সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ এলজিইডি অফিসের হিসাব সহকারী বিপুলের রোষানলে হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমান
শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :
সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থন্বেষী মহল অবৈধ সুবিধা নিতে না পেরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাকে ফাঁসাতে একটি টাকা নেওয়ার ভিডিও কে ভিন্নখাতে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়,কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ কামরুল ইসলাম এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমানের নিকট কয়েকটি প্রকল্পের ফাইল বাবদ স্ট্যাম্পের টাকা দেয়। অফিসের সিসি ক্যামেরা থেকে সেই ভিডিও গোপনে অফিসের হিসাব সহকারী
চঞ্চল কুমার দাস বিপুল বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে মুস্তাফিজকে ফাঁসাতে উঠে পড়ে লেগেছে।
অভিযোগ রয়েছে এই হিসাব সহকারী চঞ্চল কুমার বিপুল হিসাব রক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও ঘুষ দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি খালি থাকা হিসাব রক্ষকের পদে মুস্তাফিজুর যোগদান করলে হিসাব সহকারী বিপুলের গাত্রদাহ শুরু হয়। সেই থেকে হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজকে ফাঁসাতে উঠে পড়ে লেগেছে এই বিপুল।
জানাযায়, এই হিসাব সরকারী বিপুলের বাড়ি কালীগঞ্জে হওয়ায় সে একোছত্র আধিপত্য বিস্তার করে এলজিইডি অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে।
তার নিকট প্রকৌশলী থেকে শুরু করে অফিসের সকলেই জিম্মি হয়ে রয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট জানাতে চাইলে তিনি বলেন, আমি স্ট্যাম্পের ফি বাবদ যে টাকা নিয়েছি সেটাকে ভিন্নখাতে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি কোন ঘুষ, দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়।
বিষয়টি নিয়ে জানতে কুশুলিয়া ইউপি সচিব মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, আমি এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট যে টাকা দিয়েছি তাহা স্ট্যাম্প বাবদ, কোন ঘুষ নয়।
কালিগঞ্জ এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন বলেন,কুশুলিয়া ইউপি সচিব মোঃ কামরুল ইসলামকে আমার অফিসে ডাকা হয়েছিল সে নিজের মুখে স্বীকার করেছে আমি হিসাব রক্ষককে কোন ঘুষের টাকা দেয়নি এটা স্ট্যাম্পের টাকা।

No comments