমকি দেওয়া হয় এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত নারীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে চরশিমলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। স্থানীয়দের মতে, প্রশাসনিক


মোঃ আমিনুল ইসলাম 

গোপালপুর:

No comments