Friday, October 31, 2025

সাতক্ষীরায় জাতীয় নাগরিক পার্টির উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

 


মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: গণপরিষদ নির্বাচন, নতুন সংবিধান প্রণয়ন, বিচার বিভাগে সংস্কার ও জনগণের গণঅধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সাতক্ষীরায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে শহরের ইটাগাছা খড়িবিলা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


উঠান বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলার সমন্বয়ক কামরুজ্জামান বুলু,

যুগ্ম সমন্বয়ক আলহাজ্ব শেখ আহসানুল্লাহ,সদস্য সি এম নাজমুল ইসলাম,জাতীয় ছাত্র শক্তির প্রতিনিধি মুজাইদুল ইসলাম,বখতিয়ার হোসেন,মুজাহিদ বিন ফিরোজ সহ আরো অনেকে। 


বৈঠকে বক্তারা বলেন, দেশে একটি কার্যকর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য গণপরিষদ নির্বাচন জরুরি। জনগণের মতামতের ভিত্তিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করলেই দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব।


আয়োজিত উঠান বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির জেলা নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আরও বলেন, জনগণের প্রকৃত অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের দাবিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

Labels: ,

কিশোর-কিশোরী ও যুবদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে সাতক্ষীরায় প্রীতি ফুটবল ও গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা অনুষ্ঠিত

 



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরী ও যুবদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ও হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 


শুক্রবার সকালে টিডিএইচ ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্সের আয়োজন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে `স্পোর্টস ফর প্রোটেকশন রেজিলিয়েন্স অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (SPiRiT)’ নামক প্রকল্পের আওতায় খেলাধুলার মাধ্যমে কিশোর-কিশোরী ও যুবদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণে ইউনিয়ন পর্যায়ে খেলাধুলার আয়োজন করছে।


খেলায় অংশ নেন কিশোর-কিশোরী,যুব ও অভিভাবক'রা। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ফুটবল ম্যাচের পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া গ্রামীন ঐতিহ্যবাহী বিশ বালিশ ও চেয়ার সেটিং খেলাধুলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। 


খেলায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকেবিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সাবেক ফিফা রেফারি ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার প্রাপ্ত তৈয়ব হাসান বাবু, এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম, ওসিসি কর্মকর্তা আব্দুল হাই,মাছখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহজাহান আলী,স্পিরিট প্রোগ্রাম অফিসার শরিফুল ইসলাম সহ আরো অনেকে। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন উপজেলা কো-অর্ডিনেটর সুজয় সরকার। 


উক্ত খেলাতে ছেলে ও মেয়েদের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, জনপ্রিয় স্থানীয় খেলা হাড়িভাঙা, চামচ দৌড়, বালিস ছোড়া, লুডু, সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। খেলাশেষে বিজয়ীদের মধ্যে কাপ, মেডেল ও পুরস্কার বিতরণ করা হয়।


উল্লেখ্য,সাতক্ষীরা জেলার ০৫টি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত কারণে অপেক্ষা কৃত পিছিয়ে পড়া ও ক্ষতির শিকার জনগোষ্ঠীর পরিবারের ২৭০০ জন ( ছেলে ১৩৫০ এবং মেয়ে ১৩৫০ জন) শিশু ও যুবদের অংশগ্রহণে ১৮০ টি গ্রুপের মাধ্যেমে গত ০৪ মাস ব্যাপী ‘সুরক্ষার জন্য ফুটবল কারিকুলাম গাইড’ এবং ‘সুরক্ষার জন্য গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী কেলা কারিকুলাম লাইড’ এ অর্ন্তভূক্ত নিরাপদ খেলার মাধ্যমে ১৮টি সেশনের মধ্য দিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ৬টি জীবন দক্ষতা অর্জন করেছে। জীবন দক্ষতা গুলো হলো আস্থা স্থাপন, সহযোগিতা, যোগাযোগ, আবেগ ব্যবস্থাপনা, সৃজনশীল চিন্তাভাবনা এবং দায়িত্ব গ্রহণ। দক্ষতাগুলো অর্জনের মাধ্যমে সুস্থতার প্লিয়ারসমূহ যেমন নিরাপদ বোধ করা, সংযুক্ত অনুভব করা, সম্মানিত বোধ করা, আশাবাদী করা, যোগ্যবোধ করা, আত্মসুরক্ষা ও সতীর্থের সুরক্ষা অনুভুতির মধ্যদিয়ে জীবন দক্ষতা গুলো কাজে লাগিয়ে তারা তাদের নিজেদের সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। পাশাপাশি পরিবার, স্কুল ও কমিউনিটি কেন্দ্রিক সমস্যা চিহ্নিত করে  স্থানীয় যুব, অভিভাবক, ক্লাব, ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে বর্তমানে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা আরও ‘এনজেগ কারিকুলাম গাইড’ এর মাধ্যমে ৮টি সেশনের মাধ্যমে উক্ত উদ্যোগগুলো গ্রহণ করছে।


Labels: ,

সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল অনুষ্ঠিত

 



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : “সুস্থ দেহ, সুন্দর মন—দ্বীন কায়েমের আন্দোলন” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে জুলাই স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে


 শুক্রবার (৩১ অক্টোবর)  সকালে সাতক্ষীরা পল্লী মঙ্গল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে শহর শাখার অন্তর্গত পৌরপূর্ব থানা শাখা বনাম স্কুল বিভাগ দলের মধ্যে এ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

ম্যাচের উদ্বোধন করেন শহর ছাত্রশিবিরের স্পোর্টস সম্পাদক হাফেজ এবাদুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহর ছাত্রশিবিরের তথ্য ও মিডিয়া সম্পাদক মোঃ মাসুদ রানা।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন পৌরপূর্ব থানার সভাপতি মোঃ ইমরান হোসেন, স্কুল বিভাগের পরিচালক মোঃ বিল্লাল হোসেন রিপন এবং পৌরপূর্ব সেক্রেটারি জুবায়ের আহমেদ।

নির্ধারিত ৫০ মিনিটের খেলায় দুই দল ১–১ গোলে ড্র করে। পরে ট্রাইব্রেকারে স্কুল বিভাগ ৩–১ গোলে পৌরপূর্ব থানা শাখাকে পরাজিত করে সেমিফাইনালে ওঠার গৌরব অর্জন করে।

মাঠে উপচে পড়া দর্শকের উপস্থিতি খেলায় বাড়তি উৎসাহ ও প্রাণচাঞ্চল্য যোগ করে।

এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের মাঝে খেলাধুলার চেতনা, শারীরিক-মানসিক বিকাশ ও ইসলামী আদর্শে উজ্জীবিত জীবন গঠনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

Labels: ,

Thursday, October 30, 2025

খুলনায় ইউনিয়ন পরিষদের রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের সহযোগিতায় এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর এর বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের রূপকল্প ও উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে। দুই দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা (২৯–৩০ অক্টোবর ২০২৫) এই কর্মশালায় সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা, কাদাকাটি, বুধহাটা ও দরগাহপুর ইউনিয়ন পরিষদের মোট ২৬ জন নির্বাচিত নারী ও পুরুষ জনপ্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।


প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের রূপকল্প নির্ধারণ, উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাজেট প্রক্রিয়া বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি করা, যাতে ইউনিয়ন পরিষদের পরিকল্পনা আরও অংশগ্রহণমূলক, জনবান্ধব ও ফলপ্রসূ হয়।


প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন ওয়াটারএইড বাংলাদেশের পলিসি অ্যাডভাইজর জনাব সফিকুল ইসলাম, পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট জনাব রঞ্জন কুমার ঘোষ, এবং স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট এক্সপার্ট জনাব সাঈদ মাহাদি। প্রশিক্ষণটির সার্বিক পরিচালনা ও সমন্বয় করেন রূপান্তরের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং কোঅর্ডিনেটর মোছাঃ জোহুরা খাতুন মীরা।


দুই দিনের এই প্রশিক্ষণে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যকর পরিকল্পনা প্রণয়ন, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, পরিস্থিতি বিশ্লেষণ, খাত নির্বাচন ও অংশগ্রহণমূলক বাজেট প্রণয়ন বিষয়ে ব্যবহারিক ধারণা প্রদান করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা দলীয় আলোচনা, উপস্থাপনা, প্রশ্নোত্তর এবং হাতে-কলমে অনুশীলনের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।


সমাপনী সেশনে অংশগ্রহণকারীরা মতামত ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের প্রশিক্ষণ ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিদের পরিকল্পনা ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা ইউনিয়ন পর্যায়ের রূপকল্প ও বাজেট পরিকল্পনা প্রক্রিয়াকে আরও বাস্তবসম্মত, টেকসই ও জনগণের অংশগ্রহণমূলক করবে।

Labels: ,

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান: সাড়ে সাত লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ



মোঃহাফিজুল ইসলাম সাতক্ষীরা :সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে সাড়ে সাত লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ করেছে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর ) বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)-এর অধীনস্থ ভোমরা, কুশখালী, তলুইগাছা, কাকডাঙ্গা ও মাদরা বিওপি এবং বাঁকাল চেকপোস্টের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মোট ৭,৬০,৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ, শাড়ি ও শাল চাদর আটক করা হয়েছে।


গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির আভিযানিক দল মেইন পিলার-৪/৩ এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন বেরিবাধ নামক স্থান থেকে ১,৪০,০০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।

একইভাবে কুশখালী বিওপির আভিযানিক দল মেইন পিলার-১২/২ এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন শ্মশানঘাট নামক স্থান থেকে ৩৫,০০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।


তলুইগাছা বিওপির আভিযানিক দল মেইন পিলার-১৩/৩ এস এর ৩ আরবি হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন কামারাবাড়ি নামক স্থান থেকে ৩৬,০০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ করে।

অন্যদিকে কাকডাঙ্গা বিওপির পৃথক দুইটি বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৩ এস এর ৫ ও ৬ আরবি হতে আনুমানিক ৩০০-৩৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন গেরাখালী ও রাজ্জাকের মোড় নামক স্থান থেকে ৪,০২,৫০০ টাকার ভারতীয় ঔষধ আটক করে।



