শিরোনাম :

১৯৬১ সালের আইন অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন অ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম


এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম :

স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের প্রার্থিতার সুযোগ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আইনগত ভিত্তি উল্লেখ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া থেকে বিরত রাখার দাবি জানিয়েছেন অ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম, মহাসচিব, বাংলাদেশ কংগ্রেস।


তিনি বলেন, The Intermediate and Secondary Education Ordinance, 1961 এর ধারা ৩০(১)(খ) অনুযায়ী স্বীকৃত মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীরা স্থানীয় সরকার বা কোনো আইনসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ বা প্রভাব বিস্তার করতে পারবেন না।


আইনের উক্ত ধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে—

স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক/কর্মচারী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না

তারা নির্বাচনী প্রচারণা বা প্রভাব বিস্তারেও অংশ নিতে পারবেন না।


এ্যাডঃ মোঃ ইয়ারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকদের পেশাগত নিরপেক্ষতা, শিক্ষা ব্যবস্থার মান রক্ষা এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এই বিধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমে রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।


তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিদ্যমান ১৯৬১ সালের আইন যথাযথভাবে প্রয়োগ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থিতার সুযোগ থেকে বিরত রাখা উচিত।


এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইনগত অবস্থান স্পষ্টভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি না হয়।

No comments