Tuesday, March 31, 2026

বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষিকার বিতর্কিত কর্মকান্ড,নেপথ্যে ধামাচাপার চেষ্টা

 




নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর উত্তরাস্থ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউএফটি)-এর ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের লেকচারার আফসানা মেহেরুন আইনিকে ঘিরে বর্তমানে এক নজিরবিহীন ও বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে যা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের অর্জিত সুনাম ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশকে চরমভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এই নারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে ফলাফল প্রদানে নগ্ন পক্ষপাতিত্ব, শিক্ষার্থীদের নম্বর জালিয়াতি, ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে ফলাফল আটকে রাখা এবং নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষার্থীকে অনৈতিক ও অস্বাভাবিক সুবিধা প্রদানের মতো অসংখ্য গুরুতর অভিযোগের পাহাড় জমেছে যা এখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে যেখানে ভুক্তভোগীরা দাবি করেছেন যে উক্ত শিক্ষিকা তার পছন্দের গুটিকয়েক শিক্ষার্থীকে ঢালাওভাবে নম্বর দিলেও মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়নের পরিবর্তে ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দকে প্রাধান্য দিয়ে অন্যদের শিক্ষাজীবনকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বিশেষ করে একাডেমিক সাবমিশন সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে যেসব শিক্ষার্থী প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী বিভাগের ডিন বরাবর লিখিত আবেদন করেছিলেন তাদের পরবর্তীতে ওই শিক্ষিকার রোষানলে পড়তে হয়েছে এবং তাদের বিভিন্ন অজুহাতে তথাকথিত ‘পানিশমেন্ট’ বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি করে একাডেমিক ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।


​ঘটনার ভয়াবহতা আরও তীব্রতর হয় যখন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ থেকে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর ও নৈতিকতা পরিপন্থী অভিযোগ সামনে আসে যেখানে দাবি করা হয়েছে যে উক্ত শিক্ষিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি-নৈতিকতা তোয়াক্কা না করে নির্দিষ্ট কিছু ছাত্রকে নিয়ে দেশের বিভিন্ন নামিদামি রিসোর্ট ও পর্যটন এলাকায় ভ্রমণ করেছেন এবং সেই সব মুহূর্তের অন্তরঙ্গ ও বিতর্কিত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছেন যা একজন আদর্শ শিক্ষকের চরিত্রের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান। এই ধরনের নৈতিক স্খলন ও পেশাদারিত্বের অভাবের বিষয়টি ক্যাম্পাসে জানাজানি হওয়ার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। শুধু কর্মক্ষেত্রেই নয় বরং তার ব্যক্তিগত জীবনেও চরম অস্থিরতা ও বিতর্কের খবর পাওয়া গেছে যেখানে বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীর সাথে তার সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটেছে এবং তারা বর্তমানে সম্পূর্ণ আলাদা বসবাস করছেন যা বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করে তুলেছে।


​এই সকল স্পর্শকাতর ও গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে যখন ‘অপরাধ বিচিত্রা’ পত্রিকার সাংবাদিক অভিযুক্ত শিক্ষিকার বক্তব্য গ্রহণ করতে চান তখন তিনি তার ওপর চরমভাবে ক্ষিপ্ত হন এবং ঘটনার কোনো সদুত্তর দেওয়ার পরিবর্তে তাকে উল্টো হুমকি প্রদান করেন। অভিযোগ রয়েছে যে পরবর্তীতে ওই সাংবাদিককে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য অদৃশ্য চাপ ও হুমকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। এমনকি অভিযুক্ত শিক্ষিকা আফসানা মেহেরুন আইনির ব্যবহৃত ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি এবং পরবর্তীতে তার হোয়াটসঅ্যাপে বিস্তারিত খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো প্রকার স্বচ্ছ বা সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি যা তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর সত্যতাকে আরও জোরালো করে তুলেছে।


​বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে সেখানেও এক ধরণের রহস্যজনক ও দ্বিমুখী অবস্থান পরিলক্ষিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন আলমগীর হোসেন সরাসরি গণমাধ্যমের কাছে স্বীকার করেছেন যে মোট ১৮ জন শিক্ষার্থী সম্মিলিতভাবে উক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এবং প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে যার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষিকার বিরুদ্ধে প্রশাসনিকভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তবে বিস্ময়করভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার রফিকুজ্জামান এই বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন মত পোষণ করে জানিয়েছেন যে তিনি এখনো বিষয়টি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য জানেন না যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযোগ উপস্থাপন করলে তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে গতানুগতিক আশ্বাস দিয়েছেন।


​প্রশাসনের এই অসংলগ্ন বক্তব্যের সুযোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ দাবি করছেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরকার একটি প্রভাবশালী চক্র এই স্পর্শকাতর ঘটনাটি ধামাচাপা দিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে রক্ষার জন্য পর্দার আড়ালে ‘ম্যানেজ’ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হতাশা তৈরি করেছে। এই অবস্থায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও সচেতন অভিভাবক সমাজ সম্মিলিতভাবে দাবি জানিয়েছেন যে শিক্ষার পবিত্রতা রক্ষা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীর পবিত্র সম্পর্ককে কলঙ্কমুক্ত করতে অবিলম্বে এই ঘটনার একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে এবং অভিযুক্ত শিক্ষিকার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে অন্য কেউ শিক্ষকের মহান পেশায় থেকে এমন নৈতিক অবক্ষয় ও দুর্নীতির সাহস না পায়। ক্যাম্পাসের সার্বিক শৃঙ্খলা এবং একাডেমিক স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের এই মুহূর্তে কোনো প্রকার আপস না করে সত্যের পথে চলাই এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Labels: ,

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিবাদি কর্তৃক বাদীর বসতবাড়ী ভাংচুর।

 


জিয়াউর রহমানঃ সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ীয়া গ্রামের মৃত ইসমাইল সরদারের কন্যা আয়মান বিবি(৫৫) ও তার ভাই মোক্তাজুল(৫০)এর বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সরেজমিনে দেখা যায় - শিমুলবাড়ীয়া গ্রামের মোক্তাজুল সরদার ও তার বোন আয়মান তাদের পৈতৃক জমিতে দীর্ঘদিন যাবত ভোগদখল ও বসতবাড়ি তৈরি করে বসবাস করে আসছে। পার্শ্ববর্তী সিরাজুল খাঁ দীর্ঘদিন ধরে তাদের পৈতৃক ভিটা থেকে উচ্ছেদের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। এব্যপারে কয়েক দফা বসাবসি করেও মেম্বার, চেয়ারম্যান কোনো ফয়সালায় আসতে পারেননি। ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ ইউসুফ সরদার ও চেয়ারম্যান মোঃ লূতফর রহমান বলেন - শিমুলবাড়ীয়া মৌজায় ১৩১ নং খতিয়ানে ৪০৪,৪০৮ নং দাগে মোট জমির পরিমান ১১০ শতক। উক্ত খতিয়ানের ওয়ারেশসূত্রে ৫৫ শতক জমি প্রাপ্ত হয়ে মুক্তাজুল ও আয়মান বিবি বসবাস করে আসছে।অপর শরিকের নিকট থেকে সিরাজুল খাঁ জমি ক্রয় করে মুক্তাজুল ও আয়মানের বসতবাড়ির মধ্যে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। লূতফর রহমান চেয়ারম্যান আরও বলেন - আমি শালিষ করে দিলে সিরাজুল খাঁ তা মানতে নারাজ।

এব্যপারে মুক্তাজুল জানান- আমার  স্ত্রী ফজিলা খাতুন বাদি হয়ে সাতক্ষীরা (সদর) জজকোর্টে  সিরাজুল খঁা কে বিবাদি করে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২৪৬৮/২২ তাং ১৩/১২/২২ মামলা নং ২৮৮/২৩ তাং৭/৪/২৩ মামলা নং ৫৯/২৪ তাং১৪/০১/২৪ মামলা নং ১৪/২৬ তাং ৩/৩/২০২৬ আদালতের ১৫০ ধারা নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ৩১/০৩/২০২৬ তাং বুধবার মুক্তাজুল বাড়ীতে না থাকার সুবাদে সিরাজুল খাঁ ১০/১২ জন লোক নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মুক্তাজুল ও তার বোন আয়মানের বসত ঘরবাড়ি ভাংচুর করে এবং খুন জখমের হুমকি দেয়। ভুক্তভোগীরা আতংকগ্রস্হ ও চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সিরাজুল খাঁ ও তার দলবলকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন এলাকাবাসী।


Labels: , ,

উপকূলের বিষফোঁড়া ‘ব্ল্যাক ডগ’ সিন্ডিকেট সীমান্ত ও সুন্দরবনে অস্ত্রের ঝনঝনানি, জিম্মি জনপদ

 



নিজস্ব প্রতিনিধি :

সুন্দরবনের গহিন অরণ্য, ভারত সীমান্ত আর কালিন্দী-খোলপেটুয়াসহ পাঁচ নদীর মোহনা—প্রাকৃতিক এই বৈচিত্র্যকেই অপরাধের স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে একটি দুর্ধর্ষ চক্র। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রমজাননগর ও সংলগ্ন উপকূলীয় জনপদে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে ‘ব্ল্যাক সিন্ডিকেট’। জলদস্যুতা, আন্তঃদেশীয় অস্ত্র চোরাচালান, মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের মাধ্যমে এই চক্রটি এখন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই শক্তিশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছে জামির আলী জামু, আব্দুল্লাহ তরফদার এবং আরএস খান (ওরফে ব্ল্যাক ডগ)। তাদের জালের বিস্তার প্রতিবেশী দেশ ভারত পর্যন্ত।


সিন্ডিকেটের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত গোলাখালী গ্রামের সিয়াম উদ্দিনের ছেলে জামির আলী জামু। নথিপত্র অনুযায়ী, জামুর বিরুদ্ধে শ্যামনগর থানায় তিনটি এবং সাতক্ষীরা সদর ও খুলনার বটিয়াঘাটায় একটি করে অস্ত্র মামলাসহ একাধিক মাদক ও চোরাচালান মামলা রয়েছে।

জামু মূলত সুন্দরবনের জলদস্যুদের ভারী অস্ত্রের প্রধান জোগানদাতা। ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে সে সুন্দরবন ও ভারতের মধ্যবর্তী রুটটি নিয়ন্ত্রণ করে। সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে এসে জামু আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর শারীরিক নির্যাতন ও তাদের পৈতৃক ভিটেমাটি দখলের নেপথ্য কারিগর এই জামু। তার ভয়ে এলাকাছাড়া হয়েছেন অনেক সংখ্যালঘু পরিবার।


