রসুলপুরে সরকারি মুরগি প্রজনন খামারের প্রাচীর ভেঙে জমি দখলের অভিযোগ - Dainik Shomoy Barta

Breaking

Home Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Friday, September 11, 2026

রসুলপুরে সরকারি মুরগি প্রজনন খামারের প্রাচীর ভেঙে জমি দখলের অভিযোগ

 


ওমর ফারুক বিপ্লব সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরায় রসুলপুরে সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের প্রাচীর ভেঙে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে মাস্টার আলতাব হোসেন মনুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনা নিয়ে রসুলপুর গ্রামে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। প্রাচীর ভাঙার ঘটনা রসুলপুর পশ্চিমপাড়া সাতক্ষীরা সিটি কলেজের বিপরীতে রসুলপুর এলাকায় ঘটেছে।


সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতনের দিন মাস্টার  আলতাব হোসেন মনু ্স্থানীয় কিছু উচ্ছৃংখল ছেলে ভাড়া করেন সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের প্রাচীর ভেঙে সরকারি জমি দখল করার  জন্য। চুক্তি করেন ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা বিনিময়। ৫ আগস্টের দিন প্রাচীর ভেঙে ফেলার জন্য মাস্টার মনু  নগত ১৫ হাজার টাকা দেয় রসুলপুর স্থানীয় ছেলেদের। তাদের ওয়াদা করেন বাকি টাকা পরে দেব। দুই বছর পার হলেও প্রাচীর ভাঙার চুক্তির বাকি টাকা দেয়নি মাস্টার আলতাব হোসেন মনু।গত ৬সেপ্টেম্বার রসুলপুর স্থানীয় ছেলেরা মাস্টার আলতাব হেসেন মনুর দখলকৃত জমির প্রাচীর ভেঙে দিয়ে আগের স্থানে ইট সাজিয়ে দেয়।

এ বিষয়  রসুলপুর গ্রামের সাইফুল বলেন,আলতাব হোসেন মনু কয়েকজন প্রতিবেশীর কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা তুলেছে চলাচলের পথ বড় করে দেবে সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের প্রাচীর ভেঙে। প্রাচীর ভেঙেছে দখল করে প্রাচীর দিয়েছিল।  কিন্তু স্থানীয় ছেলেদের পরিপূর্ণ টাকা না দেয়াই মাস্টার আলতাব হোসেন মনুর দখলকৃত  প্রাচীল ভেঙে দেয় রসুলপুর স্থানীয় ছেলেরা।

এ বিষয় আলতাব হোসেন মনু বলেন, আমি কাগজ পত্র তুলে দেখি সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের ভেতরে জমি পাইবো । কিন্তু কোন ভাবে নিতে পারছিলামনা। আওয়ামী লীগ সরকার ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পতনের দিন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রসুলপুর কিছু স্থানী ছেলেদের দিয়ে ভাঙিয়ে নেই। তার জন্য ১৫হাজার টাকা দিয়ে ছিলাম। কিন্তু রসুলপুর স্থানীয় কিছু ছেলে এছে এখন আমাকে বলছে প্রাচীর ভাঙার পরে আপনার রাস্তা বড় হয়ে গেছে জমির দাম ও বেড়ে গেছে এখন আমাদের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার দখল কৃত প্রাচীর ভেঙে দিয়েছে।


এ বিষয় সাতক্ষীরা সরকারি মুরগি প্রজনন ও উন্নয়ন খামারের কর্মকর্তা অনয় কুমার রায় মুঠোফোনে জানান, এই প্রাচীরের বিষয় নিয়ে আমি ডিসি অফিসে অবস্থান করছি ব্যবস্থা নেয়ার জন্য। সরকারি জায়গায় কেহ প্রচীর দিতে পারবে না।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages