Wednesday, April 29, 2026

দেবহাটা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা

 


 


মোমিনুর রহমান : দেবহাটা উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার  সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিলন সাহা'র সভাপতিত্বে সভার শুরুতে দেবহাটা উপজেলার আইন শৃঙ্খলার পরিবেশ পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন, দেবহাটা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম। মাসিক সভায় বক্তব্য রাখেন  যথাক্রমে দেবহাটা  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান,উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মিজানুর রহমান, দেবহাটা ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল, উপজেলা পল্লী বিদুৎ সমিতির সাধারণ জেনারেল ম্যানেজার মাসুম বিল্লাহ, বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ ওহাব, উপজেলা ছাত্র দলের সভাপতি ফরহাদ হোসেন, জুলাই যোদ্ধা আবিদ হোসেন তানভীর, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি আ: ছাত্তার, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক  বায়েজিদ বোস্তামী উজ্জ্বল ও যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক লিটন ঘোষ বাপ্পী, দেবহাটা বিজিবি প্রতিনিধি লোকমান হোসেন,  উপজেলা আনসার ভিডিপি টি আই বৈশাখী, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান।  এসময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম, সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম,  কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান প্রভাষ কুমার মন্ডল,  দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মোদন মোহন পাল, উপজেলা বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ হোসেন তুহিন ও ছাত্র প্রতিনিধি ইমরান হোসেন প্রমুখ। সভায় চিংড়ী মাছ পুশ করা বন্ধ ও কেমিক্যাল মিশিয়ে অপরিপক্ক আম পাকানো বিষয়ে জোরদার করা, মাদক দ্রব্য বিষয়ে আইন গত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা, জ্বালানি তেলের সমস্যা নিরসনে করণীয়, অধিক দামে জ্বালানি তেল বিক্রয় বিষয়ে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন, সাতক্ষীরা টু ভেটখালি রাস্তার কাজ ধীরগতি ও সিডিউল অনুযায়ী কাজ দেখে নেওয়া সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Labels: , ,

Tuesday, April 28, 2026

সাতক্ষীরায় র‍্যাবের অভিযানে ১৫৬৬ বোতল মাদকসহ আটক ২

 



রাকিবুল ইসলাম : সাতক্ষীরার দেবহাটা থানাধীন খানপাড়া গ্রামে আজ ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে র‍্যাব-৬, সিপিসি-১ সাতক্ষীরা ক্যাম্পের একটি বিশেষ অভিযানে ১৫৬৬ বোতল মাদকদ্রব্যসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জায়েন উদ্দীন মোহাম্মদ জিয়াদের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে আটককৃতরা হলেন মোঃ এয়াকুব খান (৩১) ও মোঃ নাজিম উদ্দীন (৩৯)। উদ্ধারকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে ৯৭১ বোতল উইনকোরেক্স, ৩০০ বোতল স্কাপ, ২৯৩ বোতল কফ এবং ০২ বোতল অনন্য সর্বমোট ১৫৬৬ বোতল। এছাড়া মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি বাটন মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Labels: , ,

জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা

 



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : সরকারি খরচে বিরোধ শেষ সবার আগে বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আরেফিন জুয়েল, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ মো: আবদুস সালাম, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইদুর রহমান, সাতক্ষীরা জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আব্দুস সাত্তার, জিপি অসীম কুমার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস,


জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির সদস্য সচিব, লিগ্যাল চীফ এইড অফিসার, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি শেখ আলমগীর আশরাফ প্রমূখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক নাজমুন নাহার, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম টুটুল, সুশীলনের উপপরিচালক জিএম মনিরুজ্জামান, সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. জয়ন্ত সরকার, নব দিগন্ত সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ বজলুর রহমান, আরা নির্বাহী পরিচালক শেখ আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ।  র‍্যালি পূর্বে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে এবং শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে দিবসের শুভ সূচনা করা হয়। জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচির মধ্যে ছিল যথাযোগ্য মর্যাদায় ও ভাবগাম্ভীর্যের সহিত উদযাপনের লক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় সাতক্ষীরাতেও নিম্নবর্ণিত কর্মসূচি পালিত হয়। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটের সময় সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, ৮টা ৩০ মিনিটে সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও লিগ্যাল এইড মেলা, ৯ টা ৩০ মিনিটে দিবসের তাৎপর্য বিষয়ে আলোচনা সভা, বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটের সময় সাতক্ষীরা জজ কোর্ট চত্বরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। আইনগত সহায়তা দিবস ২০২৬ এর র‍্যালিতে সাতক্ষীরা জজ কোর্টের বিচারক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আইনজীবী, লিগাল এইট কমিটির সদস্য, রোটারি ক্লাবের সদস্যসহ বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,

Sunday, April 26, 2026

সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের শোক

 


সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্য, দৈনিক খবর বাংলাদেশের জেলা প্রতিনিধি শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু ও বাস-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি শেখ রবিউল ইসলাম রবি’র ছোট ভাই শেখ শফিকুল ইসলাম সোহেল (৪৫) মস্তিস্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে শনিবার মৃত্যুবরণ করেছেন। তাঁর রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান, যুগ্ম সম্পাদক এম বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহীন গোলদার, অর্থ সম্পাদক শেখ ফরিদ আহমেদ ময়না, দপ্তর সম্পাদক মাসুদুর জামান সুমন, সাহিত্য সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক আকরামুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে অ্যাড. খায়রুল বদিউজ্জামান, আবু তালেব, কাজী জামালউদ্দিন মামুন, আব্দুস সামাদ, আসাদুজ্জামান সরদার প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Labels: ,

Saturday, April 25, 2026

সাতক্ষীরায় সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলুর ছোট ভাইয়ের দাফন সম্পন্ন

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : 

সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলুর ছোট ভাই শেখ শফিকুল ইসলাম সোহেল (৪৫) আর নেই। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মরহুম শেখ শফিকুল ইসলাম সোহেল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার লাবসা ইউনিয়নের থানাঘাটা গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ্ব শেখ আব্দুল বারীর ছোট ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। 

শনিবার সকালে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মৃতের বড় ভাই সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু জানান, সাত ভাই-বোনের মধ্যে সোহেল সবার ছোট ছিলেন। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তান রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


শনিবার মাগরিবের নামাজের পর থানাঘাটা গ্রামে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।


সাংবাদিক শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু তার ছোট ভাইয়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।


মরহুমের মৃত্যুতে স্থানীয় সাংবাদিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহল শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

Labels: ,

সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে ময়লা ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও কোন অবৈধ স্থাপনা দেখতে চায়না-

 

জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার



মোঃ হাফিজ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

সাতক্ষীরায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সাতক্ষীরায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর বড় বাজারে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার আয়োজনে এবং জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সার্বিক সহযোগিতায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার এঁর নেতৃত্বে সুলতানপুর বড় বাজারের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রমের জন্য বজ্য অপসারণ, পিলখানা অপসারণ, প্রাণসায়ের খালের পানি প্রবাহ রক্ষা করা, মাছ বাজারের ব্রিজ, শহরের পাকাপোল ব্রিজ, রাধানগর সড়ক, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স সড়ক ও থানা মসজিদ সড়কের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে সরজমিনে যান এবং কথা বলেন। এসময় জেলা প্রশাসক তার বক্তব্যে বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি অনুযায়ী ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব রোধে সকলকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, প্রাণসায়ের খাল পাড়ে ময়লার ভাগাড় হতে দেওয়া হবেনা। খালের পানি প্রবাহ ঠিক রাখতে খালে কোন ময়লা আবর্জনা ও অবৈধ স্থাপনা হতে দেওয়া হবেনা। আজ সরেজমিনে এসে বলে গেলাম। এরপর আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন ব্রিজের উপর দোকান পাট ও চলাচলের রাস্তার দু’ধারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে দোকান পাট ও অবৈধ স্থাপনা দেখতে চায়না। আগামী শনিবার আবার আসবো পরিদর্শনে। সাতক্ষীরাকে সকলের জন্য বাসযোগ্য করে তুলতে জেলাবাসীকে সাথে নিয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ। সাতক্ষীরা জেলাবাসীর নাগরিক সেবা ও জেলার উন্নয়নে নাগরিকদের পাশে থেকে নিরলসভাবে কাজ করার জন্য জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে ভূয়সী প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান জেলা প্রশাসক।”

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এ্যাড. সৈয়দ ইফতেখার আলী, জেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক ও জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডাঃ আবুল কালাম বাবলা প্রমুখ। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌরসভার প্রশাসক শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী মো. আসাদুজ্জামান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী, পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম নূর আহম্মেদ, সহকারি প্রকৌশলী ভারপ্রাপ্ত সাগর দেবনাথ, উপসহকারি প্রকৌশলী মোহাব্বাত হোসাইন, কামরুজ্জামান শিমুল, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির উপদেষ্টা সাবেক অধ্যক্ষ মো. লিয়াকত পারভেজ, সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভাপতি দৈনিক দৃষ্টিপাত সম্পাদক ও প্রকাশক জি এম নুর ইসলাম, সহ-সভাপতি তৈয়েব হাসান বাবু, অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ পাড়, আব্দুর রব ওয়ার্ছি, ফারহা দিবা খান সাথী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল, মহিলা সম্পাদিকা সোনীয়া সুলতানা, যুগ্ম মহিলা সম্পাদকা রেবেকা সুলতানা, কৃষি ও মৎস্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আশরাফুল করিম (ধনি), সাংগঠনিক সম্পাদক আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ মুছা করিম, পর্যটন বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ হাফিজুল আল মাহমুদ (রিটু), আইটি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আসিফুল আলম, নির্বাহী সদস্য সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিউদ্দিন, সি.এম নাজমুল ইসলাম, সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আ.স.ম আব্দুর রব, সহ-সভাপতি মো. আমিনুর রহমান, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. রওশন আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. রজব আলী খাঁ, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল কাদের, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালিউল ইসলাম প্রমুখ।

সুলতানপুর বড় বাজারের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা জেলা প্রশাসককে জানান, সাতক্ষীরা প্রাণসায়ের খালের ধারে পৌরসভার কসাইখানা (পিলখানা) হলে আবারও ময়লা ও বর্জ্যের ভাগাড়ে পরিনত হবে এবং খালের পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্থ হবে। আদালতে এই পিলখানার জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে। আদালত স্থিতিশীল অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে সাতক্ষীরা পৌরসভা কর্তৃক্ষ প্রাণসায়ের খালের ধারে কসাইখানা স্থাপন করার লক্ষ্যে টেন্ডার দিয়েছে। যা খুবই দুঃখজনক বলে জানান ব্যবসায়ীরা। খালের পাড়ে পিলখানা না করার অনুরোধ জানান। এসময় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, পৌর কর্তৃপক্ষ, জেলা নাগরিক অধিকার ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ, সাতক্ষীরা রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের যুব সদস্য, বিডি ক্লিন এর সদস্য, সুলতানপুর মাছ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, শহর কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, সাতক্ষীরা শহর মাংস ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

Friday, April 24, 2026

সাতক্ষীরার বাঁকাল চেকপোষ্ট থেকে দুই পিস স্বর্ণের বারসহ নারী চোরাকারবারী আটক


নিজেস্ব প্রতিনিধি : 
ভারতে পাচারকালে সাতক্ষীরার বাঁকাল চেকপোষ্ট সংলগ্ন এলাকা থেকে দুই পিস স্বর্ণের বারসহ এক নারী চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার বিকালে সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল কাজী আশিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের খুলনা মোড় হতে ইজিবাইক যোগে সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের বাঁকাল চেকপোষ্ট সংলগ্ন এলাকার দিকে যাওয়ার সময় তাকে আটক করা হয়। জব্দকৃত স্বর্ণের বারের ওজন ২৯৬.৪০ গ্রাম। যার বাজার মূল্য ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

আটক নারী চোরাকারবারীর নাম মোছাঃ শিউলী আক্তার (২৩)। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বিনেরপোতা তালতলা গ্রামের মোহাম্মদ জুবায়ের এর স্ত্রী।

বিজিবি জানায়, ইজিবাইক যোগে স্বর্ণের একটি চালান ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে ভোমরা সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা বিজিবি ব্যাটালিয়ন সদরের একটি চৌকষ আভিযানিক দল বাঁকাল চেকপোষ্ট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় সেখান থেকে দুই পিস স্বর্ণের বারসহ ওই নারী চোরাকারবারীকে হাতেনাতে আটক করা হয়। জব্দকৃত স্বর্ণের বারের ওজন ২৯৬.৪০ গ্রাম। যার বাজার মুল্য ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল কাজী আশিকুর রহমান প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান, আটককৃত আসামীকে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে এবং জব্দকৃৃত স্বর্ণের বার সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Labels: , ,

Wednesday, April 22, 2026

কালিগঞ্জ থানার ওসি জুয়েল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়; আদালতের নির্দেশ উপেক্ষার অভিযোগে ক্ষোভে ফুঁসছে জনপদ



নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুয়েল হোসেনের বিরুদ্ধে দায়িত্বে চরম অবহেলা, পক্ষপাতিত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থতার একের পর এক অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার একাধিক ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ করেছেন, আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও বিরোধপূর্ণ স্থানে দখল, অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ, হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় থানা পুলিশের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং ওসির নিষ্ক্রিয়তা ও এড়িয়ে যাওয়ার মনোভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে বলে অভিযোগ। বুধবার (২২ এপ্রিল- ২০২৬) সরেজমিনে ঘুরে ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ধলবাড়িয়া ইউনিয়নের মাদকাটি গ্রামের কুয়েত প্রবাসী জাফর আলী গাজীর স্ত্রী সালমা বেগম বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা চলমান রয়েছে এবং আদালত থেকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সেই নির্দেশ বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি জুয়েল হোসেন কার্যত কোনো উদ্যোগ নেননি। ফলে প্রতিপক্ষ মহাব্বত ও তার ভাই জাহাঙ্গীর স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে সেখানে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণ চালিয়ে যাচ্ছেন। একাধিকবার থানায় জানানো হলেও ওসি ‘অপারগতা’ দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।উপজেলার রতনপুর ইউনিয়নের দুলাবালা গ্রামে আলমগীর হোসেন, তার স্ত্রী সালমা খাতুন ও প্রতিবন্ধী পিতা আবুল কালাম প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তাদের অভিযোগ, বারবার ফোন করেও ওসি জুয়েল হোসেনের কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এতে করে তারা প্রশাসনিক সহায়তা থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত হয়েছেন এবং চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন।


একই ধরনের অভিযোগ উঠে এসেছে শ্রীকলা গ্রাম থেকেও। আব্দুস সাত্তারের কন্যা জান্নাতুল বুশরা জানান, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ তাদের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে। পুলিশের কাছে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে তাদের পরিবার এখন নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছে।ভুক্তভোগীদের দাবি, থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে অনেক সময় তা গ্রহণ করা হয় না কিংবা গুরুত্বসহকারে দেখা হয় না। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগও উঠেছে ওসির বিরুদ্ধে, যা পরিস্থিতিকে আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে যেখানে দ্রুত ও নিরপেক্ষ সেবা প্রত্যাশিত, সেখানে এমন উদাসীনতা সাধারণ মানুষের আস্থা ভেঙে দিচ্ছে।


এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগীরা সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সংশ্লিষ্ট ডিআইজি’র কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে ওসি জুয়েল হোসেনকে প্রত্যাহার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।তবে এ বিষয়ে কালিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জুয়েল হোসেন বলেন, “আমার দায়িত্বকালীন সময়ে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। তবে এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।” তার এই মন্তব্যকে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।


স্থানীয়দের মতে, “আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশের মূল দায়িত্ব। কিন্তু যখন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছ থেকেই উদাসীনতা ও জবাবদিহিতার অভাব দেখা যায়, তখন পুরো ব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা ও ভুক্তভোগীদের পাশে না দাঁড়ানো শুধু দায়িত্বহীনতা নয়, এটি আইনের প্রতি অবজ্ঞার সামিল। দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা জরুরি, নইলে সাধারণ মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে।

Labels: , ,

দেবহাটা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সৌজন্যে সাক্ষাৎ

 


 নিজস্ব প্রতিনিধি :দেবহাটা থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম এর সাথে দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সদস্যদের সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেছেন। ২২ এপ্রিল বুধবার ২০২৬ সকাল সাড়ে ১১ টার সময় দেবহাটা থানার যেয়ে এ সৌজন্যে সাক্ষাৎ করেন।সৌজন্যে সাক্ষাৎ এর সময় উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের উপদেষ্টা ও সাংবাদিক হাফেজ জি এম আব্বাসউদ্দীন, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি  অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান, কোষাধ্যক্ষ আবীর হোসেন লিয়ন, দপ্তর সম্পাদক হিরণ কুমার মন্ডল, কার্যনির্বাহী সদস্য ইউপি সদস্য যথাক্রমে  রফিকুল ইসলাম মন্টু, মহিউদ্দিন আহমেদ লাল্টু ও তাসকিন আহমেদ শাওন প্রমুখ। নবাগত অফিসার ইনচার্জ আব্দুল আলিম সাংবাদিকদের বলেন, পরস্পরের সহযোগিতায় দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে, সে জন্য সত্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে হবে। তিনি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শান্তি পূর্ণ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং সাংবাদিকদের সংবাদ প্রকাশে সকল প্রকার সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।

Labels: ,

Tuesday, April 21, 2026

৫ আগস্টের পর ফকির থেকে কোটিপতি! নগরঘাটায় মাদক ব্যবসায়ী ‘প্রকাশ’এর দৌরাত্ম্য, যুবসমাজ ধ্বংসের অভিযোগ



গোলাম শাহারিয়া লিপন : সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নে ‘প্রকাশ’ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভয়াবহ মাদক ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ৫ আগস্টের পর হঠাৎ করেই তিনি ফকির থেকে কোটিপতিতে পরিণত হয়েছেন, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, এই মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশ মোন্ডল (২৮) ২নং নগরঘাটা ইউনিয়ন ৯ নং ওয়ার্ড হরিংখলা গোলপোতা গ্রামে বসবাস দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছে এবং বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া উঠতি বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদক ছড়িয়ে দিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস করে দিচ্ছে। 

ফলে নগরঘাটা ইউনিয়নের যুবসমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকাশ নিজেকে প্রভাবশালী মহলের লোক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনের নাগালের বাইরে থেকে যাচ্ছে।

 ফলে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।

এ বিষয়ে নগরঘাটা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান সিব মেম্বার বলেন, “আমার নাম ভাঙিয়ে এবং আড়ালে থেকে প্রকাশ মাদক ব্যবসা করে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছে। 

তার সাথে আমার কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই।”

তিনি আরও জানান, “মাদক ব্যবসায়ী প্রকাশকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম চলমান রয়েছে।”

এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের জোর দাবি—দ্রুত সময়ের মধ্যে এই মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় পুরো এলাকার যুবসমাজ আরও ভয়াবহভাবে বিপথে চলে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Labels: , ,

Monday, April 20, 2026

সাতক্ষীরায় মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতার সেমিনার


নিজস্ব প্রতিবেদক সাতক্ষীরা :
 মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর”  এর উদ্যোগে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান  বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং- এর এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ সেমিনার  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল)  দুপুর ১ টায় সাতক্ষীরা শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এইচসিজি ক্যান্সার কেয়ার হাসপাতালের সহযোগিতায় এ এক্সক্লুসিভ পার্টনার মিটআপ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

মেডিকেল ভিসা প্রসেসর সমির এর সভাপতিত্বে মেডিকেল ভ্যালু ট্রাভেল খাতে জ্ঞান  বিনিময়, কৌশলগত সহযোগিতা ও বিটুবি নেটওয়ার্কিং এর উপর  গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করেন মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক নাজমুল ইসলাম রাফি।

এসময় আরো বক্তব্য রাখেন  “মুসকান এন্টারপ্রাইজ “এর স্বত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, এইচ সিজি ক্যান্সার হাসপাতাল কলকাতা ইউনিটের  হেড অব ইন্টারন্যাশনাল   সৌভিক স্যাম,মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট অফিসার মেহেদী হাসান।

