Monday, September 29, 2025

সাতক্ষীরায় ডিবি পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়া চক্রের এজেন্টসহ গ্রেফতার : ২

 


ডেক্স রিপোর্ট  : সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিশেষ অভিযানে অনলাইন জুয়া চক্রের মাষ্টার মাইন্ড এজেন্টসহ দুইজন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। ২৯শে সেপ্টেমবর সোমবার ভোরে সাতক্ষীরার আশাশুনির উপজেলার খাজরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার জুয়া চক্রের মাস্টার এজেন্ট তৈয়ব হাসান (২৭) আশাশুনি উপজেলার পশ্চিম খাজরা গ্রামের আতিয়ার সরদারের পুত্র ও  তারেকুজ্জামান জুয়েল শানা (৩২) লাউতাড়া গ্রামের আজিজুল শানার পুত্র।


খাজরা এলাকার বাসিন্দা রাসেল বলেন, আমরা এই অনলাইন জুয়ায় আমাদের এলাকায় স্কুল পড়–য়া থেকে বয়স্ক পর্যন্ত অনলাইন জুয়ায় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে পুলিশের অভিযানে অনলাইন জুয়াড়ি গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি জানান, গ্রেফতার জুয়াড়িদের সহকারি মুজাহিত, আমির হামজা,বাবু ঢালী, শরিফ, সুমন সরদার এদের হয়ে এলাকা যুব সমাজ নষ্ট করে দিচ্ছে আমরা এদের আইনের আওতায় আনা হোক।


এ বিষয়ে সাতক্ষীরা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দীন মোল্যা জানান ,আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনলাইন জুয়া চক্রের  ২ সদস্যকে আটক করেছি। জেলা গোয়েন্দা শাখার এস আই হেমায়েত হোসেনের সঙ্গীয় ফোর্সসহ সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা কালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়া চক্রের ২ সদস্য কে গ্রেফতার করে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রস্তুুতি চলছে। তিনি আরো বলেন, এই অনলাইন জুয়া দমনে আমাদের অভিযান চলমান থাকবে।

Labels: ,

Saturday, September 27, 2025

নজর কাড়ছে ধান দিয়ে নির্মিত প্রতিমা

 


সাতক্ষীরার ৫৯৩ মন্ডপে আজ থেকে শুরু শারদীয়া দুর্গোৎসব

ডেক্স নিউজ  : বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা জেলার ৫৯৩টি মন্দিরে আজ থেকে শুরু হচ্ছে শারদীয়া দুর্গোৎসব। প্রতি বছরের ন্যায় জেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপে ব্যতিক্রমী কিছু প্রতিমা নির্মিত হলেও এবছর প্রতিমা প্রেমীদের নজর কাড়ছে ধান দিয়ে নির্মিত প্রতিমা। ইতিমধ্যে প্রতিমার সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ শেষ করেছেন শিল্পীরা। ভাস্করদের নিপুণ হাতের জাদুর ছোঁয়ায় তৈরি হওয়া দেবী-দুর্গা, গণেশ, কার্তিক ও মহিষাসুরসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা যেন পূর্ণতা পাচ্ছে। 

আজ ২৮সেপ্টেম্নর রবিবার মহা-ষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে শুরু হয়ে ৫দিনব্যাপী শারদীয়া দুর্গোৎসব ২অক্টোবর বৃহস্পতিবার শেষ হবে। সাতক্ষীরা জেলার অধিকাংশ মন্দির সেজেছে অপরূপ সাজে। ইতিমধ্যে পূজামন্ডপ গুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত দেবীদূর্গাকে বরণ করতে। ভাস্কররা ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমার সৌন্দর্য বর্ধনের। দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে গেল ১ মাসের বেশি সময় ধরে মন্দিরগুলোতে দিনরাত বিরামহীন ভাবে চলে ব্যাপক প্রস্তুতি। 

সাতক্ষীরা জেলায় শারদীয়া দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিটি পূজামন্ডপকে বাধ্যতামূলক সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তাছাড়া সরকার নির্দেশিত সকল বিধিনিষেধ মেনে এবারের দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এবছর দুর্গোৎসবে যে কোন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। পূজা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা জেলা পুলিশের পক্ষ হতে মনিটরিং করা হবে। 

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে আরও জানা যায়, এ বছর জেলার ৭টি উপজেলায় ৫৯৩টি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তার মধ্যে সাতক্ষীরা সদরে ১০৭টি, কলারোয়া উপজেলায় ৪৫টি, তালায় ১৯৬টি, আশাশুনি ১০৪টি, দেবহাটায় ২১টি, কালিগঞ্জে ৫০টি ও শ্যামনগরে ৭০টি পূজামন্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন মন্ডপ ঘুরে ও প্রতিমা শিল্পীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, একটি প্রতিমা তৈরি করতে শিল্পীদের সর্বনিম্ন ২৫-৩০ হাজার টাকা খরচ হয় এবং সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে এ বছর। প্রতিমা তৈরির জন্য তাদের ৩ থেকে ৪ ভ্যান মাটি লাগে, খড়ের বিচলী লাগে ৫ থেকে ৬ পৌনে। এছাড়াও কাঠ, বাঁশ, দড়ি, পেরেক, সুতা ও ধানের গুড়াসহ বিভিন্ন উপকরণের প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে প্রতি ভ্যান মাটিতে তাদের খরচ হয় ৬শ’- ৮শ’ টাকা, প্রতি পৌনে বিচলিতে খরচ হয় ৫শ’থেকে ৬শ’ টাকা। আর বাকি জিনিসগুলোর জন্য খরচ হয় ৪-৫ হাজার টাকা। আগের থেকে সব জিনিস পত্রের দাম বেশি হওয়ায় খরচ একটু বেশি হচ্ছে।

তারা আরও জানান, প্রতিটি প্রতিমা তৈরি করতে সময় লাগে গড়ে ১০-১২ দিন। প্রতিমা তৈরিতে ৪-৫জন শিল্পী একসঙ্গে কাজ করেন। একেকজন শিল্পী প্রতিমার এক এক কাজে হাত দেন বলেও জানান প্রতিমা শিল্পীরা। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে এবছর প্রতিমা তৈরি করতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হলেও ইতোমধ্যে সব কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফয়জুল্যাপুর এলাকার প্রতিমা শিল্পী গুরু ভাস্কর বলেন, ৫০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরি করি। এ বছর ৮ টি প্রতিমা তৈরি করছি। বর্তমানে খড়, বাঁশ, মাটি, লোহাসহ সব কিছুর দাম আগের তুলানায় অনেক বেশি। সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় তুলনামূলক ভাবে লাভ কম হচ্ছে।  

এবছর দেবীর আগমন ও গমন দুটোই ঘোটকে হওয়ায় অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। শাস্ত্রমতে বলা হয় সপ্তমীতে দেবী দুর্গার আগমন এবং দশমীতে গমন হয়। সাধারণত প্রতি বছর সপ্তমী ও দশমী কী বার পড়ছে তার ওপর নির্ভর করে দেবীর কীসে আগমন ও গমন হয় সেটা বোঝা যায়।

দুর্গোৎসবকে ঘিরে নানা আয়োজনে ব্যস্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে সব ধর্ম বর্ণ ও শ্রেণি পেশার বাঙালির মধ্যেও। পূজার আনন্দে মাতোয়ারা আজ গোটা বাঙালি জাতি। 

মহাপঞ্চমীতে সায়ংকালে দেবীর বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর মহাষষ্ঠীতে দুর্গা-দেবীর ষষ্ঠাদি কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠী বিহিত পূজা এবং সায়ংকালে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস। ২৯ সেপ্টেম্বর মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা প্রবেশ, সপ্তমী বিহিত পূজা এবং দেবীর ঘোটকে আগমন। ৩০সেপ্টেম্বর মহাষ্টমীতে দুর্গা দেবীর অষ্টমী বিহিত পূজা।

১অক্টোবর মহানবমীতে বিহিত পূজা এবং ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে বিহিত পূজা সমাপন ও বিসর্জন, বিজয়া দশমী কৃত্য ও দেবীর ঘটকে গমন হবে।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব হিসেবে দুর্গোৎসব বিবেচিত হলেও বর্তমানে তা বাঙালির উৎসবে পরিণত হয়েছে। উৎসবমুখর পরিবেশ শিল্পীর হাতের নকশায় এবং রং তুলির আঁচড়ের ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছে দেবী দুর্গার প্রতিমা।

জাতির মঙ্গল কামনায় সব অশুভ শক্তি বিনাশে প্রতিবছর মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা শ্বশুরালয় থেকে পিতৃগৃহে আগমন করেন। আসুরিক শক্তির বিনাশ আর পার্থিব শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি লাভের জন্য হিন্দু সম্প্রদায় যুগ যুগ ধরে মা দুর্গার আরাধনা করে আসছেন। এদিকে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল জনসাধারণের সহযোগিতায় শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সাতক্ষীরা জেলাবাসী।

সাতক্ষীরা জেলা মন্দির কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের লক্ষ্যে তাদের সকল প্রস্তুতি শেষের দিকে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন দুর্গাপূজা নিয়ে জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশের সাথে আলোচনা সভা শেষ হয়েছে। তবে এবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে যে মনিটরিং সেল খোলা হয়েছে তারা আন্তরিকভাবে কাজ করলে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না জানানো হয়েছে। এ বছর শারদীয়  দুর্গোৎসবকে শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন  করতে প্রতিটি পূজামন্ডপকে বাধ্যতামূলক সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া প্রশাসনের পাশাপাশি প্রতিটি মন্ডপের নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক সার্বিক নিরাপত্তার জন্য  দায়িত্ব পালন করবে। জেলার অতিগুরুত্বপূর্ণ মন্দিরগুলোর তালিকা করে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শারদীয় দুর্গাপূজার নিরাপত্তার বিষয়ে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে জেলা পুলিশ সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে আমরা সর্বদা সজাগ রয়েছি। সকল সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ যাতে নির্বিঘেœ তাদের উৎসব পালন করতে পারে সে বিষয়ে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। এছাড়া দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে র‌্যাব ও সেনাবাহিনীর পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ও সার্বক্ষণিক নিরাপত্তায় দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে। তাছাড়া এবছর নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটা পূজা মন্ডপ এলাকা সিসি টিভির আওতায় থাকবে বলে জানা গেছে।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ বলেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। জেলায় এবছর ৫৯৩ টি মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। শারদীয় দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য প্রতিটি পূজা মন্ডপকে বাধ্যতামূলক সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং যে কোন অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে তিনস্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা জোরদার করা হবে।

Labels: ,

Wednesday, September 24, 2025

জমি নিয়ে গায়ের জোরে সিমানা নির্ধারণ,আহত কামরুল ইসলাম, হাসপাতালে চিকিৎসা ধিন

 


  