সিন্ডিকেটের দ্বিতীয় প্রভাবশালী সদস্য কালইঞ্চি গ্রামের আব্দুল্লাহ তরফদার। বর্তমানে সে ভারতে অবস্থান করে পুরো অপরাধ সাম্রাজ্য ‘রিমোট কন্ট্রোলে’ পরিচালনা করছে। আব্দুল্লাহর বিরুদ্ধে নারী পাচার, ধর্ষণ, ইয়াবা ও অস্ত্র মামলাসহ ডজনখানেক মামলা রয়েছে। ভারতীয় সিন্ডিকেটের সাথে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করে মাদক ও অস্ত্রের চালান বাংলাদেশে পাঠানোর মূল দায়িত্ব তার।


পশ্চিম কৈখালী গ্রামের আরএস খান বর্তমানে এই সিন্ডিকেটের সবচেয়ে আলোচিত নাম। অন্ধকার জগতে সে ‘ব্ল্যাক ডগ’ নামে পরিচিত। মাদক ব্যবসার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রক হওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে রয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, আরএস খানের মূল টার্গেট হলো হিন্দুদের দেশত্যাগে বাধ্য করে তাদের জমি দখল করা। কোনো সাংবাদিক বা প্রতিবাদী মানুষ তার কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করলে তাকে প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। দম্ভোক্তি করে সে বলে বেড়ায়, “প্রশাসন বা পত্রিকা আমার কিছুই করতে পারবে না।”


এই সিন্ডিকেটের শেকড় বিস্তৃত ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ক্যানিং পর্যন্ত। কলকাতার ক্যানিং এলাকার বাসিন্দা যোগেশ (পিতা: কৃষ্ণপদ) এই চক্রের প্রধান ভারতীয় সরবরাহকারী। কলকাতা পুলিশ ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, যোগেশ একাধিকবার গ্রেফতার হলেও তার চোরাচালান নেটওয়ার্ক সচল রয়েছে। সে মূলত আরএস খান ও জামুর মাধ্যমে ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ ও মরণঘাতী মাদক বাংলাদেশে পাচার করে।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রমজাননগরের একাধিক বাসিন্দা জানান, এই সিন্ডিকেটের সদস্যরা অত্যাধুনিক অবৈধ অস্ত্র বহন করে। সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না। সংবাদকর্মীরা তথ্য সংগ্রহে গেলে তাদের ঘিরে ধরা হয় এবং বড় ধরনের বিপদের হুমকি দেওয়া হয়।

উপকূলীয় এই অপরাধী চক্রের প্রভাবে বর্তমানে সুন্দরবনের মৎস্যজীবী ও বনজীবীদের জীবনও হুমকির মুখে। যৌথ বাহিনী ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একাধিকবার অভিযান চালালেও দুর্গম এলাকা এবং প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।


সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সিন্ডিকেট সম্পর্কে তারা অবগত আছেন এবং তাদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। তবে স্থানীয় সাধারণ মানুষের দাবি—জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান (ক্লিন হার্ট স্টাইল) পরিচালনা করে এই ‘ব্ল্যাক সিন্ডিকেট’ নির্মূল করা না হলে অদূর ভবিষ্যতে এই উপকূলীয় অঞ্চল অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হবে।

Labels: , ,

Monday, March 30, 2026

সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে সাংবাদিক জাহিদুর রহমান পলাশের সুস্থতা কামনা

 


 ওমর ফারুক বিপ্লব সাতক্ষীরা: সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি জাহিদুর রহমান  পলাশ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সাতক্ষীরার আনোয়ারা মেমোরিয়াল ক্লিনিকে ভর্তি হয়।সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তার গল ব্লাডারে স্টোন ধরা পড়ে। আনোয়ারা ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ডা. মুশফিকুর রহমান, ড. কবিরুল ইসলাম ও ডা. জয়ন্ত কুমারের নিবিড় তত্ত্বাবধানে অস্ত্র পাচারের মাধ্যমে অপারেশন  সম্পন্ন করা হয়।

সাংবাদিক জাহিদুর রহমান পলাশের সুস্থ্যতা কামনা বিবৃতি দিয়েছেন, সাতক্ষীরা রিপোর্টার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব  শাহজাহান আলম,সাধারণ সম্পাদক ও স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক সুপ্রভাত পত্রিকার উপ-সম্পাদক মোঃ মাজহারুল ইসলাম,যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক প্রভাতী খবর পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ রবিউল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদক ও আঞ্চলিক পত্রিকা দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মোঃ ওমর ফারুক বিপ্লব, কোষাধক্ষ্য মোঃ আজহারুল ইসলাম,সাহিত্য সম্পাদক মোঃ মামুন হোসেন,দপ্তর সম্পাদক শেখ শিমুল হোসেন বাবু, সদস্য শেখ মনিরুজ্জামান,সঞ্জয় কুমার দাশ,নব কুমার দে সহ সকল সদস্যবৃন্দ


সাংবাদিক  জাহিদুর রহমান পলাশের সাতক্ষীরা আনোয়ারা মেমোরিয়াল ক্লিনিকে গল ব্লাডারে স্টোন অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল  বাসভবন  চিকিৎসাধীন আছেন।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রলসহ তেলবাহী লরি আটক

 


 মোমিনুর রহমান সাতক্ষীরা : 

সাতক্ষীরায় ৭ হাজার লিটার পেট্রলসহ তেলবাহী লরি আটক।

সাতক্ষীরায় অনুমোদনহীন জ্বালানি তেল বিক্রির সময় একটি তেলবাহী লরি আটক করেছে স্থানীয় জনতা। সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের গাবা গ্রামে গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সড়ক থেকে ৭ হাজার লিটার পেট্রলসহ লরিটি আটক করা হয়।

আজ সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, রোববার বিকেলে খুলনা থেকে ৭ হাজার লিটার পেট্রল নিয়ে যমুনা অয়েল কোম্পানির জ্বালানি তেলবাহী লরিটি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার তেল পাম্পে সরবরাহের জন্য রওনা হয়। তবে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের গাবা গ্রামে সড়কে তেল বিক্রির সময় স্থানীয় লোকজন লরিটি আটক করেন। খবর পেয়ে সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তেল সংক্রান্তে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় লরিটি আটক করে থানায় নেয়।

এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


Sunday, March 29, 2026

সাতক্ষীরা জেলা সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, আইসিটি, ইনোভেশন এবং তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন অবেক্ষণ ও পরিবেক্ষণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত



নিজস্ব প্রতিবেদক :

রবিবার (২৯ মার্চ) বেলা ৩টায় টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রিপন বিশ্বাস এর সভাপতিত্বে এ সকল সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


সভায় গতমাসের রেজুলেশনে উপর অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রকৌশলী মো. হারুন-অর-রশীদ, আইসিটি সহকারী পরিচালক সুব্রত দত্ত, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার আনম নাজমুল উলা, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সাকিবুর রহমান বাবলা, ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স সাতক্ষীরা এর ইনচার্জ মোঃ শরিফুল ইসলাম, সাইবার ক্রাইম এলার্ট টিম লিডার শেখ মাহবুবুল হক প্রমূখ। এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির অন্যান্য সদস্যগণ।


সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ; জেলা পর্যায়ে সাইবার আদালত গঠনের সুপারিশ, মামলার আরজি গঠনে বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়া, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাইবার প্রতিরোধ কার্যক্রম জোরদার, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সচেতন, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা সচেতনতামূলক কন্টেইন তৈরি ও সম্প্রচার করা, আমলযোগ্য অপরাধ আপস না করার দিকে খেয়াল রাখা। 


আইসিটি; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইসিটি শিক্ষকদের মধ্যেমে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ কৌশল, নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার, অনলাইন অপসংস্কৃতি প্রতিরোধ, অনলাইন মনিটরিং জোরদার, এআই জেনারেটেড তথ্য ও কন্টেইন চিহ্নিতকরণ, আমলযোগ্য অপরাধ দ্রুত আইনের আওতায় আনা, সিভিল প্রটেকশন ফোর্স তৈরি করা।


ইনোভেশন; সরকারি অফিসের সকল তথ্য  জেলার মোট ১৩১টি আইসিটি ল্যাব সম্বলিত স্কুলগুলোতে তদারকি জোরদার অরা, ল্যাব সচল রাখা ও শিক্ষার্থীদের ল্যাব ব্যবহার নিশ্চিত করা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা, মাস্টার ট্রেইনারদের সম্পৃক্তকরা, ইনোভেশনগুলো সংরক্ষক, সংগ্রহ ও নতুন নতুন কন্টেইন বা ধারণা সংগ্রহ ও মূল্যয়ন করা। 


তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন অবেক্ষণ ও পরিবেক্ষণ; অফলাইন-অনলাইনে তথ্য প্রকাশে সত্য ও সচেতন থাকা, মিথ্যা গুজব তথ্য চিহ্নিত করা, সরকারি যে কোন আইনের আদেশ দ্রুত সম্প্রচার করা বিবিধ।


সভাগুলো সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার আফরিন সিদ্দিকা।

Labels: ,

শ্যামনগরে আশা ব্রিকস্ ও পেট্রোল পাম্পের মালিক আরব আলী গাজীর বাড়ীতে দূর্ধর্ষ চুরি

 


নিজস্ব প্রতিবেদক :২৯ শে মার্চ (রবিবার) রাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগর আশা ব্রিকস ও পেট্রোল পাম্পের মালিক,  রমজাননগর ইউনিয়নের সোরা গ্রামের মৃত তারিফ আলী গাজীর পুত্র আলহাজ¦ আরব আলী গাজীর বাড়ীতে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত হয়েছে। এ সময় চোরেরা আলহাজ¦ আরব আলী গাজীর স্ত্রী মোছাঃ সামছুন্নাহার বেগম (৫৫) , পুত্র বধু মোছাঃ নূরীতারা খাতুন (৩৫) ও পুত্রের কন্যা মোছাঃ আরিয়ানা খাতুনকে (৯) অজ্ঞান করে।  বর্তমানে মোছাঃ সামছুন্নাহার বেগম শ্যামনগর হাসপাতালে এবং নূরীতারা ও আরিয়ানা বাড়ীতে চিকিৎসাধীন। সংবাদ পেয়ে ঘটনার স্থান শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান পরিদর্শন করেছেন। আলহাজ¦ আরব আলী গাজীর পুত্র মোঃ মতিউর রহমান নান্টু জানান , প্রতিদিনের ন্যায় শনিবার রাত আনুমানিক ১১.২০ মিনিটের দিকে আমি বাড়ীতে আসি। গেডে তালা দেওয়ায় আমি আমার স্ত্রীকে ডাকতে থাকি। অনেক সময় ধরে ডাকাডাকির এক পর্যায়ে সে প্রায় অচেতন অবস্থায় গেড খুলে দেয়। এ সময় তাকে অনেক অসুস্থ্যবোধ মনে হচ্ছিল। আমি রুমে গিয়ে ঘুমায় সেও ঘুমিয়ে পড়ে। ফজরের নামায পড়তে যাওয়ার সময় হঠাৎ আমরা কন্যা আরিয়ানা ব্যাপক অসুস্থ্যবোধ মনে করছিল। এ সময় আমি মায়ের ঘরে গিয়ে দেখি সেও অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে। বাড়ীর ২য় তলায় গিয়ে দেখি ঘরের ভিতরে সব তচনচ করা, আলমারী ভাঙ্গা। রুমের জানালার গ্রিল কাটা। যে আলমারীতে স্বর্ণ সংরক্ষন ছিল সেটিও ভেঙ্গে স্বর্ণ নিয়েছে। তাছাড়া আমার মরট সাইকেলের তেল ও বাহির করে নিয়েছে। নান্টু আরও জানান , চোরেরা আনুমানিক পঞ্চাশ ভরি স্বর্নের জিনিস লুট করে নিয়ে গেছে। তার মা অসুস্থ থাকায় নগদ টাকার পরিমান জানা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমান বলেন , চুরির ঘটনার স্থান পরিদর্শন করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। এ চুরির সাথে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনার সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যহত থাকবে।

