শ্যামনগরে মরা কাঁকড়ার দুর্গন্ধে অতষ্টি এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ প্রয়োজন
মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
শ্যামনগর উপজেলার দাতিনা খালি নদী ভাঙ্গল চরে কাকড়া ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত মরা কাকড়া ফেলায ব্যাপক দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত অপসারণ না হলে এলাকায় মহামারির সৃষ্টি হতে পারে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা বন বিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। স্বরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, শ্যামনাগর উপজেলার ৯নং বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের দাঁতনাখালি গ্রামে ভাঙ্গনকৃত নদীর পাড়ে এলাকার কাকড়া হ্যাচারি ব্যবসায়ীরা তাদের হ্যাচারির মরা কাকড়া ফেলিযে স্তুপে পরিণত করছে। যার দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে নদীর পাড়ের বসবাসকারী মানুষেরা। নদীর পাড়ে বসবাসকারী খালেকুল গাজী জানান, কাঁকড়ার হ্যাচারীর মালিকগণ তাদের হ্যাচারীর মরা কাকড়া নদী ভাংগন এলাকায় ফেলায ব্যাপক দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। উক্ত মরা কাকড়ায পোকা হয়েছে। যার কারণে ওয়াপদার বেড়িবাধের উপর দিয়ে চলাচরে নাকে কাপড় দিতে হয। উহা বাতাসে ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। যার কারনে খানাপিনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তিনি আরো জানান, হ্যাচারি মালিকদের ফেলাতে নিষেধ করলে তারা বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র যেতে বলেন। আবুল হোসেন জানান, কাঁকড়া হ্যাচারীর মালিকদের মরা কাঁকড়া নদী ভাঙ্গন খুলে ফেলাতে নিষেধ করলেও তারা শোনে না। তিনি আরো জানান, নদীতে কোন প্রকার ময়লা আবর্জনা ফেলানো নিষেধ। কিন্তু বন বিভাগের সদস্যরা কেন যে দেখেও দেখেনা বুঝলাম না। বার্ষিকের পরিবেশবিদ শাহিন আলম জানান, হ্যাচারির মরা কাঁকড়া মাটিতে পুঁতে রাখার নিয়ম। তা না করে নদীর পাড়ে ফেলে দুর্গন্ধ ছড়ানো এটা কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরী। দাতিনাখালি হ্যাচারি মালিক জুযেল এর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন আমার হ্যাচারির মরা কাকড়া নদীর পাড়ে ফেলি না। এছাড়া আমি নদীর পাড়ে মরা কাকড়া না ফেলার জন্য সাইনবোর্ড দিয়েছি। দুষ্কৃতকারীরা সাইনবোর্ডটি ছিড়ে ফেলেছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কাঁকড়ার হ্যাচারি ব্যবসায়ীরা তাদের ঘেরের মরা কাকড়া নদীর পাড়ে ফেলে থাকে।
ছবির ক্যাপশন- শ্যামনগরে দতিনাখালি নদীর ভাঙ্গন কবলিত নদীর পাড়ে মরা ফেলানোর স্তুপ।


No comments