মোঃ হাফিজ সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃসাতক্ষীরা শহরের পৌরসভার কামাল নগর ৮নাং ওয়ার্ডের মধ্যেপাড়া স্থানীয় বসবাসকারি বাসিন্দা মোঃ, জাফর আলী ও আঃ করিমের সাথে জমির সিমানা নির্ধারণ কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি হয়।  এক পর্যায় জাফরের ছেলে জাকারিয়া, কিবরিয়া,ও আসিব,এলোপাতাড়ি মারধর করেন কামরুল, মনিরুল, ও তার ভাইপো কে। তিনজন আহত হয়  ঘটনাটি ঘটে আনুমানিক দুপর ১টার দিকে সীমানা নির্ধারণের জন্য কথা কাটাকাটি শুরু হলে জিয়াই পাইপ ও রড দিয়ে জখম করেন আঃ করিমের ছেলে, মোঃ কামরুল ইসলাম  মোঃ মনিরুল ইসলাম ও তার ভাইপো কে। আহত হন কামরুল মনিরুল ও তার ভাইপো   কামরলের অবস্থা আশংকা দেখে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য জরুরি ভাবে নিয়ে যায় গ্রামের স্থানীয়রা। কামরুল ও মনিরুল জানান প্রতিপক্ষরা মীমাংসা নিয়ে একমত নাহলে আমরা আইনের সহযোগিতা নিবো, এই জমি নিয়ে একবার না কয়েক বার বসাবসি ও হয়েছে। এলাকার অনেকে মুরুব্বি দের নিয়ে এবিষয়ে অনেকে বসেছেন। কিন্তু মানতে রাজি না আবু জাফর, এবং পৌরসভার আমিন দিয়ে মাপার পরেও ওয়ার্ডের মেম্বারদের নিয়েও বসেছিল কিন্তু তাতেও নারাজ মোঃ জাফরের ছেলে জাকারিয়া  কিবরিয়া ও আসিব, কথায় কথায় হুমকি ধামকি দিয়ে আসেন এলাকায়। হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে, জাকারিয়া ও কিবরিয়া, অসাধু অবৈধ ব্যবসা বানিজ্য করে হঠাৎ জমির ঠপরে পাঁচ তলা বিশিষ্ট বিশাল বহল একটি বিল্ডিং তৈরি করছেন এই জাকারিয়া ও কিবরিয়া, এর পিছনে কোন না কোন রহস্য লুকিয়ে আছে। এলাকার স্থানীয় মানুষ জানান এরা এখানে স্থানীয় বাসিন্দা আমাদের পাশের শরিক, কিবরিয়া ও জাকারিয়ার বাবা আবু জাফর পা ভ্যান চালাতো সংসার টা কোন রকম চলতো, জাফরের কষ্ট না দেখতে পেরে আত্তি ওরা আবু জাফর কে একটি ব্যাটারি ভ্যান কিনে দেন,  আর বড়ো ছেলে কিবরিয়া কাঠের মিস্ত্রির কাজ করতো, মেজ ছেলে  খুব কষ্টের সাথে যুদ্ধ করে লেখাপড়া করতেন জাকারিয়া, এখন দেখছি দু এক বছরের মধ্যে কোটিপতি বোনে গেছে, এনিয়ে এলাকার সব হতাশ হয়ে পড়েন, কোথায় পেলো এতো টাকা, এতো দিন যাদের ঠিকমতো খাওয়া হতো না তিন বেলা তিন মুঠ  ভাত। এটাকার ভিত কোথা থেকে আসলো, এখন জাফরের ফ্যামিলির সদস্যরা বিলাশ বহল জীবন জাপান করেন ফ্যামিলি নিয়ে আবু জাফর। প্রতি বেশি মনিরুল ও কামরুল বলেন আমরা এক জায়গায় বসবাসকারী আমাদের সাথে তাদের কোনদিন ঝগড়াঝাটি হয়নি কিন্তু এখন তারা সবকাজে মাথা চাড়া দেয় হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছ  এবং মানুষের উপর চড়াও হয়  যখন তখন গায়ের উপরে ঝাপিয়ে পড়েন জাফরের দুই ছেলে কিবরিয়া ও জাকারিয়া। কথায় কথায় ধারওয়ালা  অস্ত্র ও  জিয়াই পাইপ লম্বা দাও নিয়ে ছুটে আসেন, জাকারিয়া মরিয়া হয়ে উঠছে, যাদের একবেলা ঠিক মতো ভাত খেতে পরতো না তারা এখন কোটি কোটি টাকা পায় কোথায়। আবু জাফর বলেন আমার দোকান ও ব্যাবসা আছে তাতে আমার চলে। কিন্তু স্থানীয়রা বলেন আপনি ভাই কোটি কোটি টাকা কোথায় পেলেন জবাবে কোন কথা।না।বলে সেখান থেকে চলে জান আবু জাফর। আবু জাফর ও জাকারিয়ার  তাদের এখন দোকান পাট ব্যবসা বানিজ্য শুধু মাএ শো এদেখিয়ে চলেন তারা। কাউকেই জানতে দেয় না  কিন্তু আসল রহস্য টা খুজলে কেছো খুড়তে কেউটি সাপ বেরিয়ে আসবে মনে করেন এলাকার স্থানীয় মানুষেরা। আঃ করিম ও তার দুই ছেলে বলেন সিমানা নিয়ে আপস না করলে আইনি ব্যাবস্তা নিবো আমরা।

৮নাং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ শফিকুর আলম বাবু বলেন সিমানা নিয়ে এ বিষয়ে আমরা দেখবো। চিকিৎসা নিয়ে আসলে এক জায়গায় বসে যাতে মিমাংসা সমাধান হয়।

Labels: ,

Tuesday, September 23, 2025

সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত




সাতক্ষীরায় মানবাধিকার সুরক্ষা কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরায় “প্রান্তিক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের মানবাধিকার ও সামাজিক অংশগ্রহণ শক্তিশালীকরণ-হোপ” প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে মানবাধিকার সুরক্ষা (সিএসও) কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘নেটজ বিডি’ এর সহায়তায় মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা শহরের মিনি মার্কেট সংলগ্ন ম্যানগ্রোভ হলরুমে রিচার্স ইনিশিয়েটিভস্, বাংলাদেশ (রিইব) এ সভার আয়োজন করে। সাতক্ষীরা সদর সিএসও কমিটির সভাপতি অ্যাড. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে রিইব এর হোপ প্রকল্পের এরিয়া সমন্বয়কারী রেহেনা পারভীনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা সদর সিএসও কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাহফুজা পারভীন, প্রচার সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, সিএসও সদস্য আসাদুজ্জামান সরদার, গৌরপদ দাস, মো. আলী আকবার, মো. আসাদুজ্জামান লাভলু, আ: মোহায়মিন প্রমুখ। 

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা সিএসও কমিটিরি ত্রৈমাসিক সভায় সিএসও সদস্যরা বিগত সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী তাদের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও সফলতার কথা তুলে ধরেন। বক্তারা বলেন, সদর উপজেলা সিএসও’র কয়েকজন সদস্য সম্প্রতি একটি বাল্য বিয়ে পন্ড করেছেন। এছাড়া সমাজের পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর কিছু সংখ্যক মানুষকে সরকারী বিভিন্ন অনুদানের অর্থ প্রাপ্তিতে সহায়তা, অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইনী সহায়তার ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও মানবাধিকারভিত্তিক কাজ করেছেন।’ এছাড়া আগামীতে সাতক্ষীরা সদর সিএসও সদস্য কর্তৃক সমাজের পিছিয়েপড়া জনগোষ্ঠীর কিশোরীদের বিনামূল্যে সহায়ক শিক্ষাদান, কিশোরীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা সামগ্রী বিতরণসহ বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন সিএসও সদস্যরা। 

Labels: ,

সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলার দাবীতে মানববন্ধন

 



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : সাতক্ষীরার চারশত বছরের ঐতিহ্য বহনকারী ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুরের মেলা আয়োজনের দাবীতে সাতক্ষীরায় বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা শহরের নিউমার্কেটের সামনে সাতক্ষীরা জেলা সম্মিলিত ব্যবসায়ী মহল ও সাতক্ষীরাবাসীর আয়োজনে প্রাক্তন  মন্ত্রী ডা. আফতাবুজ্জামান এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক জেলা শিক্ষা অফিসার কিশোরী মোহন সরকার, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক কল্যাণ ব্যানার্জি, সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল, জেলা নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আলি নুর খান বাবুল, উদীচী সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, সাতক্ষীরা জেলা ডেকোরেটর মালিক সমিতির কামরুজ্জামান কামু, সহ-সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, হোটেল রেস্তোরাঁ ও বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির জিল্লুর রহমান, বস্ত্র ব্যবসায়ী সমিতির মাসুম বিল্লাহ মিল্টন প্রমুখ। এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা বসানোর দাবীতে মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল ইসলাম ফারুক, সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক সোসাইটির সভাপতি তৌফিকুজ্জামান লিটু, নারী উদ্যোক্তা তামান্না তাসনিম, কণ্ঠশিল্পী আবু আফফান রোজবাবু, স্বদেশ এনজিও নির্বাহী পরিচালক মাধব দত্ত, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার শীল, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক এড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, ভাজা ও ফুচকা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বিল্লাল হোসেন ও মুনসুর রহমান প্রমুখ। 

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরার যতগুলি ঐতিহ্য রয়েছে তার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা অন্যতম। সাতক্ষীরার মানুষের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য লালন করে চলেছে গুড় পুকুরের মেলা। নার্সারি, ডেকোরেটর, হস্তশিল্প, কুটির শিল্প, চটপটি ফুচকা ও ভাজা মালিক সমিতি ও খেলার অসংখ্য নারী পুরুষ গৃহস্থালী সাজাতে বিভিন্ন পুণ্য ক্রয়ে  সারা বছর এই ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলাকে কেন্দ্র করে এই দিনটির অপেক্ষা করে থাকে। সেই মেলাটি আজ বিভিন্ন মুখী ষড়যন্ত্র করে মেলাটি বন্ধ করার পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রী মহল। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বাণিজ্য মেলা, বইমেলাসহ বিভিন্ন ধরনের মেলা চলছে। কোথাও মেলা বন্ধ নেই। শুধু আমাদের সাতক্ষীরা জেলায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থির দোহাই দিয়ে ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা বন্ধ করা হয়েছে। প্রশাসন যদি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মেলা বসানোর বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে আমরা কঠোর কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরায় গুড় পুকুরের মেলা বসাবো। 

মানববন্ধন শেষে সাতক্ষীরার ৪০০ বছরের ঐতিহ্যবাহী গুড় পুকুরের মেলা আয়োজনের দাবীতে পরবর্তীতে জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। মানববন্ধনের সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাতক্ষীরা জেলা শাখার সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান ও কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রাসেল।

Labels: ,

Sunday, September 21, 2025

বাদশার জোড়া গোলে ভোলাকে হারিয়ে সাতক্ষীরার জয়


ডেক্সনিউজ:বাদশার জোড়া গোলে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবলে সাতক্ষীরার অসাধারণ জয় অর্জন করেছে। তারা ভোলা জেলা ফুটবল দলকে ৪-১ গোলে পরাজিত করেছে।

রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৫ এর সাতক্ষীরা বনাম ভোলার ফিরতি লেগের এই খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ভোলা জেলা স্টেডিয়ামে ভোলা বনাম সাতক্ষীরার প্রথম লেগের খেলা ২-২ গোলে সমতা হয়।

খেলার প্রথমার্ধের ৭ মিনিটের মাথায় ডি-বক্সের বাইরে থেকে ৫ নাম্বার জার্সিধারী সাদ্দামের দুরপাল্লার সর্টে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দল। খেলার ১১ মিনিটের মাথায় ভোলা জেলা দলের ৬ নাম্বার জার্সিধারী পরিতোষের অসাধারণ হেডে ১-১ গোলে সমতা আনে। খেলায় আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে চলতে থাকে। খেলার ২৮ মিনিটের মাথায় শামিমের ভুল সর্টে নিশ্চিত এগিয়ে যাওয়া থেকে মিস করে সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দল। সাতক্ষীরা ও ভোলা জেলা ফুটবল দল ১-১ গোলে সমতা নিয়ে বিরতিতে যায়।

বিরতি থেকে ফিরে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ডি-বক্সের ভিতরে ডুকে খেলার ৪৮ মিনিটের ৭ নাম্বার জার্সিধারী বাদশার অসাধারণ গোলে ২-১ এগিয়ে যায় সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দল। খেলায় ২-১ গোলে এগিয়ে থেকে আক্রমণাত্ত্বক খেলতে থাকে সাতক্ষীরা। খেলার ৫৯ মিনিটের মাথায় সাতক্ষীরা জেলা দলের ৯ নাম্বার জার্সিধারী আল আমিনের অসাধারণ হেটে গোল হলেও অফ সাইডের ফাঁদে আটকে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের ৭৫ মিনিটের মাথায় আবারও ৯ নাম্বার জার্সিধারী আল আমিনের অসাধারণ গোলে ৩-১ এগিয়ে যায় সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দল। ৮৯ মিনিটের মাথায় ভালো জেলা দলের ডি-বক্সের ভিতরে সাতক্ষীরা দলের আল আমিনকে অন্যায়ভাবে আটকালে রেফারি সরাসরি প্লান্টির বাঁশি বাজায়। বাদশার প্লান্টি শুর্টে আউটে সাতক্ষীরা ৪-১ গোলে এগিয়ে যায়। খেলার নির্ধারিত সময়ে আর কোন অঘটন না ঘটায় সাতক্ষীরা ৪-১ গোলে ভোলাকে হারিয়ে জাতীয় ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে হোম গ্রাউন্ডে জয়ী হয়।

সাতক্ষীরা জেলা ফুটবল দলের হোম গ্রাউন্ডে প্রচুর দর্শকের উপস্থিতি খেলোয়াড়দের প্রচুর উজ্জীবিত করে।
খেলাটি পরিচালনা করেন রেফারি শেখ ফরিদ আহমেদ। সহকারী রেফারি ইশতিয়াক আহমেদ ফাহিম ও রমজান আলী। চতুর্থ রেফারি হিসেবে ছিলেন মাহাবুব মোড়ল। ম্যাচ রেফারি ছিলেন মো.শহিদুল ইসলাম লালু।

