ads

শিরোনাম :

সাতক্ষীরায় পারিবারিক কলহের জেরে হামলা: আহত ২

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : পারিবারিক কলহের জের ধরে ভাই-ভাবি ও ভাইপোদের হামলার শিকার হয়েছেন সাতক্ষীরার সুলতানপুর সাহাপাড়া এলকার বাসিন্দা মোঃ বাশারাফ হোসেন ও তার স্ত্রী মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগম। ভুক্তভোগী বাশারাফ হোসেন সাহাপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। ভুক্তভোগী মোঃ বাশারাফ হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রবিবার (০২ নভেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় মোঃ বাশারাফ হোসেন তার ভাইপো মোঃ মারুফ হোসেন, মোঃ মাসুম হোসেন ও তার ভাই মোঃ মহাসিন হোসেন, ভাবি মোছাঃ রোকেয়া বেগমকে অভিযুক্ত করে সাতক্ষীরা সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইতিপূর্বে তারা একাধিকবার ভুক্তভোগী ও পরিবারের সদস্যদের মারপিট ও ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এছাড়া প্রায় সময় মোঃ মারুফ হোসেন, মোঃ মাসুম হোসেন, মোঃ মহাসিন হোসেন ও মোছাঃ রোকেয়া বেগম মোঃ বাশারাফ হোসেন ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় (০২ নভেম্বর) দুপুরে পুনরায় মোঃ বাশারাফ হোসেনের বাড়িতে এসে তার স্ত্রী মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগমকে লাঠিশোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে শ্লীলতাহানি ঘটায়। এ সময় মোছাঃ আঞ্জুয়ারা বেগমের গলায় থাকা ৮ আনা ওজনের স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। স্ত্রীর ডাকচিৎকারে মোঃ বাশারাফ হোসেন স্ত্রীকে উদ্ধার করতে গেলে তাকেও হামলাকারীরা বেধড়ক মারপিট করে। পরে তাদের ডাকচিৎকারে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। ভুক্তভোগী মোঃ বাশারাফ হোসেন জানান, তার ভাইপোরা এবং ভাই-ভাবি তাদের উপর প্রতিনিয়ত এমন ধরনের নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। এজন্য আজকের হামলার পর আইনি সহায়তা পেতে তিনি সাতক্ষীরা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এদিকে হামলার পর হামলাকারীর ছোট ভাই মোঃ ইসরাইল হোসেন বাড়িতে গেলে একই অভিযুক্তরা তাকেও মারতে উদ্যত হয় এবং তাকে রাস্তাঘাটে একা পেলে মেরে হাত-পা ভেঙে পঙ্গু করে দেওয়াসহ জনসম্মুখে হত্যার হুমকি দেয় অভিযুক্তরা। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার স্বার্থে সাতক্ষীরা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে কথা বলতে অভিযুক্তদের তাদের বাড়িতে গেলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক অভিযোগ ও জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

No comments