মাদরা বিওপির বিশেষ পৃথক দুইটি আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৩ এস এর ৭ ও ৮ আরবি হতে আনুমানিক ৩০০-৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন ফুলতলা বাজার ও চান্দা নামক স্থান থেকে ১,০৫,০০০ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও ঔষধ আটক করে।

এছাড়াও বাঁকাল চেকপোস্টের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা থানাধীন ঢালিপাড়া নামক স্থান থেকে ৪২,০০০ টাকার ভারতীয় শাল চাদর আটক করে।


মোট ৭,৬০,৫০০ (সাত লক্ষ ষাট হাজার পাঁচশত) টাকার চোরাচালানী ও মাদক জাতীয় মালামাল আটক করা হয়।


সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ আশরাফুল হক, পিবিজিএম, পিএসসি, জি জানান, চোরাকারবারীরা উক্ত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত থেকে বাংলাদেশে পাচার করছিল। এসব ভারতীয় দ্রব্য চোরাচালানের কারণে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। 

উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।


Labels: ,

সাতক্ষীরা পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠিত

 


মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর-এর গোফরইম্প্যাক্ট কর্মসূচির উদ্যোগে সাতক্ষীরা পৌরসভার ৩৯ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিয়ে দুই দিনব্যাপী (২৯-৩০ অক্টোবর ২০২৫) দুই দিনব্যাপী সক্ষমতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণের কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। রূপান্তরের আয়োজনে এবং ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ও সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশ কনসোর্টিয়ামে'র সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা লেকভিউ রিসোর্টে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণে  অংশগ্রহণকারী বর্জ্য ও স্যানিটেশন কর্মীদের মাঝে সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণ স্থানীয় সরকার বিভাগের  উপ-পরিচালক মাশরুবা ফেরদৌস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা লিয়াকত আলী। 


এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য ছিল পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বৃদ্ধি, ইতিবাচক মনোভাব গঠন, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি, এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা প্রদান। এছাড়া জেন্ডার সমতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়েও আলোচনা হয়।


প্রধান অতিথি বক্তব্য তিনি বলেন,সাতক্ষীরা পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরকার একটি মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে। এই পরিকল্পনার সঙ্গে রূপান্তরকে এক হয়ে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি, যা ভবিষ্যতের পরিকল্পিত বর্জ্যমুক্ত নগরী গঠনে সহায়তা করবে।


উল্লেখ্য, ‘গোফরইম্প্যাক্ট’ প্রকল্পটি বাংলাদেশ সরকার ও সুইজারল্যান্ড সরকারের যৌথ উদ্যোগে, ওয়াটারএইড বাংলাদেশ এবং সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের কারিগরি সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি বর্তমানে সাতক্ষীরা পৌরসভা, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় পরিচালিত হচ্ছে।


Labels: ,

নাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্তির প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় নার্সদের মানববন্ধন



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: নাসিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর বিলুপ্ত করে অন্য কোনো অধিদপ্তরের সঙ্গে একীভূত করার অপচেষ্টার এবং মিডওয়াইফারি সংস্কার পরিষদ কর্তৃক দাবি সমূহ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সারাদেশের ন্যায় সাতক্ষীরায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন (বি.এন.এ) সাতক্ষীরা জেলা শাখা।


বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি ডালিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাসিমা খাতুন, কোষাধ্যক্ষ মাহমুদউল হাসান, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও মিডওয়াইফারি প্রতিনিধি নাসিম খালেদ, ছাত্র-ছাত্রী প্রতিনিধি চঞ্চলা রানীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ ৪৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী এই অধিদপ্তর বিলুপ্ত হলে নার্সিং শিক্ষা ও সেবার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা অবিলম্বে বিলুপ্তির অপচেষ্টা বন্ধের দাবি জানান এবং যোগ্যতা অনুযায়ী পদোন্নতি ও বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।


মানববন্ধন শেষে বিএনএ নেতৃবৃন্দ সতর্ক করে বলেন, দাবিগুলো দ্রুত বিবেচনা না করা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

Labels: ,

Wednesday, October 29, 2025

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)

 


সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)


তারিখঃ ২৯ অক্টোবর ২০২৫


*প্রেস বিজ্ঞপ্তি*


*সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২০ বোতল ভারতীয় মদসহ প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি*


অদ্য ২৯ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) এর অধীনস্থ ভোমরা,  ঘোনা, তলুইগাছা, মাদরা, হিজলদী বিওপি এবং ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ২০ বোতল ভারতীয় মদসহ প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ভারতীয় ঔষধ, শাড়ি, প্রেসারকুকার  ও প্রসাধনী সামগ্রী আটক করে।


গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ভোমরা বিওপির এর আভিযানিক দল মেইন পিলার-৩  হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন ফলমোড় নামক স্থান হতে ৬,৯০০/- ভারতীয় প্রেসার কুকার আটক করে। ঘোন বিওপির এর আভিযানিক দল মেইন পিলার-৬/৫ এস হতে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন পায়রাডাঙ্গা আমাবাগন নামক স্থান হতে ৮,২০০/-  ভারতীয় বিড়ি আটক করে। তলুইগাছা বিওপির এর আভিযানিক দল মেইন পিলার-১৩/৩ এস এর ৩ আরবি হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা সদর থানাধীন মুজুরদারের খাল নামক স্থান হতে ৪৫,০০০/- টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষধী গাছের বাকল আটক করে। মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৩ এস এর ৮ আরবি হতে আনুমানিক ৪০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন চান্দা নামক স্থান হতে ৩৫,০০০/- টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি  আটক করে। হিজলদী বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্ত পিলার-১৩/৪ এস হতে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কলারোয়া থানাধীন শিশুতলা নামক স্থান হতে ২,১০,০০০/- টাকা মূল্যের ভারতীয়  ঔষধ  আটক করে। এছাড়াও, ঝাউডাঙ্গা বিশেষ ক্যাম্পের বিশেষ আভিযানিক দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সাতক্ষীরা থানাধীন হরিণা নামক স্থান হতে ৩০,০০০/- টাকা মূল্যের ২০ বোতল ভারতীয়  মদ আটক করে।

সর্বমোট ৩,৩৫,১০০/- (তিন লক্ষ পঁয়ত্রিশ হাজার একশত ) টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালানী ও মাদক মালামাল আটক করে।


চোরাকারবারী কর্তৃক বর্ণিত মালামাল শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারত হতে বাংলাদেশে পাচার করায় জব্দ করা হয়। এভাবে ভারতীয় দ্রব্য সামগ্রী চোরাচালানের কারনে দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্থ হবার পাশাপাশি দেশ উল্লেখযোগ্য রাজস্ব আয় হতে বঞ্চিত হচ্ছে।


বিজিবি টহলদল কর্তৃক উদ্ধারকৃত ভারতীয় মালামাল সাতক্ষীরা কাস্টমস এ জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 


স্বাক্ষরিত/-


*মোঃ আশরাফুল হক, পিবিজিএম, পিএসসি, জি*

লেঃ কর্নেল

পরিচালক 

অধিনায়ক

সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি)


Labels: ,

Tuesday, October 28, 2025

ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে পল্টন ট্রাজেডি আলোকচিত্র প্রদর্শনী সম্পন্ন

 



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা:

২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ০৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে এক আলোকচিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) রাতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার পল্টন ময়দানে সংঘটিত নৃশংস হত্যাযজ্ঞের হৃদয়বিদারক ছবি প্রদর্শন করা হয়। অংশগ্রহণকারীরা শহীদদের স্মরণে শোক প্রকাশ করেন এবং ঘটনার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।


প্রদর্শনীতে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা জাকির হোসাইন এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী সেক্রেটারি মোঃ শাহিনুর রহমান।


 প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াতের শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য, এবং ০৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রফেসর আব্দুল ওয়ারেছ।


এছাড়া উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন যুব জামায়াতের সেক্রেটারি হাফিজুর রহমান, ০১ নং ওয়ার্ড যুব জামায়াতের সভাপতি আল মুজাহিদ,সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।


বক্তারা বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন হত্যাযজ্ঞ বাংলাদেশের ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এ ঘটনার বিচার না হওয়ায় আজও দেশবাসীর হৃদয়ে ক্ষোভ ও বেদনা রয়ে গেছে।”


Labels: , ,

সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : চিকিৎসা সেবায় নিম্ন মান নিয়ে সারাবছরই সমালোচনায় থাকে সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতাল। ইতিপূর্বে চিকিৎসা সেবায় অবহেলার কারণে রোগীর মৃত্যুসহ, রোগ নির্ণয়ে ভুল রিপোর্ট প্রদান, রোগীর স্বজনদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ, বিভিন্ন অজুহাতে অলীক সেবার বিল ভাউচার দিয়ে রোগীর স্বজনদের থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়সহ নানাবিধ অভিযোগ আছে। 

সম্প্রতি আরিফুল ইসলাম নামের একজন ফেসবুক ব্যবহারকারীর একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা এলাকায় অবস্থিত সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতাল নিয়ে আবারও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। আরিফুল ইসলাম নামের ওই ব্যক্তি পোস্ট করেছেন, “সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালে চলছে রোগী নিয়ে রমরমা ব্যবসা। পরিচালক গাজী হাফিজ সাধারণ মানুষের জীবনকে পুঁজি করে গলা টিপে মারছে অসহায় রোগীর স্বজনদের।” আর এই ফেসবুক পোস্টে বিভিন্ন ভুক্তভোগীরা বিভিন্নভাবে মšত্মব্য করেছেন। ওই ফেসবুক পোস্টে এসকে রেজাউল ইসলাম বাবলু লিখেছেন, “এর আগেও রোগী মেরে ফেলে দিয়েছিল। ওই ন্যাশনাল হাসপাতাল বন্ধ করে দেয়া হোক। প্রতারণার হাত থেকে মানুষ রেহাই পাক।” এনজেড মাসুম বস লিখেছেন,  “শুধু এখানে নয়, অধিকাংশ চিকিৎসালয়ে একই অবস্থা। মানুষের উপকারের চেয়ে ক্ষতি করে বেশি।” দি ফিজ লাইভ নামে আইডি থেকে লিখেছেন, ‘হাফিজ ভাই সাংবাদিক আবার ওখানকার ম্যানেজার, কিছু করতে গেলেই সাইদ ভাইকে দিয়ে ফোন করায়।” আমজাদ হোসেন সাদ্দাম নামের আইডি থেকে লেখা হয়েছে, “এটা অনেক আগে থেকে হচ্ছে, কিন্তু টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রাখে।” সাব্বির আহম্মেদ রাব্বি নামের আইডি থেকে লিখেছেন “শোনেন ভাই বাংলাদেশে লাখ লাখ হাসপাতাল আছে যেখানে প্রতিদিন অনেক রোগী মারা যাচ্ছে। তার মানে এই না যে আপনি পুরো দোষটা হাসপাতাল এর উপর চাপাই দিবেন। রোগীর মধ্যেও তো কোন সমস্যা থাকতে পারে তাই না। এখন রোগী মারা গেছে বলেই পুরো দোষটা হাসপাতালের তাইতো। প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালে হাজার হাজার রোগী মারা যাচ্ছে কিন্তু সেখানে কোন নিউজ করার মত সাংবাদিক খুঁজে পাওয়া যায় না, কারণ সরকারি বলে জবাবদিহিতার কোন প্রশ্ন উঠে না। আর আপনি বললেন সাধারণ মানুষের জীবনকে পুঁজি করে গলা টিপে মারছে তো সেটার প্রমাণ আপনি আগে দেন। কারণ প্রমাণ ছাড়া কথা বলাটা অযৌক্তিক।” ফেসবুকে পোস্টদাতা আরিফুল ইসলাম নামের আইডির ওই ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “হাসপাতালটি আমার বাড়ির পাশেই। আমার স্ত্রী অসুস্থ ছিল। ন্যাশনাল হাসপাতালে ডাক্তার দেখাব বলে সকাল ৯টায় সেখানে যাই। গিয়ে সিরিয়াল দিলে তারা জানায় আধাঘন্টার মধ্যে ডাক্তার আসবে, একটু অপেক্ষা করুন।’ তিনি আরো জানান, “আমার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে ডাক্তারের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি।

 হাসপাতালের কর্মীদের কাছে ডাক্তার আসার খবর জানতে চাইলে তারা কোন কথা কর্ণপাত না করে মোবাইলে অনলাইন জুয়া খেলায় মনোযোগী ছিল। অবশেষে অপেক্ষা করতে করতে দুপুর গড়িয়ে বিকেল নামে। কিন্তু সেই ডাক্তার আসেনি। বিকেল পাঁচটার দিকে ডাক্তার দেখানোর ফি’র টাকা ফেরত নিয়ে চলে আসি।’ এসব অভিযোগের ব্যাপারে সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক গাজী হাফিজ জানান, “সরকারি অফিস টাইমে সরকারি ডাক্তার থাকেন না। এজন্য ডাক্তার দেখাতে বিলম্ব হয়েছে।” তিনি আরো জানান, “হাসপাতালের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সঠিক নয়।” এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম বলেন, “এমন কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” সাতক্ষীরা ন্যাশনাল হাসপাতালের লাইসেন্স এর ব্যাপারে জানতে চাইলে সিভিল সার্জন জানান, “লাইসেন্স আছে তবে নবায়ন করেনি।” লাইসেন্স নবায়ন না করে কীভাবে হাসপাতাল চলছে জানতে চাইলে তিনি জানান, “জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলতে।”

Labels: , ,

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার আয়োজনে মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় শ্যামনগর উপজেলার ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন।

 


ডেক্স রিপোর্ট :

মঙ্গলবার (২৮/১০/২৫) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অডিটোরিয়ামে জেলা পর্যায়ে মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সভাপতিত্ব করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সাতক্ষীরা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান শরীফ। 

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাক আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বাসুদেব বসু, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু হেনা মোস্তফা কামাল ও জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাও. মুহা. আবুল খায়ের। 


জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলার সঞ্চালনায় বিচারক প্যানেলের ছিলেন সাতক্ষীরা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মুহা. আজমল কবির, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. রিয়াজুল ইসলাম ও জেলা কালচারাল অফিসার ফাইজা হোসেন অন্বেষা।


চার দলীয় দুই পর্বের বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ইতিপূর্বে দুদক আয়োজিত বিতর্ক প্রতিযোগিতা ২০২৫ এর উপজেলা পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন দল কলারোয়া উপজেলার কলারোয়া পাইলট গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তালা উপজেলার কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, সাতক্ষীরা সদরের সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও শ্যামনগর উপজেলার ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।


জেলা পর্যায়ে আয়োজিত মাদক বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম পর্বে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়কে হারিয়ে কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং কলারোয়া পাইলট গার্লস মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চুড়ান্ত পর্বে আসে। সর্বশেষ চুড়ান্ত পর্বে কুমিরা বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শ্যামনগর উপজেলার ছফিরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়।


বিতর্ক প্রতিযোগিতা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দলদ্বয়কে পুরস্কৃত করা হয়েছে। এছাড়া অতিথি, মডারেটর ও বিচারকগণকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান হয়েছে।


এসময়ের সচেতনতামূলক প্রচারণার জন্য উপস্থিত সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও মাদক বিরোধী লিফলেট ব্রুশিয়ার সরবরাহ করা হয়েছে।

Labels: ,

পল্টন ট্র্যাজেডি দিবসে সাতক্ষীরায় ছাত্র শিবিরের দোয়া ও আলোচনা সভা

 



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা :

২৮ অক্টোবর পল্টন ট্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা শহর ছাত্র শিবিরের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।



মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে আল আমিন ট্রাস্টের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শহর ছাত্র শিবিরের সভাপতি মুহা. আল মামুন এবং সঞ্চালনা করেন সেক্রেটারি মেহেদী হাসান।


প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামী’র সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।


এছাড়া শহর শিবিরের বিভিন্ন সম্পাদকবৃন্দ—নুরুন্নবী, আরিফ বিল্লাহ, আবু সালেহ সাদ্দাম, শারাফাত হুসাইন লিটিল, আল রাজীব, মুহা. মাসুদ রানা ও আফজাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।


প্রধান অতিথি বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের রক্তাক্ত পল্টন ট্র্যাজেডি জাতির ইতিহাসে এক কালো অধ্যায়। গণতন্ত্র ও ন্যায়ের আন্দোলনে শহীদদের ত্যাগ আমাদের অনুপ্রেরণার উৎস।”


সভাপতি আল মামুন বলেন, “২৮ অক্টোবর শোকের পাশাপাশি প্রতিবাদের প্রতীকও বটে। আমরা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকার অঙ্গীকার করছি।”



অনুষ্ঠানের শেষে শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


Labels: ,

Monday, October 27, 2025

দৈনিক যশোর বার্তার স্টাফ রিপোর্টার গ্রেপ্তার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি আল আমিন



ডেক্স রিপোর্ট : সাতক্ষীরায় চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ী আল আমিন সরদারকে স্থানীয়রা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন। সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে দেবহাটা উপজেলার পুষ্পকাটি ইটভাটা মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।


আটক আল আমিন সরদার (৩২) সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটা থানার কাশিয়াডাঙ্গা গ্রামের তুব্বাত সরদারের ছেলে।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাগল চুরি, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আল আমিনকে কয়েক বছর আগে নিজ গ্রাম থেকে বিতাড়িত করা হয়। এরপর থেকে তিনি শ্বশুরবাড়ি দেবহাটার পুষ্পকাটি এলাকায় আত্মগোপনে থেকে ইয়াবা ও ভারতীয় নেশাজাতীয় ওষুধ ট্যাপেনটাডল ট্যাবলেট বিক্রি করতেন।


স্থানীয় আব্দুস সালাম জানান, “আমরা বারবার নিষেধ করেছি, কিন্তু আল আমিন মাদক বিক্রি বন্ধ করেনি। সোমবার বিকেলে তাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে খবর দিই।” পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।


ঘটনার পর র‍্যাব-৬ এর একটি টিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। সাতক্ষীরা র‍্যাব কোম্পানি কমান্ডার জানান, “আল আমিন সরদারের বিরুদ্ধে দুটি গ্রেফতারি পরোয়ানার তথ্য ছিল। কাগজপত্র যাচাইয়ে দেখা গেছে, তিনি জামিনে ছিলেন। স্থানীয়রা ইয়াবাসহ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।”


তবে দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান বলেন, “আল আমিন শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। স্থানীয়রা তাকে মারধর করে। আমরা গিয়ে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। মাদকসহ আটকের খবর সঠিক নয়।”


এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, আল আমিন নিজেকে বিভিন্ন নামসর্বস্ব অনলাইন নিউজ পোর্টালের সম্পাদক পরিচয় দিয়ে সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি করছিলেন। তার বিরুদ্ধে মাদক ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে।


পাটকেলঘাটা থানার ওসি শাহিনুর রহমান জানান, “আল আমিনের বিরুদ্ধে জিআর ১২৪/২৪ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল।”


সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল মুকিত খান বলেন, “সে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি। বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।


Labels: ,

০৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণা

 


মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) সংসদীয় আসনের এমপি পদপ্রার্থী মুহাদ্দিস আব্দুল খালেকের পক্ষ থেকে ০৯ নং ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ০৪ নং ওয়ার্ডের রামচন্দ্রপুর এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালানো হয়।


প্রচারণায় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, সেক্রেটারি আব্দুস সবুরসহ আতিকুর রহমান, কবির, মেহেদী হাসান, শাহিন ও আলমগীর।


 নেতৃবৃন্দ এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করে ওয়ার্ডের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।


প্রচারণায় মানুষের মধ্যে উৎসাহ, উদ্দীপনা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয়রা নেতৃবৃন্দের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনে তাদের পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।


Labels: ,

সাতক্ষীরায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

 



মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা : স্যানিটেশন মাস উপলক্ষে সাতক্ষীরায় স্থানীয় পর্যায়ে সমন্বিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


 সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে শহরের কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর-এর আয়োজনে এবং গোফরইমপ্যাক্ট কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওয়াটারএইড ও সুইস কনট্যাক্ট বাংলাদেশ-এর সহযোগিতায় এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।ক্যাম্পেইনে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের।


এসময় উপস্থিত ছিলেন, কারিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুল হক,

রূপান্তরের গোফরইমপ্যাক্ট প্রকল্পের পৌরসভা কো-অর্ডিনেটর সবুজ কুমার সাহা ও WOMO নাসরিন সুলতানা মৌ,যুব প্রতিনিধি কর্ণ বিশ্বাস কেডি সহ আরো অনেকে। 


অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “টেকসই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সঠিকভাবে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। পরিবার ও সমাজের সবাইকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং নির্ধারিত স্থানে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এতে যেমন পরিবেশ সুরক্ষিত থাকবে, তেমনি শহর ও গ্রামের সৌন্দর্যও অটুট থাকবে।”


ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে বিভিন্ন কার্যক্রম আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ছিল,বর্জ্য পৃথকীকরণ ও পরিবেশ রক্ষায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা,বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার কার্যক্রম,কাগজ ও প্লাস্টিক দিয়ে শিল্প কর্ম,শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে “পরিচ্ছন্ন পৃথিবী আমাদের অঙ্গীকার শীর্ষক হাতের ছাপ প্রতীকী অঙ্গীকার। আয়োজকরা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব জীবনযাত্রার অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, যাতে আগামী দিনে একটি পরিচ্ছন্ন, টেকসই ও স্বাস্থ্যসম্মত শহর গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

Labels: ,

৫ দাবিতে সাতক্ষীরায় জামায়াতের বিক্ষোভ




মোঃ হাফিজুল ইসলাম, সাতক্ষীরা :জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি ও নভেম্বরে গণভোট আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে ঝিনাইদহে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।  


জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক আদেশ জারি ও নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনসহ পাঁচ দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে সাতক্ষীরা জামায়াত।


 

 সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকালে সাতক্ষীরা শহীদ আব্দুর রাজ্জাক থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে আবারও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে এসে শেষ হয়।


এসময় সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল   সেক্রেটারী মাওলানা আজিজুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা অফিস সেক্রেটারী মাওলানা রুহুল আমিন, শহর জামায়াতের আমির জাহিদুল ইসলাম, সদর জামায়াতের আমির মাওলানা মশারফ হোসেন, শহর সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, সদর সেক্রেটারী মাওলানা হাবিবুর রহমান প্রমুখ। 


সমাবেশে বক্তারা আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ জারি এবং উক্ত আদেশের ওপর গণভোট আয়োজনের দাবি জানান। 

Saturday, October 25, 2025

সুন্দরবনের পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিকতায় সাতক্ষীরার তিন সাংবাদিকের সম্মাননা অর্জন



 নিজস্ব প্রতিবেদক, সাতক্ষীরা: সুন্দরবনের পরিবেশ বিষয়ক সাংবাদিকতার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মাননা অর্জন করেছেন সাতক্ষীরার তিন সাংবাদিক। 

সম্মাননা পাওয়া তিন সাংবাদিক হলেন, খুলনা গেজেটের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি রুহুল কুদ্দুস, সমকালের শ্যামনগর প্রতিনিধি সামিউল মনির, সাতক্ষীরার সকালের নির্বাহী সম্পাদক আমিরুজ্জামান বাবু। এছাড়া সুন্দরবন বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য এখন টেলিভিশন ও জাগো নিউজের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আহসানুর রহমান রাজিব, সংবাদিক এম এ হালিম, অনাথ মন্ডল ও সুলতান শাহজাহানকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। 

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১ টায় সাতক্ষীরা শহরের অদূরে ত্রিশমাইলে অগ্রগতি সংস্থার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সুন্দরবনের দূষণ হ্রাস এবং বাস্তুতন্ত্রের উন্নতিতে জার্নালিজম ফর সুন্দরবন বিষয়ক সভায় এসব সম্মাননা দেয়া হয়। জার্নালিজম ফর সুন্দরবন-এর সাতক্ষীরা শাখার আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জল-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে সাংবাদিকদের হাতে এসব সম্মাননা স্মারক তুলে দেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের পরিচালক শাহাদত হোসেন বাচ্চু। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অগ্রগতি সংস্কার নির্বাহী পরিচালক আব্দুস সবুর বিশ্বাস, রূপান্তরের ইকো-সুন্দরবন প্রকল্পের মিনিটরিং অফিসার দীপ সাহা, জার্নালিজম ফর সুন্দরবনের সদস্য সচিব আহসানুর রহমান রাজিব। 

সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন রূপান্তরের ইকো-সুন্দরবন প্রকল্পের জেলা সমন্বয়কারী গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানে সাংবাদিক গোলাম সরোয়ার, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু, এম রফিক, মনিরুল ইসলাম মনি, সচ্চিদানন্দ দে সদয়, এস কে হাসান, খন্দকার আনিসুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, নাজমুল আলম মুন্নাসহ  জার্নালিজম ফর সুন্দরবন-এর অন্যান্য সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

 


গোলাম সাহারিয়া:সাতক্ষীরায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) নিষিদ্ধের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট, ইসলামবিদ্বেষী কার্যকলাপ এবং মুসলিম কিশোরী ধর্ষণ ও গুম-খুনের অভিযোগ তুলে স্থানীয় সর্বস্তরের তাওহীদি জনতা শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বাদ জুমা সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে এই কর্মসূচি পালন করে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ইসকনের কার্যক্রম বাংলাদেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছে। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সাতক্ষীরা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম হাবিবী-এর সভাপতিত্বে এবং মুফতি হুজাইফা মামুন-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিক্ষোভে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি মুখলেসুর রহমান সাদী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম হাবিবী।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা ইসকনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা তুলে ধরেন। হাফেজ মাওলানা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “সন্ত্রাসী সংগঠন ইসকন দেশের জন্য অশনিসংকেত। ইসলামবিদ্বেষী কার্যকলাপ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কারণে দেশে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।”

মাওলানা মুজাহিদুল ইসলাম হাবিবী বলেন, “জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম সাতক্ষীরা জেলার উদ্যোগে এই বিক্ষোভ মিছিল ইসকনের পরিকল্পিত মুসলিম কিশোরী ধর্ষণ ও গুম-খুনের বিরুদ্ধে এবং সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।”

বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “ইসকনের অপতৎপরতা আর সহ্য করা হবে না। সরকার যদি অবিলম্বে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ না করে, তবে দেশ ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে। মুসলমানদের ঈমানি চেতনায় আঘাত দিয়ে কেউ পার পাবে না।”

সমাবেশে জমিয়ত বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল মুফতি নুর আলম, মাওলানা সালাউদ্দিন, মাওলানা সাইফুল্লাহ, মাওলানা জাকির হোসেন, অলিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের সব শান্তিপ্রিয় মানুষ, আলেমসমাজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও যুবসমাজকে ধর্ম ও দেশের মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। প্রেসবিজ্ঞপ্তি

বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের নামে সাতক্ষীরায় চলছে কোচিং সেন্টার বাণিজ্য



আবুল হাসান সাতক্ষীরা  :বৃত্তি পরীক্ষা আয়োজনের নামে সাতক্ষীরায় চলছে শিক্ষা-বাণিজ্যের ভয়াবহ রূপ। শহরের নামিদামি কোচিং সেন্টারগুলো বৃত্তি পরীক্ষার আড়ালে গড়ে তুলেছে অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বা শিক্ষার মান উন্নয়ন নয়, বরং অভিভাবকদের প্রতিযোগিতার মনোভাবকে পুঁজি করেই ফুলে-ফেঁপে উঠছে এই অবৈধ ব্যবসা।


 শহরের নবারুন স্কুল প্রাঙ্গণে “বেসিক কোচিং সেন্টার” আয়োজিত “বেসিক বৃত্তি উৎসব-২০২৫” পরীক্ষায় দেখা যায় চরম অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা ও হতাশার চিত্র। সকাল থেকেই ভিড়ে ঠাসা স্কুল প্রাঙ্গণ। প্রায় আড়াই হাজার কোমলমতি শিক্ষার্থীকে একসাথে গাদাগাদি করে বসানো হয়েছে। পর্যাপ্ত চেয়ার-টেবিল নেই, পানির ব্যবস্থাও ছিল না। গরম ও ভিড়ে ছোট ছোট শিশুরা কান্নায় ভেঙে পড়ে।
অভিভাবকদের অভিযোগ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ১০০টাকা করে ফি নেওয়া হয়েছে, যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। অথচ সেই অর্থের কোনো জবাবদিহি নেই। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া এমন বাণিজ্যিক পরীক্ষার আয়োজন করেও আয়োজকরা দেদারসে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে।

পরীক্ষা শেষে বাইরে অভিভাবকদের মধ্যে সৃষ্টি হয় হাহাকার। কেউ সন্তানকে খুঁজে পাচ্ছেন না, কেউ স্কুলগেটের বাইরে ঠাসাঠাসি ভিড়ে বাচ্চার নাম ধরে ডাকছেন।
এক মা কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েটাকে পাচ্ছিলাম না প্রায় আধাঘণ্টা। ভিড়ের মধ্যে ওর কান্না শুনে খুঁজে পেলাম। এই অব্যবস্থাপনা যদি স্কুলে হয়, তাহলে আমরা কোথায় নিরাপদ?”
অভিভাবক গোলাম সাকলাইন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এটা শিক্ষা নয়, সরাসরি বাণিজ্য। শত শত শিশু একত্রে পরীক্ষা দিচ্ছে, কোন সুরক্ষা বা তদারকি নেই। শুধুই টাকার লেনদেন। অভিভাবকদের আবেগের ওপর নির্ভর করে এসব কোচিং সেন্টার এখন কোটি টাকার ব্যবসা করছে।”
আরেকজন অভিভাবক নাদিম সাকের বলেন, “আমরা নিজেরাই সন্তানদের বিপদে ঠেলে দিচ্ছি। সমাজে ‘আমার ছেলে-মেয়ে ভালো রেজাল্ট করেছে’ এই অহংকারের জন্য আমরা শিশুদের অযৌক্তিক প্রতিযোগিতায় পাঠাচ্ছি। কোচিংগুলো সেটাকেই পুঁজি করে টাকা কামাচ্ছে।”
শিক্ষাবিদ ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, শিক্ষাকে ব্যবসায় পরিণত করার এই প্রবণতা ভয়াবহ। শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সৃজনশীলতা নষ্ট হচ্ছে। তারা বলেন, “মুখস্থবিদ্যা নির্ভর পরীক্ষার সংস্কৃতি শিশুদের মধ্যে ভয়, উদ্বেগ আর মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে। বৃত্তির নামে এই প্রতিযোগিতা বন্ধ করা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এক ধরনের মানসিক অবসাদে ভুগবে।”

তারা আরও বলেন, দেশের শিক্ষানীতিতে কোচিং সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা থাকলেও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি দুর্বল। শিক্ষা অফিস ও প্রশাসনের তদারকি না থাকায় এই অব্যবস্থা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে।
সাতক্ষীরার অভিভাবক ও সচেতন মহল প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন এসব কোচিং সেন্টারের বাণিজ্যিক বৃত্তি পরীক্ষা তাৎক্ষণিক বন্ধের ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি অবৈধভাবে শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে নিয়ে যাওয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও সরকারি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা আয়োজন নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তাদের বক্তব্য “শিক্ষাকে ব্যবসায় নয় মানবিকতা, সৃজনশীলতা ও নিরাপত্তার জায়গায় ফিরিয়ে আনতে হবে এখনই। শিশুদের কান্না যেন আর কোনো পরীক্ষার প্রাঙ্গণে না শোনা যায়।”
প্রসঙ্গত, সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক শিক্ষা-বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করলেও শহরের বিভিন্ন কোচিং সেন্টার এখনো সেই ঘোষণাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বৃত্তির নামে অর্থ উপার্জনের খেলায় মেতে আছে।
এই ঘটনায় শিক্ষামহলে প্রশ্ন উঠেছে, “প্রশাসনের নজরদারি কোথায়? শিশুদের কান্না আর বিশৃঙ্খলা কি দেখার কেউ নেই? কোচিং বানিজ্য রুখবে কে?”

অব্যবস্থাপনা, বিশৃঙ্খলা, অভিভাবকদের হাহাকার প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি

Labels: ,

Tuesday, October 21, 2025

পরপর কন্যা সন্তান হওয়ায় নবজাতককে খালে ফেলে হত্যা, মা গ্রেপ্তার



ডেক্স রিপোর্ট : অবিশ্বাস্য হলেও সাতক্ষীরায় এবার মায়ের হাতেই শেষ হলো মাত্র পাঁচ দিন বয়সী নবজাতক কন্যার জীবন! সাতক্ষীরার কলারোয়ায় পরপর কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়ায় হতাশা থেকে নিজের নবজাতক কন্যাকে খালে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মা শারমিন আক্তারের (৩২) বিরুদ্ধে। পুলিশ ইতোমধ্যেই ওই মাকে গ্রেফতার করেছে। হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটেছে সোমবার (২০ অক্টোবর) রাত পৌনে ১২টার দিকে কলারোয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশুটির বাবা ইব্রাহিম খলিল (৪২) সোমবার রাত ৮টার দিকে থানায় এসে তার নবজাতক কন্যা নিখোঁজের বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে চান। কিন্তু তার বক্তব্য পুলিশের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মা শারমিন আক্তারের সঙ্গে কথা বলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে শারমিন ভেঙে পড়েন এবং স্বীকার করেন, তাদের ইতোমধ্যে দুইটি কন্যা সন্তান রয়েছে- তাদের একজনের বয়স পাঁচ বছর, অন্যজন দেড় বছরের। সমাজ ও পারিবারিক চাপের মুখে তিনি আবারও কন্যা সন্তান জন্ম নেওয়াকে মানতে পারেননি। সেই ক্ষোভ থেকেই সোমবার রাতে নবজাতকটিকে কোলে করে বাড়ির পাশের খালে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেন। সপরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, পুলিশ বাড়ির পাশের সরকারি খালের কচুরিপনার ভেতর থেকে শিশুটির নিথর দেহ উদ্ধার করে। রাতের আঁধারে কচুরিপনার নিচে ভেসে থাকা সেই ক্ষুদ্র দেহটি উদ্ধারকালে উপস্থিত সকলে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন। শিশুটিকে উদ্ধার করে দ্রুত কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন। ওসি শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, এটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা। শিশুর দাদি খাদিজা খাতুন বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত মা শারমিন আক্তারকে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিঠুন সরকার, ডিবি ও পিবিআই কর্মকর্তারা। স্থানীয় হেলাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার মুনসুর আলী বলেন, সন্ধ্যা থেকেই শিশুটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে মা-বাবা দাবি করছিলেন। কিন্তু তাদের আচরণ ছিল অস্বাভাবিক। পরে পুলিশ ও ডিবি যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে খাল থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। জানা গেছে, শিশুর বাবা ইব্রাহিম খলিলের বাড়ি শ্যামনগর উপজেলায় হলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে কলারোয়ার রঘুনাথপুর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করতেন। গ্রামের মানুষের মুখে এখন একটাই প্রশ্ন- কীভাবে পারে একটি মা তার নিজের সন্তানের প্রাণ নিতে? শিশুটির মৃত্যুতে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সাতক্ষীরায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ

 


গোলাম সাহারিয়া : সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল নিউ মার্কেটের পেছনের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাসলিমা আক্তার হিরা (১৯) নামে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।


নিহত তাসলিমা আক্তার হিরা যশোরের বাগআঁচড়া গ্রামের শাজাহান আলীর মেয়ে। তিনি সাতক্ষীরা শহরের অ্যাডলিব শোরুমে চাকরি করতেন এবং প্রায় এক মাস আগে পলাশপোল এলাকায় ভাড়া বাসায় ওঠেন।


এ সময় বাড়ির মালিক মাসুম বিল্লাহ শুভ জানান, হিরা তার বাসায় এক মাস ধরে ভাড়া থাকতেন। তিনি অ্যাডলিব শোরুমে কাজ করতেন। বিস্তারিত তথ্য শোরুম থেকেই জানা যাবে।


স্থানীয় বাসিন্দা আছিয়া খাতুন বলেন, “শুনে এসেছি মেয়েটি গলায় দড়ি দিয়েছে। এসে দেখি পুলিশ এসেছে। পরে পুলিশ ডেকে মরদেহ নামাতে সাহায্য করেছি।”


এ সময় অ্যাডলিব শোরুমের ম্যানেজার আতিয়ার রহমান বলেন, “তাসলিমা আমাদের স্টাফ ছিলেন। আজ তার ছুটি ছিল, সকালে বলেছিল যশোর যাবে। এজন্য আমরা খোঁজ নিইনি। বিকেল ৪টার দিকে বাড়ির মালিক ফোন করে জানালে আমরা বিষয়টি জানতে পারি। পরে আমাদের একজন স্টাফ গিয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। তারা দরজা ভেঙে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান এবং পুলিশকে জানান।”


সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

Labels: ,

“হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালে” দক্ষ চিকিৎসক ও অপারেশন থিয়েটার না থাকায় ঘটছে রোগী মৃত্যু

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তাগাদা দিলেও তাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জমা না দিয়ে সরকারি বিধি-বিধান না মেনে কালিগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন বলফিল্ড মোড়ে অবস্থিত ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল দীর্ঘদিন থেকে আইনের তোয়াক্কা না করে হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এখানে উন্নত মানের চিকিৎসা দেওয়া হয় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে। এই হাসপাতালে রয়েছে সকল রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য আধুনিক ডিজিটাল যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা যার মাধ্যমে সঠিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এরকম মানুষ ভুলানো চটকদার প্রচারণা দিয়ে জনসাধারণকে প্রতারিত করছে কালিগঞ্জ বেসরকারি ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ১০ শয্যার অনুমোদনপ্রাপ্ত এই হাসপাতালে সরকারি বিধি মোতাবেক দুইজন নিয়মিত চিকিৎসক, নিয়মিত সার্জন থাকার কথা থাকলেও ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের তা নেই। যার কারণে ওন-কলে চিকিৎসক ডেকে নিয়ে এসে অপারেশন করা হচ্ছে। এর কারণে সময় ক্ষেপণ হচ্ছে অপরদিকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকায় এবং অপারেশন পরবর্তী প্রতিরক্ষামূলক চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকায় ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালে রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে প্রায়ই।


কয়েকদিন আগে ভুক্তভোগী মোঃ ফজলুর রহমান উপজেলার গড়ুইমহল গ্রামের ক’জনের নিকট তিনটি সরকারি দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন—উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কাছে। অভিযোগটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং প্রশাসন তৎপরতা শুরু করেছে। তাছাড়া গত বছর প্রসব বেদনায় ক্লিনিকে ভর্তির ৩ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসক তানিয়ার ভুল অপারেশনে সংগীতা মন্ডল নামের এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে। জনরোষ থেকে নিজেকে বাঁচতে চিকিৎসকসহ ক্লিনিক মালিক ও নার্সরা পাঁচিল টপকে পালিয়ে শেষরক্ষা হয়েছে। ঘটনাটি সোমবার ২৫ নভেম্বর ২৪ বেলা পৌনে ৩ টার দিকে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বাস টার্মিনাল সংলগ্ন ডাঃ হযরত আলী ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ঘটেছে।


এইরকম মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে মাঝে মাঝেই। তারপরও ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চুটিয়ে চিকিৎসা বাণিজ্য করে যাচ্ছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার কর্তৃক ১০ শয্যার অনুমোদন পাওয়া ডাঃ হযরত আলীর ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। লাইসেন্স নবায়ন নেই। প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নেই। হাসপাতালে ব্যবহার করা অধিকাংশ যন্ত্রপাতির অনুমোদন নেই। লাইসেন্স নবায়ন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই পরিচালনা করা হচ্ছে। হাসপাতাল স্থাপনা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম নীতি কিছুই মানা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্টরা নিয়মিত তদারকি না করায় অনিয়ম করে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল। এই হাসপাতালে এক্সরে করা হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু মানা হচ্ছে না সরকারি নিয়ম। এক্সরে রুম থেকে যে রেডিয়েশনটা আসে এটা নিয়ে আশপাশের বিপুক সংখ্যক মানুষের ক্ষতির কারণ হতে পারে। যে কক্ষে এক্সরে ও সিটি স্ক্যান করা হবে তার দরজার কত ইঞ্চি পুরো দেওয়াল থাকতে হবে, শিশা বা লেদ দিয়ে মুড়িয়ে দিতে হবে, সেটার ঘনত্ব কেমন হবে তা পরমাণু শক্তি কমিশন তা নির্ধারণ করে দেয়। কমিশনের মান ও সনদ ব্যতিরেকে রেডিয়েশন কার্যক্রম চালালে তা দণ্ডনীয় অপরাধ।


সরকারি নিয়ম না মেনে সাধারণ কক্ষেই অবাধে করা হচ্ছে এক্সরে। তাদের পরিবেশ সার্টিফিকেট নেই, নিয়ম অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নেই। কিন্তু সরকারি কোন বিধি-বিধান মানছে না ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল হাসপাতাল কতৃপক্ষ। সরকারি বিধি অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ ও সার্জন চিকিৎসক সার্বক্ষণিক থাকার কথা কিন্তু তা নেই। রোগী এলে ভর্তি করে অন কলে চিকিৎসকে ডেকে নিয়ে এসে করা হচ্ছে বিভিন্ন অপারেশন। যা একেবারেই অবৈধ এবং ঝুঁকিপূর্ণ। হাসপাতালে অনেক চিকিৎসকের নাম সম্বলিত চার্ট ঝুলানো হয়েছে। যার অধিকাংশ চিকিৎসক ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালে বসেন না বা সেবা দেন না। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বনামধন্য চিকিৎসকদের নাম ব্যবহার করে রোগীদের সাথে প্রতারণা করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইসেন্স প্রবেশ পথে টানানো সহ ১০ দফা সরকারি নির্দেশনা রয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লাইসেন্স এর কপি প্রতিষ্ঠানের মূল প্রবেশের পথের সামনে দৃশ্যমান স্থানে অবশ্যই প্রদর্শন করার নিয়ম রয়েছে। সকল বেসরকারি স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাদি সংরক্ষণ ও সরবরাহের জন্য একজন নির্ধারিত দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা কর্মচারী থাকতে হবে তবে অবশ্যই তার ছবি ও মোবাইল নাম্বার দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। কিন্তু এই নিয়মগুলো কিছুই মানা হচ্ছে না।


বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়োজিত সকল চিকিৎসক চিকিৎসকের পেশাগত ডিগ্রীর সনদ, বিএমডিসির হালনাগাদ নিবন্ধন ও নিয়োগপত্রের ফটোকপি অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। হাসপাতাল ক্লিনিকে যে সকল ধরনের অপারেশন বা প্রসিডিউরের জন্য অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকে সার্জনের সহকারী হিসেবে রাখতে হবে। ১০ শয্যার অনুমোদন পাওয়া ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালে নিয়মমাফিক দুইজন সার্বক্ষণিক চিকিৎসক থাকার কথা, সেটাও নেই। তবে এসবের কিছুই তোয়াক্কা না করে স্বাস্থ্য বিভাগের কিছু অসৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে দীর্ঘদিন থেকে অনিয়ম করে অবৈধভাবে হাসপাতাল পরিচালনা করছেন ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কতৃপক্ষ। ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের পরিবেশ সার্টিফিকেট নেই, নিয়ম অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বর্জ্য নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও নেই। একটি সূত্র জানিয়েছে, ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কতৃপক্ষ দীর্ঘদিন আগে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে যে সকল চিকিৎসক, নার্স সহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের নামের তালিকা জমা দিয়েছেন তা ভুয়া।


স্বাস্থ্য বিভাগে জমা দেওয়া অধিকাংশ চিকিৎসক নার্স ও কর্মচারী এখানে কাজ করেন না। শুধু কাগজে-কলমে তাদের রাখা হয়েছে নিয়ম রক্ষার জন্য, কাগজপত্র ঠিক রাখার জন্য। চোখের সামনে সরকারি নিয়ম না মেনে কাগজপত্র ছাড়াই জমজমাট চিকিৎসা সেবা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কতৃপক্ষ। অদৃশ্য কারণে এই হাসপাতাল পরিদর্শন ও অডিট করা হয় না বলে জানা গেছে। সঠিকভাবে অডিট করলে এবং সকল বিষয়ে তদন্ত করলেই ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম বেরিয়ে আসবে বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে। তবে ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতাল কতৃপক্ষ দাবি করেছেন, তাদের সকল কাগজপত্র রয়েছে এবং যেগুলো বাকি আছে তা দ্রুতই জমা দেওয়া হবে। ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিরাজুল ইসলাম দাবি করে বলেন, লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদনসহ আমাদের সকল কাগজপত্র রয়েছে এবং যেগুলো বাকি আছে তা দ্রুতই জেলা স্বাস্থ্য বিভাগে জমা দেওয়া হবে। তবে রোগী মৃত্যুর বিষয়ে তিনি কোন কথা বলতে অপরগত প্রকাশ করেন। কালিগঞ্জ উপজেলা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ বুলবুল কবির বলেন, এর আগে ডাক্তার হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হসপিটাল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করতে বলা হয়। কিন্তু তাদের অনেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এখনো জমা দেননি। তিনি আরো বলেন, দৈনিক আমাদের পত্রিকায় ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হাসপাতালের বিষয়ে সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। দেখে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।রোগী মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ আব্দুস সালাম বলেন, ডাঃ হযরত আলী ডিজিটাল ল্যাব এন্ড হসপিটালের তদন্তের জন্য একটি টিম গঠন করা হয়েছে। আপনার কথা শুনলাম তদন্তপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Labels: , ,

Monday, October 20, 2025

সাতক্ষীরায় বিশ্ব ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস উদযাপন

 


গোলাম সাহারিয়া :“সবার জন্য মানসম্মত পরিসংখ্যান”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস ও জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে।


সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে জেলা পরিসংখ্যান অফিস, সাতক্ষীরার আয়োজনে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম।


প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, জেলা সমবায় অফিসার সেলিম আক্তার এবং কলারোয়া উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার তালেব হোসেন।


অনুষ্ঠানের শুরুতে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি। পরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে একই স্থানে এসে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।


র‍্যালি ও সভায় প্রশাসনের কর্মকর্তা, পরিসংখ্যান অফিসের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী ও অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দেবহাটা উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার কাজী সিদরাতুল মুনতাহা।

Labels: ,

শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবি আদায়ে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান

 


নিজস্ব প্রতিনিধি :বেসরকারি এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সোমবার (২০ অক্টোবর ২০২৫) সকাল ১১টায় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার আয়োজনে এ কর্মসূচি পালিত হয়। 

পরে জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ'র মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।


স্মারকলিপিতে শিক্ষক ফেডারেশনের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের ৭ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। দাবিগুলো হলো— এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৪৫% বাড়ি ভাড়া প্রদান,শতভাগ (১০০%) উৎসব ভাতা বা বোনাস প্রদান, চিকিৎসা ভাতা ১৫০০ টাকায় উন্নীতকরণ, এবতেদায়ী মাদ্রাসা ও নন-এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি এমপিওভুক্ত করা, শিক্ষকদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ তহবিলসহ প্রাপ্য সকল সুবিধা প্রদান।


স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সন্তানদের শিক্ষায় যুক্ত করতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু শিক্ষকরা বেতন-ভাতা ও সুবিধাবঞ্চিত থেকে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তাই অবিলম্বে এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হবে।


এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি উপাধ্যক্ষ আব্দুস সবুর,সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক আব্দুস জলিল,সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ আশফাকুর রহমান বিপু,সহ-সভাপতি আধ্যাপক আব্দুল ওয়ারেছ, অধ্যক্ষ মাওঃ আহমদ আলী, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের উপজেলা ভিত্তিক দায়িত্বশীল - সদর উপজেলার অধ্যাপক বখতিয়ার উদ্দিন, কলারোয়া উপজেলার অধ্যাপক শাহজাহান কবির, দেবহাটা উপজেলার মাওঃ দেলোয়ার হোসেন, কালিগঞ্জ উপজেলার অধ্যাপক  ড, মিজানুর রহমান, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জেলা শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি মাস্টার গোলাম কিবরিয়া প্রমুখ।


শিক্ষক নেতারা বলেন, “জাতি গঠনের কারিগরদের দাবিগুলো বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা ব্যবস্থায় গতি আসবে এবং শিক্ষক সমাজের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পাবে।”

Labels: ,

Thursday, October 16, 2025

খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান



খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান 

নিজস্ব প্রতিনিধি : সকল মানুষের জীবিকা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নের দাবিতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকালে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। স্মারকলিপিটি গ্রহণ করেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল।


‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে খাদ্য নিরাপত্তা নেটওয়ার্ক (খানি বাংলাদেশ) এবং তাদের সদস্য সংগঠন অনন্যা, হাউশি, প্রাণ ও বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।


স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, খাদ্য মানুষের মৌলিক চাহিদা হলেও এখনো এটি মৌলিক অধিকারের মর্যাদা পায়নি। সংবিধানের ১৫(ক) অনুচ্ছেদে খাদ্যকে মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়নে কোনো আইনি কাঠামো নেই। ২০০৪ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রণীত ‘ভলেন্টারি গাইডলাইন অন দ্য রাইট টু ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন’ অনুসরণ করে ব্রাজিল, ভারত ও নেপালসহ বহু দেশ ইতোমধ্যে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করেছে। বাংলাদেশেও ২০০৮ সাল থেকে নাগরিক সমাজ এ দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।


স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১২৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ফসলের ন্যায্যমূল্য না পাওয়া এবং অর্থনৈতিক সংকট জনগণের খাদ্য নিরাপত্তাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।


খানি বাংলাদেশ মনে করে, খাদ্য অধিকার মানুষের বেঁচে থাকার পূর্বশর্ত, এবং অন্যান্য মানবাধিকার রক্ষার সঙ্গে এটি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। আয় বৈষম্য, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে, বিশেষ করে উপকূল, চর, পাহাড় ও হাওর এলাকায়।


“উন্নত খাদ্য এবং উন্নত ভবিষ্যতের জন্য হাতে হাত রেখে” — এই প্রতিপাদ্যে বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে খানি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়, যেন অবিলম্বে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়। তাদের মতে, এই আইন প্রণয়ন হলে খাদ্য উৎপাদন, বিতরণ ও প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা স্পষ্ট হবে এবং সকল নাগরিকের জন্য নিরাপদ, পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।


এর আগে মানববন্ধনে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের সেভগার্ডিং ও মিল অফিসার কানিজ শাইমা আঁখির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সমাজকর্মী শারমিন সুলতানা, তোহরা খাতুন, ইকরামুল ইসলাম, সংবাদকর্মী মোশাররফ হোসেন এবং আক্তারুজ্জামান বাচ্চু প্রমুখ। মানববন্ধনে বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,

যশোর বোর্ডে তৃতীয় সাতক্ষীরা



যশোর বোর্ডে তৃতীয় সাতক্ষীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি : ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় পাশে হারে সাতক্ষীরা জেলা যশোর বোর্ডে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে। সাতক্ষীরা জেলার পাশের হার ৫২ দশমিক ৬৪ শতাংশ। যশোর বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন জানান, সাতক্ষীরা জেলা থেকে এ বছর ১১ হাজার ৯৫৫ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১১ হাজার ৪৪৩ জন সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন করে। আর পাশ করেছে ৬ হাজার ২৪ জন। 

পাশকৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ হাজার ৬৯৬ জন ছেলে ও ৩ হাজার ৩২৮ মেয়ে। যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবছর পাশের হারে যশোর বোর্ডে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে যশোর জেলা। যশোরের পাশের হার ৫৮ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে খুলনা জেলা। খুলনার পাশের হার ৫৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

Labels: , ,

Tuesday, October 14, 2025

সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল কর্তৃক উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও নগদ/বিকাশের টাকা প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের অভিভাবক সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম মহোদয় এর সার্বিক দিক-নির্দেশনায় সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল এর চৌকস টিম জুলাই-সেপ্টেম্বর/২০২৫ মাসে ইতিপূর্বে হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোনের মধ্যে হতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ১০৮ টি মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে দেশের বিভিন্ন স্থান হতে উদ্ধার করেন। এছাড়াও ভুলবশতঃ অন্য নাম্বারে চলে যাওয়া ও প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত ২০ জন ভুক্তভুগীর নগদ/বিকাশের সর্বমোট= ৩,৬০,২৬০/- (তিন লক্ষ ষাট হাজার দুইশত ষাট ) টাকা উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও বিকাশ/ নগদের টাকা অদ্য ১৪ অক্টোবর ২০২৫ খ্রিঃ তারিখে সাতক্ষীরা পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকৃত মালিকের নিকট হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার, সাতক্ষীরা মহোদয়।


সম্মানিত পুলিশ সুপার মহোদয় ভুক্তভুগীগণের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি আরো বলেন মোবাইল ফোন বা অন্যান্য ডিভাইস এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরো বেশি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।


মোবাইল ফোন ও বিকাশ/ নগদের টাকা ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীগণ সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং পুলিশ সুপার মহোদয় ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 


উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), জনাব মোঃ মুকিত হাসান খাঁন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি), জনাব মিথুন সরকার, পুলিশ পরিদর্শক(নি:), ডিআইও-১, (ডিএসবি), জনাব মোঃ মনিরুল ইসলাম, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সদস্যবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

Monday, October 13, 2025

স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :চারিদিকে যখন অনিয়ম আর অশুভের বাড়বাড়ন্ত তখন কোনো প্রকার তদবির বা আর্থিক লেনদেন ছাড়াই শতভাগ স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাতক্ষীরা গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসায় ০২টি পদে প্রার্থী চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

জানা যায়, সাতক্ষীরা গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসায় অধীনে অফিস সহঃ কাম কম্পিউটার অপারেটর ও গ্রন্থাগার/ল্যাব সহকারী ক্যাটাগরিতে ০২টি শূন্য পদে নিয়োগের লক্ষে ২১টি সঠিক আবেদন পাওয়া যায়। গত ১১ অক্টোবর’২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণপূর্বক সম্পুর্ন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে মেধাক্রম অনুসারে ০২ জন প্রার্থীকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। বিধি-বিধান, মেধা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন করে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় জেলা জুড়ে আস্থার জায়গায় পরিণত হয়েছে গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসা।

অফিস সহঃ কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে সুপারিশপ্রাপ্ত আশাশুনি উপজেলার কচুয়া গ্রামের মো. শাহজাহান আলী গাজীর ছেলে সোলাইমান হোসাইন বলেন, আমি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবারের সন্তান। টাকা পয়সা লেনদেন বা তদবির করার মত সামর্থ্য আমার নেই। স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পাদিত হয়েছে বিধায় আমি চাকরি পেয়েছি। মাদ্রাসা কতৃপক্ষের কাছে আমি সারা জীবন ঋণী থাকব।

কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোজাডাঙ্গা হতে গ্রন্থাগার/ল্যাব সহকারী নির্বাচিত আবদুল মান্নান গাজীর ছেলে ফারুক হোসাইন বলেন, লোকমুখে অনেক গুজব শুনে হতাশ হয়ে গেছিলাম; ভেবেছিলাম চাকরি মনে হয় আর হবে না। কিন্তু নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে হয়েছে বলেই আমি চাকরিটি পেয়েছি।

অভিভাবক সদস্য আবদুল হান্নান গাজী বলেন, ফারুক ও সোলাইমান নামে আমাদের যে দুইটি ছেলে চাকরি পেয়েছে এরা অত্যন্ত গরিব ঘরের ছেলে এবং মেধাবী। এই ছেলে দুইটার চাকরি হয়েছে মূলত মাদ্রাসার নিয়োগ বোর্ডের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে চাকরি পরীক্ষার সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে তত্ত্বাবধান করার কারনে। গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসা কতৃপক্ষ কে এই ধরণের প্রয়াসকে আমি স্বাগত জানাই।

জানতে চাইলে নিয়োগ বোর্ডের সভাপতির অনুপস্থিতিতে সহ সভাপতি খাজা মোঃ আছরাতুল্লাহ (গোল্ডেন) জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিতকল্পে আমরা সবসময়ই আপোষহীন।

‎নারী বিদ্বেষী হিসেবে উপস্থাপন করা সংগঠন ছাত্রশিবির না: শিবির সভাপতি

 


ডেক্স রিপোর্ট  :বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ছাত্রশিবিরের বিরোধিতা যারা করেছিল, তারা আজ ইতিহাসে পরিণত হয়েছে। অনেকে নিষিদ্ধও হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের প্ররোচনায় পড়ে একটি শ্রেণি এখনো ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বিরোধিতা করছে। আগের মতো করেই ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা তাদের জন্য দোয়া করি, যেন তারা সত্য উপলব্ধি করতে পারে।


সোমবার (১৩ অক্টবর) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখা কর্তৃক আয়োজিত ২০২৫—২৬ শিক্ষাবর্ষের ‘নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন’ প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


জাহিদুল ইসলাম বলেন, তায়েফের ময়দানে শিশুদেরকেও নবী করিম (সা.)—এর বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাকে অপমান করা হয়েছিল, এমনকি পাথর নিক্ষেপও করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি কোনো প্রতিশোধ নেননি, বরং দয়া ও সহনশীলতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, তারা একদিন বুঝবে তখন আর এমন করবে না।


নারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলাম আগমনের আগে নারীদের অবস্থা ছিল অবমাননাকর। কন্যা সন্তান জন্মালে পিতা—মাতা জীবিত কবর দিত। ইসলাম এসে সেই নারীকেই সর্বোচ্চ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছে। নবী করিম (সা.) বলেছেন ‘মা সর্বোচ্চ সম্মান পাবেন।’ ছাত্রশিবিরও ইসলামের এই মূল্যবোধে বিশ্বাস করে এবং নারীদের প্রতি যথাযোগ্য সম্মান প্রদর্শন করতে চায়।


ভারতকে ইঙ্গিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, অতীতে পূজার সময় কোথাও কোথাও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতো, যেটি রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়নি। কিছু বিদেশি প্রচারণায় বলা হয়, আমরা সম্প্রীতি নষ্ট করি অথচ বাস্তবে তারা নিজেরাই ধর্মীয় বিদ্বেষে জর্জরিত।


জাহিদুল ইসলাম বলেন, যারা ১৫ বছর ধরে দেশপ্রেমের কথা বলেছে, তারা দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে, খুন ও গুমের রাজনীতি করেছে। ছাত্রশিবির এমন দেশপ্রেমিক চায় না। আমরা এমন দেশপ্রেমিক তৈরি করতে চাই, যারা অন্যায়, জুলুম ও লুটপাটমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে।


তিনি নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ছাত্রশিবিরে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। তবে সংগঠন সম্পর্কে জানতে হলে পড়াশোনা ও অনুসন্ধান প্রয়োজন। ক্যাম্পাসে শিক্ষক ও অভিভাবকরা যেমন পরামর্শ দেবেন, তেমনি নিজ দায়িত্বেও সচেতন হতে হবে। আমরা চাই, তোমরা সফল ও প্রকৃত দেশপ্রেমিক হিসেবে গড়ে ওঠো।


তিনি আরও বলেন, ছাত্রশিবির স্বপ্ন দেখায়, লক্ষ্য ঠিক করে দেয় এবং বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা দেয়। সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ দিতে যা কিছু করণীয়, তা করতে উৎসাহিত করে।


জাহিদুল ইসলাম আরও বলেন, ছাত্রশিবিরকে অনেক সময় নারী বিদ্বেষী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে এবং ছাত্রশিবিরও নারীর অধিকার রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে। এমনকি হিন্দু ভাই—বোনসহ সমাজের সব ধর্ম—বর্ণের মানুষের পাশে থেকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে সংগঠনটি।


ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মাসুদুজ্জামানের সঞ্চালনায় নবীন বরন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, সাতক্ষীরা জামায়াতের আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় স্কুল কার্যক্রম সম্পাদক নোমান হোসেন নয়ন, জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি সহযোগী অধ্যাপক ওমর ফারুক, বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী ইরফান হাসান সাকিব, শহর শিবিরের সভাপতি আল মামুন, শহর শিবিরের সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম, শিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় দাওয়া সম্পাদক হাবিবুর রহমান, শহর শিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান, একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শানজিন নাহার শুভা, তাসনিম আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় জমি-জায়গা সক্রান্ত মামলার সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 




ওমর ফারুক বিপ্লব : সাতক্ষীরায় জমি জায়গা সক্রান্ত মামলার সুষ্ঠ বিচারের দাবিতে মোঃ মতিয়ার রহমান সংবাদ সম্মেলন করেছেন।সোমবার (১৩অক্টোবর) সকালে সার্কিট হাউজ মোড়ে সাতক্ষীরা রিপোর্টাস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার চাওয়ার জন্য আদালতে মামলা করি। মামলা করার পর তৎকালীন সরকারের দোসরদের দ্বারা এখনো অবিচারের সম্মুখীন। আমার আপন বড় ভাই জনাব আতিয়ার রহমান সাং পুরাতন সাতক্ষীরা, সে দক্ষিণ ঘোষপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে পঞ্চম শ্রেণী পাস করে তারপর সাতক্ষীরা পি,এন হাইস্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তি হয়। অভাবের কারণে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় ঢাকায় গিয়ে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে থাকে। ঢাকায় থেকে আতিয়ার সাংবাদিকতা করার জন্য একটি কার্ড করে । এই কার্ডকে ব্যবহার করে এমন কোন অপকর্ম নাই যে আতিয়ার করে নাই। আমাদের জায়গা জমি ভূমিদস্যু ইমান আলী, আনিসুর ও ফেন্সি ভুয়া নাদাবি সৃষ্টি করে নাম পত্তন, আমার পিতার নাম বাদ দিয়ে অন্যের নামে করে নিয়ে সুলতানপুরের পারভেজ এর কাছে বিক্রয় করে। যার মাধ্যম ছিল ০২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার জনাব ওসমান গনি মিন্টু, আমার এলাকার আব্দুল হক (অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক) কে দিয়ে আতিয়ারকে মিন্টুর কাছে নিয়ে যেয়ে ১০ হাজার ইট এবং নগদ ৬০ হাজার টাকা নিয়ে আসে। তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসে যে তাদেরকে ওই জমি দখলে সহযোগিতা করবে। আমরা ছোট তিন ভাই এই কার্যকলাপের প্রতিবাদ করি এবং রেকর্ড সংশোধনের জন্য সেটেলমেন্ট অফিসে ৩০ ও ৩১ ধারা এবং ভূমি অফিসে নামপত্তন পরিবর্তনের জন্য মামলা করি। পরিশেষে আমরা পিতার নামে রেকর্ড করিতে সামর্থ্য হই।


৩ নং ওয়ার্ড কমিশনার শেখ সেলিম পুরাতন সাতক্ষীরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এস, আই সেলিম রেজা কে বলে আমার ও আমার ছোট ভাই হবিবর, মসিবর কে ফোর্স দিয়ে পুরাতন সাতক্ষীরার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে এসে আমাকে পিছন দিক দিয়ে হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে, পায়ে দড়ি বেঁধে এবং বুকের ওপর চেয়ার বসিয়ে এসআই সেলিম রেজা ও চার পাঁচজন পুলিশ এবং আতিয়ার মিলে আমাকে পায়ের তলায়, পায়ে ও বুকে পিঠে লাঠি দিয়ে মারে। আমার ছোট দুইভাই মসিবর ও হবিবর কেও আমার সাথে প্রচুর মারধর করে। আমাদের ফাঁড়ি থেকে ছাড়ানোর জন্য ০৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার শেখ সেলিমের নিকট সাক্ষী সবুর ও রকিব গেলে কমিশনার শেখ সেলিম বলে তাদের ছাড়াতে গেলে ৫ লক্ষ টাকা লাগবে। তখন আমরা মতিয়ারের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে শেখ সেলিমকে দিলে সে টাকা নিয়ে ফাঁড়ির মধ্যে প্রবেশ করে। ঘটনার একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে তাড়াতাড়ি পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ইঞ্জিনভ্যান যোগে শহরের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। তারপর আমাদেরকে থানায় নিয়ে যায়। আমার ছোট ভাই মসিবরকে থানায় আটক করে রাখে ও আমাদেরকে সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ফেলে চলে আসে। আমার পায়ের ও শরীরের অবস্থা খারাপ হওয়ায় কিছুদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি চলে আসি। পরবর্তীতে ঢাকা ও ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে চিকিৎসা গ্রহণ করি।


বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর উক্ত ঘটনার বিচার চেয়ে আদালতে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট দাখিল করে একটি মামলা দায়ের করি। যাহার সি, আর, মামলা নম্বর ৯৩১/২৪ উক্ত মামলা করার পর হতে আমার সাথে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের থেকেও বড় অবিচার হয়ে চলেছে। আতিয়ার আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি কাল্পনিক ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করেছে। যাহার মামলা নম্বর সি, আর, ১২৬২/২৪। আতিয়ার কর্তৃক আদালতে সি, আর, ১২৬২/২৪ কাল্পনিক ও ভিত্তিহীন মামলাটি চ্যালেঞ্জ করে আমার মামলার সাক্ষীরা তদন্তকারী কর্মকর্তা বরাবর সরেজমিনে তদন্ত করার আবেদন করে। এর একটি কপি ও মামলার কাগজপত্র ডিআইজি খুলনা, আইজি ঢাকা, আইন উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টা বরাবর প্রেরণ করি। এরই প্রেক্ষিতে ডিআইজি খুলনা, উপজেলা সার্কেল এসপি তালা সাতক্ষীরা এর উপর তদন্তভার অর্পণ করেন। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় এস আই সেলিম রেজার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজ্জু হয়। সার্কেল অফিসের তদন্তকালে এসআই সেলিম রেজা বলে ওসির নির্দেশে তাদেরকে বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে আসি।পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আজিজার যে মিথ্যা সাক্ষী দিয়েছে তাহা আমার এলাকাযর জনগণের কাছে জিজ্ঞাসা করলে পাওয়া যাবে। আমার পঙ্গুত্বের বিষয়টি এলাকাবাসী সবাই দেখেছিল এবং এখনো সবাই জানে। শুধুমাত্র শেখ সেলিম, এসআই সেলিম টাকার জোরে আতিয়ার কর্তৃক সি, আর, ১২৬২/২৪ মামলাটি তদন্ত করে পিবি, আই অফিসার এস, আই মিরাজ। উক্ত এস, আই মিরাজ আমার মামলা ৯৩১/২৪ মামলারও তদন্তকারী কর্মকর্তা। এস, আই মিরাজ হঠাৎ একদিন ফোন দিয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে আসতে বলে। যথারীতি হাজির হই ।আমার সি,আর, ৯৩১/২৪ ও আতিয়ারের সি, আর, ১২৬২/২৪ মামলার তদন্ত কর্মকর্তাও এস, আই মিরাজ (পিবিআই) ফ্যাসিস্ট সরকার এর দোসরদের বাঁচানোর জন্য কাল্পনিক মনগড়া রিপোর্ট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করিলে উক্ত রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি দিলে বিজ্ঞ আদালত তা গ্রহণ করে মামলাটির তদন্ত দেয় সার্কেল এসপি সদর সাতক্ষীরা কে।


উক্ত মামলার সঠিক তদন্তে করে বিচারের দাবি ও প্রশাসনের আশুহস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী।

Labels: ,

গুনাকরকাটি খায়ারিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসায় ০২টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সুসম্পন্ন

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :গত ১১ অক্টোবর, ২০২৫ ইং তারিখ শনিবার গুনাকরকাটি খায়রিয়া আজিজীয়া কামিল মাদরাসা, আশাশুনি, সাতক্ষীরা  এর অফিস কক্ষে ০২টি পদে নিয়োগ নির্বাচনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায় উক্ত নিয়োগ নির্বাচনী পরীক্ষায় অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে মোট ১২ জন আবেদন

 করেন কিন্তু পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন ০৮ জন। অন্য পদ গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী পদে মোট ০৯ জন আবেদন করেন এবং ০৭ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। মহাপরিচালক মহোদয়ের প্রতিনিধি  হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব আবুল কালাম তালুকদার মহোদয়। তার উপস্থিতিতে ও প্রত্যক্ষ নির্দেশে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জনাব এস.এম. মোসলেম উদ্দীন পরীক্ষা শুরু করেন। সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে নিরপেক্ষভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ।

 অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে জনাব মোঃ সোলাইমান হোসাইন, পিতা-মোঃ শাহাজান আলী গাজী, গ্রাম-কচুয়া, আশাশুনি, সাতক্ষীরা নির্বাচিত হন এবং গবেষণাগার/ল্যাব সহকারী পদে জনাব মোঃ ফারুক হোসাইন, পিতা-মোঃ আব্দুল মান্নান গাজী, গ্রাম-ঘোজাডাঙ্গা, ডাক-কুশলিয়া, উপজেলা-কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা নির্বাচিত হন।

Labels: ,

Sunday, October 12, 2025

 মেহেরপুরের দুই অনলাইন জুয়া সম্রাট সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার





ডেক্স রিপোর্ট  : অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে মেহেরপুরের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ ও সদর থানা পুলিশের যৌথ দল। শনিবার (১০ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাইপাস সড়কের খড়িবিলা চৌরাস্তা মোড়ে এ অভিযান চালানো হয়। 

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর থানার শিবপুর গ্রামের মো. জিনারুল ইসলামের ছেলে মো. মুরশিদ আলম লিপু (২৯) এবং একই জেলার বামনপাড়া এলাকার মাতুদুল আলমের ছেলে মুছাঈদ আলম (৩০)। শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম প্রেস ব্রিফ করে এ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

পুলিশ সুপার জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খড়িবিলা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় অনলাইন জুয়া পরিচালনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের কাছে থাকা ১৬টি মোবাইল ফোন ও ৩টি ল্যাপটপ উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।’ 

সাতক্ষীরা সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম আরো জানান, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইনে জুয়া খেলায় উদ্বুদ্ধ করে দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন জুয়ার প্ল্যাটফর্ম পরিচালনা করে আসছিল।’ 

তিনি আরো জানান, ‘গ্রেপ্তারকৃত মো. মুরশিদ আলম লিপুর বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশের পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর অধীনে মামলা নং ৩৭/৫৭৩, তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০২১ খ্রি. বিচারাধীন রয়েছে।’ 

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম আরো বলেন,‘ অনলাইন জুয়া বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং আটক আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ অনলাইন জুয়া বন্ধে তিনি সাংবাদিকদের সহযোগীতা কামনা করেছেন।