খেলায় সাতক্ষীরার মাঝ মাঠের খেলোয়াড় সাদ্দাম ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হন।
এর আগে, বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে এবং সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পালের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার এ্যাডহক কমিটির সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, তৈয়ব হাসান বাবু ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা আহবায়ক মো. আরাফাত হোসেন প্রমুখ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) রিপন কুমার বিশ্বাস, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু, সাতক্ষীরা পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান, জামায়াতে ইসলামী শহর শাখার সেক্রেটারী খোরশেদ আলম, জেলা তথ্য অফিসার মোঃ জাহারুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল ইসলাম, কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার অনুজা মন্ডল, তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীপা রানী, শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রণী খাতুন প্রমুখ।

Labels: ,

Thursday, September 18, 2025

আশাশুনী উপজেলার দরগাপুর ইউনিয়নে ইউপি সদস্য ঝর্না খাতুনের রাস্তার কাজে অনিয়ম

 

 



নিজস্ব প্রতিনিধ :আশাশুনী উপজেলার দরগাপুর ইউনিয়নের  খড়িয়াটি গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ঝরনা খাতুনের বিরুদ্ধে গ্রামের একাধিক মানুষের অভিযোগ পাওয়া গেছে। চেয়ারম্যান মিয়ারাজ আলীর মাধ্যমে প্রত্যেক মেম্বারদের রাস্তার কাজ দেন, এতে করে ১ নং ইটের পরিবর্তন করে ৩ নং ইট দিয়ে কাজ করান ইউপি সদস্য ঝর্না খাতুন। 

টাকা আত্মসাৎ করার জন্য। ঝরনা খাতুন কে এলাকার মানুষের সমন্বয়ে।

ঝরনা খাতুন কে সঠিক সিদ্ধান্ত প্রমাণিত করা হবে। ইউপি সদস্য আব্দুল বারী বলেন, একই কাজ আমিও করেছি এই মেম্বার হলো এক দুই ও তিন নাম্বার ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তার নামে অনেক দুর্নীতির অভিযোগ আছে। এই রাস্তার কাজের বাজেট এক লক্ষ পনেরো হাজার টাকা মাত্র। কাজটি হলো টি,আর এর কাজ এই রাস্তায় কাজে বালি ও ইট ২ নং ইট দিয়ে কাজ করেছেন।  কাজের শেষে ৭০ থেকে ৮০টা ইট থেকে গেলে স্থানীয় গ্রামের মানুষ মসজিদের কাজে ব্যবহারের জন্য রেখে যেতে বলেন কিন্তু ঝরনা ক্ষিপ্ত হয়ে এলাকার মানুষের সাথে অনেক গালিগালাজ করেন গ্রামের সবাই কে। এবং টিসিবির কার্ড গুলো সব নিজের আত্মীয়দের মাধ্যমে দেন তাতে করে আর কেউ পায় না, এই অভিযোগ তুলেছেন এলাকার মানুষ।

Labels: ,

মেম্বারদের অনাস্থার জবাবে পাল্টা অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রভাসের

 



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :সাতক্ষীরা  দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র মন্ডলের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন ৭ জন ইউপি সদস্য। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পাল্টা অভিযোগ করে বলেছেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।


সম্প্রতি কুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৭ জন নির্বাচিত ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে তারা বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র মন্ডল দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদে নানাবিধ অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে।


অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নিয়মিত পরিষদে উপস্থিত থাকেন না, নিজের নামে ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে বিল ভাউচার তৈরি করেন, ব্যক্তিগত কাজে পরিষদের সীলমোহর ও সম্পদ ব্যবহার করেন, গ্রাম আদালতের মামলায় দলীয় প্রভাব বিস্তার করেন এবং ভাতা কার্ড পরিবর্তন বা যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ইউপি সদস্যদের মতামতকে গুরুত্ব দেন না। এই সকল কার্যকলাপের কারণে ইউনিয়ন পরিষদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগকারীরা দাবি করেন। তারা জনস্বার্থে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রভাস চন্দ্র মন্ডলের পরিবর্তে প্যানেল চেয়ারম্যান-২ মোছাঃ ফতেমা খাতুনকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য ইউএনও-কে অনুরোধ জানান।


এদিকে, এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাস চন্দ্র মন্ডলও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি পাল্টা অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তার অভিযোগপত্রে তিনি বলেন, গত ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ থেকে তিনি প্যানেল চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং ইউনিয়ন পরিষদের ১০ জন সদস্যের সঙ্গে স্বচ্ছভাবে কাজ করছেন। তার দাবি, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং একটি বিশেষ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই অভিযোগ করেছে।


প্রভাস চন্দ্র মন্ডল আরও বলেন, তিনি ইউনিয়ন পরিষদে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হতে দেননি এবং একটি সুন্দর ও আদর্শ ইউনিয়ন গড়ে তোলার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। তিনি তার উন্নয়নমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করার জন্য এই ধরনের অভিযোগ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন এবং প্রশাসনের কাছে তার দায়িত্ব পালনে যাতে কোনো বাধা না আসে, সে বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

Labels: ,

Monday, September 15, 2025

তালাক দেওয়ায় স্বামীর বাড়ির ইট খুলে নিয়ে গেলো তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী!

 



তালাক দেওয়ায় স্বামীর বাড়ির ইট খুলে নিয়ে গেলো তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী!

গোলাম সাহারিয়া : সংসারে অশান্তির কারণে আইন মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছেন সাতক্ষীরা পৌর এলাকার বাটকেখালী গ্রামের মো. আঃ খালেকের ছেলে আলী হোসেন। তালাক দেওয়ার খবর শুনে স্বামীর বাড়ি থেকে সকল আসবাবপত্র, ঘরের চাল, জানালা-দরজাসহ খুলে নিয়ে গেছেন ইট পর্যন্ত। এঘটনায় সাতক্ষীরা সদর থানায় এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী স্বামী আলী হোসেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, ‘২৭ বছর আগে আলী হোসেনের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় দেবহাটার সুশীলগাতি এলাকার সাধু মিস্ত্রির মেয়ে সালমা খাতুনের সাথে। বর্তমানে ওই দম্পতি ৩ কন্যা সন্তানের জনক ও জননী। বড় ও মেঝো মেয়ে তাদের স্বামীর সংসারে থাকে। ১৪ বছর বয়সী ছোট মেয়েকে নিয়ে সুখেই সংসার চলছিলো তাদের। কিন্তু ঘটনার সূত্রপাত ছোট মেয়ের জন্মের পর থেকেই শুরু হয়।’ আলী হোসেন এজাহারে উল্লেখ করেছেন, ‘ছোট মেয়ের জন্মের পর থেকেই দিন দিন স্ত্রী সালমা খাতুন বেপরোয়া চলাফেরা শুরু করে। এমনকি দীর্ঘস্থায়ী পরিবার পরিকল্পনার কথা বলে স্থানীয় ডাক্তারের যোগসাজশে আলী হোসেনের পুরুষত্ব নষ্ট করে দেয় সালমা খাতুন। এছাড়া সালমা খাতুন বিভিন্ন পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আসছিলো বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি এসব পারিবারিক অশান্তির কথা উল্লেখ করে গত ০৪-০৫-২০২৫ ইং তারিখে স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক প্রদান ও দেনমোহরের টাকাসহ ডাকযোগে সালমা খাতুনের ঠিকানায় পাঠানো হয়। তালাকের কাগজ ও টাকা হাতে পাওয়ার পর স্বামীর বাড়ির সকল আসবাবপত্র, ঘরের চাল, জানালা-দরজাসহ ইট খুলে নিয়ে গেছেন ওই নারী।’ এ ব্যাপারে সালমা খাতুন তার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘তার স্বামী আলী হোসেন দীর্ঘদিন বাড়িতে থাকেন না। নিজের মেয়েদের খোঁজখবর রাখেন না। অন্যের বাড়িতে কাজ করে দীর্ঘ প্রায় ১৪ বছর তিনি নিজেই সংসার চালিয়ে মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়ে বিয়ে দিয়েছেন। ছোট মেয়েটা বর্তমানে ৭ম শ্রেণিতে পড়ছেন। একজন স্বামী ও বাবা হিসেবে আলী হোসেন তাদের জন্য কিছুই করেননি। উল্টে এতবছর সংসার করার পর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে আমাকে তালাক দিয়েছে।’ তিনি আরো জানান, ‘বাড়ির সকল আসবাবপত্র তার বাবার বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছেন। ঘরের প্রতিটি ইটও তার বাপের বাড়ির। এখানে আলী হোসেনে বিন্দুমাত্র অবদান নেই। এজন্য আমার জিনিস আমি নিয়ে যাচ্ছি।’

Labels: ,

মাছ চুরি করতে নিষেধ করায় যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল প্রতিপক্ষরা


মাছ চুরি করতে নিষেধ করায় যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিল প্রতিপক্ষরা

নিজস্ব প্রতিনিধি: পুকুর থেকে মাছ চুরি করতে নিষেধ করা ও পুকুরের ঢাল কেটে পানি অপসারণের ড্রেন কাটতে বাধা দেওয়ায় এক যুবককে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে প্রতিপক্ষরা। গত ০৫ সেপ্টেম্বর সকালে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার যুগিখালী ইউনিয়নের রামভাদ্রপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত ভুক্তভোগী যুবক মো. ইলিয়াস হোসেন বর্তমানে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ছেলের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর এ ঘটনার আইনি সহায়তা পেতে গত ০৯ সেপ্টেম্বর তিনজনকে আসামি করে কলারোয়া থানায় এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবকের পিতা মো. ইব্রাহিম ঢালী। ওই মামলায় নেদু সিরাজ গাজীর ছেলে মো. খলিল গাজী, মো. আলিম গাজী ও আলিম গাজীর ছেলে মো. হাফিজুল ইসলামকে আসামি করেছেন ইব্রাহিম ঢালী। 

মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ‘মো. ইব্রাহিম ঢালীর পুকুর থেকে প্রতিবেশী মো. খলিল গাজী ও তার ভাই মো. আলিম গাজী প্রায় সময় মাছ চুরি করে আসছিল। মাছ চুরির ঘটনা লোক মুখে শুনে সম্প্রতি মো. ইব্রাহিম ঢালী ওত পেতে থেকে তাদের দুই ভাইকে চুরির মাছসহ হাতেনাতে ধরে ফেলে। তখন তাদেরকে এমন-ধরনের অনৈতিক কাজ করতে নিষেধ করে ইব্রাহিম ঢালী সেখান থেকে চলে আসে। পরে মাছ চুরির বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে হাফিজুল, তার বাবা আলিম গাজী, চাচা খলিল গাজী বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য ইব্রাহিম ঢালীর পুকুরের পাড় কেটে পানি অপসারণের বাহানা বানায়। পুকুর রক্ষার্থে পুকুরের পাড় কাটতে নিষেধ করায় তারা ইব্রাহিম ঢালীকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারপিট করে। ইব্রাহিম ঢালীর আত্মচিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে মো. হাফিজুল ইসলাম সেখান থেকে চলে যায়। যাওয়ার সময় ইব্রাহিম ঢালী ও তার ছেলে ইলিয়াস হোসেনকে সময়-মত সুযোগ বুঝে হাত-পা ভেঙে দেওয়াসহ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায় হাফিজুল ইসলাম।’ 

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, ‘এ ঘটনার তিন দিন পরে গত ০৫ সেপ্টেম্বর সকালে ইলিয়াস হোসেনকে মাঠে একা পেয়ে মো. হাফিজুল ইসলাম, তার পিতা মো. আলীম গাজী, চাচা মো. খলিল গাজী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারপিট করে। ইলিয়াস হোসেন মারা গেছে ভেবে তাকে ধান ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায় আসামিরা। পরে লোকমুখে সংবাদ পেয়ে ইলিয়াস হোসেনের পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখে তারা সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করার পর জানা যায় ইলিয়াসের দুটি পা এবং একটি হাত ভেঙে গেছে। সেখানে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল থেকে খুলনা ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নিবিড় পরীক্ষা নীরিক্ষার পর জানা যায় বুকে প্রচন্ড আঘাতের ফলে ইলিয়াসের প্লিহা নষ্ট হয়ে গেছে। অপারেশনের মাধ্যমে সেটা কেটে ফেলতে হবে। নাহলে রোগী মারাও যেতে পারে। পরে ইলিয়াসের প্লিহা কেটে বাদ দেওয়া হয়েছে।’ 