এসময় অনুষ্ঠানে মেডিকেল ট্যুরিজম ফার্ম “কিউর এক্সপ্লোর” এর ৩০ জন্য পার্টনার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সাতক্ষীরা শহর কে যানযট মুক্ত করতে শহরে ফোর লেনের নতুন সম্ভাবনা বরাদ্দ ২০০ কোটি টাকা

 


নিজস্ব প্রতিবেদক সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরা শহর এখন এক যানজটের নগরী। যেখানে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজট লেগেই থাকে। ১০০ বছরের পুরাতন এই শহরের যানজটের প্রধান কারণ অপ্রশস্ত সড়ক। মাত্র ১৮ ফুট থেকে ২৪ ফুটের অপ্রশস্ত সড়ক নিয়ে রীতিমত এই শহরটি ধুকছে এবং বসবাসের অযোগ্য হওয়ার পথে। সাতক্ষীরা বাসীর দীর্ঘদিনের দাবী শহরের প্রধান সড়ক গুলো ফোর লেনে রূপান্তর করা। এরই প্রেক্ষাপটে সাতক্ষীরা-কালিগঞ্জ-শ্যামনগর মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে প্যাকেজ-১ এ শহরাংশে ফোর লেন সড়ক সংযুক্ত থাকলেও পরবর্তীতে তা বাতিল করা হয়। কিন্তু বর্তমানে প্রকল্পের টেন্ডার ও ভূমি অধিগ্রহণ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হওয়ায় সাতক্ষীরা শহরে পুনরায় ফোর লেন রাস্তা নির্মাণের এক নতুন ও সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন শুধু দরকার সাতক্ষীরার জনপ্রতিনিধিদের আন্তরিক প্রচেষ্টা।


সাতক্ষীরা জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে বিগত আওয়ামীলীগ সরকার সাতক্ষীরা-সখিপুর-কালীগঞ্জ (জেড-৭৬০২) এবং কালীগঞ্জ-শ্যামনগর-ভেটখালী (জেড-৭৬১৭) মহাসড়ক যথাযথ মানে উন্নীতকরণ প্রকল্প হাতে নেয়। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে শ্যামনগর এবং সীমান্তবর্তী ভেটখালী পর্যন্ত নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করা।


প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮২২ কোটি ৪৪ লাখ ১২ হাজার টাকা। ২০২৩ সালের ৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এই প্রকল্পটি চূড়ান্ত অনুমোদন দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই প্রকল্পের অনুকূলে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দও রাখা হয়। বিশাল এই কর্মযজ্ঞের মধ্যে রয়েছে ভূমি অধিগ্রহণ, সড়ক প্রশস্তকরণ, বিদ্যমান পেভমেন্ট পুনর্র্নিমাণ ও মজবুতীকরণ, সার্ফেসিং, আরসিসি বক্স কালভার্ট, বাস-বে এবং ড্রেন নির্মাণসহ নানা অবকাঠামোগত উন্নয়ন।


তৎকালীন সংসদ সদস্য ডা. আ ফ ম রুহুল হকের নির্দেশনায় সাতক্ষীরা-শ্যামনগর মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবে সাতক্ষীরা শহরের যানজট এবং ভবিষ্যৎ চাহিদার কথা বিবেচনা করে শহরাংশের প্রথম ৫.৩০ কিলোমিটার রাস্তা চার লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা জমা দেয়া হয়েছিল। শহরের সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী এবং পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এই প্রস্তাবনাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সবার প্রত্যাশা ছিল, অবশেষে সাতক্ষীরা শহরের প্রধান সড়কটি আধুনিক রূপ পেতে যাচ্ছে।


কিন্তু পরবর্তীতে সাতক্ষীরার বাকি জনপ্রতিনিধিদের অসহযোগিতা ও প্রকল্পের ব্যয় সাশ্রয়ের কারণ দেখিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক প্রাথমিক প্রস্তাবনায় পরিবর্তন আনা হয়। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ৫.৩০ কিলোমিটারের ফোর লেনের প্রস্তাবনাটি বাতিল করে সেটিকে দুই লেনে নামিয়ে আনা হয়। সংশোধিত এই প্রস্তাবনাই একনেক কর্তৃক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা (ডিপিপি) হিসেবে অনুমোদন লাভ করে। ফোর লেনের এই প্রকল্পটি বাতিল হওয়ার ফলে সাতক্ষীরা বাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ে।


ফোর লেন বাতিল হয়ে বর্তমানে যখন সড়কের কাজ চলমান রয়েছে তখন হতাশার মাঝে সাতক্ষীরা বাসীর জন্য এক বিশাল সুখবর নিয়ে এসেছে প্রকল্পের সাম্প্রতিক একটি আর্থিক মূল্যায়ন। যেকোনো মেগা প্রকল্পে সাধারণত ব্যয় বৃদ্ধির খবরই বেশি শোনা যায়, তবে এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে ঘটেছে সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা। যথাযথ টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং স্বচ্ছতার কারণে এই প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।


প্রকল্পের মোট ছয়টি প্যাকেজে কাজের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিটি প্যাকেজেই প্রাক্কলিত মূল্যের চেয়ে ন্যূনতম ১৬ শতাংশ বা তারও বেশি নি¤œদরে দরপত্র দাখিল করে। এর ফলে প্রকল্পের পূর্ত কাজ বা নির্মাণ ব্যয় থেকে প্রায় ১২৪ কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে।


অন্যদিকে, প্রকল্পের আওতায় ভূমি অধিগ্রহণের জন্যও একটি বড় অঙ্কের বাজেট রাখা হয়েছিল। জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে ভূমি অধিগ্রহণের কাজ চলছে এবং ইতোমধ্যে আইনের ৭ ধারা সম্পন্ন হয়েছে। চূড়ান্ত প্রাক্কলনে দেখা যাচ্ছে, ভূমি অধিগ্রহণ খাতেও আনুমানিক ৪৫ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সব মিলিয়ে, ঠিকাদারদের নি¤œদরে কাজ নেওয়া এবং ভূমি অধিগ্রহণের ব্যয় হ্রাস পাওয়ার ফলে সাতক্ষীরা-শ্যামনগর মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে মোট ১৬৯ কোটি টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ সাশ্রয়কৃত অর্থ এখন সাতক্ষীরার উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।


সাশ্রয়কৃত এই ১৬৯ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত না পাঠিয়ে যদি প্রকল্পের উন্নয়ন কাজে পুনরায় প্যাকেজ-১ সংশোধন করা হয়, তবে শহরাংশের ৫.৩০ কিলোমিটার সড়কটিকে এই ১৬৯ কোটি টাকা থেকে সহজেই চার লেনে উন্নীত করা সম্ভব হবে । যেহেতু অর্থ সাশ্রয় হয়েছে, তাই মন্ত্রণালয় চাইলেই ডিপিপি সংশোধন করে পূর্বের চার লেনের প্রস্তাবনাটি পুনরায় যুক্ত করতে পারে। এতে শহরের যানজট নিরসন হবে এবং প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য শতভাগ সফল হবে।


সাতক্ষীরার বর্তমান ৪ জন সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক মহোদয়া, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর, সাতক্ষীরার সাংবাদিক সমাজ, সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়ন কমিটি গুলোর দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। বিশেষ করে সাতক্ষীরার সংসদ সদস্যদের অতি সত্ত্বর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সাথে কথা বলে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং পরিকল্পনা কমিশন থেকে প্রকল্পটির সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদন করানোর ব্যবস্থা করা উচিত। যাতে সাতক্ষীরা শহরের ৫.৩০ কিলোমিটার সড়ক ফোর লেন রূপান্তরিত হয়।

সাতক্ষীরা একটি বর্ধিষ্ণু জেলা শহর। সময়ের সাথে সাথে এই শহরের জনসংখ্যা এবং যানবাহনের চাপ জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। শহর এলাকার রাস্তাঘাটগুলো অত্যন্ত সরু হওয়ায় প্রতিদিন তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এই যানজটের কারণে সাধারণ মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকা-ও ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

সাতক্ষীরা শহরের প্রবেশ মুখ থেকে শুরু করে শহরের ভেতরের অংশ পর্যন্ত প্রতিদিন ছোট-বড় অসংখ্য যানবাহন চলাচল করে। ভোমরা স্থলবন্দর থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাক, শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ থেকে আসা বাস এবং স্থানীয় থ্রি-হুইলারগুলোর চাপে শহরের রাস্তাগুলো প্রায়শই অচল হয়ে পড়ে। একটি চার লেনের রাস্তা নির্মিত হলে শহরের প্রধান সড়কে যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমে যাবে এবং যানজট নিরসন হবে।


সাতক্ষীরার মতো সম্ভাবনাময় একটি জেলা শহরের প্রধান সড়কের এই দুরবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। সাশ্রয়কৃত ১৬৯ কোটি টাকা সাতক্ষীরা বাসীর জন্য এক প্রকার আশীর্বাদ। এই অর্থকে কাজে লাগিয়ে শহরাংশের সড়ককে ফোর লেনে রূপান্তর না করতে পারলে সেটি হবে বর্তমান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪ জন সংসদ সদস্যের জন্য বড় ধরনের ব্যর্থতা। সাতক্ষীরার মানুষ উন্নয়নের আশায় তাদের বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছে। সেই আশা নিরাশা হয়ে যাবে সাতক্ষীরা বাসীর জন্য যদি তারা এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে না পারে। আর সেই ব্যর্থতার সরাসরি প্রভাব পড়বে আগামীর সকল নির্বাচনে।


সাতক্ষীরা শহরে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক ফোর লেন সড়ক নির্মাণ এখন আর কোনো অলীক কল্পনা নয়। পূর্বে ফোর লেন বাতিল হওয়ায় যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল, সাশ্রয়কৃত অর্থের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তা আনন্দে রূপান্তরিত হতে পারে। সরকারের আন্তরিক সদিচ্ছা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জোরালো ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দ্রুত সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই সাতক্ষীরা বাসীর এই প্রাণের দাবি বাস্তবায়ন সম্ভব। সাতক্ষীরা বাসী আশা করে, সাশ্রয়কৃত এই ১৬৯ কোটি টাকা দিয়ে সাতক্ষীরা শহরের ৫.৩০ কিলোমিটার ফোর লেন এবং আনুষঙ্গিক উন্নয়ন কাজ দ্রুতই আলোর মুখ দেখবে এবং সাতক্ষীরা একটি আধুনিক ও যানজট মুক্ত শহর হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

Labels: ,

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ এলজিইডি অফিসের হিসাব সহকারী বিপুলের রোষানলে হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমান

 



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জের এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থন্বেষী মহল অবৈধ সুবিধা নিতে না পেরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করতে উঠেপড়ে লেগেছে। তাকে ফাঁসাতে একটি টাকা নেওয়ার ভিডিও কে ভিন্নখাতে নিয়ে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 


জানা যায়,কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মোঃ কামরুল ইসলাম  এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মুস্তাফিজুর রহমানের নিকট কয়েকটি প্রকল্পের ফাইল বাবদ স্ট্যাম্পের টাকা দেয়। অফিসের সিসি ক্যামেরা থেকে সেই  ভিডিও গোপনে অফিসের হিসাব সহকারী 

চঞ্চল কুমার দাস বিপুল  বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করে মুস্তাফিজকে ফাঁসাতে উঠে পড়ে লেগেছে। 

অভিযোগ রয়েছে এই  হিসাব সহকারী চঞ্চল কুমার বিপুল হিসাব রক্ষকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনকালে অনিয়ম ও ঘুষ দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি খালি থাকা হিসাব রক্ষকের পদে মুস্তাফিজুর যোগদান করলে হিসাব  সহকারী বিপুলের গাত্রদাহ শুরু হয়। সেই থেকে হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজকে ফাঁসাতে উঠে পড়ে লেগেছে এই বিপুল। 

জানাযায়, এই হিসাব  সরকারী বিপুলের বাড়ি কালীগঞ্জে হওয়ায় সে একোছত্র আধিপত্য বিস্তার করে এলজিইডি অফিসকে নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করে। 

তার নিকট প্রকৌশলী থেকে শুরু করে অফিসের সকলেই জিম্মি হয়ে রয়েছে। 


বিষয়টি নিয়ে হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট জানাতে চাইলে তিনি বলেন, আমি স্ট্যাম্পের ফি বাবদ যে টাকা নিয়েছি সেটাকে ভিন্নখাতে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি কোন ঘুষ,  দুর্নীতির সাথে জড়িত নয়। 


বিষয়টি নিয়ে জানতে কুশুলিয়া ইউপি সচিব মোঃ কামরুল ইসলাম জানান, আমি এলজিইডি অফিসের হিসাব রক্ষক মোস্তাফিজুর রহমানের নিকট যে টাকা দিয়েছি তাহা স্ট্যাম্প বাবদ, কোন ঘুষ নয়। 


কালিগঞ্জ এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন বলেন,কুশুলিয়া ইউপি সচিব মোঃ কামরুল ইসলামকে আমার অফিসে  ডাকা হয়েছিল সে নিজের মুখে স্বীকার করেছে আমি হিসাব রক্ষককে কোন ঘুষের টাকা দেয়নি এটা স্ট্যাম্পের টাকা।

Labels: , ,

Sunday, April 19, 2026

সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং

 



রাকিবুল ইসলাম  : সাতক্ষীরায় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সম্মেলন কক্ষে সাতক্ষীরা জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এ প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

প্রেস ব্রিফিং এ জানানো হয়, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদেরকে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত টানা ১১ কর্মদিবসের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলায় ১ লাখ ৭৮ হাজার ৮১৫ জন শিশুকে হামের টিকা প্রদান করা হবে।

এর মধ্যে ১ম ৮দিন কমিউনিটিতে এবং শেষের ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ টিকা প্রদান করা হবে। জেলায় মোট ২ হাজার ৪১৭টি স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে একযোগে হামের টিকা প্রদান করা হবে। এছাড়া যে সকল শিশু এমআর বা হামের টিকা পেয়ে থাকলে অথবা হাম বা রুবেলা রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকলেও ঐ বয়সের সকল শিশুকে ক্যাম্পেইনে এমআর টিকা দিতে হবে। তবে একটি শিশু টিকা প্রদানের ২৮ দিন পূর্ণ হলেই সেই শিশু টিকা নিতে পারবে।

সংবাদ সম্মেলনে হাম রুবেলা ক্যাম্পেইন এর উপর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চিকিৎসক ডাঃ রাশেদ উদ্দিন মৃধা।

এ সময়, সিভির সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার, ডাঃ ইসমত জাহান সুমনা , সিভিল সার্জন অফিসের সিনিয়র স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অফিসার মো. মাহবুবুর রহমান, জেলা ইপিআই সুপারিন্টেন্ডেন্ট শেখ আব্দুল বাকীসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

Labels: , ,

Saturday, April 18, 2026

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ লিপি

 



সম্প্রতি একটি সাতক্ষীরার স্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক সাতক্ষীরা তথ্যে “বিএনপি করলে বোনাসে জমি দখল ফ্রি! শ্যামনগরে মিঠুর ‘রাজনৈতিক অফার’ নিয়ে তোলপাড়” শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে, তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদের বিভিন্ন অংশ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টা মাত্র।

আমি, আসাদুজ্জামান মিঠু, স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে—সংবাদে আমার বিরুদ্ধে যে চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব কিংবা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে, তার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। এটি একটি মহলের পরিকল্পিত অপপ্রচার, যার মাধ্যমে আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করা এবং আমার গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

সংবাদে যে বক্তব্য আমার নামে প্রচার করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বিকৃত ও প্রসঙ্গবহির্ভূতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে, আমি কখনোই আইনবিরোধী বা দলীয় নীতির পরিপন্থী কোনো বক্তব্য প্রদান করিনি। আমার বক্তব্যকে কেটে-ছেঁটে ভিন্ন অর্থ দাঁড় করানো হয়েছে, যা দুঃখজনক ও নিন্দনীয়।

আমি সবসময় আইন, শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী। রাজনৈতিক জীবনে আমি কখনোই দখলদারিত্ব, চাঁদাবাজি বা কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না এবং ভবিষ্যতেও থাকব না। বরং আমি সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করার চেষ্টা করে আসছি।

অতএব, সংশ্লিষ্ট পত্রিকা কর্তৃপক্ষের নিকট আমার জোর দাবি—উক্ত বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদের জন্য যথাযথ ব্যাখ্যা ও সংশোধনী প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রয়োজনে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হব।


বিনীত

আসাদুজ্জামান মিঠু

শ্যামনগর, সাতক্ষীরা

Labels: ,

সাতক্ষীরার আম ব্যবসায়ীর ১১ ক্যারেট কাঁচা আম গন্তব্যে না পৌঁছে অন্য জায়গায় বিক্রি! ইভা ট্রান্সপোর্টের ইয়াসিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ



গোলাম শাহরিয়া:

লাইনম্যানের ‘ভুলে’ বিক্রির দাবি—ক্ষতিপূরণের আশ্বাস, তবে প্রশ্ন উঠেছে পরিবহন ব্যবস্থার জবাবদিহি নিয়ে

নিজস্ব প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিয়ার গ্রামের আম ব্যবসায়ী মো. আকতারুল ইসলাম (৩৮) অভিযোগ করেছেন, ঢাকায় পাঠানো তার ১১ ক্যারেট কাঁচা আম নির্ধারিত গন্তব্যে না পৌঁছে কাওরান বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরিবহন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

ভুক্তভোগী আকতারুল ইসলাম জানান, প্রতি বছরের মতো চলতি মৌসুমের শুরুতে তিনি ঢাকায় আম পাঠান। সেই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল ২০২৬) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা বাইপাস খড়িবেলা চৌরাস্তা থেকে গাজিরহাট জয়েন্ট ট্রান্সপোর্টের মাধ্যমে ১১ ক্যারেট কাঁচা আম ঢাকার রায়েরবাজার আড়তে পাঠানোর জন্য গাড়িতে তোলেন।

কিন্তু নির্ধারিত সময়ে মালামাল গন্তব্যে না পৌঁছালে তিনি সংশ্লিষ্ট পরিবহন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় গাজিরহাট জয়েন্ট ট্রান্সপোর্টের প্রতিনিধি ফারুক জানান, তার গাড়িতে জায়গা না থাকায় তিনি আমগুলো অন্য একটি গাড়িতে তুলে দেন। পরে ইভা ট্রান্সপোর্টের মালিক ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানা যায়, তার গাড়িতে করে মালামাল ঢাকায় গেলেও কাওরান বাজারে পৌঁছানোর পর ‘লাইনম্যান’ সেটি বিক্রি করে দিয়েছে।

এ বিষয়ে আকতারুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “একজন ব্যবসায়ীর মাল তার অনুমতি ছাড়া বিক্রি করা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। পরিবহনের কাজ হলো নিরাপদে মাল গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া—বিক্রি করা নয়। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান চাই।”

অন্যদিকে গাজিরহাট জয়েন্ট ট্রান্সপোর্টের ফারুক বলেন, “আকতারুল ইসলাম আমাদের নিয়মিত গ্রাহক। জায়গা সংকট থাকায় মাল অন্য পরিবহনে পাঠানো হয়েছিল। পরে জানতে পারি, মাল গন্তব্যে না পৌঁছে বিক্রি হয়ে গেছে।”

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠেছে ইভা ট্রান্সপোর্টের ভূমিকা নিয়ে। প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইয়াসিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, “মাল আমার গাড়িতে গিয়েছিল। ঢাকায় আমাদের লাইনম্যান ভুল করে কাওরান বাজারে বিক্রি করে দিয়েছেন। এখন ক্ষতিপূরণ দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।”


এ ধরনের ঘটনা পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহির বড় ঘাটতি প্রকাশ করে। একজন মালিকের অনুমতি ছাড়া তার পণ্য বিক্রি করা শুধু অনৈতিকই নয়, আইনের দৃষ্টিতেও অপরাধ। বিশেষ করে ইভা ট্রান্সপোর্টের মতো প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে—কীভাবে তাদের অধীনে থাকা ব্যক্তি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাহস পায়?

স্থানীয় ব্যবসায়ী মহল বলছে, এ ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও ব্যবসায়ী ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ তদন্ত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

ভুক্তভোগী আকতারুল ইসলাম এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন কোনো পরিবহন প্রতিষ্ঠান এভাবে অন্যের মালামাল বিক্রির মতো অনিয়ম করতে না পারে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

Labels: , ,

নিজের মাথায় গুলি করলেন পুলিশ সদস্য

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : 
খুলনায় দায়িত্বরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে নগরীর রেলওয়ে পুলিশ লাইন্সের অস্ত্রাগার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানি উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। তার স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন নারী পুলিশ সদস্য।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভোর আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে ম্যাগজিন গার্ডে দায়িত্ব পালনকালে নিজের ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন সম্রাট। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

খুলনা রেলওয়ে পুলিশ সুপার আহমেদ মাইনুল হাসান জানান, গত বছরের ৩ নভেম্বর সম্রাট বিশ্বাস এখানে যোগদান করেন। দায়িত্ব পালনেও তিনি ছিলেন নিয়মিত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ। তবে কী কারণে তিনি এমন চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, ভোর ৪টা থেকে ৬টা পর্যন্ত তার ডিউটি ছিল। ডিউটির সময়ই তিনি নিজের অস্ত্র ব্যবহার করে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে।

Labels: ,

সুন্দরবন উপকূলের উন্নয়নে পৃথক বোর্ড ও মন্ত্রণালয় গঠনসহ সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির ২১ দফা বাস্তবায়নে সংবাদ সম্মেলন


 রাকিবুল ইসলাম সাতক্ষীরা : সুন্দরবন উপকূলের উন্নয়নে পৃথক বোর্ড ও মন্ত্রণালয় গঠনসহ ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলন করেছে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট শেখ আজাদ হোসেন বেলাল বলেন, সাতক্ষীরা খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি জেলা। এখানে বছরে ৫ লক্ষাধিক মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়। এছাড়া ২৮ হাজার মেট্রিক টন বিদেশে রপ্তানিযোগ্য চিংড়িসহ গড়ে ১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন মাছ, প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন দুধ, ২ লাখ মেট্রিক টন শীতকালীন শাকসবজি, ৭৫ হাজার মেট্রিক টন আম, ১৫ হাজার মেট্রিক টন কুল এবং প্রায় ১০০ মেট্রিক টন মধুসহ বিপুল পরিমাণ রবিশস্য উৎপাদিত হয়। ভোমরা স্থলবন্দর হতে বছরে গড়ে ১ হাজার কোটি টাকার রাজস্বসহ সুন্দরবন ও মৎস্য সম্পদ থেকেও সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে।

কিন্তু এই জেলা ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীর বেড়িবাঁধ ভাঙন, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততাসহ ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জর্জরিত। অতিরিক্ত লবণাক্ততার কারণে এখানকার উন্নয়ন টেকসই হয় না। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পরিবেশগত ঝুঁকি, সুপেয় পানির সংকট এবং কৃষি জমির পরিমাণ ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। ফলে দারিদ্র্যের হার দেশের অন্যান্য স্থানের চেয়ে অনেক বেশি। এমনকি শিক্ষার হারও কমে যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩ শতাংশ হলেও সাতক্ষীরা জেলায় এই হার কমে ০.৯০ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এর প্রধান কারণ—কাজের সন্ধানে বিপুল সংখ্যক মানুষের স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে যাওয়া। এই বাস্তুচ্যুত মানুষের একটি বড় অংশ সাতক্ষীরা শহরে চলে আসছে। ২০২২ সালের জনশুমারির তথ্যানুযায়ী সাতক্ষীরা পৌর এলাকায় বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৩৮ হাজার উল্লেখ করা হলেও বর্তমানে তা ২ লাখ অতিক্রম করেছে।

আজাদ হোসেন বেলাল আরও বলেন, গত ৫৫ বছরে সারা দেশে যে উন্নয়ন হয়েছে, সেই তুলনায় সাতক্ষীরা অনেক পিছিয়ে। তাছাড়া এখানকার ভূ-প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কোনো উন্নয়নই টেকসই হয় না। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত সারা দেশের একই ডিজাইনের রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, সরকারি ভবন ও নদীর বেড়িবাঁধগুলো এখানে অতি দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে সুন্দরবন উপকূলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে "সুন্দরবন উপকূলীয় বোর্ড ও মন্ত্রণালয় গঠন" এবং আসন্ন বাজেটে এই অঞ্চলের উন্নয়নে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। সেই সাথে ২১ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: সাতক্ষীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, রেললাইন সংযোগ, নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠা, ভোমরা স্থলবন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু ও বসন্তপুর নৌবন্দর চালু করা, ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ, পর্যটন এলাকা ঘোষণা, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, বিকল্প বাইপাস সড়ক, শ্রমঘন বিশেষ শিল্পাঞ্চল গঠন, লবণ ও আর্সেনিকমুক্ত নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থা, বাস ও ট্রাক টার্মিনাল স্থাপন, উপজেলাভিত্তিক স্টেডিয়াম নির্মাণ, বিআরটিসি বাসের সংখ্যা বাড়ানো, চলাচলের অযোগ্য সড়ক সংস্কার, জেলা ও পৌরসভার উন্নয়নে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন, আইটি সিটি নির্মাণ, নদী ভাঙন ও জলাবদ্ধতা সমাধানে কার্যকর ব্যবস্থা, জলবায়ু উদ্বাস্তু আবাসন কেন্দ্র স্থাপন এবং জেলার সকল নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা।

জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব আলি নুর খান বাবুলের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষাবিদ আব্দুল হামিদ, সনাকের সাবেক সভাপতি হেনরি সরদার, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, সিপিবির আবুল হোসেন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, শ্রমিক নেতা শেখ হারুন অর রশিদ এবং প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি প্রমুখ।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় ২৫২০ পিস ইয়াবাসহ কুখ্যাত মাদক সম্রাট ইয়াসিন আরাফাত র‍্যাবের হাতে আটক

 


রাকিবুল ইসলাম : 
সাতক্ষীরা শহরের পলাশপুল (মধুমালার ডাংরি) এলাকায় অভিযান


 চালিয়ে ২৫২০ পিস ইয়াবাসহ ইয়াসিন আরাফাত নামে এক কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

গতকাল ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক ২ টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাবের একটি আভিযানিক দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ দিন ধরে নজরদারিতে থাকা মাদক সম্রাট ইয়াসিন আরাফাতকে নিজ আস্তানায় মাদক বেচাকেনার সময় হাতেনাতে আটক করা হয়।

এ সময় তার হেফাজত থেকে মোট ২৫২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সূত্র ও র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, ইয়াসিন আরাফাত দীর্ঘদিন ধরে সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন এলাকায় মাদকের কারবার চালিয়ে আসছিলেন। পলাশপুল এলাকার মধুমালার ডাংরিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা তার মাদক সিন্ডিকেটটি স্থানীয় যুবসমাজের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব বেশ কিছুদিন ধরেই তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিল।

র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃত ইয়াসিন আরাফাতের বিরুদ্ধে প্রচলিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। তাকে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


Labels: , ,

Thursday, April 16, 2026

জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত দৈনিক সময় বার্তার বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুল ইসলাম

 


ডেস্ক নিউজ : নানা আয়োজনে ও আন্তরিক শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়েছেন দৈনিক সময় বার্তার বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুল ইসলাম। তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানিয়েছেন।


১৯৯৯ সালের ১৬ এপ্রিল সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের জেয়ালা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন মেধাবী ও পরিশ্রমী।


 ২০১৬ সালে ডি.বি ইউনাইটেড হাই স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি একই কলেজের উদ্ভিদবিদ্যা (বোটানি) বিভাগে বিএসসি (অনার্স) অধ্যয়নরত আছেন।

শিক্ষাজীবনের পাশাপাশি সাংবাদিকতা পেশায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় সমস্যা, উন্নয়ন ও জনদুর্ভোগের নানা চিত্র নিয়মিতভাবে তুলে ধরছেন। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও সমাজ সচেতনতামূলক লেখনীর মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে পরিচিতি লাভ করেছেন।

জন্মদিনে শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও পেশাগত সফলতা কামনা করেছেন।


এদিকে মোঃ হাফিজুল ইসলাম সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে সাংবাদিকতা চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন

Labels: ,

ধূলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডি.বি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়, নবীনবরণ ও শিক্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

 



নিজস্ব প্রতিনিধি :সাতক্ষীরার ধূলিহর-ব্রহ্মরাজপুর (ডি.বি) মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা, নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুজিত কুমার মন্ডল-এর সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর, আবেগঘন ও আনন্দঘন পরিবেশে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।


অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করে ১০ম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া সুলতানা এবং পবিত্র গীতা পাঠ করে ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ঝিলিক সরকার। পরে অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষকবৃন্দ আসন গ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আবুল হোসেন।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুজিত কুমার মন্ডল,জেলা শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাজিবুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুল হামিদ বাবু।


বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ এমাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করা হয়। এসময় অবসরপ্রাপ্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক অনুজিত কুমার মন্ডল-এর দীর্ঘ কর্মজীবন, শিক্ষা সেবা, সততা ও নিষ্ঠার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে মানপত্র পাঠ করা হয়।পরে বিদায়ী শিক্ষককে সম্মাননা স্মারক ও উপহার প্রদান করা হয়।


এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাফিজুল ইসলাম, কনক কুমার ঘোষ, আজহারুল ইসলাম, ভানুবতী সরকার, আসমাতারা জাহান, মৃনাল কুমার বিশ্বাস,গীতা রাণী সাহা, খালেদা খাতুন,শামীমা আক্তার ও হারুনুর রশীদ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 


সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক এসএম শহীদুল ইসলাম।


আবেগঘন এ আয়োজনে বিদায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা এবং নবাগত শিক্ষার্থীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।পরবর্তীতে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

Labels: , ,

Tuesday, April 14, 2026

সাতক্ষীরায় উৎসব মুখর পরিবেশে একুশে টিভি’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