Labels: , ,

সাতক্ষীরায় বাবার বাড়ি থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

 


মোমিনুর রহমান সাতক্ষীরা : 

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিভুতির মোড় এলাকা থেকে শনিবার রাতে বৃষ্টি খাতুন খুকুমণি নামে ওই কিশোরীর লাশ উদ্ধারের খবর জানান কালিগঞ্জ থানার ওসি মো. জুয়েল হোসেন।

ওই এলাকার সালমা খাতুন ও বাবলু সরদারের মেয়ে বৃষ্টির সঙ্গে দুই মাস আগে বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বন্দকাটি গ্রামের নাইম হোসেনের বিয়ে হয়েছিল।

পরিবারের বরাতে ওসি জুয়েল বলেন, শনিবার রাতে বাবার বাড়িতে নিজের শোবার ঘরে আড়ার সঙ্গে ওড়না দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় বৃষ্টিতে ঝুলতে দেখে পরিবারের সদস্যরা। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “সালমা খাতুন ও বাবলু সরদার দম্পতি কাজের জন্য ঢাকায় থাকেন। তাদের মেয়ে বৃষ্টি গ্রামের বাড়িতে থাকত। মেয়েটির সঙ্গে স্থানীয় যুবক নাইম হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে অভিমান চলছিল।

শনিবার স্থানীয় একটি ওরস মাহফিলের মেলায় যাওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে স্বামীর কাছে বায়না ধরে বৃষ্টি। কিছুক্ষণ পর নাইমের ফোন বন্ধ পাওয়া যাওয়ায় সে প্রতিবেশীদের জানায়। এরপর বৃষ্টিকে অনেকক্ষণ দেখতে না পেয়ে এলাকাবাসী বেড়ার ফাঁক দিয়ে বৃষ্টির ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।”

ওসি জুয়েল বলেন, “মেয়েটির মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, স্বামী ওরসে নিয়ে না যাওয়াকে কেন্দ্র করে অভিমানে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।”

তিনি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Labels: ,

দেবহাটার আলোচিত একাধিক মামলার আসামী রিপন গ্রেফতার

 


 মোমিনুর রহমান:দেবহাটা থানার ৬টি তদন্তধীন ও ৩টি ওয়ারেন্ট ভুক্ত মামলার আসামি  রিপনকে (৩২) যশোর র‍্যাব -৬ গ্রেফতার করেছে। প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়,  রিপনের নামে দেবহাটা থানায় ৭, ফরিদপুর ও যশোরের দুই থানায় ২  মামলা সহ ৯ মামলার এজাহারভূক্ত ও দেবহাটা থানার ৩ মামলার ওয়ারেন্টের  আসামী। দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া নোড়ারচক এলাকার আবুল হোসেনের পুএ রিপন হোসেন (৩২) কে ২৮ মার্চ শনিবার সকাল  এগারটার দিকে র‍্যাব- ৬ এর একটি চৌকস দল যশোরের নীলগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছেন। শনিবার রাত  ৮ টার দিকে দেবহাটা থানার এস আই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বাধীন পুলিশের একটি দল তাকে যশোর থেকে  দেবহাটা থানায় নিয়ে আসে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাকে  জিঙ্গাসাবাদ চলছিল বলে  জানা গেছে।বিগত সরকারেরর শাসনামলে উপজেলার পারুলিয়ার খলিসাখালীর প্রায় চৌদ্দশত বিঘা বৈধ মালিকানা জমি( চিংড়ী ঘের)  সশস্ত্র অবস্হায় অবৈধ ভাবে  দখল সহ লুটপাট করে আলোচনায় আসে রিপন।খলিসাখালির অনন্তঃ তিনশতাধীক বৈধ জমির মালিকদের অনেকটা জিম্মি করে।পরবর্তিতে অন্তবর্তিকালীন সরকারের সময়ে তিন শতাধীক জমির মালিক ও হাজারো এলাকাবাসি অবৈধ দখলদার,অস্ত্রবাজ ও ডাকাত চক্রকে প্রতিরোধ করে এবং জমির মালিকপক্ষরা তাদের জমিতে চিংড়ী চাষ শুরু করে  ও লীজ প্রদান করে, যা অব্যহত আছে।উল্লেখ্য খলিসাখালিতে তিন শতাধীক  জমির মালিকের পাশাপাশি মসজিদ,মাদ্রাসা সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জমি খলিসাখালীতে, উক্ত জমির উপার্জনে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো পরিচালিত হয়।অস্ত্রবাজি,ডাকাতি,লুটপাট, মাদক সহ এগারটি মামলার আসামী রিপন কে দীর্ঘদিন যাবৎ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুজছিল।  রিপন পারুলিয়ার নোড়ার চক,খলিসাখালী এবং চিংড়ীখালী সহ আশপাশের এলাকায় সশস্ত্র বাহিনী সৃষ্টি করে  আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় ও জনরোষে আত্নগোপনে থেকে। খলিশাখালির বৈধ জমির মালিক লীজগ্রহীতা ঘেরব্যবসায়ী,বিএনপি নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ফেক আইডির মাধ্যমে সম্মানহানি ,গুজব,মিথ্যাতথ্য,খলিশাখালির বৈধ মালিকদের দখলদার বলে অপপ্রচার চালিয়ে আসছিল। রিপনের ডাকাতি ও লুটপাটের সহযোগী,অস্ত্র ও মাদক সরবরাহকারী চক্র, ডাকাতির শিকার জনসাধারন, জমিরমালিক পক্ষ,  লীজগ্রহীতাদের ও বিএনপি নেতৃবৃন্দের সম্মানহানির ক্ষেএে রিপনের একাধিক সহযোগী ও অপরাপর ফেক আইডীধারীদের চিহ্নিত করতে একাধিক গোয়েন্দ সংস্থা কাজ করছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে নিশ্চিত করেছে। দেবহাটা থানা ওসি মোহাম্মাদ জাকির হোসেন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান দেবহাটা থানায় ৬ টি মামলা ও তিন মামলায় ওয়ারেন্ট একই সাথে ফরিদপুর মধুখালী থানায় তার নামে মামলা আছে এবং তার সহযোগীদের বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। খলিশাখালি এলাকার জমির অন্যতম মালিক আহ্ছানিয়া মিশন কর্মকর্তা ইকবাল মাসুদ জানান, এই সন্ত্রাসী ডাকাত,কথীত ভূমিহীন মাদক সেবী রিপন গ্রেপ্তারে জমির মালিকেরা ও এলাকাবাসী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান।

Labels: , ,

Saturday, March 28, 2026

কালিগঞ্জের দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলী গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

 


  মোমিনুর রহমান:

কালিগঞ্জের দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলী গ্রেপ্তার, অস্ত্র-গুলি উদ্ধার

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের দুর্ধর্ষ ডাকাত ইয়ার আলীকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসময় তার কাছ থেকে একটি নাইন এমএম পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ওয়াকিটকি ও ইয়াবা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার কৃষ্ণনগর থেকে র‍্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।




গ্রেপ্তার ইয়ার আলী উপজেলার শংকরপুরের আব্দুল জব্বার তালুকদারের ছেলে।

থানা পুলিশ জানায়, কালিগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাজিবের নেতৃত্বে পুলিশ ও র‍্যাব-৬ এর সদস্যরা যৌথ অভিযান চালিয়ে কৃষ্ণনগর গ্রামে জনৈক আলমগীরের বাড়ি থেকে ইয়ার আলীকে একটি নাইন এমএম পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, দুটি ওয়াকিটকি ও ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তর করতে সক্ষম হন। তাকে বর্তমানে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Labels: ,

দশদিন পর সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু

 


 মোমিনুর রহমান সাতক্ষীরা : টানা ১০দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে ফের শুরু হয়েছে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে গত ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল থেকে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পর্যন্ত ভোমরা বন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

তবে কোন ছুটি উপলক্ষে এর আগে একটানা এতদিন ভোমরা বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকেনি। ফলে টানা ১০দিনে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তবে এই লম্বা ছুটিতে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল ছিল স্বাভাবিক।

ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গত ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল থেকে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পর্যন্ত বন্দরের সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়। দু’দেশের ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শনিবার সকাল থেকে ভোমরা বন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে গেছে। কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে ভোমরা বন্দরে কর্মরতদের মধ্যে।

ভোমরা ইমিগ্রেশন চেক পোষ্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক ছিল। তবে ছুটির সময় পাসপোর্টধারী যাত্রীর সংখ্যা খুবই কম ছিল।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মিজানুর রহামন জানান, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙা স্থলবন্দর ও ভোমরা স্থলবন্দর ব্যবসায়ি সমিতির নেতৃবৃন্দের যৌথ সিদ্ধান্তে গত ১৮ মার্চ সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার থেকে পুনরায় বন্দরের কার্যক্রম চালু হয়েছে। এখন স্বাভাবিকভাবে আমদানি-রপ্তানি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পুরোদমে চলছে।

প্রসঙ্গত, বিপুল রাজস্ব আয়ের সম্ভাবনাময় এ স্থলবন্দরটি জেলা শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা বন্দর এবং সেখান থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার হওয়ায় ভোমরা বন্দরকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক করিডোর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ঈদের ছুটি ও সরকারি ছুটির কারণে সর্বাধিক টানা ১০ দিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার।

Labels: ,

দল বদলে প্রভাব বিস্তার: চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সীমান্ত অপরাধে অভিযুক্ত শাহ আলম

 



বিশেষ প্রতিনিধি:



সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে গাজী শাহ আলমকে ঘিরে চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সীমান্তপথে অবৈধ কর্মকাণ্ডের একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে দলীয় পরিচয় বদলে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে আসছেন তিনি।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সাবেক এমপি জগলুল হায়দারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় পরিচয়ে প্রভাব খাটিয়ে শাহ আলম আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণ করেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা হয়নি; বরং দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল, চাঁদাবাজি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন বলে দাবি স্থানীয়দের। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি আওয়ামী লীগের পরিচয় ত্যাগ করে নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিতে শুরু করেন। পরে সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের কমিটিতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ ওঠে। যদিও জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে ওই কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, বহিষ্কারের পরও থেমে নেই তার কর্মকাণ্ড। তার নেতৃত্বে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে, যা কৈখালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় লুটপাট, জমি দখল ও চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছে। ৫ আগস্টের পরপরই পরানপুর বাজারে তিনটি দোকানে লুটপাটের ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী কালিন্দী নদীপথ ব্যবহার করে ভারত থেকে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালানের সঙ্গেও তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, স্থলপথের ঝুঁকি এড়াতে নৌপথ ব্যবহার করে বিজিবির নজর এড়িয়ে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়। একইসঙ্গে সীমান্তপথে অবৈধভাবে গরু পারাপারের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। অতীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ধরনের অভিযোগে তাকে “গরু চোর” হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাবেক এমপি জগলুল হায়দারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে দীর্ঘদিন এলাকায় প্রভাব বিস্তার করতেন শাহ আলম। যদিও সম্প্রতি তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে এসব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। প্রতিবেদকের হাতে তার আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ গ্রহণের একটি রশিদও এসেছে। স্থানীয় বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, শাহ আলম একজন সুবিধাবাদী ব্যক্তি, যিনি ক্ষমতাসীন দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করেন। তাদের মতে, “যে দল ক্ষমতায় থাকে, তিনি সেই দলের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তার করেন।” তারা আরও বলেন, অতীতে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না হলেও তৃণমূল নেতাকর্মীদের ওপর নানা মামলা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তারা দ্রুত তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, অভিযুক্ত শাহ আলম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

Labels: ,

Wednesday, March 25, 2026

দেবহাটায় ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবসের আলোচনা সভা

 


 মোমিনুর রহমান: দেবহাটা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ মার্চ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা'র সভাপতিত্বে ও দেবহাটা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহানের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, দেবহাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী মোল্লা, দেবহাটা উপজেলা বিএনপি নেতা শহিদুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের নেতা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মঈনউদ্দীন ময়না, দেবহাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান, দেবহাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার জামশেদ আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হামিদ, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সন্দীপ কুমার, উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা সিদরাতুলমুনতাহাসহ  সরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। 

সভায় ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এই কালো রাতে যে গনহত্যা চালিয়েছিল সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে জঘন্যতম অপরাধ। সেই শোককে শক্তিতে পরিনত করে আমাদের দেশের দামাল ছেলেরা ছিনিয়ে এনেছিল একটি স্বাধীন বাংলাদেশ।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় তেল পাম্পে লম্বা লাইন, খোলাবাজারে মিলছে চড়া দামে

 


মোমিনুর রহমান : 

সাতক্ষীরায় জ্বালানি তেলের সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করেছে। জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ট্রাক ও মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও বেশিরভাগ পাম্পে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। ফলে, চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

জেলার বুধহাটা, ধুলিহর, এবি খান ও আলিপুর ফিলিং স্টেশনসহ বিভিন্ন পাম্পে তেল সরবরাহের অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। কোথাও কোথাও ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে সীমিত পরিমাণে পেট্রল দেওয়া হলেও অধিকাংশ স্টেশনে সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।

সাতক্ষীরা শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মানুষের ভিড় চরম পর্যায়ে পৌঁছে। সকাল থেকেই মোটরসাইকেল ও যানবাহনের দীর্ঘ সারি, অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে দেখা যায়।

আর এ সুযোগে শহরের বিভিন্ন খোলাবাজারে বাড়তি দামে তেল বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ফিলিং স্টেশনে তেল না পেলেও খোলা বাজারে মিলছে পেট্রল ও অকটেন। সেখানে পেট্রল প্রতি লিটার ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেক স্থানে প্রতি লিটার পেট্রল ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

এ পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসন মাঠে নেমেছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের পৃথক দুটি টিম অভিযান পরিচালনা করেছে।

সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে যাতে কোনোভাবেই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি না করা হয়।

এদিকে, সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। কেউ যেনো কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Labels: ,

Tuesday, March 24, 2026

শ্যামনগরে যুবদল–যুবলীগের যোগসাজশে দোকান দখলের অভিযোগ: প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন



মোহাম্মদ মুজাহিদ সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আটুলিয়া ইউনিয়নে যুবদল ও যুবলীগের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ ২০২৬) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা শহরের পলাশপোল এলাকায় অবস্থিত “সাতক্ষীরা অপরাধ উন্মোচন ক্লাব” এর হলরুমে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ তুলে ধরেন এবং প্রতিকার দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনি ও তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি খাস খতিয়ানের জমিতে বৈধ চান্দিনা লাইসেন্স নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। নিয়মিত ভাড়া পরিশোধের মাধ্যমে তারা সেখানে দোকানঘর নির্মাণ করেন। আটুলিয়া মৌজার দাগ নং ৫১৫৮ এর ১২.৬৬ বর্গমিটার জমির জন্য তিনি ২০৬/২৫-২৬ নম্বর লাইসেন্স এবং তার বাবা জোনাব আলী ২০৫/২৫-২৬ নম্বর লাইসেন্স গ্রহণ করেন। মেহেদী ও তার বাবার মোট জমির পরিমান ২৫.৩২ বর্গমিটার। অভিযোগ করা হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রশাসনের নজরদারি কম থাকার সুযোগে শ্যামনগর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জি.এম. হাবিবুল্লাহ, আটুলিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সভাপতি মো. আবুল হাসান, সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি মো. আবু সাঈদ, ১০ নং আটুলিয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. আক্তারুজ্জামান (লিটিল) সহ তাদের সহযোগীরা জোরপূর্বক দোকানটি দখল করে নেয়। মেহেদী হাসান আরও অভিযোগ করেন, অভিযুক্তদের প্রভাব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহলও এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা বৈধ কাগজপত্র ও নিয়ম মেনে ব্যবসা করে আসছি। তারপরও জোর করে আমাদের দোকান দখল করা হয়েছে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ—দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের দোকান ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক। ”সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করে দখলকৃত দোকান ফেরত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Labels: , ,

Monday, March 23, 2026

তালায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত !



ডেক্স রিপোর্ট: "যত দিন না কায়েম হবে খোদার ধরায় তারই দ্বীন, কিসের আবার ঈদের খুশি সব অনুষ্ঠান অর্থহীন” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে নিয়ে সাতক্ষীরার তালা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে রবিবার (২২ মার্চ)  সকাল ১০ টায় উপজেলা মডেল মসজিদের হল রুমে  উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলীর সভাপতিত্বে সহকারী সেক্রেটারী মাসুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন , সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ।

তিনি বলেন,তালা-কলারোয়ার ৫ লক্ষ মানুষের আমানত আমার কাঁধে। আমি সবসময় ভয়ের মধ্যে থাকি কারণ দ্বায়িত্ব পালনের কোন ভুলের কারণে আল্লাহর দরবারে কৈফিয়ত দিতে হয়, আমাকে সাজার মুখোমুখি করা হয়। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে সকলে মিলেমিশে কাজ করতে হবে। এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন ও সুসম বণ্টন একার পক্ষে সম্ভব নয়, তাই সবাইকে নিয়ে সকল কার্যক্রম করতে হবে সাংগঠনিক ভাবে। ‎

এমপি ইজ্জত উল্লাহ  আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কাজ হলো অত্যাচার, নির্যাতন ও জুলুমের শিকার মানুষের জন্য লড়াই করা। সবাইকে একতাবদ্ধ ভাবে লড়াই করে আমাদের মানুষের সেবা করতে হবে। আমরা সকলে মিলেমিশে তালা-কলারোয়া কে আধুনিক উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ডাঃ মাহামুদুল হক, সহকারী সেক্রেটারী অধ্যাঃ গাজি সুজায়েত আলী।বক্তব্য রাখেন, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাঃ গোলাম ফারুক, সাবেক শিবির নেতা আসাদুজ্জামান, ডঃ তৈয়েবুর রহমান, অধ্যাপক ডঃ তৌহিদুর রহমান, মাহাফুজুর রহমান, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

রাষ্ট্র তথা তালা কলারোয়া বাসির কল্যান কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন তালা মডেল মসজিদের ইমাম মাওঃ তাওহিদুর রহমান।

Labels: ,

কুলিয়ার বহেরায় ৪ দলীয় এ পি এল কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা

 


নিজস্ব প্রতিবেদ :দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া ইউনিয়নের বহেরায় ৪ দলীয় এ পি এল কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুঠিত হয়েছে। রবিবার ২২ মার্চ ২০২৬ সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পযর্ন্ত বহেরা দীর্ঘির পাড় আমতলা মাঠে উক্ত ৪ দলীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুঠিত হয়। উক্ত খেলায় ৩ দলকে হারিয়ে ফোর এস আর দল (সজলের) চ্যাম্পিয়ান হয় এবং এইট ফায়ার বল (আসাদ'র) রানার আপ অর্জন করে। উক্ত খেলায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি গোলাম রসুল খোকন, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক মনিরুজ্জামান মনি, নূরে আজম, সাইফুল ইসলাম,রবিউল ইসলাম আঃ রাজ্জাক স্বপন,মাষ্টার শামীম, মোশাররফ হোসেন ও নুরুজ্জামান প্রমুখ।

Labels: , ,

Thursday, March 19, 2026

সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’-এর লোগো ব্যবহার করে অপপ্রচারের চেষ্টা রিডা হাসপাতালের দুর্নীতির চিত্র আড়াল করতেই কি এই ষড়যন্ত্র?