ভুক্তভোগী ইলিয়াস হোসেনের পিতা মো. ইব্রাহিম ঢালী জানান, ‘সন্ত্রাসী হাফিজুল, তার বাবা আলীম ও চাচা খলিল আমার ছেলেকে মেরে হাত-পা ভেঙে দিয়েছে। তাদের মারধরের কারণে আমার ছেলের বুকে প্রচন্ড আঘাত পাওয়ার কারণে তার প্লিহা নষ্ট হয়ে গেছে। অপারেশন করে প্লিহা বাদ দেওয়া লেগেছে’। তিনি আরো জানান, ‘আমার ছেলে মারা গেছে ভেবে ওই সন্ত্রাসীরা ধান ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখে চলে যায়। আমি ওই সন্ত্রসীদের দৃষ্টাšত্মমূলক শা¯িত্মর দাবি করছি।’

অভিযুক্ত হাফিজুল ইসলাম জেলখানায় থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে কথা বলতে অপর আসামি খলিল গাজী ও আলীম গাজীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। 

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ইতিমধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ তৎপর আছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘ভুক্তভোগীর গুরুতর জখম হওয়ার বিষয়টিও আমারা নিশ্চিত হয়েছি। তিনি বর্তমানে খুলনায় চিকিৎসাধীন আছেন’।


Labels: , ,

সাতক্ষীরায় কারা মহাপরিদর্শকের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :সাতক্ষীরার যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে কারা মহাপরিদর্শক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহার হোসেনের বিরুদ্ধে ৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন অবসরপ্রাপ্ত ডিআইজি প্রিজন্স শেখ আব্দুল অমিক।


১৪ সেপ্টেম্বর বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাতক্ষীরা জর্জ কোর্টের সরকারি কৌশলী (জিপি) অসীম কুমার মণ্ডল।


মামলার বিবরণে জানা যায়, ২৩ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন কারাগারে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন শেখ আব্দুল অমিক। ২০১১ সালের ২৯ এপ্রিল অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক পদ থেকে অবসর নেন। অবসরের পর তিনি মাঝে মাঝে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কারা অধিদপ্তরের অনিয়ম নিয়ে মন্তব্য করলেও সংস্থার সুনাম রক্ষায় সচেষ্ট ছিলেন।


বাদীর অভিযোগ, ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল মহাপরিদর্শক স্মারক নম্বর ৫৮,০৪,০০০০,০২৮,০৫,০০১,২৫-২৭৯ এর মাধ্যমে তাকে দেশের সব কারাগারে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেন। এ চিঠি দেশের সব কারাগারে পাঠানো হয়, যা তার সামাজিক মর্যাদায় আঘাত হানে।


তিনি আদালতে জানান, একজন অবসরপ্রাপ্ত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হিসেবে এমন নিষেধাজ্ঞা বেআইনি ও অসম্মানজনক। প্রতিবাদপত্র ও লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও কোনো প্রতিকার না পেয়ে তিনি ৫ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন।


বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একে এম আক্তারুল কবির বলেন, “আমার মক্কেল একজন সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তা। তাকে বেআইনিভাবে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে অপমানিত করা হয়েছে।”


মামলাটি ১৪ আগস্ট দায়ের করা হয়। ১০ সেপ্টেম্বর কোর্ট ফি জমা দেওয়ার পর আদালত বিবাদীপক্ষকে সমন ইস্যুর নির্দেশ দেন। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে ৭ অক্টোবর।


রাষ্ট্রপক্ষের জিপি অসীম কুমার মণ্ডল জানান, মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। মহাপরিদর্শকের আদেশের যৌক্তিকতা আদালতে তুলে ধরা হবে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে মহাপরিদর্শকের সরকারি নম্বরে ফোন দিলে তার পিএ ফোর জানান, “স্যার বাইরে আছেন। আমি তাকে বিষয়টি জানাব।

Labels: ,

Saturday, September 13, 2025

ভোমরা স্থলবন্দর প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টার হাবিবুর রহমান হাবিব কে ক্রেস প্রদান

 


নিজস্ব প্রতিনিধ :ভোমরা স্থল বন্দর প্রেসক্লাবে ১৩ই সেপ্টেম্বর শনিবার বেলা ১১টার সময় প্রেসক্লাবের নিজস্ব কার্যালয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি তৌহিদুল হক তৌহিদের সভাপতিিত্বে ও সিনিয়ার সহ-সভাপতি এম এম আব্দুর রউফের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। ভোমরা স্থল বন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান (হাবিব)কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিমায়ের পর উপদেষ্টাকে ক্রেস প্রদান করা হয়। আলোচনা শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন স্থলবন্দর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কার্যনির্বা পরিষদের সিনিয়র সদস্য হাফেজ জি এম আব্বাস উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ডাক্তার শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জিএম আব্দুর রহিম, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক ছালেকা হক কেয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য মাস্টার্স শফিকুল ইসলাম। প্রধান উপদেষ্টা তিনি বলেন ২০০৭ সাল থেকে ক্লাবটি হাটি হাটি পা পা করে এ পর্যন্ত চলে আসছে, আমি ক্লাবের সকল সদস্যদের কে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানাই। যে ক্লাবটি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত চলে আসছে আমার সার্বিক সহযোগিতা থাকবে ইনশাআল্লাহ। তিনি ক্লাবের সদস্যদের শিক্ষানীয় বিষয় কিছু কথা বলেন সত্য সংবাদ ও সঠিক সেন্টেন্স দিয়ে লেখনির মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য উপদেশ দেন।

উপস্থিত ছিলেন যুগ্ন- সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, সহ-যুগ্ন সাহানারা খাতুন রিনা, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুজ্জামান শামীম, অর্থ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রঞ্জু, ক্রীড়া সম্পাদক আফজল হোসেন, প্রচার সম্পাদক এমদাদুল হক মিলন, দপ্তর সম্পাদক উত্তম কুমার, সদস্য আজিজুল ইসলাম, সদস্য মাওলানা জুবায়ের বিন আব্বাস, সদস্য মারুফ বিল্লাহ, সদস্য ঝরনা রানী মন্ডল, সদস্য হাসান সাহরিয়া রিপন, অফিস সহকারি সালমা সুলতানা রাখি প্রমুখ।

Labels: ,

Friday, September 12, 2025

দেবহাটায় অনৈতিক কাজের অভিযোগে একই স্কুলের শিক্ষক ও আয়া আটক, আদালতে প্রেরন

 



 ডেক্স নিউজ : দেবহাটায় অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে একই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও ঐ স্কুলের আয়াকে স্থানীয় জনতা আটক করে থানায় প্রেরন করার ঘটনা ঘটেছে।এ ঘটনায় পুলিশ আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আটককৃত শিক্ষক ও আয়াকে আদালতে প্রেরন করেছে। এছাড়া স্কুল ম্যানেজিং কমিটি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে উক্ত দুজনকে সাময়িক বহিষ্কার ও স্কুলের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

জানা গেছে, উপজেলার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী ও উক্ত স্কুলের আয়া জান্নাতুল ফেরদৌস দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার কারনে উক্ত স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হওয়া ও স্কুলের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ায় পূর্বের কমিটির সময় তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে সতর্ক করা হয়। কিন্তু তারা সে বিষয়ে সতর্ক না হয়ে তাদের অনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখে। এই কারনে ঐ মহিলার পারিবারিক অশান্তি সৃষ্টি হলে তিনি দেবহাটা উপজেলার কুলিয়া আশু মার্কেটে একটি ঘর ভাড়া করে থাকেন। বৃহস্পতিবার ১১ সেপ্টেম্বর রাত ১০টার দিকে ঐ এলাকার জনগন ঐ ভাড়া বাসা থেকে সঞ্জীব কুমার ও আয়া জান্নাতুল ফেরদৌসকে আটক করে থানায় সোপর্দ করে। আরও বিস্তারিত পত্রিকায়

Labels: ,

Thursday, September 11, 2025

সাতক্ষীরায় দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


সাতক্ষীরায় দুই দিন ব্যাপী মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি: সাতক্ষীরায় দুই দিন ব্যাপী এক মানবাধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। "নেটজ বাংলাদেশ" এর অর্থায়নে সাতক্ষীরা শহরের ম্যানগ্রোভ সভাঘরে রিইব 'রিসার্চ ইনিশিয়েটিভ বাংলাদেশ' এর হোপ প্রকল্পের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণটি আয়োজিত হয়। যেখানে মানবাধিকারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সিএসও সভাপতি অ্যাড. মো. রফিকুল ইসলাম। প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রিইব হোপ প্রকল্পের এরিয়া সমন্বয়কারী রেহেনা পারভীন।

প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ছিল মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে এর গুরুত্ব তুলে ধরা। প্রশিক্ষণে মানবাধিকারের সংজ্ঞা, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে এর পার্থক্য এবং দৈনন্দিন জীবনে মানবাধিকারের প্রয়োগ নিয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা করা হয়।

মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের বিশ্লেষণ

প্রশিক্ষক রেহেনা পারভীন মানবাধিকারের সংজ্ঞা তুলে ধরে বলেন, “মানবাধিকার হলো প্রতিটি মানুষের সহজাত এবং অলঙ্ঘনীয় অধিকার। এগুলো জাতি, ধর্ম, বর্ণ বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এর মধ্যে জীবন ও স্বাধীনতার অধিকার, নির্যাতন থেকে মুক্তি এবং আইনের চোখে সমতা অন্যতম।”

তিনি মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের মধ্যেকার পার্থক্যও সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, “মৌলিক অধিকার নির্দিষ্ট কোনো দেশের সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত এবং আদালতে বলবৎযোগ্য, যেখানে মানবাধিকার একটি সার্বজনীন ধারণা যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রযোজ্য। মানবাধিকার জন্মগত, কিন্তু মৌলিক অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদত্ত।”


অংশগ্রহণকারীরা এই প্রশিক্ষণ থেকে হাতে-কলমে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান লাভ করেন এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় নিজেদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন হন। এই ধরনের প্রশিক্ষণ সমাজে মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং সকলের জন্য একটি উন্নত ও ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ তৈরি করতে সহায়ক হবে বলে আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন।

Labels: ,

পুলিশে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণা, আটক-এক


 নিজস্ব প্রতিনিধি :সাতক্ষীরায় পুলিশের ট্রেইনিং রিক্রুট কনস্টেবল পদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। আটককৃতের নাম সামাদ আলী (৫৩)। তিনি সাতক্ষীরা শহরের রসুলপুর এলাকার মৃত ইমান আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার শহরের সংগীতা মোড় হতে ডিবির একটি টিম তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য স্বীকার করলে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা জানায়, সাতক্ষীরায় পুলিশের ট্রেইনিং রিক্রুট কনস্টেবল পদের জন্য বিভিন্ন ইভেন্টে পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর হতে প্রতারক সামাদ আলী বিভিন্ন প্রার্থীকে চাকুরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছিলো মর্মে পুলিশ গোপনে সংবাদ প্রাপ্ত হয়। উক্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রতারক সামাদ আলীকে সংগীতা মোড় এলাকা হতে সাতক্ষীরা ডিবি টিম অদ্য মঙ্গলবার গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য স্বীকার করলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ তাজুল ইসলাম মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে পেনাল কোড ১৮৬০ এর ১৮৮ ধারা মোতাবেক ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

Labels: ,

Wednesday, September 10, 2025

সাতক্ষীরায় ৭টা থেকে ৫টা পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :শিক্ষার মানোন্নয়নে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জেলার সব কোচিং সেন্টার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখতে হবে। এ সময়ের মধ্যে কোনো শিক্ষার্থীকে কোচিং সেন্টারে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত “শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। সভায় জেলার অনার্স-মাস্টার্স কলেজ এবং ফাজিল-কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রিপন বিশ্বাস, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মুহা. আবুল খায়ের, সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবুল হাশেম, সাতক্ষীরা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বাসুদেব বসু, সাতক্ষীরা আলিয়া কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুফতি আখতারুজ্জামান, আশাশুনি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. নজরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা।

জেলা প্রশাসক বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। শ্রেণিকালীন সময়ে কোনো শিক্ষক নিজ বাড়ি বা অন্য কোনো স্থানে কোচিং পরিচালনা করলে প্রশাসন মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেবে।”

তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালে ফটক তালাবদ্ধ রাখতে হবে যাতে অযথা আসা-যাওয়া না হয়। শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধূমপান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি পরীক্ষায় শতভাগ নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

মোস্তাক আহমেদ বলেন, বর্তমানে কোচিং অনেকটা ‘ফ্যাশনে’ রূপ নিয়েছে। এর ফলে প্রকৃত শিক্ষার চেয়ে অনেকে শুধুমাত্র কোচিং নির্ভর হয়ে পড়ছে। তাই অভিভাবকদের মানসিকতা পরিবর্তন করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত শিক্ষা অর্জনের প্রতি মনোযোগী করতে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয়কেই দায়িত্বশীল হতে হবে।

সভায় উপস্থিত শিক্ষাবিদরা জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

Tuesday, September 9, 2025

সাতক্ষীরার পিএন স্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমদ

 


মোঃ হাফিজ সাতক্ষীরাঃ

সাতক্ষীরার পিএন হাইস্কুল এন্ড কলেজ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহম্মেদ। তিনি ৯ আগষ্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে এসে এ প্লাস প্রাপ্তদের খোজ খবর নেন ও শ্রেণী কক্ষ পরির্দশন করেন।

এর আগে সাতক্ষীরা পিএন হাইস্কুল এন্ড কলেজে অভিভাবক সমাবেশ ও এ প্লাস প্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। ৯ আগষ্ট মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পিএন হাই স্কুলের হলরুমে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র রায় চৌধুরির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আবু হাসান, মোঃ রাজিব হোসেন। অভিভাবকের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন, শেখ মইন হাসান ও হাফিজা খাতুন।

শিক্ষক প্রশেনজিৎ বন্দপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফেজ সাইফুদ্দিন,, রাবেয় খাতুন, রোজিনা শিরিনা খাতুন, সাথি, সম্পা প্রমুখ।

Labels: ,

সাতক্ষীরার সদর হাসপাতালে রুগী কল্যাণ সমিতির সভা অনুষ্ঠিত

 


মোঃ হাফিজ সাতক্ষীরাঃ

সাতক্ষীরার জেলা সদর হাসপাতালের রুগী কল্যাণ সমিতির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় সিভিল সার্জনের অফিস কক্ষে সিভিল সার্জন ও তত্ত্বাবধায়ক ডা: মো. আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক সন্তোষ কুমার নাথ, বাংলাদেশ প্রাইভেট হাসপাতাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশন জেলা সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ্ব ডা. আবুল কালাম বাবলা, সাতক্ষীরা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শেখ শফিক উদ-দৌলা সাগর প্রমুখ। রুগী কল্যাণ সমিতির সভায় সংগঠনের আয়-ব্যয় ও অডিট সংক্রান্ত বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এসময় সাতক্ষীরা জেলা সদর হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Labels: ,

Monday, September 8, 2025

সাতক্ষীরায় এলজিইডির রাস্তা সংস্কারে ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে ২ বছরে শেষ হয়নি রাস্তাটি ওমর ফারুক বিপ্লব : সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়নের বিল শিমুলবাড়িয়ার রাস্তা সংস্কারে এলজিইডির কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। শিমুলবাড়িয়া এলাকায় ব্যবসায়ী ইউসুফের বাড়ির সামনে থেকে বিল শিমুলবাড়িয়া মোড় পর্যন্ত ১১৫০ মিটার রাস্তা সংস্কারের নামে গর্ত করে ঠিকাদার উধাও একটু বৃষ্টি হলে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। মানুষের যাতায়াতের রাস্তা খুড়েঁ দুই বছরের ও কাজটি শুরু করেনি এই ঠিকাদার। বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা জুড়ে মিনি পুকুরে পরিণত হয়েছে। ফলে কুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বিল শিমুলবাড়িয়া এলাকার ৩/৪ হাজার মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তা সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে কাজটি ফেলে রেখে মানুষের ভোগান্তি চরমে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজী মিজানুর রশিদ নামে রাস্তার কাজটি করছে এলজিইডি সূত্রে জানা যায়। প্রতিনিয়ত এলাকাবাসি ভোগান্তি শিকার হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নানা অজুহাতে কাজ ফেলে রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অন্যদিকে প্রকল্পের তদারকি কর্তৃপক্ষেরও রয়েছে চরম উদাসীনতা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকার মানুষ গর্ত করে রাখা মাটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সাইকেল,মোটরসাইকেল,ভ্যান, ইজিবাইক, নিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। জানা যায়, ১৮ মাস ধরে রাস্তাটি গর্ত করে রাখা রাস্তাটির কোন সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে রাস্তাটির এ বেহাল দশা। এলজিইডি প্রকৌশলী থেকে ১১৫০ মিটার রাস্তা ৮২ লক্ষ টাকায় টেন্ডার হয়। রাস্তার কাজের নির্ধারিত সময় পার হলেও রাস্তায় কোন কাজই হয়নি। শিমুলবাড়িয়ার বাসিন্দা মোঃ নাজমুল হাসান জানান, যখন রাস্তার কাজ শুরু হলো তখন আমরা এলাকাবাসী অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু শুরু হওয়ার পর ১৮ মাস কাজ বন্ধ হওয়ায় আমাদের চলাফেরা করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কোন রুগী অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়। আরো বলেন কয়েক সপ্তাহ আগে খুবই অসুস্থ একটি রুগীকে জীবন দিতে হয়েছে এই রাস্তার কারনে। রাস্তায় কাঁদা পানি ছিল যে যানবহন চলা অনুপযোগী সেই কারণে নিয়ে যেতে দেরি হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান। কথা হয় কয়েক জন ভ্যান ও ইজিবাইক চালক এর সাথে তারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে খুবই সমস্যা হচ্ছে আমাদের। আয় রোজগার করতে হবে, তাই প্রতিদিন ভ্যান,ইজিবাইক নিয়ে বের হতে হয়। রাস্তার কারণে ভ্যান ও ইজিবাইক অনেক সমস্যা হচ্ছে। এই অবস্থায় গাড়ি চালায় সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। সারা দিন গাড়ি চালাই যে টাকা পাই সেই টাকা গাড়ির কাজে খরচ করে ফেলতে হয় যত দ্রুত সম্ভব সড়ক ঠিক করে দেওয়ার জোর দাবী জানায়। মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, সড়কের কাজ শুরু হয়ে থেমে গেলো। এ কেমন অবিচার? কাজ যদি চলমান থাকতো তাহলে আমরা এ দুর্ভোগ মেনে নিতাম। কিন্তু কাজ চলবেনা, আবার দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এটা মেনে নেয়া যায় না। অনতিবিলম্বে আমাদের এই সড়ক সংস্কার করা হোক এ দাবী রাখছি। এই বিষয় দেবহাটা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল বলেন, ঠিকাদারের সাথে আমার কথা হয়েছে খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করবে। এই বিষয়ে জানার জন্য ঠিকাদার ফয়সালের কাছে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। সাতক্ষীরা জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ,এস, এম তারিকুল হাসান খান জানান, আমি নতুন জয়েন্ট করছি তার পরেও ওই এলাকা রাস্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। পনি উন্নয়ন বোর্ডের মাটি কাটার কারনে রাস্তাটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি খুব তাড়াতাড়ি কাজটি শুরু হবে।





ওমর ফারুক বিপ্লব  : সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়নের বিল শিমুলবাড়িয়ার রাস্তা সংস্কারে এলজিইডির কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। শিমুলবাড়িয়া এলাকায় ব্যবসায়ী ইউসুফের বাড়ির সামনে থেকে বিল শিমুলবাড়িয়া মোড় পর্যন্ত ১১৫০ মিটার রাস্তা সংস্কারের নামে গর্ত করে ঠিকাদার উধাও একটু বৃষ্টি হলে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। মানুষের যাতায়াতের রাস্তা খুড়েঁ দুই বছরের ও কাজটি শুরু করেনি এই ঠিকাদার।



বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা জুড়ে মিনি পুকুরে পরিণত হয়েছে। ফলে কুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বিল শিমুলবাড়িয়া এলাকার ৩/৪ হাজার মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তা সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে কাজটি ফেলে রেখে মানুষের ভোগান্তি চরমে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজী মিজানুর রশিদ নামে রাস্তার কাজটি করছে এলজিইডি সূত্রে জানা যায়। প্রতিনিয়ত এলাকাবাসি ভোগান্তি শিকার হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নানা অজুহাতে কাজ ফেলে রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অন্যদিকে প্রকল্পের তদারকি কর্তৃপক্ষেরও রয়েছে চরম উদাসীনতা।



সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকার মানুষ গর্ত করে রাখা মাটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সাইকেল,মোটরসাইকেল,ভ্যান, ইজিবাইক, নিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। জানা যায়, ১৮ মাস ধরে রাস্তাটি গর্ত করে রাখা রাস্তাটির কোন সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে রাস্তাটির এ বেহাল দশা। এলজিইডি প্রকৌশলী থেকে ১১৫০ মিটার রাস্তা ৮২ লক্ষ টাকায় টেন্ডার হয়।  রাস্তার কাজের নির্ধারিত সময় পার হলেও রাস্তায় কোন কাজই হয়নি।


শিমুলবাড়িয়ার বাসিন্দা মোঃ নাজমুল হাসান জানান, যখন রাস্তার কাজ শুরু হলো তখন আমরা এলাকাবাসী অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু শুরু হওয়ার পর ১৮ মাস কাজ বন্ধ হওয়ায় আমাদের চলাফেরা করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কোন রুগী অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়। আরো বলেন কয়েক সপ্তাহ আগে খুবই অসুস্থ একটি রুগীকে জীবন দিতে হয়েছে এই রাস্তার কারনে। রাস্তায় কাঁদা পানি ছিল যে যানবহন চলা অনুপযোগী সেই কারণে নিয়ে যেতে দেরি হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান।



কথা হয় কয়েক জন ভ্যান ও  ইজিবাইক চালক এর সাথে তারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে খুবই সমস্যা হচ্ছে আমাদের। আয় রোজগার করতে হবে, তাই প্রতিদিন ভ্যান,ইজিবাইক নিয়ে বের হতে হয়। রাস্তার কারণে ভ্যান ও ইজিবাইক  অনেক সমস্যা হচ্ছে। এই অবস্থায় গাড়ি চালায় সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। সারা দিন গাড়ি চালাই যে টাকা পাই সেই টাকা গাড়ির কাজে খরচ করে ফেলতে হয় যত দ্রুত সম্ভব সড়ক ঠিক করে দেওয়ার জোর দাবী জানায়।



মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, সড়কের কাজ শুরু হয়ে থেমে গেলো। এ কেমন অবিচার? কাজ যদি চলমান থাকতো তাহলে আমরা এ দুর্ভোগ মেনে নিতাম। কিন্তু কাজ চলবেনা, আবার দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এটা মেনে নেয়া যায় না। অনতিবিলম্বে আমাদের এই সড়ক সংস্কার করা হোক এ দাবী রাখছি।



এই বিষয় দেবহাটা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল বলেন, ঠিকাদারের সাথে আমার কথা হয়েছে খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করবে।



এই বিষয়ে জানার জন্য  ঠিকাদার ফয়সালের কাছে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।


 সাতক্ষীরা জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ,এস, এম তারিকুল হাসান খান জানান, আমি নতুন জয়েন্ট করছি তার পরেও ওই এলাকা রাস্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। পনি উন্নয়ন বোর্ডের মাটি কাটার কারনে রাস্তাটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি খুব তাড়াতাড়ি কাজটি শুরু হবে।



ওমর ফারুক বিপ্লব  : সাতক্ষীরা জেলার দেবহাটা উপজেলার ১নং কুলিয়া ইউনিয়নের বিল শিমুলবাড়িয়ার রাস্তা সংস্কারে এলজিইডির কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। শিমুলবাড়িয়া এলাকায় ব্যবসায়ী ইউসুফের বাড়ির সামনে থেকে বিল শিমুলবাড়িয়া মোড় পর্যন্ত ১১৫০ মিটার রাস্তা সংস্কারের নামে গর্ত করে ঠিকাদার উধাও একটু বৃষ্টি হলে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। মানুষের যাতায়াতের রাস্তা খুড়েঁ দুই বছরের ও কাজটি শুরু করেনি এই ঠিকাদার।



বৃষ্টি হলে পুরো রাস্তা জুড়ে মিনি পুকুরে পরিণত হয়েছে। ফলে কুলিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বিল শিমুলবাড়িয়া এলাকার ৩/৪ হাজার মানুষকে প্রতিদিন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। রাস্তা সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে কাজটি ফেলে রেখে মানুষের ভোগান্তি চরমে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজী মিজানুর রশিদ নামে রাস্তার কাজটি করছে এলজিইডি সূত্রে জানা যায়। প্রতিনিয়ত এলাকাবাসি ভোগান্তি শিকার হচ্ছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নানা অজুহাতে কাজ ফেলে রেখেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অন্যদিকে প্রকল্পের তদারকি কর্তৃপক্ষেরও রয়েছে চরম উদাসীনতা।



সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এলাকার মানুষ গর্ত করে রাখা মাটির ওপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সাইকেল,মোটরসাইকেল,ভ্যান, ইজিবাইক, নিয়ে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমতাবস্থায় বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে। জানা যায়, ১৮ মাস ধরে রাস্তাটি গর্ত করে রাখা রাস্তাটির কোন সংস্কার করা হয়নি। যার কারণে রাস্তাটির এ বেহাল দশা। এলজিইডি প্রকৌশলী থেকে ১১৫০ মিটার রাস্তা ৮২ লক্ষ টাকায় টেন্ডার হয়।  রাস্তার কাজের নির্ধারিত সময় পার হলেও রাস্তায় কোন কাজই হয়নি।


শিমুলবাড়িয়ার বাসিন্দা মোঃ নাজমুল হাসান জানান, যখন রাস্তার কাজ শুরু হলো তখন আমরা এলাকাবাসী অনেক খুশি হয়েছিলাম। কিন্তু শুরু হওয়ার পর ১৮ মাস কাজ বন্ধ হওয়ায় আমাদের চলাফেরা করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। কোন রুগী অসুস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে অনেক কষ্ট হয়। আরো বলেন কয়েক সপ্তাহ আগে খুবই অসুস্থ একটি রুগীকে জীবন দিতে হয়েছে এই রাস্তার কারনে। রাস্তায় কাঁদা পানি ছিল যে যানবহন চলা অনুপযোগী সেই কারণে নিয়ে যেতে দেরি হওয়ায় অসুস্থ অবস্থায় মারা যান।



কথা হয় কয়েক জন ভ্যান ও  ইজিবাইক চালক এর সাথে তারা জানান, এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতে খুবই সমস্যা হচ্ছে আমাদের। আয় রোজগার করতে হবে, তাই প্রতিদিন ভ্যান,ইজিবাইক নিয়ে বের হতে হয়। রাস্তার কারণে ভ্যান ও ইজিবাইক  অনেক সমস্যা হচ্ছে। এই অবস্থায় গাড়ি চালায় সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। সারা দিন গাড়ি চালাই যে টাকা পাই সেই টাকা গাড়ির কাজে খরচ করে ফেলতে হয় যত দ্রুত সম্ভব সড়ক ঠিক করে দেওয়ার জোর দাবী জানায়।



মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, সড়কের কাজ শুরু হয়ে থেমে গেলো। এ কেমন অবিচার? কাজ যদি চলমান থাকতো তাহলে আমরা এ দুর্ভোগ মেনে নিতাম। কিন্তু কাজ চলবেনা, আবার দুর্ভোগ পোহাতে হবে। এটা মেনে নেয়া যায় না। অনতিবিলম্বে আমাদের এই সড়ক সংস্কার করা হোক এ দাবী রাখছি।



এই বিষয় দেবহাটা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী দ্যুতি মন্ডল বলেন, ঠিকাদারের সাথে আমার কথা হয়েছে খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করবে।



এই বিষয়ে জানার জন্য  ঠিকাদার ফয়সালের কাছে মুঠোফোনে একাধিক বার ফোন দিলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।


 সাতক্ষীরা জেলা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী এ,এস, এম তারিকুল হাসান খান জানান, আমি নতুন জয়েন্ট করছি তার পরেও ওই এলাকা রাস্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়েছি। পনি উন্নয়ন বোর্ডের মাটি কাটার কারনে রাস্তাটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি খুব তাড়াতাড়ি কাজটি শুরু হবে।

Labels: ,

Sunday, September 7, 2025

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে সন্ত্রাসী কায়দায় কোপালেন গণধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী

 



ডেক্স নিউজ : সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে জেলা গণধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী হাসান ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শাহিনুর কবিরসহ তাঁর ছোট ভাই সাইফুল্লাহ ও ভাবি পারুল সুলতানা।


শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তৈলকুপি ভাঙ্গারিঘাট এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।


আহত শাহিনুর সরুলিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। অভিযুক্ত হাসানুর রহমান হাসান জেলা গণধিকার পরিষদের সভাপতি প্রার্থী। তিনি পতিত আওয়ামী লীগের সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী আ ফ ম রুহুল হকের ঘনিষ্ঠজন হিসেবেও পরিচিত।


এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাছের ঘের থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে জমি জায়গার বিরোধের পূর্বের জের ধরে তৈলকুপি ভাঙ্গারিঘাট এলাকায় শাহিনুর কবিরকে লোহার রড, হাতুড়ি, দা, জিআই পাইপ ও বাঁশের লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা করে। দোকানে আশ্রয় নিলে শাটার ভেঙে তাঁকে আবারও বেধড়ক মারধর করা হয়।


এ সময় ছোট ভাই সাইফুল্লাহ ও ভাবি পারুল সুলতানা ছুটে এলে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের কোপে সাইফুল্লাহ গুরুতর জখম হন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে সেলাই দিতে হয়। পারুল সুলতানাকে পিটিয়ে জখম করার পাশাপাশি তাঁর গলার সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয়। হামলাকারীরা শাহিনুরের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।


শাহিনুর অভিযোগ করেন, ২০২৩ সালের বিএনপির দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে পতিত সরকারের সাবেক মন্ত্রী রুহুল হক এবং তালা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ঘোষ সনৎ কুমারের প্রভাবে র‍্যাব তাঁকে গ্রেপ্তার করে। সে সময় দীর্ঘদিন জেল খাটতে হয় তাঁকে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে সরকারি প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন হাসান।


এ ঘটনায় শাহিনুরের বাবা লিয়াকাত গাজী পাটকেলঘাটা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এতে হাসানসহ তাঁর ১০ সহযোগীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত হাসানুর রহমান হাসান বলেন, জমির কাগজ আমাদের রয়েছে, কিন্তু তারা জোর করে দখল করে রেখেছে। আইন হাতে তুলে মারধর করার মতো ঘটনা ঘটানো ঠিক হয়েছে কিনা? এমন প্রশ্নে তিনি এড়িয়ে যান।


পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিনুর রহমান  বলেন, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


Labels: ,

প্রধান শিক্ষিকা তফুরা খাতুনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ



শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু :সাতক্ষীরার দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তফুরা খাতুনের বিরুদ্ধে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নাম নিজের বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার অভিযোগ 

সাতক্ষীরা সদরের দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান  শিক্ষিকা তফুরা খাতুনের বিরুদ্ধে অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নাম নিজের বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখিয়ে তাদেরকে অবৈধভাবে সরকারি উপবৃত্তির টাকা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

সরোজমিনে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থীর নাম হাজিরা খাতায় থাকলেও তারা সেখানে কখনোই ক্লাস করে না, শুধুমাত্র তাদের নামে উপবৃত্তির টাকা উঠানো হয়। 

বিস্তারিত জানতে কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম এই বিদ্যালয় থেকে নিয়ে যাচাইয়ের জন্য শহরের নবারুণ মোড়ে অবস্থিত একরা একাডেমিতে গিয়ে জানা যায়,জালসান রহমান তিশাকে দক্ষিণ সুলতানপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী দেখানো হয়েছে, কিন্তু সে ইকরা একাডেমীর নিয়মিত শিক্ষার্থী। তবে সে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উপবৃত্তির টাকা পেয়ে থাকেন। 

একই অবস্থা আব্দুর রহমান নামের এক শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রেও, তাকে দক্ষিণ  সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা দেয়া হয় কিন্তু সে একরা একাডেমির নিয়মিত ছাত্র।


এদিকে খাদিজা খাতুন,আশিকুর রহমান,আবরার ওয়াসীফ, সাদিকুল, রুম্মান,ফিরদাউস রহমান,শাম্মি আক্তার তানহা,মীম,সুয়াজ,সাইয়ারা হক,শ্রেয়শী,ইব্রাহিম,সাবিনা,সামিউল,নাজিফা তানজিহাসহ অনেক শিক্ষার্থীকে দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি দেখিয়ে উপবৃত্তির টাকা উত্তোলন করা হলেও  তারা শহরের একরা একাডেমি,রসুলপুর মাদ্রাসা,কিন্ডারগার্টেন,নবজীবন,পি,এন,বিয়াম,মাদার তেরেসা কিন্টারগার্ডেন,টাউন সুলতানপুরসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়মিত শিক্ষার্থী বলে জানা যায়। 

বিষয়টি নিয়ে জানতে কয়েকজন অভিভাবকের সাথে কথা বললে তারা জানান,অত্র বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা তফুরা খাতুন ও সহকারী শিক্ষিকা নাহিদ সুলতানা পরস্পর যোগসাজশে এধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। সহকারী শিক্ষিকা নাহিদ সুলতানা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সাথে চিল্লাচিল্লি করে কথা বলে এবং ভয়ভীতি  প্রদর্শন করে এমন কি শিক্ষকদের ও দপ্তরির সাথেও প্রতিনিয়ত  ঝগড়াঝাঁটি করে থাকে বলে তারা জানান।

বিষয়টি নিয়ে প্রধান শিক্ষিকা তফুরা খাতুনের নিকট জানতে চাইলে, তিনি অকপটে শিকার করে বলেন আমার বিদ্যালয়টিতে ছাত্র-ছাত্রী কম থাকায় আমি এগুলো করেছি,যদি ভুল হয়ে থাকে আমি আর করব না। 

সরকারি অর্থ তসরূপের বিষয়ে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দুর্নীতিবাজ প্রবীর মন্ডলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন মানবিক কারণে হয়তো প্রধান শিক্ষিকা এদিক সেদিক করছে, প্রবীর মন্ডল আরো বলেন দক্ষিণ সুলতানপুর প্রাইমারি স্কুল তার ক্লাসটারের ভিতরে স্কুলটিতে হাতেগোনা 40 থেকে 45 জন ছাত্রছাত্রী আছে। তবে আমরা বিষয়টি যাচাই করে দেখব।

ঘটনার বিষয়টি জানতে সাতক্ষীরা সদর উপজেলা প্রাথমিক  শিক্ষা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোন অবস্থাতেই মেনে নেওয়া যাবে না, দ্রুত বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 এদিকে সচেতন এলাকাবাসী অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা তফুরা খাতুন ও সহকারী শিক্ষিকা নাহিদ সুলতানার বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।

Labels: ,

Friday, September 5, 2025

কাশেমপুরে ১১বছরের শিশুকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু : পারিবারিক বিরোধের জেরে মোরসালিন নামের ১১ বছরের এক শিশুকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুর পৌনে একটার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের সরদারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে মাজেদের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।


ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক মাহফুজুর রহমান শাওন ও তার মা নাজমা আক্তারকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে তাদেরকে একটি গাছের সাথে বেঁধে রাখে। পুলিশ ঘাতক মফিজুর রহমান শাওন ও তার মাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। উদ্ধার করেছে মোরসালিমের লাশ।

নিহত মোরসালিন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের নির্মাণ শ্রমিক রাজু আহমেদের ছেলে।

আটককৃত মাহফুজুর রহমান শাওন একই গ্রামের আইনজীবী সহকারী আবু সাঈদের ছেলে।


নির্মাণ শ্রমিক রাজু আহমেদ জানান, তার সঙ্গে প্রতিবেশী আইনজীবী সহকারী আবু সাঈদের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। তার ছেলে মোরসালিন গত বছর চতুর্থ শ্রেণীতে পড়াকালীন সময় স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। আবু সাঈদ বিভিন্ন সময়ে তাকেসহ গ্রামের বহু নিরীহ মানুষকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করে হয়রানি করেছে।


শুক্রবার দুপুরে শাওন ও মোরসালিন একইসাথে গোসলের সময় কলার ভেলা চড়ছিল মাজেদের পুকুরে। দুপুর পৌনে একটার দিকে মোরসালিন বাড়ি যাওয়ার জন্য ভেলা থেকে নামতে যায়। এতে শাওন বাধা দেয়। একপর্যায়ে শাওন মোরসালিনকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে।



সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম জানান, মফিজুর রহমান শাওন একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। মাজেদের পুকুরে গেসল করার সময় ভেলা চড়ার একপর্যায়ে মোরসালিনকে শুক্রবার দুপুর পৌনে একটার দিকে পানিতে ডুবিয়ে মেরে ফেলে।


ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর হাত থেকে শাওন ও তার মা নাজমা আক্তারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। নিহত মোরসালিনের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Labels: ,

সাতক্ষীরায় ট্রাফিক পুলিশের জনসচেতনতামূলক অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু  :

জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় সাতক্ষীরায় ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতামূলক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের গুরুত্বপূর্ণ খুলনা রোড মোড়ে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।


অভিযানে ট্রাফিক পুলিশ চালক ও পথচারীদের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করে ট্রাফিক আইন মেনে চলার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী বিভিন্ন যানবাহনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মোট ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।


এ সময় চালকদের উদ্দেশ্যে ট্রাফিক সচেতনতামূলক বেশ কয়েকটি বার্তা প্রচার করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—


“ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, নিরাপদ সড়ক গড়ে তুলুন।”


“গাড়ির বৈধ কাগজ সঙ্গে রাখুন, ট্রাফিক পুলিশকে সহায়তা করুন।”


“সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি, হেলমেট ব্যবহার করুন, নিরাপদ থাকুন।”


“হাইড্রোলিক হর্ণ বাজাবেন না, শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকুন।”


“অপরিচিত গাড়ির যাত্রী হবেন না এবং অপরিচিতের দেওয়া খাবার খাবেন না।”


“সন্দেহজনক কিছু দেখলে নিকটস্থ পুলিশকে জানান অথবা সাতক্ষীরা পুলিশ কন্ট্রোল রুমে (০১৩২০-১৪৩০৯৮) যোগাযোগ করুন।”


“মাদক সেবন পরিহার করুন, সুস্থ থাকুন।”


“গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন বা হেডফোন ব্যবহার করবেন না।”


“জেব্রা ক্রসিং ব্যবহার করুন, শিশু ও বৃদ্ধদের সাহায্য করুন।”


“অতিরিক্ত লোড নিবেন না, উল্টো পথে গাড়ি চালাবেন না।”


অভিযানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ) মোঃ আনোয়ার করির ও মোঃ শফিকুল ইসলাম, টি আই প্রশাসন শাহাবাজউদ্দিন এবং সার্জেন এস.এম. নাজমুল শিকদার।

Labels: ,

Thursday, September 4, 2025

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ৪কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বিনা নোটিশে সাসপেন্ড

 


শেখ রেজাউল ইসলাম বাবলু:সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার, (জিএম) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম)সহ চার কর্মকর্তা কর্মচারীকে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিনা নোটিশ সাসপেন্ড করার খবর পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর একটি দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ জুলফিকার রহমান, ঝাউডাঙ্গা জোনাল অফিসের ডিজিএম বাচ্চু রহমান, কালিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. মাহফুজুর রহমান ও লাইন টেকনিশিয়ান মো. জাহিদুর রহমান এই চারজনকে বিনা নোটিশেই সাসপেন্ড করা হয়েছে। সমগ্র দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কর্মকর্তা দীর্ঘদিন সময় চাকুরির বৈষম্য ও স্থায়ীকরণ, সাময়িক বহিষ্কৃত কর্মকর্তাদের চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে গত চারদিন ধরে বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সকল কর্মকর্তা কর্মচারীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে আসছিলেন। আন্দোলনরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানিয়েছে এটা বিগত সরকার সময় থেকে আন্দোলন শুরু হয়েছে। সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নাম প্রকাশের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীরা জানিয়েছে বহিষ্কৃত কর্মকর্তা কর্মচারীদের চাকরি কোন বহালের দাবী ওঠে। বিআরবি এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ব্যবধান এবং দুর্বল যন্ত্রপাতি, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

গ্রাহকদের হারামি করছে বিআরবি। গত চারদিন যাবত আন্দোলনরত কর্মকর্তা কর্মচারীরা সাংবাদিকদের জানিয়েছে, আন্দোলন চলছে এবং চলবে এমন মন্তব্য করেছেন আন্দোলরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সাথে তারা চাকরি স্থায়ীকরণের দাবি তুলেছেন। সমগ্র দেশের ন্যায়, সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদরদপ্তর পাটকেলঘাটা কার্যালয়ের সামনে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত চারদিন যাবৎ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।


আশাশুনির কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসার মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচির

 

 


 মোঃ হাফিজ: জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের আন্তরগত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল ( ডিগ্রি)  মাদ্রাসা যা ১৯৬৫ সাল থেকে খুলনার দক্ষিণে একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে আজও মাথা উঁচু করে অত্যান্ত সুনামের সাথে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। 

এই প্রতিষ্ঠান শিক্ষার গুনগত মান অএ এলাকার সকল প্রতিষ্টান থেকে অনেক অংশে ভালো ১৯৬৫সাল থেকে আজ পর্যন্ত হাজার হাজার গরীব দুঃখী আসহায় ছেলে মেয়ে পড়ালেখা করে আসছে। হাজারো শিক্ষক, প্রোফেসর,মাওলানা, সচিব,সহ সরকারী কর্মকর্তাদের তৈরি  এই প্রতিষ্টান থেকে। 

২০১৭ সালেএই মাদ্রাসা সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সাতক্ষীরা জেলার জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের থেকে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ও পেয়েছিল। 

উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর দাখিল, আলেম ও ফাজিল শ্রেরেনি তে শত শত ছেলে মেয়ে পড়ালেখা করে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। 

এখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায়১০০ ভাগ। বর্তমানে ৬০০শরাধিক ছাএ ছাএী এখানে পড়াশোনা করছে। কিন্তু অত্যান্ত দুঃখের বিষয় এই যে মাদ্রাসাটির সামনের মাঠটি এতনিচু যে সামান্য বৃষ্টিতে পানির তলায় তলিয়ে যায়। এছাড়া  চার পাশে কোন প্রকার দেওয়াল বা পাচিল না থাকায় ছেলে মেয়েরা নিরাপত্তা হীন তায় ভুগছে। তাই এলাকা বাসির দাবি যত দ্রুত মাদ্রাসার বাউন্ডারি সহ মাঠের ভরাট কাজটি করে ছাএ ছাএীদের নিরাপত্তা সহ বিনিদনের ব্যবস্তা হয় তার ব্যবস্থাকরতে উদ্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যেহেতু জনাব ডি,সি ( রাজস্ব) মহোদয় উক্ত প্রতিষ্ঠানের গভঃ বডির প্রধান সেহেতু আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন দিয়েছি,জেলা পরিষদ বরাবর আবেদন দিয়েছি। আতএব মহোদয় একটু সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মাদ্রাসা টি একটি আর্কসনিয় মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিতহবে।

Labels: ,

সাতক্ষীরার কুখ্যাত সন্ত্রাসী কোপা মাসুদ গ্রেপ্তার

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা সদর সেনা ক্যাম্পের নেতৃত্বে পরিচালিত যৌথ অভিযানে সাতক্ষীরার কুখ্যাত সন্ত্রাসী মাসুদ রানা ওরফে কোপা মাসুদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে সেনা সদস্যরা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এসময় তার সহযোগী মো. শেখ বাদশা এবং স্থানীয় মাদকসেবী জুয়েল রানাকেও আটক করা হয়। 

গ্রেপ্তারের সময় কোপা মাসুদের কাছ থেকে ৯০পিস ইয়াবা ও একটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে মাদকসেবী জুয়েল রানা গাঁজা সেবনের কোলকি এবং ৫ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক হয়।

কোপা মাসুদ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার, মাদকসেবন ও ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে স্থানীয়রা জানান। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে এবং তিনি এর আগে কারাভোগও করেছেন। সম্প্রতি গত ৫ আগস্ট থেকে সে পুনরায় এলাকায় সক্রিয় হয়ে কয়েক লক্ষ টাকা চাঁদা আদায় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ব্রহ্মরাজপুর ও ধূলিহর এলাকার সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা কোপা মাসুদের ভয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বাভাবিকভাবে জীবন-যাপন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছিল না। সেনাবাহিনীর এই অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে স্থানীয়রা স্বাগত জানিয়েছে।

সাতক্ষীরার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী এমন অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে সোপর্দ করার হয়েছে।




Labels: ,

সাংবাদিক মাসুদ আলীর সহধর্মিণীর মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদের শোক

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : জাতীয় দৈনিক একুশের সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি মাসুদ আলীর সহধর্মিণী নিলুফা ইয়াসমিনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছে  সাতক্ষীরা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ।


  বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর)  সকাল সাড়ে ১০টায় সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন নিলুফা ইয়াসমিন  (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন কিডনি রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক কন্যা সন্তানের জননী ছিলেন।


তাঁর অকাল মৃত্যুতে সাতক্ষীরা সাংবাদিক কল্যাণ পরিষদ গভীর শোক প্রকাশ করেছে। সংগঠনের সভাপতি  দৈনিক জাগরণ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি  মোঃ আনিসুর রহমান ও   সাধারণ সম্পাদক দৈনিক জবাবদিহি শাহজাহান আলী মিটন সহ সকল নেতৃবৃন্দ শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।


সংগঠন মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন এবং পরিবারের প্রতি ধৈর্য ও সাহসের প্রার্থনা করেছেন। এছাড়াও সাতক্ষীরা জেলা সাংবাদিক, সহকর্মী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা নিলুফা ইয়াসমিনের স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন।


সাংবাদিক মহল তার অকাল মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। দীর্ঘদিন রোগভোগের পর শান্তিতে প্রয়াত হওয়া নিলুফা ইয়াসমিনের বিদেহী আত্মার শান্তি ও জান্নাতের উচ্চতম মর্যাদা কামনা করা হয়েছে। তার অমূল্য অবদান ও সহমর্মিতা সাংবাদিক সমাজে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

Labels: ,

Wednesday, September 3, 2025

ঝিনাইদহের যে গ্রামে ছেলে-মেয়েদের রাস্তার কারণে বিয়ে হচ্ছে না

 




 এনামুল খন্দকার: সুফলা শস্য শ্যামলা’ই ভরা একটি গ্রাম, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কোনো অভাব নেই এই গ্রামে, অথচ আধুনিকতার ছোঁয়া নেই গ্রামটিতে। এই গ্রামে মাসের পার মাস কোনো উৎসব দেখা যায় না, হয় না কোনো বিয়ে, আসে না কোনো বর যাত্রী। শিক্ষার্থী ও রোগীসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে চলাচলে কষ্ট পোহাতে হয় এ অঞ্চলের মানুষকে। বৃষ্টির পানি জমে বেহাল অবস্থা সড়কটির। কাদাযুক্ত ছোট বড় গর্তে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এই সড়ক দিয়েই অতিকষ্টে যাতায়াত করছে ঝিনাইদহ জেলার ২নং মধুহাটী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড যাদবপুর গ্রামের প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ। একটু বৃষ্টি হলেই থেমে যায় যায় তাদের দৈনিন্দ্য জীবনের কর্মব্যস্ততা। বেহাল যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে এই এলাকার মানুষদের সঙ্গে আত্মীয়তা করতে চান না অন্য এলাকার বাসিন্দারা। বর্তমান টানা বৃষ্টিপাতের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে গ্রামবাসী ঘরবন্ধী অবস্থায় দিন পার করছেন।


                স্কুল-কলেজে যাওয়া’তো দূরে থাক, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের জন্য মসজিদে যেতে পারছেন না গ্রামের মানুষ। কোথাও বের হলেই অনেক সময় হোঁচট খেয়ে মারাত্মক যখমের শিকার হচ্ছেন তারা। শিশু থেকে বয়স্ক সকল বয়েসের মানুষের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ছে রোগ ব্যাধি। এ থেকে মুক্তি পাচ্ছে না গবাদিপশুরাও, সঠিক সময়ে খাবারের অভাবে রোগাক্রান্ত হচ্ছে গ্রামের গবাদিপশুগুলো।


                স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি যাদবপুর গ্রামবাসী। ফলে সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় ভরে জলাবদ্ধ হয়ে পড়ে এই গ্রামের রাস্তা। বর্তমান সময়ে বছরের পর বছর কাদা পানি ভেঙে বেচে থাকার তাগিদে সংগ্রাম করে যাচ্ছে এই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।


                স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, আমাদের গ্রামের ছেলে-মেয়েদের বিয়ে হয় না এই রাস্তার কারণে। অনেক বিয়ের প্রস্তাব ফিরে যায় শুধু এই রাস্তার জন্য। আমি এখন ডাক্তার দেখিয়ে আসলাম। এই রাস্তা দিয়ে একজন রোগী কীভাবে বাড়ি যাবে আপনারাই বলেন? আমাদের চলাচলে বহু কষ্ট এই রাস্তাটি দিয়ে।


                স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকার ক্ষমতাই আসার পরেও, গ্রামের এই রাস্তা সংস্কারের কথা থাকলেও নির্বাচনের পরে সবকিছুই ভুলে যান নেতাকর্মীরা, যার ফলে যোগাযোগ ব্যাবস্থা না থাকায় চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসী। এতে রিক্সা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ কোনো যানবাহন এই গ্রামে যাতায়াত করতে পারে না। কেও অসুস্থ হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহরমুখী হতে গেলে গ্রামের সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এ ছাড়াও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা ক্লাসসহ বিভিন্ন পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে না। যার কারণে পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষা ব্যাবস্থা।


                স্থানীয়রা আরো বলেন- দীর্ঘ প্রায় ৫ কিলোমিটার এই রাস্তটি পাকা হলে যাদবপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের সাথে যোগাযোগ ব্যাবস্থা সহজ হবে। আশে পাশের সকল গ্রামের মানুষ এই রাস্তাটি ব্যাবহার করে তাড়াতাড়ি শহর মুখি হতে পারবে সেই সাথে রাস্তার পাশে থাকা আবাদি জমিগুলোর দাম বৃদ্ধি পাবে। কেও অসুস্থ হলে তাকে দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য সহজেই হাসপাতালে নেওয়া যাবে।


                স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ বিশ্বাস বলেন, আমার আয়ের মূল উৎস কৃষি কাজ, আমি কৃষি কাজ করে আমার পরিবারের সকল চাহিদা মিটিয়ে থাকি। কিন্তু প্রতি বছর হালকা থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে কৃষি জমিগুলো চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, যার ফলে বছরের প্রায় চার থেকে পাচ মাস জমিতে কোনো চাষাবাদ করা যায় না। যাতায়াত ব্যাবস্থা না থাকায় সঠিক সময়ে চাষ করা ফসল বিক্রয়ের জন্য বাজারে নেওয়া সম্ভব হয় না, এজন্য বেশিরভাগ ফসল ঘরেই নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আর্থিকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকি আমরা।


                স্থানীয় আরো এক বাসিন্দা ফারুক বিশ্বাস দৈনিক আমাদের বসুন্ধরা  ’কে” বলেন, রাস্তার এমন অবস্থা হয়েছে যে, এলাকায় কোনো গর্ভবতী নারীদের যদি ডেলিভারি টাইম অথবা ইমার্জেন্সি পেইন ওঠে তাহলে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো ব্যাবস্থা পাওয়া যায় না। এমনকি রাস্তার কারনে ছেলে-মেয়ের বিয়েও ঠিকঠাক হয় না, কারণ কেও এই গ্রামে আসতে চায় না।


                মধুহাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান জানান, বর্ষাকালে স্কুলে যাওয়া খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে, অনেক সময় শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে পারে না, এ ছাড়াও বর্ষাকালে স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি তেমন দেখা যায় না।


                জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) মানোয়ার উদ্দিন বলেন, পূর্বের তালিকা অনুযায়ী এই সড়কের কোনো লিস্ট আমাদের কাছে ছিলো না। ইতিমধ্যে এই কাঁচা রাস্তাটির ব্যাপারে আমরা জানতে পেরেছি। এ সম্পর্কে জানা মাত্রই মাঠ পর্যায়ে আমরা পরিদর্শন করেছি।  বর্তমানে যশোর প্রকল্পের একটি তালিকা করা হয়েছে, সেই প্রকল্পে আমরা আপাতত এই গ্রামের ২ কিলোমিটার রাস্তার জন্যওুও আবেদন করেছি। এই প্রকল্পের বাজেট আসলেই আমরা দ্রুত কাজ শুরু করবো এবং গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে বলে আরো জানান তিনি।

Labels: ,

Tuesday, September 2, 2025

তালায় নাতনীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী নানা গ্রেফতার!

 


নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মাছিয়াড়া গ্রামে ১৫ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রতিবেশী নানা সামাদ গাজী (৫২) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। সে খলিলনগর ইউনিয়নের মাছিয়াড়া গ্রামের মৃত এজাহার আলী গাজীর পুত্র। ধর্ষিতা কিশোরী বর্তমানে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে। 

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি বেলা আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে সামাদ গাজী প্রতিবেশী নাতনীকে একা পেয়ে তার বাড়িতে যান। পান খাওয়ার কথা বলে তিনি ঐ কিশোরীর শোবার ঘরে প্রবেশ করেন। এক পর্যায়ে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং মুখ চেপে ধরে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, উক্ত ঘটনার পর থেকে আসামি বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ঐ কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। উক্ত ঘটনায়  ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে তালা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩) এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং-৩, তারিখ-০২/০৯/ ২০২৫। উক্ত মামলায় পুলিশ সোমবার রাতে তাকে গ্রেফতার করে। 

 তালা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মাইনউদ্দিন জানান, সোমবার রাতে অভিযুক্ত সামাদ গাজীকে গ্রেফতার করা হয় এবং মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

Labels: ,

Monday, September 1, 2025

নাটোরে গলা কেটে চিকিৎসককে হত্যা, জনসেবা ক্লিনিক থেকে লাশ উদ্ধার

 



আয়নাল হক, নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড় এলাকায় অবস্থিত জনসেবা ক্লিনিকে ভয়াবহ এক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ক্লিনিকের ভিতর থেকে ডা. এ এইচ এম আমিরুল ইসলাম (৬০) নামের এক চিকিৎসকের গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।


নিহত ডা. আমিরুল ইসলাম জনসেবা ক্লিনিকের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তিনি ড্যাব-এর সাবেক আহ্বায়ক ও নাটোর সিভিল সার্জন অফিসের সাবেক এমওসিএস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার গ্রামের বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাঁশবাড়িয়া গ্রামে।


ক্লিনিকের স্টাফ আলামিন জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে স্যার ঘুমিয়েছিলেন। সাধারণত তিনি সকাল ১১টার দিকে ঘুম থেকে ওঠেন। কিন্তু দুপুর গড়িয়ে গেলেও ঘুম থেকে না উঠায় সন্দেহ হয়। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করা হয়। এসময় তাকে নিজ বিছানায় গলা কাটা অবস্থায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে থানায় খবর দেয়া হয়।


খবর পেয়ে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুক্তাদির আরিফিন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি বলেন, “আমরা একজন অভিজ্ঞ ও আস্থাভাজন চিকিৎসককে হারালাম। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।”


নাটোরের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন জানান, “বিষয়টি জানার পরই পুলিশের সব ইউনিট ঘটনাস্থলে যায় এবং লাশ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রযুক্তিগত সহায়তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”


ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Labels: ,

সাতক্ষীরা শহরে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে যানজট



সাতক্ষীরা শহরে ভোগান্তি বাড়াচ্ছে যানজট

নিজস্ব প্রতিনিধি : সাতক্ষীরা জেলা শহরে যানজট এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। বিশেষ করে সকাল ও বিকালের ব্যস্ত সময়ে শহরের প্রধান সড়কগুলোতে দেখা যায় তীব্র যানজট। যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি তৈরি করছে। যানজটের কারণে বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকুরীজীবি ও সাধারণ পথচারীরা বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ভুক্তভোগীরা বলছেন, শহরের এই যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো জেলার বাইরে থেকে আসা অতিরিক্ত ইজিবাইক, মাহেন্দ্রা (থ্রি-হুইলার) ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান। সাতক্ষীরার সচেতন মহলের দাবি, ‘সাতক্ষীরা শহরের রাস্তাগুলো তুলনামূলকভাবে সরু ও অপরিকল্পিত। অথচ প্রতিদিন বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে হাজার হাজার ইজিবাইক এবং মাহেন্দ্রা-বাটারিচালিত ভ্যান শহরে প্রবেশ করছে যাত্রী পরিবহনের উদ্দেশ্যে। এদের বেশিরভাগেরই কোনো নির্দিষ্ট রুট পারমিট বা লাইসেন্স নেই। ফলে এদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না, বরং শহরের প্রতিটি মোড়ে, বাজার এলাকায় ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবাধে চলাচল এবং অস্থায়ী স্ট্যান্ড বানিয়ে দীর্ঘ সময় যাত্রীর অপেক্ষায় দাড়িয়ে থেকে যানজট সৃষ্টি করছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা বলছেন, “সকাল-বিকালে শহরে চলাফেরা করা দুঃসহ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে সাতক্ষীরা শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ হাটের মোড়, সংগীতা মোড়, কেষ্ট ময়রার মোড়, পাকাপোল মোড়, পিএনস্কুল মোড়, নিউমার্কেট মোড়, খুলনা রোড মোড় এলাকায় যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। অনেক সময় ৫ মিনিটের রাস্তা পাড়ি দিতে আধা ঘণ্টা লেগে যায়।” 

সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়েশা সিদ্দিকা জানান, ‘প্রায় প্রতিদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় নিউ মার্কেট মোড় থেকে শুরু করে পাকাপোল পর্যন্ত রাস্তায় যানজট থাকে। যানজটের ফলে প্রায় সময় স্কুলে পৌঁছাতে দেরি হয়। এই যানজটের মধ্যেও ইজিবাইক গুলো যাত্রীর জন্য রাস্তার যেখানে সেখানে দাড়িয়ে পড়ে। এতে যানজট আরো দীর্ঘ হয়’। 

অ্যাম্বুলেন্স চালক মঈনুল ইসলাম জানান, ‘সাতক্ষীরা শহরের এখন প্রতিনিয়ত যানজট লেগে থাকে। অনেক সময় রোগী নিয়ে যানজটে দাড়িয়ে থাকতে হয়। মানুষ এখন অ্যাম্বুলেন্সকেও সাইড দিতে চায় না। অ্যাম্বুলেন্সে রোগী থাকলেও যানজটে দীর্ঘ সময় দাড়িয়ে থাকা লাগে। যানজট নিরসনে প্রশাসনকে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী। 

একজন বেসরকারী চাকুরিজীবি আরিফুল ইসলাম জানান, ‘সাতক্ষীরা নিউ মার্কেট মোড় অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা। কিন্তু সরকারিভাবে কোন যানবাহনের স্টপেজ না থাকলেও প্রতিদিন রাস্তার উপরে মাহেন্দ্রা রেখে যাত্রী ওঠা-নামা করায়। এছাড়া সেখানে রাস্তার উপরেই মাহেন্দ্রা স্ট্যান্ড তৈরি করে ফেলেছে। যানজট হয় মানুষ রোদে ধুলায় যানজটে দাড়িয়ে থাকে, অথচ মাহেন্দ্রাগুলো রাস্তার উপরে এলোমেলো ভাবে দাড় করিয়ে যাত্রী উঠায়। এসব অবৈধ স্ট্যান্ডগুলো উচ্ছেদ করলে যানজট কিছুটা কমতে পারে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া উচিৎ’।

জানা গেছে, ‘শহরে চলাচলের জন্য সাতক্ষীরা পৌরসভা থেকে ৬৯৫টি ইজিবাইকের অনুমোদন দেওয়া আছে। কিন্তু সাতক্ষীরা শহরে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার পাঁচশো থেকে দুই হাজার ইজিবাইক চলাচল করে’। সম্প্রতি জেলা যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কমিটির সভায় এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও কর্মসূচির কথা উল্লেখ হলেও বাস্তবে তার বিন্দুমাত্র প্রয়োগ হয় না বলে দাবি করছেন জেলা সচেতন মহল।  জেলার সচেতন মহলের দাবি সাতক্ষীরা শহরের যানজট নিরসনে শহরে প্রবেশের নির্দিষ্ট পয়েন্টে ইজিবাইক ও মাহেন্দ্রার প্রবেশ সীমিত করতে হবে, বিকল্প রুট চালু ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন করতে হবে, অবৈধ যানবাহন শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন বৃদ্ধি করতে হবে। তাহলে যানজট নিরসন সম্ভব হবে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরার নাগরিকরা এখন দ্রæত ও কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায়। নতুবা যানজটের এই সমস্যা শহরের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে আরও অচল করে তুলবে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।


Labels: ,