  




এস এম পলাশ : বর্ণাঢ্য র‌্যালি, আলোচনা সভা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে সাতক্ষীরায় পালিত হয়েছে একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এউপলক্ষে সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটির উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। 




র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে শহিদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে মেলা প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।  জেলা প্রশাসকের সাথে র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েল, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, যুগ্ম আহবায়ক আবুল হাসান হাদী, সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব মো. আব্দুর রউফসহ সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। 


পরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

একুশে টেলিভিশনের সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জি.এম. মনিরুল ইসলাম মিনি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার। বিশেষ অতিথি ছিলেন, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ কাজী আরিফ আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, জেলা জামায়াতের আমির এ্যাডঃ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাধারণ সম্পাদক মাওঃ আজিজুর রহমান, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বারী, সাবেক পৌর কাউন্সিলর শফিকুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।





সভায় বক্তারা বলেন, নানা বাধা ও ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে দেশের প্রথম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টেলিভিশন সফলতার ২৬ বছর পূর্ণ করে ২৭ বছরে পদার্পণ করেছে। ‘পরিবর্তনে অঙ্গীকারাবদ্ধ’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে দীর্ঘ আড়াই দশকেরও বেশি সময় ধরে গণমানুষের আস্থার প্রতীক হয়ে আছে এই প্রতিষ্ঠানটি। তারা একুশে টেলিভিশনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

Labels: , ,

দেবহাটায় নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

 



  মোমিনুর রহমান:বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষ্যে দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য র‍্যালী,  আলোচনা সভা, লাঠি ও সাপ খেলাসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।


পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দে সকাল সাড়ে ৯ টায় এক আনন্দঘন পরিবেশে বর্ণাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। র‍্যালিটি ঘোড়ায় গাড়ি ও নানা রংয়ের ফেস্টুন ব্যানারসহ উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে নির্ধারিত বনবিনির বটতলায় গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।


পরে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা। এসময় বক্তব্য রাখেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, উপজেলা জামায়াতের নেতা সখিপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন ময়না, পারুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা আঃ বারী, আঃ হামিদ ও আঃ ওহাব, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান, সমাজ সেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান প্রমুখ।

Labels: , ,

ঐতিহ্য-উচ্ছ্বাসে পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ-প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল

 



মোঃ হাফিজ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ 

সাতক্ষীরায় “নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পুরনোকে বিদায় আর নতুনকে স্বাগত জানাতে বর্ণিল আয়োজনে বাঙালীর প্রাণের উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে সাতক্ষীরা সদরের ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ছিল আনন্দ, ঐতিহ্য আর সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টায় ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে ঐতিহ্য-উচ্ছ্বাসে উৎসবমুখর পরিবেশে ১৪৩৩ নববর্ষ বরণ। বিদ্যালয়ের মোহাম্মদ হোসেন মিলনায়তনে জাতীয় সঙ্গীত এবং “এসো হে বৈশাখ” সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে শুভ সূচনা করা হয় নববর্ষ বরণের আনুষ্ঠানিকতা। উৎসব আমেজে দিনজুড়ে ছিল বাঙালী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লোকসংগীত, নৃত্য পরিবেশনা সব মিলিয়ে, উৎসবের এ দিনে ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলে সৃষ্টি হয় এক মিলনমেলা। যেখানে ধর্ম-বর্ণ-ভেদাভেদ ভুলে মানুষ একসঙ্গে উদযাপন করে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মমিনুর রহমান মুকুল এঁর সভাপতিত্বে বর্ষবরণের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান মুকুল বলেন, “পুরোনো বছরের গ্লানি, জীর্ণতা আর শোককে পেছনে ফেলে নতুন আশা ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের পথচলা। ভোরের নতুন সূর্যের আলোয় সারা দেশে নব আনন্দে উদযাপিত হচ্ছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ। আধুনিক ও ডিজিটাল বাংলাদেশে হালখাতার সেই পুরোনো জৌলুস কিছুটা কমলেও বাঙালির আত্মপরিচয় আর সম্প্রীতির এই উৎসবে যুক্ত হয়েছে বর্ণিল সব নতুন মাত্রা। ঋতুচক্রের আবর্তনে আসা এই দিনটি জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে এক মিলনমেলায় শামিল করেছে, ঐতিহ্য-উচ্ছ্বাসে পহেলা বৈশাখ বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।”

পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তুলে ধরে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সিটি কলেজের সহযোগি অধ্যাপক শেখ আব্দুর ওয়াদুদ, ব্রহ্মরাজপুর ফাড়ীর ইনচার্জ হাবিবুর রহমান, ৯নং ওয়ার্ড ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ আলহাজ্ব মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফারুকী, ৭,৮ ও ৮নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য নুরুন্নাহার, সদর থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জিয়াউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত মাদ্রাসা শিক্ষক আব্দুস সামাদ প্রমুখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক হাবিবুর রহমান, বিদ্যালয়ের প্রাক্তন অভিভাবক সদস্য সেজ বাবু, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আল গালিব, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজুর রহমান, ৬নং ওয়ার্ড  বিএনপির সভাপতি আব্দুল আহাদ, বিএনপি নেতা আব্দুল জলিল, বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুস সালাম, ডাক্তার জিয়াউর রহমান, জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের সম্মানিত সকল শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন দশম শেশ্রীর ছাত্র রাজ, গীতা পাঠ করেন সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী অনিকা রানী। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ডি.বি ইউনাইটেড হাইস্কুলের সহকারি শিক্ষক মো. মুকুল  হোসেন।,

Labels: ,

সাতক্ষীরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ পালিত

 



এস এম পলাশ  :   সাতক্ষীরায় বর্ণিল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। বাঙালীর ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আনন্দঘন আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে জেলার বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে জেলা প্রশাসন ও বিসিক সাতক্ষীরার আয়োজনে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের ৭ দিন ব্যাপী বৈশাখী মেলা উল্লেখযোগ্য।


মঙ্গলবার (পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩) সকাল ৮টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালেক্টরেট পার্কে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন ও বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী গান ‘এসো হে বৈশাখ’ গাওয়ার মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির শুভ সূচনা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য এবং সর্বস্তরের মানুষ।


অনুষ্ঠান শেষে কালেক্টরেট পার্ক থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা গ্রামীণ বাংলার লোকজ সংস্কৃতির প্রতীক নিয়ে অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নিউ মার্কেট হয়ে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে গিয়ে শেষ হয়। পথজুড়ে সাধারণ মানুষের ঢল নেমে আসে এবং উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।


এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তী, সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিষ্ণুপদ পাল, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাসসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের মধ্যে জেলা বিএনপির আহবায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম মুকুল, সহকারী সেক্রেটারী প্রভাষক ওমর ফারুক, বিএনপি নেতা আব্দুর রউফসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।


পরে শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিশু শিল্পীদের গান, নৃত্যে বাঙালির হাজার বছরের ঐতিহ্য ফুটে ওঠে। একইসঙ্গে সকাল ৯টায় সাতদিনব্যাপী বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার। মেলায় ৪২ টি স্টলে বিভিন্ন ধরনের হস্তশিল্প, গ্রামীণ খেলনা, মাটির তৈরি পণ্য, পিঠা-পুলি ও দেশীয় খাবারের স্টল বসানো হয়েছে, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।


এদিকে নববর্ষ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের বাংলোতে আয়োজিত হয় বৈশাখী পান্তা-আপ্যায়ন। আমন্ত্রিত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী পান্তা-ইলিশ, ভর্তা ও দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হয়, যা বাঙালির গ্রামীণ সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। 


সব মিলিয়ে পহেলা বৈশাখকে ঘিরে সাতক্ষীরায় তৈরি হয়েছে এক মিলনমেলা। মেলা উদ্বোধনের পরপরই জেলা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিভিন্ন বয়সী মানুষের আগমনে মুখরিত হয় শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক। যেন বাঙালীর স্রোত বইছে পুরো জেলা শহরে।

 ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাতক্ষীরার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ নতুন বছরকে বরণ করে নিতে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছে, যা বাঙালির চিরন্তন অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।

Labels: , ,

এসো হে বৈশাখ এসো এসো বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ১৪৩৩ উদযাপন

 


নিজিস্ব প্রতিবেদক,

 তালা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বর্ণাঢ্য  র‍্যালিতে  বিভিন্ন রংবেরঙের বেলুন ও ঘোড়ার গাড়ি দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে তালা উপশহর প্রদক্ষিণ করে এ র‍্যালি তালা উপজেলা ভূমি নির্বাহী কর্মকর্তা  রাহাত খানের নেতৃত্বে, এতে অংশগ্রহণ করেন জালাল পুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুল হক লিটু বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান উপস্থিত ছিলেন,তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক আকবার হোসেন সিনিয়র সহ-সভাপতি এশিয়ান টিভির সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি শামিম খাঁন ফারুক জোয়ার্দার সাইদুর রহমান সাইদ, এই র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন তালা মহিলা ডিগ্রী কলেজ তালা গার্লস স্কুল বিভিন্ন শ্রেণীর লোক অংশগ্রহণ করে 



র‍্যালিটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শিল্পকলা একাডেমী প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সুধীজনসহ সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় শিল্পীরা সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরেন।

উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা এ সময় বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব। এ উৎসবের মাধ্যমে জাতি তার নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, চেয়ারম্যান বৃন্দ,সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উক্ত অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সাইদুর রহমান সাইদ।।

Labels: ,

Monday, April 13, 2026

দেবহাটায় ১০ ফুটের খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

 



মোমিনুর রহমান:সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর উদ্যোগে ১০ ফুটের খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। 

সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) বিকাল ৪ টায় দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা'র সভাপতিত্বে  দেবহাটা ইউনিয়নের ১০ ফুট নামক খালের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন সাতক্ষীরা-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাম্মদ আব্দুল খালেক। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও জেলা বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম,  উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা অলিউল ইসলাম, বিএসিডির সহকারী প্রকৌশলী ইবনেসিনা, দেবহাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বকুল,  উপজেলা কৃষি অফিসার শওকত ওসমান সহ  বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সর্ব প্রথম এই খালটি খনন করে তখন খালটির গভীরতা ছিল ১০ ফুট, সেখান থেকে ১০ ফুটের খাল নাম করণ করা হয়। এই খালের দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৫ শত ফুট ও প্রস্থ ৮০-৯০ ফুট। এই খানটি পুনঃ খনন করা হলে গরমের মৌসুমে ১০ হাজার বিঘা জমিতে ইরি ধানের চাষ করা সম্ভব হবে। তাছাড়া খালটি খননের মাধ্যমে এলাকার পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

Labels: ,

শ্যামনগরে তেল সংকটের সুযোগে দুর্ধর্ষ ছিনতাই চক্র ‘ত্রাস’ সাঈদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ জনজীবন

 


নিজস্ব প্রতিবেদক, 


সারাদেশে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের সুযোগে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে একটি দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্র। বিশেষ করে বংশীপুর লস্কর পাম্প এলাকায় তেলের জন্য অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষ ও দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে প্রতিনিয়ত ঘটছে মোবাইল ও টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা। এই চক্রের মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে স্থানীয় শেখপাড়া গ্রামের ফারুক মিস্ত্রির ছেলে ‘চিহ্নিত চোর’ সাঈদের নাম, যার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা থাকলেও সে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।


গত শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে বংশীপুর লস্কর পাম্পে তেলের সিরিয়াল দিতে আসা এক যুবকের সাথে ঘটে চাঞ্চল্যকর ছিনতাইয়ের ঘটনা। সোনার মোড় সংলগ্ন এলাকায় ক্লান্ত ওই যুবক যখন মোটরসাইকেলে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, তখন সাঈদসহ তিনজনের একটি দল সেখানে হাজির হয়। জরুরি কথা বলার অজুহাতে ফোন চেয়ে নিয়ে কৌশলে যুবকের মোবাইল এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয় তারা। প্রাণভয়ে ওই যুবক তখন চুপ থাকলেও পরে পাম্প কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন। পরদিন সকালে এলাকাবাসী সাঈদকে পাম্পের আশেপাশে ঘুরতে দেখে তাকে গণধোলাই দেয়। তবে অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের (বিএনপি) নাম ব্যবহারকারী একটি সংঘবদ্ধ গোষ্ঠী কৌশলে তাকে জনতার হাত থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।



স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সাঈদ একজন পেশাদার অপরাধী। তার অপরাধের পরিধি কেবল পাম্প এলাকাতেই সীমাবদ্ধ নয়

 সম্প্রতি ঢাকা থেকে ফেরা এক যাত্রী নূরনগর যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলের তেল ফুরিয়ে গেলে সাঈদ ও তার দল তাকে একা পেয়ে সর্বস্ব লুটে নেয়।

 গত কয়েকদিনে শ্যামনগর কলেজপাড়া ও বাদঘাটায় একাধিক চুরির ঘটনায় সাঈদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিলেছে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

 এই চক্রটি মেয়েদের দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফোন করিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে নির্জন স্থানে ডেকে আনে। পরবর্তীতে অশালীন ছবি বা ভিডিও ধারণ করে ‘হানিত্রাপ’ এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।


শ্যামনগর থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদুর রহমান যোগদানের পর থেকে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ঘোষণা করায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও সাঈদের মতো অপরাধীদের অবাধ বিচরণে জনমনে নতুন করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাঈদ একাধিকবার গ্রেফতার হয়ে জেল খাটলেও বেরিয়ে এসে আবারও একই পেশায় লিপ্ত হয়। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে মারধর ও মানসম্মানহানির হুমকি দেওয়া হয়।


বংশীপুর ও শ্যামনগর সদর এলাকার সাধারণ মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অবিলম্বে সাঈদসহ তার সহযোগীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, পাম্প এলাকায় রাতের বেলায় পুলিশের বিশেষ টহল জোরদার করা হলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে।

এই দুর্ধর্ষ ছিনতাই চক্রের মূল হোতাদের দ্রুত গ্রেফতার করে জনমনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শ্যামনগরের সর্বস্তরের মানুষ।

Labels: ,

Wednesday, April 8, 2026

শ্যামনগর পশ্চিম সুন্দরবনে বনদস্যু দমনে যৌথ অভিযান।

 


মোমিনুর রহমান:


শ্যামনগর  পশ্চিম সুন্দরবনে বনদস্যু দবনে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। 


 বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড,থানা পুলিশ ও বনবিভাগ যৌথভাবে বনদস্যু দমনে অভিযান শুরু করেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকাল থেকে এই অভিযান শুরু করা হয় । এসময় তারা সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে ও সুন্দরবনে বনদস্যুর আস্তানা তল্লাশি করেন। গত কয়েক দিন পূর্বে বনজীবি অপহরণ ও একজন বনজীবি বনদস্যুর গুলিতে আহত হওয়ায় এবং সুন্দরবনে বন দস্যু নির্মূলের লক্ষে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। শ্যামনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: রাশেদ হোসাইন নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। 

এবিষয় রাশেদ হোসাইন জানান, সুন্দরবনে বন দস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ ধরণের অভিযান অব্যহত থাকবে।

Labels: , ,

দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবিতে সাতক্ষীরা পাউবোতে বেড়িবাঁধ সুরক্ষা দলের স্মারকলিপি

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা উপকূলের ঝুকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ দ্রুত সংষ্কারের দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সাতক্ষীরা-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়ার কাছে স্মারকলিপি পেশ করেছেন আশাশুনির নারী নেতৃত্বাধীন কাকবাসিয়া বেড়িবাঁধ সুরক্ষা দলের সদস্যরা। 

বুধবার (০৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের অফিসে গিয়ে দলটির সভানেত্রী আফরোজা খানমের নেতৃত্বে এই স্মারকলিপি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ই এপ্রিল-২০২৬, সকাল ৮টার দিকে, কাকবাসিয়া গ্রামের খেয়াঘাট মোড় সংলগ্ন খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধে হঠাৎ ভাঙন দেখা দেয়। বর্তমানে ভাঙনের ফলে আশেপাশে ফাটলের সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে আমরা উদ্বিগ্ন, যদি অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে এই বেড়িবাঁধ সংস্কার না করা হয়, তবে যেকোনো মুহূর্তে এটি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে যেতে পারে, ফলে অত্র ইউনিয়নের অন্যান্য গ্রামগুলো প্লাবিত হতে পারে। প্লাবনের ফলে ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে কাকবাসিয়া বেড়িবাঁধ সুরক্ষা দলের সভানেত্রী আফরোজা খানম জানান, ‘এমবাসি অব সুইডেন ঢাকা ও ইউএন উইমেন এর সহযোগিতায় এবং এএফএডি, এএসডিডিডব্লিউ ও বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠন কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘জেন্ডার রেসপনসিভ ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন ইন বাংলাদেশ (জিআরডিআরআরআইবি)’ প্রকল্পের অধীনে তাদের এই নারী নেতৃত্বাধীন বেড়িবাধ সুরক্ষা দল উপকূলের বেড়িবাঁধ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরো জানান, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চলে প্রতিবছর জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ বাড়ছে। এর ফলে জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ ভেঙে লবণাক্ত পানি লোকালয়ে ঢুকে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও মৎস্য ঘেরের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছে। বিশেষ করে নারীদের জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই দুর্যোগ ভয়াবহ প্রভাব ফেলছে। তাই উপকূলীয় মানুষের জীবন ও জীবিকা রক্ষায় আশাশুনির আনুলিয়া ইউনিয়ন ও প্রতাপনগর ইউনিয়নসহ সংলগ্ন এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে দ্রুত শক্তিশালী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তারা।

স্মারকলিপি গ্রহণ শেষে পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরা-২ এর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহমান তাযকিয়া নারী নেতৃত্বাধীন বেড়িবাঁধ সুরক্ষা দলের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘ইতিমধ্যে ভাঙন কবলিত স্থানে সংস্কার কাজ শুরু হয়েছে। উপকূলের বেড়িবাধ সুরক্ষায় আমরা সর্বদা তৎপর আছি।’

স্মারকলিপি প্রদানকালে বেড়িবাঁধ সুরক্ষা দলের কোষাধ্যক্ষ সালমা খাতুন, সদস্য আনজুয়ারা খাতুন, ফতেমা খাতুন, রোজিনা খাতুন, আফসানা মিমিসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য এবং বিন্দুর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। উপকূলের মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

Labels: ,

Monday, April 6, 2026

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজ অধ্যক্ষের ওপর হামলার প্রতিবাদে সভা অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির দাবি

 


আব্দুর রশিদ সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরা দিবা-নৈশ কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম সফিকুজ্জামান-এর ওপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে ফেটে পড়েছে কলেজ প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা। এই ন্যাক্কারজনক হামলার নিন্দা জানাতে এবং দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১২টায় কলেজ মিলনায়তনে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।


কলেজের উপাধ্যক্ষ মোঃ ময়নুল হাসান-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা বলেন, একজন আদর্শবান শিক্ষকের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও নজিরবিহীন। এই হামলার মাধ্যমে কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং গোটা শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষা ব্যবস্থাকে অপমান করা হয়েছে।


সভায় বক্তারা তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কর্মকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।


বক্তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে যদি প্রকৃত অপরাধীরা আইনের আওতায় না আসে, তবে সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করতে বাধ্য হবে। সভার শেষ পর্যায়ে সকলে অধ্যক্ষ এ কে এম সফিকুজ্জামান-এর দ্রুত আরোগ্য ও সুস্থতা কামনা করেন।


প্রতিবাদ সভায় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,

সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলনে জিন্নাহকে গ্রেপ্তারের দাবি

 


মোঃ হাফিজ বুরো চিফ সাতক্ষীরা থেকেঃ

সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সভাপতির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জন্য সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টায় সদর দলিল লেখক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, বিগত ইংরেজী ৩০/০৩/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে ভারতীয় নাগরিকের নিকট হইতে কৌশলে দলিল রেজিস্ট্রি করিয়া লওয়ার সময় একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে অদ্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হইয়াছে। আমরা দলিল লেখকগণ সর্বসময় সাংবাদিকদেরকে আমরা সব সময় সম্মান ও শ্রদ্ধা করি। বিগত দিনে আপনাদের কাছ থেকে তার প্রমাণও পেয়েছি। আজকে যে, বিষয়ের জন্য আপনাদের স্মরণাপন্ন হয়েছি সেটি হলো একজন ভারতীয় নাগরিকের (মোকছেদুর