 


নিজস্ব প্রতিবেদক সাতক্ষীরা :


সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার ‘রিডা প্রাইভেট হাসপাতাল’ নামের একটি ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ওঠা নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত’ (ডিএসডি টিভি) এবং এর সম্পাদকের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিতভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। রিডা হাসপাতালের দুর্নীতির চিত্র আড়াল করতে এবং পত্রিকাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি চক্র ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট ও ভুল নম্বর ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।


সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেখানে ০১৬০৮৪৮২৯৭৪ নম্বরটি ব্যবহার করে কিছু তথ্য আদান-প্রদান দেখানো হয়েছে। দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে, উল্লিখিত এই নম্বরটির সাথে পত্রিকার সম্পাদক বা প্রতিষ্ঠানের কোনো স্তরের সংবাদকর্মীর বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই। মূলত পত্রিকার লোগো ও নাম ব্যবহার করে অন্য একটি নম্বর থেকে নিজেদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে সেটিকে ‘সাতক্ষীরা দিগন্ত’-এর নামে চালিয়ে দেওয়ার একটি ব্যর্থ চেষ্টা করা হচ্ছে।


অনুসন্ধানে জানা গেছে, শ্যামনগরের রিডা প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার নামে চলছে চরম অরাজকতা। ক্লিনিকে আটজন ডাক্তারের তালিকা প্রদর্শন করা হলেও নিয়মিত মাত্র চারজন ডাক্তার উপস্থিত থাকেন। বাকি চারজন ডাক্তারের নাম কেবল কাগজ কলমেই সীমাবদ্ধ। এছাড়া রিডা হাসপাতালের এমডি আব্দুল্লাহ আল মামুন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই ক্লিনিক পরিচালনা করছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে আওয়ামী লীগ নেতা মোশারফ প্রফেসরের ছত্রছায়ায় তিনি নানা অপকর্ম করেছেন এবং বর্তমানে ভোল পাল্টে ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থনে নিজের প্রভাব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন।


রিডা হাসপাতালের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান অভিযোগ হলো রোগী জিম্মি করা। ভুক্তভোগীদের দাবি, এখানে ডাক্তার দেখালে ওই হাসপাতাল থেকেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বাধ্য করা হয়। বাইরের কোনো প্যাথলজি বা ক্লিনিকের রিপোর্ট এখানে গ্রহণ করা হয় না, যা সরাসরি চিকিৎসার নীতিমালার পরিপন্থী। এছাড়া জাহিদা নামের এক নারী কর্মীর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গ্রাম্য ডাক্তারদের মোটা অংকের কমিশন প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভুল বুঝিয়ে এখানে রোগী নিয়ে আসে।


গত প্রায় সাত মাস আগে দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত (ডিএসডি টিভি) রিডা হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের রক্ত ও বর্জ্য ডাস্টবিনে যত্রতত্র ফেলে রাখার সচিত্র সংবাদ প্রকাশ করে। সেই সময় থেকেই ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ পত্রিকাটির ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। বর্তমানে সেই ক্ষোভ থেকে এবং সাম্প্রতিক দুর্নীতির তথ্য ধামাচাপা দিতে তারা ‘চাঁদাবাজি’র মতো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছে। তবে এ সংক্রান্ত কোনো লিখিত বা বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ তারা হাজির করতে পারেনি।


দৈনিক সাতক্ষীরা দিগন্ত-এর সম্পাদক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, "যে নম্বরটি (০১৬০৮৪৮২৯৭৪) স্ক্রিনে দেখানো হচ্ছে, তার সাথে আমার বা আমার প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই। এটি সম্পূর্ণ সাজানো এবং ডিজিটাল জালিয়াতি। সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, কোনো তথ্য যাচাই না করে বা নম্বর নিশ্চিত না হয়ে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াবেন না। আমরা ইতিমধ্যে এই জালিয়াতির বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।"

ডিএসডি টিভি কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই অপপ্রচারের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।

Labels: , ,

Wednesday, March 18, 2026

কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল

 


   মোমিনুর রহমান : দেবহাটা উপজেলার ১ নং কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ২৮ মার্চ ২০২৬ বিকালে কুলিয়া আশু মার্কেটে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হামিদুল হক শামীম এর সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন বাবলুর সঞ্চালনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্র দলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে দেবহাটা উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বিএনপি নেতা আব্দুল হাবিব মন্টু, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলতাফ হোসেন, দেবহাটা উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরুজ্জামান কামরুল, জেলা সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক মঞ্জরুল মোরশেদ মিলন। এসময় বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, ছাত্র দলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শাহিনুর ইসলাম শাহিন, উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহম্মদ আলী, কুলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী গাজী, কুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক হোসেন আলী ও  উপজেলা কৃষক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সহ বিএনপি ও সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাদকের ছোবলে নবাবগঞ্জে অপরাধ বৃদ্ধি




মাদকের ছোবলে নবাবগঞ্জে অপরাধ বৃদ্ধি

প্রবাসীর বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি, অভিযুক্ত চোরচক্রের সদস্য পলাতক


নিজস্ব প্রতিবেদক, নবাবগঞ্জ (ঢাকা):

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা ইউনিয়নের পাতিলঝাপ গ্রা

মে মাদকসেবনের ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মাদকাসক্তির সঙ্গে জড়িয়ে পড়া এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ চুরি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং এলাকায় সামাজিক অবক্ষয় ছড়িয়ে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, একই গ্রামের শাহজাহান মৃধার ছেলে হাসান মৃধা দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িত এবং তার কর্মকাণ্ডে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, মাদকাসক্তির কারণেই সে একাধিক চুরির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছে এবং একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিচালনা করছে।

সর্বশেষ গত ১৬ মার্চ দিবাগত রাতে কাতার প্রবাসী আশিক খানের বাড়িতে একটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে। ওই সময় আশিক খানের মা ও স্ত্রী হ্যাপি আক্তার লাইলাতুল কদরের নামাজ আদায় করছিলেন। সুযোগ বুঝে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে আসবাবপত্র তছনছ করে এবং মূল্যবান স্বর্ণালংকার খুঁজতে থাকে।

নামাজ শেষে হ্যাপি আক্তার ঘরে ফিরে সবকিছু এলোমেলো দেখতে পান। পরে রান্নাঘরে গেলে তিনি অভিযুক্ত হাসান মৃধাকে দেখতে পান। তাকে চিনে ফেলায় অভিযুক্ত তার গলায় ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়। হ্যাপি আক্তার চিৎকার করলে তার গলায় থাকা প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় আরও কয়েকজন সহযোগীকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে দেখা যায়।

ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত হাসান মৃধা ও তার সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার নবাবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, হাসান মৃধা দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন করে আসছে এবং তার পরিবারেও মাদকসেবনের প্রবণতা রয়েছে। এমনকি তার বাবা বয়স্ক হওয়া সত্ত্বেও গাঁজা সেবন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, এই মাদকাসক্তির প্রভাবেই গ্রামের উঠতি বয়সী তরুণরা ধীরে ধীরে মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে, যা সামাজিকভাবে অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অতীতেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল এবং স্থানীয়ভাবে তাকে সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। অভিযুক্তের স্ত্রী দীপা খাতুন বলেন, “আমার স্বামী মাদক বিক্রি করে না, তবে সে মাদক সেবন করে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, তখন এলাকাবাসী তাকে সংশোধনের সুযোগ দিয়েছিল। এবারও যদি সে এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

এলাকার ইউপি সদস্য আয়নাল মেম্বার বলেন, “আমাদের এলাকায় মাদকসেবন একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজ এতে জড়িয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি প্রতিরোধের চেষ্টা করছি। অভিযুক্ত যদি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে, তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে আরও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।”

নবাবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার আলম জানান, “ঘটনার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মাদকসেবনের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে সামাজিক অবক্ষয় আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।

Labels: , , ,

প্রতিবাদ করায় রেহাই নেই: অসুস্থ গরু জবাই কাণ্ডে সাংবাদিকের উপর হামলা ও ছিনতাই



নিজস্ব প্রতিবেদক : সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া নতুন বাজারে অসুস্থ গরু জবাই ও বিক্রির প্রতিবাদ করায় এক সাংবাদিকের উপর হামলা, মারপিট ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কসাইদের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার বহেরা এলাকার বাসিন্দা ও “জাতীয় দৈনিক নতুন দিন” পত্রিকার সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মোঃ মোতালেব সরদার জানান, কুলিয়া নতুন বাজারের কয়েকজন প্রতিবাদ করায় রেহাই নেই: অসুস্থ গরু জবাই কাণ্ডে সাংবাদিকের উপর হামলা ও ছিনতাই


 দীর্ঘদিন ধরে গোপনে অসুস্থ গরু জবাই করে বাজারে বিক্রি করে আসছে। এ বিষয়ে স্থানীয়রা একাধিকবার নিষেধ করলেও তারা তা উপেক্ষা করে আসছিল।

গত ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মোতালেব সরদার ও “দৈনিক ভোরের কাগজ”-এর জেলা প্রতিনিধি মোঃ ফরহাদ হোসেন সবুজ ঘটনাস্থলে যান। তারা গরুর মাংস ক্রয়ের কথা বলে গরুটি সুস্থ কিনা জানতে চাইলে কসাইরা গরুকে সুস্থ বলে দাবি করে। পরে গরুর চামড়া দেখাতে বললে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।

এ সময় অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং মানহানিকর ভাষায় গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত মোঃ সাত্তার আলী মোতালেব সরদারের প্যান্টের পকেটে থাকা নগদ ১৬ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া অভিযুক্তরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে জোরপূর্বক মিথ্যা স্বীকারোক্তি আদায় করে তা মোবাইল ফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়, যা ভুক্তভোগীদের মানসম্মান ক্ষুণ্ন করেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মঞ্জুরুল এলাহী (বাবু) ও সাইফুল আজম খানসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোতালেব সরদার দেবহাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শ্যামনগরে তেল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত ও হুমকি

 


নিজস্ব প্রতিবেদক:

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালী বাজারে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুটে নেওয়া ‘তেল সিন্ডিকেট’-এর সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিককে প্রকাশ্য দিবালোকে লাঞ্ছিত ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠেছে। আজ সকালে ভেটখালী বাজারে তেলের ডিলার ও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী নাজমুলের নেতৃত্বে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে।

লাঞ্ছনার শিকার দুই সংবাদকর্মী হলেন— সাংবাদিক নুরুন্নবী ও মনির হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে যখন জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে, তখন ভেটখালীর এই সিন্ডিকেট চক্র পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে লিটার প্রতি ৬০ থেকে ৭০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করছে।


সম্প্রতি সাংবাদিক নুরুন্নবী ও মনির হোসেন তাদের নিজস্ব ফেসবুক আইডি ও সংবাদ মাধ্যমে এই সিন্ডিকেটের অনিয়ম ও জনদুর্ভোগ নিয়ে তথ্যবহুল লেখালেখি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আজ সকালে ব্যবসায়ী নাজমুল ও তার সহযোগীরা বাজারের মধ্যে সাংবাদিকদের পথরোধ করে। এসময় তারা সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে লিখলে মিথ্যা মামলা ও শারীরিক হামলার প্রকাশ্য হুমকি প্রদান করে।


বাজারের সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান, ডিলাররা সিন্ডিকেট করে সাধারণ খুচরা বিক্রেতাদের কাছে উচ্চমূল্যে তেল বিক্রি করতে বাধ্য করছে। ফলে সাধারণ মানুষকে চড়া দামে তেল কিনতে হচ্ছে। একজন ভুক্তভোগী বলেন, "কলম যখন ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে, তখন যদি সাংবাদিকদের এভাবে লাঞ্ছিত হতে হয়, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা এই নাজমুলসহ পুরো সিন্ডিকেট চক্রের দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তি দাবি করছি।"



এই ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়েছে। সাংবাদিক নেতারা অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং হুমকি প্রদান মুক্ত সাংবাদিকতার পথে বড় অন্তরায়।

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সাধারণ মানুষ ও সাংবাদিক সমাজ দাবি জানিয়েছে

অবিলম্বে অভিযুক্ত নাজমুলকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

তেল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করতে হবে।

অবৈধ মজুদদারদের ডিলারশিপ বাতিল করে দৃষ্টান্তমূলক জরিমানা করতে হবে।

শ্যামনগর থানার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

Labels: , ,

আশাশুনিতে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজিবাইকের পিছনে ধাক্কা/ গুরুতর আহত-৪

 


আব্দুর রশিদ সাতক্ষীরা:

আশাশুনিতে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজি বাইকের পিছনে ধাক্কা দিয়ে ইজিবাইকের ড্রাইভার সহ ৪জন গুরুতর আহত হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার কোদন্ডা কেরানী মোড় নামক স্থানে এ সড়ক দুর্ঘটনাটি ঘটে। উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ইলিয়াস হোসেন জানান, একটি যাত্রীবাহী ইজিবাইক প্যাসেঞ্জার নিয়ে শ্রীউলার দিকে যাচ্ছিল কেরানি মোড়ের ওখানে পৌঁছালে, পিছন দিক থেকে আসা প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজিবাইক গাড়িটিকে ধাক্কা মারে। এমন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে আশাশুনির স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার প্রসূন কুমার মন্ডল জানান, প্রাইভেট কার এর ড্রাইভার শ্রীউলা ইউনিয়নের শ্রীউলা গ্রামের আফসার সরদারের ছেলে ফরহাদ সরদার (৩৮), আজিজ সরদারের স্ত্রী হামিদা বেখম (৫৫), কালিগঞ্জ উপজেলার জয়-পত্র কাঠি গ্রামের মোরশেদ আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৩২) তিন জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সাতক্ষীরায় রেফার করা হয়েছে। এছাড়া কলিমাখালী গ্রামের মৃত নওয়াব আলী সরদারের ছেলে মোঃ সাঈদ সরদার (৫২) আশাশুনি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ শামীম আহমদ খান ঘটনার সততা নিশ্চিত করে বলেন পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছিল। ঢাকা মেট্রো-গ-২৫-৯১২৯ একটি কালো রঙের মাইক্রো গাড়ি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

Labels: , ,

Tuesday, March 17, 2026

সাতক্ষীরা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাব কর্তৃক ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন।

 


জিয়াউর রহমান : সাতক্ষীরা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। ১৭/০৩/২০২৬ খ্রীঃ (২৭ রমজান) রোজ মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী বাজারস্হ শাহ সুফি ওমর আলী মার্কেটের দোতলায় সাতক্ষীরা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবের অফিসে ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে ক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলমের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম টুটুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিংড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সামছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সাংবাদিক পরিষদের সাভাপতি মোঃ আসাফুর রহমান সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মনির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের ঢাকা দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আবুল কাশেম। এসময় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সাংবাদিক জিয়াউর রহমান তার বক্তব্যে বলেন- সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। ইউনিটি বজায় রেখে কাঁধে কাঁধ  মিলিয়ে কাজ করতে পারলে সাংবাদিকদের পুরাতন ঐতিহ্য ও সম্মান ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এসময় বক্তব্য  রাখেন  সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সামছুর রহমান ০৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ মাহফুজ এ্যড. আাসাদুর রহমান আসাদ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক খান আক্তারুজ্জামান।  এ-সময় উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি সাংবাদিক আলামিন রোকন সহ সাতক্ষীরা আঞ্চলিক প্রেস ক্লাবের সকল সদস্য গন।দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা গোলাম রসুল আরেফি।

Labels: , ,

সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে গণ সংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল

 


   মোমিনুর রহমান:সাতক্ষীরা -২ আসনের নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেককে গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ বিকালে কুলিয়া ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয় মাঠে উক্ত গণসংবর্ধনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কুলিয়া ইউনিয়ন শাখার আয়োজনে কুলিয়া ইউনিয়ন আমীর মাওলানা আব্দুল গফফার এর সভাপতিত্বে ও কুলিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সাদিকুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন  সাতক্ষীরা ২ আসনের নবনির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন সাতক্ষীরা -৩ আসনের সংসদ সদস্য  মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।

অনুষ্ঠানে কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের পক্ষ থেকে  উভয় সংসদ সদস্যদেরকে ফুলেল শুভেচছা দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। কুলিয়া ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি হাফেজ মাওলানা সাদিকুল ইসলাম কুলিয়া ইউনিয়নের কিছু কাজের দাবীদাওয়া প্রধান অতিথির কাছে তুলে ধরেন। এসময় অতিথি হিসাবে আরো উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবুল আলম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ইমদাদুল হক, দেবহাটা উপজেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন, হাফেজ মাওলানা আব্দুস ছাত্তার আজাদী, মাওলানা আব্দুল কাদের, কুলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সাবেক আমীর মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম, মাসুম খান চৌধুরী, টিম সদস্য মাওলানা ইয়াকুব আলী, প্রফেসর সিদ্দিকুর রহমান, দেবহাটা আদর্শ শিক্ষক কল্যান পরিষদ এর সভাপতি মনিরুজ্জামান ও সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, মাত্র দুদিন হলো সংসদের অধিবেশন। এর মধ্যে অনেকেই সাতক্ষীরায় জামায়াত এমপিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার বিভ্রান্তি মূলক সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়াচ্ছে, তারা এমনও বলছে সাতক্ষীরার এমপিদের ম্যানেজ করে এখন অনেকেই দুর্নীতি করে যাচ্ছে। বাস্তবে আমি জানাতে চাই- জামায়াত এমপিরা ম্যানেজ হয়না আর কখনও হবেওনা। তাই আপনারা কোন সংবাদ প্রচার করার আগে অনুগ্রহ করে যাচাই করে নিবেন এবং বাস্তব সংবাদ তুলে ধরবেন। অনেকে বলে থাকে যে, সাতক্ষীরা জেলায় সবাই জামায়াত এমপি হওয়ায় সরকারী কোন সুযোগ সুবিধা জেলাবাসী পাবেনা। আসলে সেটা ভুল ধারনা। সরকারী বাজেটে বিএনপি সহ সকল এমপিরা সমান বাজেট পাবেন এবং আমরা সেটা জনগনের কল্যানে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করবো। ইতিমধ্যে সরকার কর্তৃক বরাদ্ধকৃত সাতক্ষীরার জন্য আমরা বাস্তবায়ন করেছি। তিনি আরো বলেন বর্তমানে ইরান সমস্যার কারনে তেলের জন্য একটু সমস্যা তৈরি হয়েছে। অনেকে এই সুযোগে মজুদ করার চেষ্টা করার কারনে আরো সমস্যা বেড়ে গিয়েছিল। তাই আমাদের সকলের উচিৎ বিশেষ অবস্থা বিবেচনায়  অতিরিক্ত কোন কিছু মজুদ না করে সরকারকে সহযোগিতা করা।

Labels: , ,

Monday, March 16, 2026

তালার নতুন ইউএনও হোসনে আরার যোগদান



ডেক্স নিউজ : সাতক্ষীরার তালা উপজেলা প্রশাসনের শীর্ষ পদে পরিবর্তন এসেছে (১৬ মার্চ সোমবার) সকালে উপজেলার নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন হোসনে আরা।


 


খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে এই পদে পদায়ন করা হয়েছে।


তালা উপজেলায় যোগদানের আগে তিনি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। তার এই বদলির মাধ্যমে তালার প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতির সঞ্চার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


তালা উপজেলার সুশীল সমাজ এবং সাধারণ মানুষ নবাগত ইউএনও-কে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, তার নেতৃত্বে উপজেলার উন্নয়ন ও সেবা কার্যক্রম আরও বেগবান হবে।

Labels: ,

নারকেলতলা ট্রাক-ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সরকারি তহবিলের চেক প্রদান

 



এস এম পলাশ  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার নারকেলতলা ট্রাক-ট্যাংকলরী –ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ের পক্ষ থেকে মৃত্যুকালিন সরকারি কল্যাণ তহবিলের চেক প্রদান। সোমবার (১৬ই মার্চ) দুপুর ২টার সময় শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষে এই চেক হস্তান্তর করা হয়। সাতক্ষীরা ট্রাক-ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য মোঃ মমিন ড্রাইভার গতো ৪ মাস আাগে ফরিদপুর-ভাঙ্গায় রোড এক্সিডেন্টে মারা যায়। সদরের বেতলা গ্রামের মমিন(৩৭) ড্রাইভার দীর্ঘদিন সুনামের সাথে ট্রাক চালিয়ে জীবির্কা নির্বাহ করতো। এক্সিডেন্টে হঠাৎ তার মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়ে। সাতক্ষীরা ট্রাক-ট্যাংকলরী শ্রমিক ইউনিয়ন এসময় তার পাশে দাঁড়ায় ও সহোযগিতা করে।



নারকেলতলা ট্রাক-ট্যাংকলরী সংগঠনের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুর জন্য আর্থিক সহায়তা তহবিল ট্রাস্টি বোর্ডে আবেদন করা হয়। সকল যাচাই বাছায় শেষে আর্থিক সহয়তা প্রদানে ট্রাস্টি বোর্ড ৫ লক্ষ টাকার চেক অনুমোদন করে। এই মৃত্যুকালিন সহায়তা চেকটি তার স্ত্রী আছিয়া খাতুনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। নারকেলতলা ইউনিয়নের আর্থিক সহয়তার সরকারি সহায়তার চেক এই প্রথম প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে। সাতক্ষীরা নারকেলতলা ট্রাক-ট্যাংকলরী –ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নে প্রধান উপদেষ্টা



শফিউল্লা মনির উপস্থিতে এই চেক মৃত মমিন ড্রাইভারে স্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।



 এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সাতক্ষীরা নারকেলতলা ট্রাক-ট্যাংকলরী –ট্রাক্টর ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নে সভাপতি আমিনুর রহমান, সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মজনু সরদার, যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফফার, সাংগঠিক সম্পাদক এরশাদ আলী সানা, সড়ক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ কামাল হোসেনসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

Labels: ,

প্রয়াত শিক্ষানুরাগী শফিউল আলমের রুহের মাগফেরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

