শিরোনাম :

অসুস্থ স্বামী রেখে পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে এক সন্তানের মা প্রেমিকার হাত ধরে উধাও,থানায় অভিযোগ

 


মোঃ আছাদুজ্জামান লিটন 

বিশেষ প্রতিনিধিঃ


শ্যামনগর উপজেলার কাশিমাড়ি ইউনিয়নে শংকরকাটি গ্রামে অসুস্থ স্বামী রেখে পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে এক সন্তানের মা প্রেমিকার হাত ধরে উধাও হওয়া শ্যামনগর থানায় অভিযোগ। এঘটনায় শংকরকাটি গ্রামের অমল বৈরাগীর ছেলে নিত্যানন্দ কুমার বাদী হয়ে তিনি জনকে বিবাদী করা শ্যামনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। বিবাদীরা হলেন,শংকরকাটি

গ্রামের অভিমান্য গায়েনের মেয়ে লিপিকা বৈরাগী (৩১)

 থানা শ্যামনগর। বাবার বাড়ীর গ্রাম-বীনাপানি, থানা-কয়রা, জেলা-খুলনা।-শংকরকাটি গ্রামের

 মহোহর বৈরাগীর ছেলে দেবব্রত বৈরাগী (৪৩) ও বীনাপানি গ্রামের কয়রা থানার অভিমান্য গায়েন (৬০)।

 অভিযোগ সুত্রে জানাযায়,১নং বিবাদী আমার স্ত্রী ১ ও ২নং বিবাদী একে অপরের সাথে পরকিয়ায় আসক্ত  ৩নং বিবাদী ১নং বিবাদীর পিতা। তাছাড়া ২নং বিবাদীর স্বভাব-চরিত্র ভালো না। সে লম্পট ও দুশ্চরিত্র প্রকৃতির। আমি রোড এক্সিডেন্টে বিগত ২ বছর পূর্বে গুরুতর আহত হওয়ায় আমার ডান পা প্রায় অচল হয়ে যাওয়ার পথে। পায়ের চিকিৎসা চলমান। যার কারণে বহু টাকা পয়সা খরচ খরচা হয়ে গেছে। ইতিমধ্যে ১ ও ২নং বিবাদী একে অপরের সাথে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক করা সহ তারা অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। ২নং বিবাদী আমার প্রতিবেশী কাকা হওয়ায় সত্বেও সে আমার বউয়ের সাথে আমার অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আমি জানতে পেরে তাদেরকে বহুবার নিষেধ করলেও তারা আমার কথায় কর্নপাত না করে চলে। তাছাড়া বিষয়টি নিয়ে ৩নং বিবাদীকে জানালে সে তার মেয়েকে শাসন না করে বরং বিভিন্ন উসকানি দিয়ে আসতে থাকে। বিগত কিছুদিন পূর্বে আমাকে ডাক্তার দেখনো হয় এবং অপারেশন করার জন্য ডাক্তার  পরামর্শ দিলে আমি পায়ের অপারেশন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি। পায়ের অপারেশন করার জন্য জমি বেঁচে নগদ ৪ লক্ষ-টাকা ও গরু বেচে নগদ ৯০, হাজার টাকা বাসায় রাখি। এমতাবস্থায় গত ১৩/০৪/২০২৬ তারিখ বেলা অনুমান ১২টার দিকে আমি বাড়ীতে না থাকার সুযোগে ১ ও ২নং বিবাদী একে অপরের সাথে শলা পরামর্শ করে ২নং বিবাদীর ইন্ধনে ১নং বিবাদী আমার বাড়ী হতে জমি ও গরু বিক্রয়ের নগত ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা, একটি ০৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও ৮ আনা ওজনের একজোড়া স্বর্নের দুল নিয়ে সে বাড়ী হতে ২নং বিবাদীর সাথে অজানার উদ্দেশ্যে বের হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে তার বাবার বাড়ীতে খোঁজ খবর নিলে ৩নং বিবাদীর সাথে তার মেয়ের কথা বার্তা হওয়া সত্ত্বেও সে কোন তথ্য না দিয়ে বরং আমাকে বিভিন্ন হুমকি ধামকি প্রদান করে। আমার স্ত্রী ১নং বিবাদীর মোবাইল ফোন নাম্বার ০১৯৬২-৬৪৮৮১০ এ ফোন দিলে তার নাম্বার মাঝে মধ্যে খোলা পাওয়া গেলে ও ফোন দিলে রিসিভ করে না। অতঃপর সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুজি করেও ২নং বিবাদীর কবল হতে আমার স্ত্রী ১নং বিবাদীকে উদ্ধারের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে এবং বিষয়টি নিয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানিয়ে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করতে বিলম্ব হলো।এমনত অবস্থায় আমার ছেলে সন্তানকে নিয়ে অসুস্থ শরীরে মানবতার জীবন যাপন করছি। আপনাদের লেখনের মাধ্যমে যাতে করে আমার নগদ টাকা ফেরত পেয়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থভাবে সন্তান নিয়ে বসবাস করতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান বলেন আমি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


No comments