রশিদ) তথ্য গোপন করে বাংলাদেশী আইডি কার্ড ও পরবর্তীতে জরুরী ভিত্তিতে বাংলাদেশী পাসপোর্ট তৈরী করে অবৈধ পন্থায় বাংলাদেশী সাজিয়ে সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করতে যেয়ে একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনার উদ্ভব হয়। কিন্তু অতি পরিতাপের বিষয় সাংবাদিক পরিচয়ধারী একজন ব্যক্তি উক্ত ঘটনাটির নেপথ্যের কারিগর সে উক্ত মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে অবৈধ ভাবে বিতর্কিত সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করিয়া লইতে সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে হাজির হইয়া সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের

নিকট একটি সাধারণ "পাওয়ার অব এ্যাটনী" দলিল দাখিল করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় উক্ত ভারতীয় নাগরিক মোকছুদার রশিদ এর নিকট হইতে দলিলের স্টেটমেন্ট নেওয়ার সময় কতিপয় অচেনা ব্যক্তি সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করিয়া উক্ত সাব রেজিস্ট্রার মহোদয়ের নিকট উক্ত মোকছুদার রশিদ এবং কথিত সাংবাদিক জুলফিকার আলী জিন্নাহ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের অনুকূলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় তথ্য প্রমানাদি চাহিলে অভিযোগকারীগণ তাহাদের বিরুদ্ধে মৌখিক ও দালিলিক প্রমাণ প্রদান করিলে সাব রেজিস্ট্রার মহোদয় দলিলটি রেজিস্ট্রি না করিয়া তাহার জিম্মায় রাখেন। ঠিক সেই সময়ে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ উত্তেজিত হয়ে ছাত্রলীগ নেতা সুমন আনোয়ারসহ পনের থেকে বিশ জন সন্ত্রাসীর দল নিয়ে উপস্থিত হয়ে অভিযোগকারী ও সেখানে থাকা দলিল লেখকগণকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হঠাৎ আক্রমণ করেন। তাহাদের হামলায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ অনেকেই আহত হন। হামলার পর পরই জুলফিকার আলী জিন্নাহ তাহার দলবলসহ দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন এবং সে সময় উপস্থিত লেখকগণ ও সাধারণ জনগণ উক্ত দ্বৈত নাগরিককে আটক করিয়া পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। বর্তমানে উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার রশিদ রাষ্ট্রপক্ষের মামলায় জেল হাজতে রহিয়াছেন। পক্ষান্তরে সাংবাদিক নামধারী জিন্নাহ এক প্রকার দস্যুতার রাজত্ব কায়েম করে এবং ব্যক্তি জিন্নাহ একজন দ্বৈত নাগরিকের নিকট হইতে তাহার নিজ নামে অবৈধ ভাবে প্রভাব খাটিয়ে একটি দলিল রেজিস্ট্রি করিতে আসেন। সেখানে তাহার পেশা দেখানো হয় জমিজমা, সাংবাদিক নহে। আমাদের প্রশ্ন, অবৈধ সম্পদ রেজিস্ট্রি করার জন্য জিন্নাহ সাব রেজিস্ট্রি অফিসে প্রবেশ করেছে, সে এখানে সাংবাদিকতা করতে আসেনি। অথচ সাংবাদিকের উপর হামলার নামে

মিথ্যা তথ্য দিয়ে  ভুল বুঝিয়ে সংবাদ পরিবেশন করছে। তাহলে ব্যক্তি জিন্নাহ ও সাংবাদিক জিন্নাহ একই বিষয়? আপনাদের কাছে প্রশ্ন রাখলাম। অপর দিকে উক্ত দলিলের গ্রহীতা জুলফিকার আলী জিন্নাহ, দাতা উক্ত দ্বৈত নাগরিক মোকছুদার

রশিদ এবং মোসাবিদাকারক এ্যাডঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম খোকন। এখানে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহবুবউল্লাহ উক্ত দলিল সম্পর্কিত কোন বিষয়ে সম্পৃক্ত না থাকা স্বত্ত্বেও উক্ত জিন্নাহ সাংবাদিকতার প্রভাব খাটিয়ে দলিল লেখক শেখ মাহবুবউল্লাহসহ আরও অনেকের নামে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত মামলায় সে উল্লেখ করেন তার কাছে থাকা নগদ ৫,০০,০০০/- টাকা ১নং আসামি সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল এবং ৩নং আসামি দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু প্রকৃত বিষয় "সাধারণ পাওয়ার অব এ্যাটর্নী" দলিল হস্তান্তর করবার জন্য কোন অর্থ লেনদেনের প্রয়োজন হয় না। আপনারা দলিলটি পড়িলে তাহা বুঝিতে পারিবেন। আমাদের প্রশ্ন, শেখ মাহবুবউল্লাহ কোন কারণে আসামী? এবং সাতক্ষীরা দলিল লেখক সমিতিকে কেন তারা সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন? এদিকে উক্ত জিন্নাহ অবৈধ কাজ সিদ্ধ করবার জন্য কতিপয় স্বনাম ধন্য সাংবাদিকবৃন্দকে ভুল বুঝিয়ে প্রতিপক্ষ হিসাবে দলিল লেখক সমিতির বিরুদ্ধে দাড় করিয়ে ফায়দা লুটতে চায় এবং গত ০৫/০৪/২০২৬ তারিখে সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট চত্বরে সাংবাদিকদের ব্যানারে উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সাংবাদিক জিন্নাহ এর উপর হামলার বিচার ও দলিল লেখক ও প্রশাসনের কিছু কর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিষোধাগার করা হয়। আমরা পুলিশ প্রশাসনসহ সকলের বিরুদ্ধে যাহারা মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে তাহাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সাতক্ষীরা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রারসহ দলিল লেখক সমিতিকে তাহারা একটি সিন্ডিকেট হিসাবে আখ্যায়িত করিয়াছেন। আমরা আপনাদের মাধ্যমে এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মনে করি, সাংবাদিক পরিচয়বহনকারী ব্যক্তি জুলফিকার আলী জিন্নাহ কিছু সাংবাদিক ভাইদের ভুল বুঝিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে দাড় করিয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে সাংবাদিক বন্ধুরা যদি প্রকৃত ঘটনা জানতেন, তাহলে তাহারা তার পক্ষ অবলম্বন করতেন না। এটা আমাদের বিশ্বাস। আপনাদের মাধ্যমে আরও বলতে চাই। একজন মামলার আসামী জামিন না নিয়ে স্বয়ং উপস্থিত থেকে মানববন্ধন কর্মসূচীতে কি ভাবে অংশ গ্রহণ করেন এটা আমাদের বোধগম্য নহে। আমরা অদ্যকার এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ওসি সদর থানাকে উক্ত এজাহার নামীয় আসামী জিন্নাহকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে গ্রেফতারের দাবী জানাই। এমতাবস্থায় সকল সাংবাদিক বন্ধুদের কাছে আমাদের দাবী আপনারা ঘটনাটি সঠিক ভাবে অনুসন্ধান পূর্বক বাস্তব চিত্র অবগত হন। আমরা সকল সাংবাদিককে শ্রদ্ধা করি এবং তাহাদের পেশাকে সম্মান করি। আমরা আপনাদের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন পূর্বক প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং দলিল লেখক সমিতির সভাপতি শেখ মাহাবুবউল্লাহ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করার জন্য ঊধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন এর সহেযাগীতা কামনা করছি। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সদর দলিল লেখক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাসির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম ও সিনিয়ার দড়ির লেখক এম এম মজনু প্রমুখ।

Labels: ,

Sunday, April 5, 2026

দেবহাটার রেকডিও সম্পত্তিতে দোকান ঘর নির্মানে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ

  



মোমিনুর রহমান: দেবহাটার কুলিয়ায় রেকডিও সম্পত্তিতে দোকান ঘর নির্মান কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। 

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী জমির মালিক আসাদুল ইসলাম, তাসলিমা খাতুন , মো: রফিক, মিন্টু, আমিনুর, মাসুদ হোসেন এবং কামরুল ইসলাম জানান, কুলিয়া মৌজার ১২৩৩ খতিয়ানের ৫৭০ এস এ ও বর্তমান হাল ১৫০৭ দাগের মধ্যে মোট ১৮ শতক জমি নাছের মাস্টার ও তার ৪ বোনের রেকডিয় সম্পত্তি ছিলো। তার মধ্যে থেকে ১০ শতক জমি  সরকার সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার পাশে হওয়ায় একোয়ার করে নেয়। বাকি ৮ শতকের মধ্যে হতে ২০০২ সালের দিকে নাছের মাস্টার ও তার ৪ বোনের কাজ থেকে কুলিয়ার ইউনিয়নের সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান আসাদুল ইসলাম ১ শতক, তাসলিমা খাতুন ১ শতক, আমিনুর. ০১৬ রফিক. ০৫০ এবং মিন্টু. ০২৫ জমি ক্রয় করে। এরপর ২০১৯ সালে মাসুদ এবং কামরুল ৫ শতক জমি ক্রয় করে। সম্প্রতি ঐ জমিতে মালিকগন দোকান ঘর নির্মান করতে গেলে পরিষদ কর্তৃপক্ষ বাধা সৃষ্টি করে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে উভয়পক্ষ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের শরণাপন্ন হলে নির্বাহী অফিসার এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দেন।

এরপর সার্ভেয়ার উভয় পক্ষের স্ব- স্ব সীমানা নির্ধারণ করে চলে আসে। 

কিন্তু পরিষদ কর্তৃপক্ষের আবারও বাধার কারনে বর্তমানে কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। 

এ ব্যাপারে কুলিয়া ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল বলেন,  আগামী কাল সোমবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার উভয়পক্ষ কে নিয়ে বিষয়টি সমাধান করবেন।

Labels: , ,