 



স্টাফ রিপোর্টার:


সাংবাদিক মোহাম্মদ মুজাহিদের পিতা প্রয়াত শিক্ষানুরাগী আবুল ফারাহ্ মোঃ শফিউল আলমের রুহের মাগফেরাত কামনায় সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনে এক ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) সাতক্ষীরা জেলা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা বলেন, প্রয়াত শিক্ষানুরাগী আবুল ফারাহ্ মোঃ শফিউল আলম ছিলেন একজন সজ্জন, সমাজসেবক ও শিক্ষাপ্রেমী মানুষ। তিনি সারাজীবন সমাজে শিক্ষা বিস্তার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যু সমাজের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন দৈনিক সাতক্ষীরা সংবাদের সম্পাদক ও প্রকাশক শাহ আলম, সাপ্তাহিক মুক্ত স্বাধীন-এর সম্পাদক ও প্রকাশক আবুল কালাম, সাপ্তাহিক পয়গামের সম্পাদক এস এম মহিদার রহমান, দৈনিক আমার বার্তা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আবু বকর, বাংলাদেশ প্রতিদিন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম মনি, দৈনিক কালবেলা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি গাজী ফরহাদ, দৈনিক খবর বাংলাদেশ সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু, সাপ্তাহিক বার্তা বিচিত্রা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি সাইফুল আজম খান মামুন, আলোকিত প্রতিদিন সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোঃ ইব্রাহিম খলিল, দৈনিক আইন বার্তা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি আক্তারুল ইসলাম, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ সাতক্ষীরা প্রতিনিধি এম ইদ্রিস আলী, দৈনিক চৌকস সাতক্ষীরা প্রতিনিধি মোঃ তুহিন হোসেন, দৈনিক নবচেতনা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি শেখ হাসান গফুর, দৈনিক সরেজমিন বার্তা সাতক্ষীরা প্রতিনিধি খান নাজমুল হোসাইন, দৈনিক আজকের বসুন্ধরা প্রতিনিধি মোঃ আরিফুল ইসলাম, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো প্রতিনিধি মারুফ আহমেদ খান শামিম, দৈনিক নতুন দিন প্রতিনিধি মোতালেব সরদার, সাপ্তাহিক সূর্যের আলো প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম জুয়েল, দৈনিক জনবাণী প্রতিনিধি আবু রায়হান সিদ্দিকী, দৈনিক প্রতিদিনের কণ্ঠ প্রতিনিধি মোমিনুর রহমান, দৈনিক যশোর বার্তা আশাশুনি প্রতিনিধি ইয়াসিন আরাফাত পিন্টু, দৈনিক ভয়েস অব টাইগার প্রতিনিধি মিলন রায়সহ স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা।

দোয়া শেষে মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়।

Labels: ,

Sunday, March 15, 2026

জেসি রুবেলের সবুজ সংকেতেই মিথ্যা ঘোষণায় আনা হয় বেনাপোল বন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি মূল্যের পণ্য

 


ডেক্স নিউজ : জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বেনাপোল স্থলবন্দরে একের পর এক ভারত হতে আনা আমদানিকৃত পণ্য চালান আটকের ঘটনায় বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষের রহস্যময় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। বেনাপোল কাস্টমস হাউস সূত্রে জানা যায়,গত বৃহষ্পতিবার( ১২মার্চ)২৬ ইং রাতে বন্দরের ৩৭নং শেডে ১০০ প্যাকেজ বেকিং পাউডারের চালান আনলোড করা হয়।আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বেকিং পাওডারের ঘোষণা দিয়ে সেখানে শুল্ক ফাঁকি চেষ্টায় ভারতীয় উন্নতমানের শাড়ী, থ্রিপিচ, কসমেটিক্স ও ক্যামিক্যাল পণ্য আমদানি করেন। পণ্য চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স এবং পণ্যচালানটি খালাসের দায়িত্বে ছিলো সি এন্ড এফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান মেসার্স হুদা ইন্টার ন্যাশনাল। পণ্য চালানটির মেনিফেস্ট নাম্বার ৬০১/২০২৬/০০১/০০১৬৩৩৩/০৩ ও এলসি নাম্বার ০০০০১৮১১২৬০১০৫৬৪। স্থানীয়দের দেওয়া একাধিক তথ্যের সুত্র ধরে অনুসন্ধান চালালে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের যুগ্ন কমিশনার সাইদ আহম্মেদ রুবেলের থলের কালো বিড়াল বের হয়ে পড়ে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সি এন্ড এফ এজেন্ট প্রতিনিধি জানান, বেনাপোল স্থলবন্দরের চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজদের সহায়তাকারী ও পৃষ্টপোষক হলো জেসি রুবেল। লাখ লাখ টাকা অর্থ বানিজ্যে আমদানিকৃত পণ্য চালানে অনিয়ম করে আমদানিকারকদের বিভিন্ন ধরনের অবৈধ সুবিধা দিয়ে থাকে যা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সুষ্ঠ তদন্তে বের হবে।বেনাপোলের চিহ্নিত শুল্ক ফাঁকিবাজ ছোট আচঁড়ার কামাল,যশোরের আজিম, পুটখালীর মাস্টার হাদী,বেনাপোলের সামাদ, জাফরসহ ২০/২৫জন আমদানিকারক প্রতিনিধিকে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি কাজে নিয়মিত সহায়তা করে থাকে। এই তথ্যের সূত্র ধরে ব্যাপক খোঁজ চালালে জেসি রুবেলের দূর্নীতির সত্যতা পাওয়া যায়। বেনাপোলের গাজীপুর গ্রামের মৃত লাল মিয়ার ছেলে মাসুদ রানা ও জেসি রুবেল আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান সাফা ইমপেক্স এর সাথে এক তৃতীয়াংশ চুক্তিতে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে ভারত হতে মিথ্যা ঘোষণায় আনা শাড়ী থ্রীপিচ ও কসমেটিক্স এর চালানটি বেনাপোল স্থলবন্দরের পণ্যগারে ঢোকায়। রানা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মেসার্স হুদা ইন্টারন্যাশনালের কর্মচারী ও এ্যাসেসমেন্ট  শাখায় কর্মরত রয়েছে।একাজে রানার অপর সহযোগী ছিলো বেনাপোল স্থলবন্দরের ৩৭ নং শেড ইনচার্জ নুর আমিন। এর আগে গত ২২ অক্টোবর ২০২৫ইং তারিখে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ট্রাক নং- ডাব্লু বি-৩৩ডি-১০২৭,ডাব্লুবি-০২সি৫৯২১ ও ডাব্লু বি-১১সি-৩১৩৩ ট্রাক যোগে বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা ১৩ কোটি টাকা মূল্যের পণ্য চালান আটক করে। যাহার মেনিফেস্ট নং-৬০১-২০২৫- ০০৩০০৬১২৪৭-০৯। পণ্য চালানটি পরিক্ষণ কালে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ঘোষণা বর্হিভূত পণ্য ১০ লাখ ৮০ হাজার পিস জিলেট ব্লেড ও তিন প্যাকেজ অন্যান্য পণ্য জব্দ করেন। ঐ পণ্য চালানটির আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স আশিকুল ইসলাম এন্ড সন্স থাকলেও আমদানিকারক প্রতিনিধি ছিলো এই মেসার্স হুদা ইন্টার ন্যাশনাল। কাস্টমস এ্যাক্ট অনুযায়ী সরকারী রাজস্ব ফাঁকি চেষ্ঠায় মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি প্রমানিত হলে সি এন্ড এফ এজেন্ট লাইসেন্স বাতিলসহ জেল জরিমানার বিধান থাকলেও পূর্ব সখ্যতার সূত্র ধরে রানার তদবিরে কোটি টাকা ঘুস নিয়ে হুদা ইন্টার ন্যাশনালের লাইসেন্স বাচাতে তৎকালীন কমিশনারকে সুপারিশ করেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের ঘুসখোর কর্মকর্তা জেসি রুবেল। এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত কাস্টমস কর্মকর্তা রুবেলের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বারে একাধিক বার কল দিলে রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যাইনী। বাংলাদেশ দূর্নীতি কমিশন দুদকের অনুসন্ধানে জেসি রুবলের জ্ঞাত আয় বর্হিভূত অর্থ সম্পদের হিসাব নিলে বের হবে সরকারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুস বানিজ্যে মত্ত হয়ে অনিয়ম করে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার ফিরিস্তি। স্থানীয় সচেতন মহল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআরসহ আইনপ্রয়োগকারী বিভিন্ন সংস্থার দৃষ্টি আকর্ষন করে সুষ্ট তদন্তের মাধ্যমে বেনাপোল স্থলবন্দরে আটক হওয়া ৬ কোটি টাকার পণ্য চালাটিতে রাজস্ব ফাঁকি চেষ্ঠায় জড়িতদের বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন। সাথে সাথে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের বহু বিতর্কিত যুগ্ন কমিশনার রুবেলের বিরুদ্ধে আনিত অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখার অনুরোধ জানিয়েছেন।

Labels: , ,

শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নারী দিবস উদযাপন

 



নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে রবিবার (১৫ মার্চ) সকাল সাড়ে ১১টায় শ্যামনগরের মুন্সিগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে বেগুনি রঙের একই ডিজাইনের শাড়ি পরা দেড়-শতাধিক নারী একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করেন। র‌্যালিটি বিভিন্ন সড়ক প্রদ¶িণ করে হরিনগর পানির প্লান্ট এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। 

“সকল নারী ও কন্যার জন্য অধিকার, ন্যায়বিচার ও কার্যকর পদ¶েপ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত র‌্যালিতে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরা ও পদ্মপুকুর ইউনিয়নের নারীরা অংশগ্রহণ করেন। 

র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী নারীরা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানের মাধ্যমে নারীর অধিকার, সমতা ও নিরাপত্তার দাবি তুলে ধরেন।

এমবাসি অব সুইডেন ঢাকা ও ইউএন উইমেন এর সহযোগিতায় এবং এএফএডি, এএসডিডিডব্লিউ ও বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের উদ্যোগে নারী দিবসের এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

বিন্দু নারী উন্নয়ন সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক জান্নাতুল মাওয়ার সভাপতিত্বে র‌্যালিতে অন্যান্যদের উপস্থিত ছিলেন, জিহা সদস্য সুফিয়া খাতুন, প্রতিমা রাণী, রেখা রানী গাইন, শেফালি বিবি, শাহানারা খাতুন, তাছলিমা খাতুন, দিথি রানী, নবনীতা মন্ডল সহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ। 

তারা বলেন, সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীর সম-অধিকার নিশ্চিত করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। নারীর প্রতি সহিংসতা ও বৈষম্য দূর করে নিরাপদ ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরী।

