শিরোনাম :

একটি ধর্ষণ চেষ্টা মামলা ও অনেকগুলো প্রশ্ন??

 নিজস্ব প্রতিবেদ :


ভিডিও ব্লাকমেইল ও প্রকৃত তথ্য আড়াল করে শৈলকুপার নাগিরাট গ্রামে আব্দুল কুদ্দুস নামে একজনকে ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ!! 

৩০ মে বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে  ধর্ষণ চেষ্টার আসামী হিসেবে যাকে দেখানো হচ্ছে তিনি আব্দুল কুদ্দুস। যাকে ভিকটিম বলে চালিয়ে দেওয়া হয়েছে উক্ত শিশুটি আব্দুল কুদ্দুস এরই মেয়ে। বাবাকে হেনস্তা করায় সে কাদছে।  প্রকৃতপক্ষে আব্দুল কুদ্দুসের কলেজপড়ুয়া মেয়েকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে তিনি মবের শিকার হয়েছেন। বর্ণিত মামলার এজাহারে জানা যায় ২৪ মে সংঘটিত ধর্ষণচেষ্টা মামলাটি পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে ৩০ মে রাত ১১.৩০ মিনিটে এবং পুলিশ ৩১ মে রাত ১ টায় আসামীকে আটক করার কথা উল্লেখ করে । অথচ  পুলিশ ৩০ মে বিকেলেই আসামীকে আটক করে। যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।  মামলা গ্রহণের আগেই পুলিশ আসামীকে কিভাবে আটক করলো? এবং ৩০ মে বিকেলে আটক করা হলেও দেখানো হয়েছে রাত ১. ৩০ মিনিটে।  ভাইরাল করা ভিডিওতে যে শিশুটিকে কাঁদতে দেখা যাচ্ছে সে আব্দুল কুদ্দুস এরই মেয়ে। পাবলিক শিশুটিকে ধর্ষণ চেষ্টার ভিকটিম হিসেবে ধরে নিয়েছে। ৮ জুন ২০২৬  দুপুরে উক্ত আব্দুল কুদ্দুস এর পরিবার শৈলকুপা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জানান কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায়  আসামী কুদ্দুসকে পরিকল্পিত ভাবে  ফাঁসানো হয়েছে। ৩০ মে বিকেলে একদল মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে আব্দুল কুদ্দুস এর বাড়িতে 

 হামলা করে, এসময় আব্দুল কুদ্দুস এর কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে শ্লীলতাহানিও করা হয়। 

প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে কুদ্দুস তার ছোট মেয়েকে নিয়ে নিরাপত্তার জন্য ঘরে দরজা লাগিয়ে দেয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা কুদ্দুস ও তার মেয়েকে ঘর থেকে বের করার সময় যে ভিডিওটি ধারন করে সেই ভিডিওটি পাবলিক করে ধর্ষনের ভিকটিম হিসেবে সাধারণ মানুষের ভুল বোঝাতে সক্ষম হয়। তাৎক্ষণিক পুলিশ ও মানুষের মাঝে ধর্ষনের খবর চাউর করলেও পরিবারটির সাথে ভয়ানক প্রতারনা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে। মামলার বিবরণ, স্থানীয়দের বক্তব্য ও ছড়িয়ে দেয়া ভিডিওদৃষ্টে প্রাথমিকভাবে প্রতিয়মান হয় যে, আব্দুল কুদ্দুস রীতিমতো ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে।

No comments