শিরোনাম :

বাঁকা ইউনিয়নে বিএনপির দুর্গ গড়তে চান আবুল বাশার

 


স্টাফ রিপোর্টার:


চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটিই নাম—আবুল বাশার।


বাঁকা ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সফল সাধারণ সম্পাদক এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক আবুল বাশার তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু সৈনিক। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ ১৬ বছরের দুঃশাসন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং চরম প্রতিকূলতার মাঝেও জীবননগর ও বাঁকা ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন তিনি।


দলের প্রতি তার অবিচল আনুগত্যের প্রমাণ মেলে তার রাজনৈতিক জীবনের পদাঙ্ক লক্ষ্য করলে। স্বৈরাচারী আমলে মিথ্যা ও গায়েবি মামলার শিকার হয়ে তাকে ১২টি রাজনৈতিক মামলার বোঝা মাথায় নিতে হয়েছে। সহ্য করতে হয়েছে জেল-জুলুম ও অমানবিক নির্যাতন। দীর্ঘ এক মাস কারাবরণ করেও তিনি আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। উল্টো কারাগার থেকে ফিরে দ্বিগুণ উদ্দীপনায় রাজপথে সক্রিয় থেকেছেন এবং নিজের পকেটের অর্থ ব্যয় করে অবরুদ্ধ ও নির্যাতিত দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দিয়েছেন নিয়মিত আর্থিক ও আইনি সহযোগিতা।


শুধু দলীয় গণ্ডিতেই নয়, করোনাকালীন চরম সংকটের সময় তিনি সাধারণ মানুষের মাঝে ত্রাণসামগ্রী ও আর্থিক অনুদান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্যের সময়েও তিনি জনগণের ভোটে মেম্বার নির্বাচিত হয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় দলীয় নেতাকর্মী ও এলাকার মানুষের পক্ষে কথা বলায় এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তৎকালীন আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান তার ৩১ মাসের ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানী ভাতা আবুল বাশারকে দেননি। কিন্তু কোনো অন্যায় বা চাপের কাছে মাথা নত করেননি আবুল বাশার।


রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক পরিমণ্ডলেও আবুল বাশারের সুনাম সর্বজনবিদিত। তিনি বর্তমানে এলাকার স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন ‘লোকমর্চা’-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন। সমাজে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়া বাল্যবিবাহের অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে বিগত ৭ বছর ধরে তিনি মাঠপর্যায়ে আপসহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।


একই সঙ্গে তিনি সমাজকে কলঙ্কমুক্ত করতে মাদকের বিরুদ্ধে শতভাগ জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। এলাকার প্রতিটি অঞ্চলের অসহায়, দরিদ্র, দিনমজুর ও হতদরিদ্র মানুষের বিপদে-আপদে তিনি নিজের উপার্জিত অর্থ দিয়ে পরম বন্ধুর মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন, যা তাকে বাঁকা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।


আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের সাধারণ নেতাকর্মী ও আপামর জনসাধারণের মাঝে আবুল বাশারের পক্ষে ব্যাপক গণজোয়ার ও সুদৃঢ় সমর্থন সৃষ্টি হয়েছে। দল ও সমাজের প্রতি এমন ত্যাগী, সৎ, সাহসী ও পরীক্ষিত নেতাকে যদি আসন্ন বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে চূড়ান্ত দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়, তবে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে তিনি জয়লাভ করবেন বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সাধারণ ভোটাররা শতভাগ নিশ্চিত।


আবুল বাশার স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, দল তাকে মূল্যায়ন করলে এবং দলের পক্ষ থেকে তাকে সমর্থন করলে তিনি বাঁকা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের নীরব বিপ্লবের মাধ্যমে এই ইউনিয়নটি দেশনায়ক তারেক রহমান ও বিএনপিকে উপহার দেবেন।


চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে তিনি জরাজীর্ণ রাস্তাঘাট সংস্কার, অবহেলিত গ্রামীণ অবকাঠামোর আধুনিকায়ন এবং দরিদ্র ও দুস্থ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবেন। একই সঙ্গে তিনি বাঁকা ইউনিয়ন পরিষদকে একটি আধুনিক, জবাবদিহিমূলক ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জন্য প্রশাসনিক সেবা শতভাগ নিশ্চিত ও সহজলভ্য করার অঙ্গীকার করেছেন।


এলাকার সাধারণ ভোটারদের দাবি—ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বাঁকা ইউনিয়নকে একটি আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে আবুল বাশারের মতো সুযোগ্য ও জনদরদী নেতার কোনো বিকল্প নেই।

No comments