এ সময় স্থানীয় নারী নেত্রী, কমিউনিটি সদস্য ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে নারীদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

স্থানীয়রা জানান, ‘শ্যামনগরে এমন ব্যতিক্রম আয়োজনে আগে কখনো নারী দিবস উদযাপন করা হয়নি। একসাথে অনেক নারী একইরকম শাড়ি পড়ে র‌্যালিতে অংশ নেওয়ায় এটি ব্যতিক্রম লেগেছে’।

Labels: ,

Saturday, March 14, 2026

সরকারি খাস জমিন দখল করে বিল্ডিং করার অভিযোগ উঠেছে

 


খান আতাউর রহমান (লিটন) সাতক্ষীরা প্রতিনিধ: 

সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা ধানদিয়া ইউনিয়নে ১ নং ওয়ার্ডের ওমরপুর (নতুনগা)নুর ইসলাম সরদার খাদিজা খাতুন  সাইফুল ইসলাম রফিকুল ইসলাম নাজমুল হোসেন এর নিকট হতে ৩.৫ শতক জমি ক্রাই করেন

একই এলাকার আব্দুস সালাম ও নাছরিন খাতুন  তারপর থেকে সাথে থাকা আরো ২শতক খার জমি কৌশলে দখল করে পাকা স্থাপনা তৈরি করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর 


সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে আব্দুস সালামের পিতা ইনতাজ সানা বলেন এখানে খাস জমি রয়েছে নাম গোপন রাখার শর্তে কয়েকজন বলেন স্থানীয় কিছু নেতাদের ম্যানেজ করে এখানে পাকা স্থাপনা তৈরি করছে আব্দুস সামাদ 


এ বিষয়ে আব্দুস সালাম এর কাছে জানতে চাইলে  আব্দুস সালাম বলেন আমি আমার জমি আমিন দ্বারা মাপ যোপ করেই ঘর করছি সরকারি জমি থাকলে মাপ যোপ করা হোক আমার ঘরটি পড়লে  আমার ঘরটি সরিয়ে নেব 


   ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রশাসনের সুদৃষ্টি চাই এলাকার সাধারণ মানুষ

Labels: , ,

মৎস্য ব্যবসায়ী শামীমের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ প্রকাশিত সংবাদকে 'ভিত্তিহীন ও বানোয়াট' দাবি



নিজস্ব প্রতিবেদক সাতক্ষীরা :

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভোমরা ও নবাতকাটি এলাকার পরিচিত মুখ এবং উদীয়মান তরুণ ব্যবসায়ী শামীমের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। প্রকাশিত ওই সংবাদকে সম্পূর্ণ "মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন" বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।


প্রকাশিত সংবাদে শামীমের পরিবারকে জড়িয়ে যেসব তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শামীম স্পষ্ট করেছেন যে, বিগত ১৩ বছর ধরে তার পরিবারের সাথে কোনো প্রকার সম্পর্ক বা যোগাযোগ নেই। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টায় এবং কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে উপার্জিত অর্থে জীবনযাপন করছেন। পারিবারিক কোনো কর্মকাণ্ড বা আয়ের ওপর তিনি নির্ভরশীল নন এবং তাদের কোনো কাজের দায়ভারও তার ওপর বর্তায় না। সংবাদে পরিবারকে টেনে আনাকে তিনি ব্যক্তিগত চরিত্র হননের অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছেন।


এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে শামীম একজন ভদ্র, মার্জিত এবং সুপরিচিত মুখ হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তরুণ প্রজন্মের কাছে একজন সফল ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত শামীম সর্বদা সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন। তার এই ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি কুচক্রী মহল প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে কাল্পনিক ও মানহানিকর গল্প সাজিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।


সংবাদে ডিবি, সদর থানা পুলিশ ও সাবেক সার্কেল এসপি-কে জড়িয়ে যে আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বিতর্কিত করতেই শামীমকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। শামীম জানান, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একজন সাধারণ নাগরিক এবং প্রশাসনের কোনো কাজে হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা বা ধৃষ্টতা তিনি কখনোই রাখেন না।


দৈনিক দিনের আলো" নামক ফেসবুক আইডি বা বিভিন্ন ফেক আইডি ব্যবহার করে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনো বাস্তব প্রমাণ নেই। অভিযুক্ত শামীমের বক্তব্য না নিয়েই একপাক্ষিক ও তথ্যহীন সংবাদ প্রকাশ সাংবাদিকতার নূন্যতম নীতিমালার পরিপন্থী। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।


"আমি দীর্ঘ ১৩ বছর পরিবার থেকে আলাদা থেকে নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছি। এলাকার সর্বস্তরের মানুষ জানে আমার ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যবসা কতটা স্বচ্ছ। যারা আমার সুনাম নষ্ট করতে মিথ্যা সংবাদ ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আমি কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেব। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এই চক্রান্তকারীদের মুখোশ উন্মোচন করা হোক।"

Labels: ,

Friday, March 13, 2026

পাটকেলঘাটায় সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহত



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) মাগরিবের নামাজের পর কুমিরা ইউনিয়নের মেলেকবাড়ি কোনারবাড়ি এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার আমতলা কাঠিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম মরহুম আব্দুর রাজ্জাক কন্ট্রাক্টর। জানা যায়, তিনি সাতক্ষীরা থেকে বাসযোগে পাটকেলঘাটায় এসে সেখান থেকে ভ্যানযোগে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামে অবস্থিত তার শ্বশুরবাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাটকেলঘাটা থেকে ভ্যানে করে যাওয়ার সময় অভয়তলা মেলেকবাড়ি কোনারবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে পেছন দিক থেকে বালুবোঝাই একটি ট্রাক ভ্যানটিকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকটি পাটকেলঘাটার মজুমদারদের মালিকানাধীন বলে স্থানীয়রা জানান। ট্রাকটির নম্বর যশোর ট-১১-৩২৬৩। ধাক্কার ফলে ফরহাদ হোসেন ভ্যান থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে গেলে ট্রাকটি তার মাথা ও বুকের উপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে পাটকেলঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি জব্দ করে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি।

জানা গেছে, নিহত ফরহাদ হোসেনের পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তার আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Labels: , ,

ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : ইসলামী ছাত্রশিবির সাতক্ষীরা শহর শাখার উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ)  ২৩ শে রমজান বিকালে সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আলআমিন ট্রাস্টের কাজী শামসুর রহমান মিলনায়তনে শহর শিবিরের সভাপতি মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,  জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলা আজিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, অফিস সম্পাদক মো. ,রুহুল আমীন সাতক্ষীরা  শহর জামায়াতে সেক্রেটারী মো. খোরশেদ আলম, জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. জুবায়ের হোসেন ।  এসময় সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমান,  সাংবাদিক বরুণ ব্যাণার্জী প্রমুখ। এমসয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ের সাংবাদিকবৃন্দ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।  ছাত্র শিবিরের ইফতার মাহফিলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি মিলন মেলায় পরিনত হয়।  এসময়


প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান  বলেন, রমজান মাস এসেছে মিথ্যাকে পরিহার করে ভালোকে গ্রহন করতে। মানব জাতীকে সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য বোঝাতে। রমজানের শিক্ষা নিয়ে আগামীর পথ চলতে হবে।  সাংবাদিকরা সমাজের সঠিক তথ্য তুলে ধরে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা শহর শিবিরের সেক্রেটারি মো. নুরুন্নবী।

Labels: , ,

Thursday, March 12, 2026

নবাবগঞ্জে বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত

 


শেখ রানা বিশেষ  প্রতিনিধি :


“সবার জন্য কিডনি স্বাস্থ্য, মানুষের সেবায় ধরনী রক্ষায়” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার নবাবগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব কিডনি দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ক্যাম্পস কিডনি এন্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারের উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হয়।


সকালে ক্যাম্পস কিডনি এন্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারের কিডনি রোগীদের সুস্থতায় দোয়া করা হয়। এরপর পথচারীদের মাঝে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণের পর একটি র‌্যালি বের হয়ে উপজেলার চত্বর প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অফিসে এসে শেষ হয়। র‌্য্যালিতে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। 


প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ডা.এম সামাদের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শাখা ব্যবস্থাপক আব্দুল্লাহ আল মাতিন এর নেতৃত্বে কিডনি রোগের ভয়াবহতা ও প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 


জানা যায়, ২০০৫ সাল থেকে ডা. এম এ সামাদের উদ্যোগে ক্যাম্পস কিডনি এন্ড ডায়ালাইসিস সেন্টারের কার্যক্রম শুরু হয়।

Labels: ,

দেবহাটায় গনহত্যা দিবস,মহান স্বাধীনতা দিবস,ঈদ উল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা

 


মোমিনুর রহমান: দেবহাটায় ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবস, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি মূলক সভা ও আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ সকাল ১১ টায় দেবহাটা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা'র সভাপতিত্বে প্রস্তুতি মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, ২৫ মার্চ গনহত্যা দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০ টায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সুবিধাজনক সময়ে স্কুল -কলেজ মাদ্রাসা সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে ২৫ মার্চ গনহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে স্মৃতি চারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। ২৬ মার্চ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে দেবহাটা শহীদ স্মৃতি সৌধে পুষ্পমাল্য অর্পন করা হবে। প্রত্যুষে দেবহাটা থানার পুলিশ ৩১ বার তোপ ধ্বনির মধ্যদিয়ে  দিবসের শুভ সূচনা করা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি আধাসরকারী স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবন প্রতিষ্ঠান সমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল সাড়ে আটটায় আনুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পরে একই স্হানে পুলিশ, আনসার -ভিডিপি, বিএনসিসি,ফায়ার সার্ভিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া স্কুল কলেজের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। সকাল সাড়ে ১১ টায় বীরমুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এসময় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্যে রাখেন দেবহাটা থানার ওসি জাকির হোসেন, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক সিরাজুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মহিউদ্দিন সিদ্দিকী, দেবহাটা উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, দেবহাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাঃ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান ফারুক, সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ বারী,  দেবহাটা উপজেলা ছাত্র দলের আহবায়ক ফরহাদ হোসেন,  উপজেলা ইসলামী ছাত্র শিবির সভাপতি আবু সাঈদ, জুলাই যোদ্ধা মুজাহিদ বিন ফিরোজ, দেবহাটা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি অহিদুজ্জামান ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম। এসময় দেবহাটা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার দাম,  উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার মিজানুর রহমান, উপজেলা ইমাম সমিতির সভাপতি আব্দুল ছাত্তার, সমাজ সেবা অফিসার তরিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, নওয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, দেবহাটা সরকারি বিবিএমপি ইনস্টিটিউট হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, উপজেলা ছাত্র দলের সদস্য সচিব ফিরোজ হোসেন তুহিন সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,