সিলেট প্রতিনিধি : আসন্ন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। এরই মধ্যে নতুন সহসী মুখ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৭নং লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের কাজি বাড়ি’র কৃতিসন্তান সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট পত্রিকার সম্পাদক আবুল কাশেম রুমন, তিনি মরহুম আব্দুস ছত্তার (মাস্টারের বড় ছেলে)। স্থানীয়দের একটি অংশের মধ্যে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে বলে দাবি তাঁর সমর্থকদের। সাংবাদিক আবুল কাশেম রুমন ছাত্রজীবন থেকে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে সম্পৃক্ত। শুধু তাই নয় তিনি আইসিটি শিক্ষকতা করে আসছেন, বর্তমানে তিনি গোলাপগঞ্জ গ্রামীণ জনপদে অসহায়,বেকার গরীব ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিএম সিলেট কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে নানাধরণের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মমূখী করে তুরেছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া কার্যক্রমেও অংশগ্রহণ করেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি বর্তমানে বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি লক্ষণাবন্দ ইউপিতে দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন গঠন, নাগরিক সেবা সহজীকরণ, মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, অবকাঠামো উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
সাংবাদিক আবুল কাশেম রুমন “ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের সেবা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েই আমি কাজ করতে চান বলে জানান। তিনির লক্ষ্য উদ্দেশ্যে হচ্ছে লক্ষণাবন্দ ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চান।
আমাদের প্রতিবেদকে এক সাক্ষাতকারে জানান, তিনি নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদে নাগরিক সেবা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে প্রদানের জন্য ‘ওয়ান-স্টপ সার্ভিস’ চালু করা হবে। পাশাপাশি মাদকমুক্ত সমাজ গঠন, নারীদের তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ এবং যুবসমাজের জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করবেন।
স্থানীয় এক জনমত পর্যবেক্ষকদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে আবুল কাশেম রুমন চেয়ারম্যান প্রার্থী হলে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু হয়ে দাঁড়াবেন। তবে নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটারদের রায়ে।
আগামী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারণা ইতোমধ্যে জোরদার হয়েছে। নির্বাচনী সময় ঘনিয়ে আসলে মাঠের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

No comments:
Post a Comment